kohli after completing his century at centurion on 16th feb 2018

সেঞ্চুরিয়ন: প্রথমে শার্দূল গর্জন, পরে আরও একটা ‘বিরাটপিস’। ফল, ফের দক্ষিণ আফ্রিকাকে পিষে দিল ভারত। বিদেশের মাঠে সাম্প্রতিক কালের সব থেকে একপেশে একদিনের সিরিজ জিতে গেল বিরাটবাহিনী।

এই সিরিজের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে বিরাটের কোনো শতরান ছিল না। কিন্তু ছ’ম্যাচের সিরিজ ভারত যখন শেষ করল তখন বিরাট তাঁর কেরিয়ারে আরও তিনটে শতরান যোগ করে ফেলেছেন। সচিনকে টপকে যেতে বিরাটের দরকার আর মাত্র ১৫টা শতরান।

বিরাটের সামনে এ দিন কখনোই স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের, ঠিক যেমন প্রথম ইনিংসে স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি ব্যাটসম্যানদের। প্রোটিয়া ইনিংসকে এ দিন ভাঙার দায়িত্ব নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে প্রথম খেলতে নামা শার্দূল ঠাকুর।

টসে জিতে প্রোটিয়াদের ব্যাট করতে পাঠান বিরাট কোহলি। ভারতীয় বোলারদের বিশেষ করে শার্দূলের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের প্রতিরোধ দেখাতে পেরেছিলেন শুধুমাত্র জোন্দো। নিজের কেরিয়ারের প্রথম অর্ধশতরান করেন তিনি। ভালো খেলেছিলেন ডেভিলিয়ার্সও। দু’জনের মধ্যে ৬২ রানের জুটি ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে বলার মতো কিছুই ছিল না।

আরও পড়ুন: সচিনের দশ নম্বর জার্সিকে ‘অবসরে’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত বিসিসিআইয়ের

মাত্র ২০৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ভারতকে কখনোই চ্যেলেঞ্জের মুখে ফেলতে পারেনি। সিরিজ আগেই হেরে যাওয়ায় জেতার বাড়তি কোনো তাগিদ চোখে পড়েনি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে। দু’টো উইকেট যে পড়েছে সেটাও বলা যেতে পারে রোহিত শর্মা এবং শিখর ধাওয়ানের দয়ায়।

দ্বিতীয় ইনিংসে বলার জিনিস শুধু একটাই। বিরাট কোহলি। এ রকম একটা ইনিংস খেলার পর ম্যাচের সেরা এবং সিরিজ সেরার পুরস্কার কে জিতেছে সেটা তো সহজেই অনুমেয়। যে সাবলীলতায় তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের পিষে ফেললেন, তাতে এটা বলাই যায় আসন্ন বিদেশ সফরগুলিতেও তিনি ফর্মের শীর্ষেই থাকবেন।

সামনের বছর বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় শিবিরে এই জয় ভারতীয় শিবিরে বড়ো স্বস্তি এনে দিল। বিশ্বকাপের আগে ভারতের এখন বেশ কয়েকটা বিদেশ সফর আছে। বিরাটের কাছে এখন চ্যালেঞ্জ, এই ফল ধরে রেখে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফল করা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here