নিজস্ব সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: পৌষমেলাকে পরিবেশবান্ধব মেলা হিসেবে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর বিশ্বভারতী। তাই এ বার থেকে মেলায় বন্ধ হচ্ছে আতসবাজির প্রদর্শনী। এমনই জানিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য।

এ বার শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা হবে কি হবে না তা নিয়ে ধন্দে ছিল শান্তিনিকেতনপ্রেমী আপামর জনতা। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দীক্ষার দিন, অর্থাৎ ৭ই পৌষ মেলা শুরু হয়। সাধারণত মেলার মেয়াদ তিন দিন হলেও আদতে মেলা চলে প্রায় এক মাস। এর ফলে এক দিকে যেমন বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার অসুবিধা হয়, তেমনই পরিবেশেরও ক্ষতি হয় বিপুল। সরকারি ভাবে মেলায় চার দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ করত বিশ্বভারতী, কিন্তু বাকি দিনগুলো ব্যাপক হারে জেনারেটর ব্যবহার করা হয়। যার ফলে ছড়াইয় দূষণ।

এই দূষণের ফলেই পরিবেশ আদালতে মামলা করেন পরিবেশ আদালত সুভাষ দত্ত। পরিবেশ আদালতের তিন সদস্যের কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় কোনো ভাবেই ছ’দিনের বেশি দীর্ঘায়িত করা যাবে না এই মেলাকে। সপ্তম দিনেই মেলাকে পুরোপুরি তুলে দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই নড়েচড়ে বসে বিশ্বভারতী।

পরিবেশ রক্ষায় পৌষমেলা এ বার উদাহরণ সৃষ্টি করবে এমনই মনে করেন উপাচার্য।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here