miss world manushi chillar

বেজিং: ১৭ বছরের খরা কাটল। সেই ২০০০ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা জিতেছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। এত বছর পরে আবার সেই শিরোপা এল ভারতের ঝুলিতে। হরিয়ানার মানুশি ছিল্লর জিতলেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ খেতাব।

চিনের উপকূল শহর সান্যয় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় সারা বিশ্বের ১১৮ জন প্রতিযোগী যোগ দিয়েছিলেন। ফাইনাল রাউন্ডে পাঁচ জন এই খেতাবের দাবিদার ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, কেনিয়া ও মেক্সিকোর সুন্দরীদের হারিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা ছিনিয়ে নেন ২০ বছরের মানুশি। এমএমবিএস-এর তৃতীয় বর্ষের এই ছাত্রীকে বিশ্বসেরার মুকুটটি পরিয়ে দেন গত বারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ পুয়ের্তো রিকোর স্তেফানি দেল ভায়ে। প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানার্স আপ হয়েছেন মিস ইংল্যান্ড স্টেফানি হিল এবং দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়েছেন মিস মেক্সিকো আন্দ্রেয়া মেজা।

সোনীপতের বিপিএস মেডিক্যাল কলেজ ফর উইমেন-এর ছাত্রী মানুশির আদত বাড়ি হরিয়ানারই ঝজ্জর জেলার বামনলি গ্রাম। তাঁর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি কবিতা লেখেন, ভালো ছবি আঁকেন এবং কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পী। তিনি একজন কার্ডিয়াক সার্জন হতে চান।

খেতাব জেতার পরে মানুশি তাঁর টুইটারে লেখেন, “প্রত্যেককে ধন্যবাদ, আমাকে ভালোবাসা, সমর্থন জুগিয়ে যাওয়া এবং আমার হয়ে প্রার্থনা করার জন্য। এই খেতাব ভারতের জন্য।”

ফাইনাল রাউন্ডে মানুশিকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার মতে কোন পেশায় সব চেয়ে বেশি বেতন হওয়া উচিত?

জবাবে মানুশি বলেন, “আমি মনে করি এক জন মায়ের সব চেয়ে বেশি শ্রদ্ধা পাওয়া উচিত। আর আপনারা যখন বেতনের কথা বলছেন তখন বলি, বেতন যে খালি নগদে হয় তা নয়। কাউকে ভালোবাসা ও সম্মান জানালে সেটাও বেতন হিসাবে গণ্য করা যায়। আমার মা আমার জীবনে সব চেয়ে বড়ো অনুপ্রেরণা।”

মানুশিকে নিয়ে এ পর্যন্ত ছ’ জন ভারতীয় এই শিরোপা জিতলেন। ১৯৬৬ সালে রিতা ফারিয়া প্রথম ভারতীয় হিসাবে এই খেতাব যেতেন। মানুশি ও প্রিয়ঙ্কা ছাড়া বাকি তিন জন হলেন ঐশ্বর্য রাই (১৯৯৪), ডায়ানা হেডন (১৯৯৭) এবং যুক্তা মুখী (১৯৯৯)।

এ ছাড়া আজ পর্যন্ত মাত্র দু’ জন ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জিতেছেন। এঁরা হলেন সুস্মিতা সেন (১৯৯৪) এবং লারা দত্ত (২০০০)।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here