kunjavanga
srila pramanik
শ্রীলা প্রামাণিক

উৎসব যেন শান্তিপুরে শেষ হয়েও শেষ হওয়ার নয়। ভাঙারাসের শোভাযাত্রার পরের দিন কুঞ্জভঙ্গ অনুষ্ঠানকে ঘিরে উৎসবের শেষ মুহূর্তের আনন্দ উপভোগ করলেন শান্তিপুরের মানুষ।

প্রধানত শান্তিপুরের বিগ্রহবাড়িগুলিতেই এই কুঞ্জভঙ্গ পালিত হয়। সোমবার রাতভর শোভাযাত্রার পরে মঙ্গলবার শুরু হয় এই উৎসব। চলে বাউলগান, পালাকীর্তন, তরজা বা কবিগান। তা শেষ হতে দুপুর হয়ে যায়। এর পর বিগ্রহবাড়ির রাধাকৃষ্ণের নিজ নিজ যুগল বিগ্রহকে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের দেবালয়ে। রাস চলাকালীন এই তিন দিন তাঁরা দেবালয় থেকে এসে অধিষ্ঠিত ছিলেন তাঁদের রাসমঞ্চে। রাস শেষ হতে মঙ্গলবার তাঁরা ফিরে যান দেবালয়ে।

গোস্বামী বংশের উত্তরপুরুষরা শুদ্ধ বস্ত্র পরে নির্দিষ্ট ছন্দে নাচতে নাচতে বিগ্রহকে নিয়ে যান দেবালয়ে। রাসকুঞ্জ ভেঙে ইষ্টদেব ফিরছেন দেবালয়ে, তাকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই আয়োজন। পরে যুগল বিগ্রহকে বসানো হয় মন্দিরের সামনে। সেখানে বহু মানুষ চামড়দান করেন।

এই দিনেই সব নারী কৃষ্ণকে স্পর্শ করার সুযোগ পান। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক চলে এই চামড়দান পর্ব। তার পর হয় বিগ্রহের অভিষেক। এই কুঞ্জভঙ্গ অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই রাসের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here