কলকাতায় পারদ নেমে সাড়ে দশে, শিলিগুড়ির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছে, ঠান্ডা থেকে আপাতত রেহাই নেই

0

কিন্তু কী ভাবে হঠাৎ এই শীতের কামড় গ্রাস করল গোটা রাজ্যকে? বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা এর জন্য দায়ী করেছেন একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝাকে। এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত কোনো শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আঘাত না করলেও অনেকগুলো দুর্বল ঝঞ্ঝাই আঘাত হেনেছে উত্তর ভারতকে। যার ফলে কাশ্মীর থেকে অরুণাচল, তুষারপাত হয়েছে পুরো হিমালয়েই। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে শীতল ঠান্ডা হাওয়া। তাঁর কথায়, “উত্তর ভারতের আকাশ পরিষ্কার থাকায়, ইউরোপ থেকে ঠান্ডা বাতাস, ভূমধ্য সাগর পেরিয়ে খুব সহজেই ভারতে এসে পড়ছে। এখন বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে কোনো নিম্নচাপও নেই। সুতরাং বাতাসে জলীয় বাষ্পও বিশেষ নেই। এই সব কারণেই বাধাহীন ভাবে বইছে উত্তুরে হাওয়া।” শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, শীত খেল দেখাচ্ছে গোটা দেশেই। উত্তর এবং উত্তরপশ্চিম ভারতের কথা ছেড়ে দেওয়া যাক। গরমের জায়গা হিসেবে পরিচিত মুম্বইয়েই সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে যা পাঁচ ডিগ্রি কম। এমনকি চেন্নাইয়েও সোমবার তাপমাত্রা ছিল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতকালেও চেন্নাইয়ের তাপমাত্রা কুড়ি ডিগ্রির ওপরে থাকাই দস্তুর। আপাতত এই শীতের থেকে বিশেষ রেহাই নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে রবীন্দ্রবাবু। আগামী অন্তত দু’তিন দিন কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যেই এ রকমই থাকবে তাপমাত্রা। বরং আরও কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভাগ্য ভালো থাকলে, পাঁচ বছর পরে দশের নীচে নেমে যেতে পারে কলকাতার তাপমাত্রাও।]]>

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here