নয়াদিল্লি ও শ্রীনগর: জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করছেন তখন তাঁরই দলের নেতা আবদুল গনি দার খুন হয়ে গেলেন সন্দেহভাজন জঙ্গিদের হাতে।

দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলা পিডিপি-র সভাপতি ছিলেন আবদুল গনি দার। সোমবার সকালে তিনি যখন শ্রীনগর আসছিলেন তখন পিংলান ও পাহু গ্রামের মাঝখানে জঙ্গিরা তাঁকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তাঁর বুকে গুলি লাগে। তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর তাঁকে এসএমএইচএস হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের সুপার ডাঃ নাজির চৌধুরি জানান, তাঁকে মৃতই আনা হয়েছিল।

এ দিকে দিল্লিতে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী ৪০ মিনিট ধরে কথাবার্তা হয়। কাশ্মীরে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে কম ভোট পড়া, সিন্ধু জল চুক্তি, ইত্যাদি প্রসঙ্গ উঠে আসে আলোচনায়। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সাংবাদিকদের বলেন, কাশ্মীরে শান্তি আনার ব্যাপারে অটলবিহারী বাজপেয়ীর উদ্যোগের কথা বার বার তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পদক্ষেপই সঠিক ছিল বলে বৈঠকে মন্তব্য করেন মোদী। মেহবুবা মুফতিকে তিনি বলেন, “বিরোধ নয়, সমঝোতাই পথ। বাজপেয়ীজি যেখানে ছেড়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকেই শুরু করতে হবে আমাদের। তা না হলে জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো অসম্ভব হয়ে উঠবে।”

মুফতি সাংবাদিকদের জানান, আগামী কাল ইউনিফায়েড কমান্ডের যে বৈঠক আছে তাতে একটা কিছু পথ খুঁজে বের করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা ছাড়া কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজনাথের সঙ্গে কথা বলার পর মুফতি বলেন, “আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই রাজ্যের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।”

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here