kerala floods
বন্যা কবলিত পালাক্কাড় শহর। ছবি: পিটিআই

তিরুঅনন্তপুরম: ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে কেরলের বন্যা পরিস্থিতি। শুক্রবার খোলা হয়েছে ইদুকি বাঁধের আরও দুটি স্লুইস গেট। ফলে আরও অনেক জায়গা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ভালো পরিকল্পনার জন্য মৃতের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম।

কেরলের এ বার বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। গত ২৬ বছরে এত পরিমাণ বৃষ্টি হয়নি। সেই কারণেই ২৬ বছরে এই প্রথম বার খোলা হয়েছে ইদুকি বাঁধের স্লুইস গেট। বাঁধের জল ধারণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ২৪০৩ মিটার। এই মুহূর্তে জল রয়েছে ২৪০১ মিটারে। ফলে বাঁধের গেট খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

এর পাশাপাশি ভাবাচ্ছে কেরলের বর্তমান আবহাওয়া। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি কমার কোনো লক্ষ্মণই নেই। রাজ্যের পরিস্থিতিকে খুবই উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

এখনও পর্যন্ত বন্যা এবং বিভিন্ন জায়গায় ধসের ফলে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। তবে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, পরিকল্পনা ঠিকঠাক না থাকলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত।

কার্যত গোটা কেরলই অতিবৃষ্টির সম্মুখীন। তবে সব থেকে খারাপ পরিস্থিতি উত্তরের ওয়েনাড় জেলার। ধসের ফলে গোটা দেশের সঙ্গেই এই জেলাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালাতে সেনা, নৌসেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নামানো হয়েছে।

কেরলের বন্যা মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে পড়শি তামিলনাড়ু। রাজ্যকে পাঁচ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী।  

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন