manoj

বাংলা ৪১৯ (অভিষেক ১৭৬, মনোজ ১২৩, ঋষি ধাওয়ান ৪-৮৬)

হিমাচল ১৬৩-৫ (বর্মা ৬৪, খান্দুরি ৫২, দিন্দা ২-৩৯)

কলকাতা: বাংলার খাড়া করা বিশাল স্কোরের ভালোই জবাব দিচ্ছিল হিমাচল। কিন্তু দিনের শেষে জ্বলে উঠল শামি-দিন্দা জুটি। দুই পেসারের দাপটে দিনের শেষে ব্যাকফুটে চলে গেল পাহাড়ি দলটি।

অবশ্য শামি-দিন্দার আগে এ দিন সকাল উজ্জ্বল করে রেখেছিলেন এক জনই। বঙ্গ অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। ষষ্ঠ উইকেটে শ্রীবৎস গোস্বামীর সঙ্গে ৬৪ রানের বেশ বড়ো পার্টনারশিপ তৈরি হয় মনোজের। এই জুটিতে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন মনোজই। হিমাচলি বোলারদের ঠেঙিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আরও একটি শতরান করে ফেলেন তিনি। তবে শ্রীবৎস এবং তার কিছু পরে মনোজ আউট হওয়ায় বাংলার ইনিংসের মোটামুটি যবনিকা পতন হয়ে যায়। দু’টো চার এবং দু’টো ছক্কার সাহায্যে ঝোড়ো একটা ইনিংস খেলেন শামি। তিনি আউট হয়েই বংলার ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ঋষি ধাওয়ানরা। আইপিএলের পরিচিত মুখ ঋষি ধাওয়ানই হিমাচলের হয়ে সব থেকে বেশি চারটে উইকেট পান।

বাংলার রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই প্রশান্ত চোপড়ার উইকেট হারায় হিমাচল। কিছু দিন আগেই ঝোড়ো ত্রিশতরান করে সকলের নজর কেড়েছিলেন প্রশান্ত। তাঁর উইকেট যে বাংলার বড়ো প্রাপ্তি ছিল তা বলাই যায়। কিন্তু বিপদে পড়েনি হিমাচল। বরং প্রাথমিক ধাক্কা সামলে অপর ওপেনার খান্দুরির সঙ্গে জুটি বেঁধে হিমাচলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন হিমাচল অধিনায়ক সুমিত বর্মা।

দু’জনে অর্ধশতরান পেরিয়ে যান। বাংলা তখন হঠাৎ করে বেশ ব্যাকফুটে। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় ফের জ্বলে ওঠেন বঙ্গ পেসাররা। প্রথম ধাক্কাটি দেন মুকেশ কুমার, বর্মাকে ফিরিয়ে। তার পর দ্রুত আরও তিনটে উইকেট হারায় হিমাচল।

শামি এ দিন বেশি রান খরচা করেছেন। ওভারপিছু প্রায় ছ’রান দিয়েছেন তিনি। তবে দিনের শেষে তাঁর নামের পাশে দু’ উইকেট থাকায় আপাতত স্বস্তিতে বাংলা শিবির। অন্য দিকে দিন্দাও দু’টি উইকেট নিয়েছেন এবং অনেক বেশি কৃপণ বোলিং করে। এখন দেখার তৃতীয় দিন হিমাচলকে ফলো-অন করাতে পারে কি না বাংলা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here