himachal elections

শিমলা: কেরলের মতোই এ রাজ্যেও পাঁচ বছরে সরকার বদলে যাওয়ার রীতি। তবে কেরলে কংগ্রেস আর বামেদের মধ্যে লড়াই হলেও এখানে লড়াইটা কংগ্রেস আর বিজেপির মধ্যে। বিজেপি মনে করছে, রাজ্যের ঐতিহ্য মেনেই এ বার ক্ষমতায় আসবে তারা, অন্য দিকে কংগ্রেস মনে করছে বিমুদ্রাকরণ এবং জিএসটি’র ফলে বিজেপি বিরোধী ভোটই বেশি হবে রাজ্যে। এর মধ্যে তৃতীয় শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করছে সিপিআইএমও। ফল কী হল তা দেড় মাস পরে জানা গেলেও, ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেল হিমাচলের।

নতুন সরকারকে বেছে নিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোট দিল হিমাচল প্রদেশ। এ দিন সকাল থেকেই রাজ্যের ৬৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটদান শুরু হয়। নির্বিঘ্নে ভোট হওয়াই হিমাচলের রীতি। এ বারও এখনও পর্যন্ত কোনো অশান্তির খবর আসেনি।

রাজ্যে লড়াই মূলত দুই বৃদ্ধ হেভিওয়েটের মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা ৮৩ বছরের বীরভদ্র সিংহ এবং বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ৭৩ বছরের প্রেম কওমার ধুমলের মধ্যে। রাজ্যের ৬৮ জন বিধায়কের মধ্যে ৬২ জনই এ বার নির্বাচনে লড়ছেন।

ক্ষমতায় যে তাঁর দলই আসবে, সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বীরভদ্র এ দিন বলেন, “আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবই।” অন্য দিকে ধুমল বলেন, ৬৮-এর মধ্যে ষাটের ওপর আসন তাঁর দল পাবেই। ধুমলের ছেলে তথা বিজেপি নেতা তথা বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “কংগ্রেস-মুক্ত হিমাচল গড়ার জন্য হিমাচলবাসী বদ্ধপরিকর।”

এই সবের মধ্যেই নিজেদের ‘দায়িত্বশীল বিরোধী’ হিসেবে তুলতে চাইছে সিপিআইএম। রাজধানী শিমলা, থিয়গ এবং কুসুমপটি কেন্দ্রে ভালো ফল করা ব্যাপারে আশাবাদী তারা। সে জন্য নির্বাচনী প্রচারে বৃন্দা কারাত, মহম্মদ সেলিমের মতো হেভিওয়েটদের নিয়েও গিয়েছিল তারা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here