Connect with us

প্রচ্ছদ খবর

ব্যাঙ্কগুলো বাঁচাতে সরকার ‘জামিনদার’ হল কার টাকায়? আপনাদেরই তো!

নীলাঞ্জন দত্ত[/caption] ধরুন, আমি কোনো অপরাধ করলাম। ধরাও পড়লাম। কিন্তু চট করে জামিন পেয়ে গেলাম। আর জামিনের টাকাটা দিয়ে দিল সরকার। বলবেন, তা আবার হয় নাকি? কিন্তু আমরা চোখের সামনে তো তা-ই হতে দেখলাম। আর দেখেও কিছু বললাম না। ২৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করল, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোকে ২,১১,০০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে তাদের পুঁজির ঝুলি বাড়ানোর জন্য। এর বেশির ভাগটা দেওয়া হবে ব্যাঙ্কগুলোর শেয়ার সরকার থেকে কিনে নিয়ে। শুনেই ব্যবসায়ীদের গায়ে পুলক লাগল, শেয়ার বাজারের থার্মোমিটার ‘সেনসেক্স’ হু হু করে চড়তে শুরু করল। তার পর থেকে টিভি আর খবরের কাগজে লাগাতার চর্চা চলেছে, এতে দেশের অর্থনীতি কতখানি চাঙ্গা হয়ে উঠবে তা-ই নিয়ে। কিন্তু আমরা মুখ্যু মানুষ প্রশ্ন করতেই পারি, ব্যাঙ্কের কাছেই তো বিস্তর টাকা থাকে, তাদের আবার টাকা দেওয়া কেন? ব্যাঙ্কের ভাঁড়ারে টাকা কি কম পড়িয়াছিল? তা-ই যদি হয়, তবে আর একটা প্রশ্ন – কী ভাবে কম পড়িল? আমতা আমতা করে জবাব আসছে – আসলে, ব্যাঙ্কগুলোর হাতে টাকা ছিল বটে, কিন্তু তার অনেকটাই ‘নন-পারফর্মিং অ্যাসেট’ বা নিষ্কর্মা সম্পদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই জিনিসটা কী? ব্যাঙ্কে আমরা যে টাকা রাখি, তার ওপর ব্যাঙ্ক আমাদের সুদ দেয়। কী ভাবে দেয়? তারা আমাদের টাকাগুলো বাজারে খাটায়। মানে, লোককে ধার দেয়। কিছু লোক ধার নেয় গাড়ি, বাড়ি, ইত্যাদি কেনার জন্য, এমনকি পড়াশোনা করার জন্যও। আরও কিছু লোক ধার নিয়ে ব্যবসা করে। কিন্তু ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা ছোটোখাটো ব্যবসার জন্য যে ধার নেওয়া হয়, তার সবটাকে একসঙ্গে ধরলেও পরিমাণটা খুব বেশি হবে না। এর থেকে অনেক বেশি নেয় বড়ো বড়ো শিল্পপতিরা। তার অঙ্কটা যে কত বেশি, তা আমাদের ধারণাতেও আসবে না। এখন এই রকম ঢাউস ঢাউস ধার যদি শোধ না দেওয়া হয়, তা হলে বেচারা ব্যাঙ্ক সত্যিই খুব বেকায়দায় পড়ে। আমাদের মতো লোকের কাছ থেকে না হয় গলায় গামছা দিয়ে টাকা আদায় করা যায়, কিন্তু অত বড়ো বড়ো কোম্পানির কাছ থেকে তো যায় না। তাদের মালিকদের ওপর মহলে কত যোগাযোগ, ভোটের আগে কত টাকাই না তারা পার্টিগুলোকে ‘চাঁদা’ দেয়! তাদের দেওয়া ধার ফেরত পাওয়ার আশা যখন দূরাশা হয়ে যায়, তখনই তা ‘নন-পারফর্মিং অ্যাসেটে’ পরিণত হয়।

আপনি ব্যাঙ্কে টাকা জমা রেখেছিলেন। ব্যাঙ্ক আপনার টাকার ওপর সুদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই টাকা কোম্পানিদের ধার দিয়েছিল। বড়ো বড়ো কোম্পানিরা তা শোধ দিল না। ব্যাঙ্ককে বাঁচাতে সরকার তাদের টাকা দেবে বলে ঘোষণা করল। সরকারের টাকা মানে কী? আপনাদের ট্যাক্সের টাকা। ব্যাঙ্ক আবার সেই টাকা ‘ধার’ দেবে ব্যবসায়ীদের। যাদের তা শোধ না দিলে কোনো শাস্তি হবে না। লাগে জামিন, দেবে সরকার। আপনাদেরই কাছ থেকে নিয়ে।
জুন মাসে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, এই সব বেয়াড়া কোম্পানিকে সবক শেখাতে দরকার হলে তাদের দেউলিয়া ঘোষণা করে টাকা আদায় করা হবে। তা, এই রকম কত কথাই তো বলা হয়ে থাকে। আসলে কি আর তা করা যায়? এ দিকে ‘নিষ্কর্মা সম্পদ’ বাড়তে বাড়তে ইদানীং পাহাড়প্রমাণ হয়ে উঠেছিল। এমনই, যে ব্যাঙ্কের প্রকৃত পুঁজির ভিতটাই ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছিল। কিন্তু এ রকম হলে তারা আবার শিল্পপতিদের ধার দেবে কেমন করে, আর শিল্পপতিরাই বা নতুন নতুন বিনিয়োগ করে দেশকে ‘উন্নয়নের’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন কী করে? তাই তাদের সরকার থেকে পুঁজির জোগান দেওয়ার দরকার হল।

আরও পড়ুন: সাধারণের টিউবওয়েল বন্ধ, কিন্তু মাটি থেকে জল তুলে ব্যবসা করতে বাধা নেই ব্যবসায়ীদের

অর্থনীতিবিদরা এর একটা গালভরা নাম দিয়েছেন, ‘রিক্যাপিটালাইজেশন’ বা পুঁজিপূরণ। কিন্তু আরও একটা সহজ নাম আছে। তা হল, ‘বেলআউট’ বা জামিনদারি। এই নামটা বেশি চালু হয়েছে ২০০৮ সালে আমেরিকার অর্থনৈতিক মন্দার সময় থেকে। মন্দাটা এসেছিল মূলত ‘সাবপ্রাইম মর্টগেজ’ থেকে। ব্যাঙ্কগুলো তাদের টাকা খাটানোর আতিশয্যে যারা ঋণ পাওয়ার যোগ্য নয় তাদেরও প্রচুর ঋণ দিয়ে বসেছিল। এ বার সে টাকা যখন আর ফেরত আসে না, তখন তারা ফেল পড়ার জোগাড়। বাঁচাল কে? সরকার। কী ভাবে বাঁচাল? ‘ট্রাবলড অ্যাসেট রিলিফ প্রোগ্রাম’ (টিএআরপি) নামে একটা পরিকল্পনা হল। তার মাধ্যমে প্রথমে ৭০,০০০ কোটি ডলার ব্যাঙ্কগুলোর ত্রাণে ঢালা হবে বলে ঠিক হল। পরে অবশ্য প্রেসিডেন্ট ওবামা চেয়েছিলেন যে ব্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ ব্যবসার ওপর ট্যাক্স বসিয়ে এই টাকার অন্তত খানিকটা তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু তিনি সংসদে সে প্রস্তাব পাস করাতে পারেননি। তার বদলে বেলআউটের টাকার পরিমাণটা কমিয়ে ৪৭,০০০ কোটি ডলার করে দেওয়া হয়। ভারত সরকার এ বারের পরিকল্পনাটা ঘোষণা করার পরেই মার্কিন দেশের আর্থিক ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি মর্গ্যান স্ট্যানলি এক কথায় তাকে ‘ইন্ডিয়ান টিএআরপি’ বলে দিয়েছে। তার মানে, এটা আর কিছু নয়, সেই ‘বেলআউট’। মর্গ্যান স্ট্যানলি অবশ্য তাকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু ভেবে দেখুন, ব্যাপারটা কী দাঁড়াল। আপনি ব্যাঙ্কে টাকা জমা রেখেছিলেন। ব্যাঙ্ক আপনার টাকার ওপর সুদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই টাকা কোম্পানিদের ধার দিয়েছিল। বড়ো বড়ো কোম্পানিরা তা শোধ দিল না। ব্যাঙ্ককে বাঁচাতে সরকার তাদের টাকা দেবে বলে ঘোষণা করল। সরকারের টাকা মানে কী? আপনাদের ট্যাক্সের টাকা। ব্যাঙ্ক আবার সেই টাকা ‘ধার’ দেবে ব্যবসায়ীদের। যাদের তা শোধ না দিলে কোনো শাস্তি হবে না। লাগে জামিন, দেবে সরকার। আপনাদেরই কাছ থেকে নিয়ে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা: ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর বার্তা ভুলে নতুন ‘ভারতীয়ত্ব’ নির্মাণের চেষ্টা কেন্দ্রের

এক বছর আগে, আপনাদের টাকাগুলো অনেক দিন ব্যাঙ্কে আটকে রাখা হয়েছিল। তার পর বেশ কিছু দিন ধরে একটু একটু করে টিপে টিপে ছাড়া হয়েছিল। আপনারা ব্যাঙ্ক আর এটিএমের সামনে হত্যে দিয়ে পড়েছিলেন। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, একশোটিরও বেশি জীবন শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু উপায় কী? আপনাদের হাতে যে ক’টা ৫০০ আর ১,০০০ টাকার নোট ছিল, সেগুলো তো তখন ছেঁড়া কাগজ হয়ে গেছে। আপনারা শুনেছিলেন, এটুকু কষ্ট সহ্য করলে আখেরে দেশের ভালো হবে। কালো টাকা আর থাকবে না, জাল টাকা আর তৈরি হবে না, আরও কত কী। এ বারেও শুনুন, কত লক্ষ কোটি টাকা আপনাদের হাত থেকে ব্যাঙ্কের হাত ঘুরে পুঁজিমালিকদের হাতে গেলে দেশের কতটা ‘উন্নয়ন’ হবে। আপনারা না হয় সুদ আরেকটু কমই পেলেন, ট্যাক্স আরেকটু বেশিই দিলেন।  ]]>

প্রচ্ছদ খবর

আরএসএস-কংগ্রেস যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

Mamata-banerjee

ওয়েবডেস্ক: লোকসভা ভোটের হাইভোল্টেজ প্রচারে বেরিয়ে উত্তরবঙ্গের সভা থেকে কংগ্রেসকে নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন তিনি চোপড়ার সভা থেকে আরএসএসের সঙ্গে কংগ্রেসের যোগ নিয়ে বেনজির অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাংলায় জয়ী হবে না, এ কথা বুঝতে পেরে নাকি ভয় পেয়ে গিয়েছে বিজেপি-কংগ্রেস৷ তাই ভোটে জেতার জন্য আরএসএসের সঙ্গে জোট বেঁধেছে কংগ্রেস৷ এই ইস্যুতে নাম না করে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এবং জঙ্গিপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তোপ দাগেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷

মমতা কথায়, “ভোটে জিততে টাকা ছড়াচ্ছে আরএসএস। কংগ্রেস ভোটে জিততে আরএসএসের সাহায্য নিচ্ছে। বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থীকে সাহায্য করছে ওই সংগঠন। এমনকী প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র, এ বারের ভোটে জঙ্গিপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিত মুখোপাধ্যায়কেও সাহায্য করছে আরএসএস। এ ভাবেই দেশের সংগঠনগুলি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে”।

Continue Reading

প্রচ্ছদ খবর

উত্তরবঙ্গের হাইভোল্টেজ প্রচারসভা থেকে মোদীকে স্ট্রাইকের হুঁশিয়ারি মমতার

Mamata-Banerjee

ওয়েবডেস্ক: বুধবার উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার জনসভা থেকে প্রথামাফিক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র কটাক্ষে আক্রমণ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বরাবরের মতো মোদীকে আক্রমণের নিশানা হিসাবে ‘বেকারত্ব’, ‘ধর্মীয় বিভেদ’, ‘যুদ্ধের’ মতো উপকরণগুলিকে তুলে নেওয়ার পাশাপাশি তিনি এ দিন বলেন, “তৃণমূল-ই পারবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে হঠাতে। মোদীবাবুকে সরাতে গেলে দরকার জোড়াফুল”।

মমতা বলেন, “চৌকিদার মিথ্যাবাদী, চৌকিদার দাঙ্গাবাজ।  মোদীবাবু পাঁচ বছর আগে ছিলেন চা-ওয়ালা। এখন হয়েছেন চৌকিদার। লোকে বলছে চৌকিদার চোর হ্যায়। আমি বলছি এই চৌকিদার ঝুটা হ্যায়। এই চৌকিদার লুঠেরাদের চৌকিদার। সাড়ে চার বছর বিদেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। আর সেই সময়েই দেশে বেকার বেড়েছে সর্বাধিক”।

সম্প্রতি পুলওয়ামা হামলা এবং বালাকোটে বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইক প্রসঙ্গে জওয়ানদের কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের নজরে পড়েন মোদী। সেই ঘটনার সূত্র ধরেই মমতা বলেন, “আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও কেন পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা হল। জওয়ানদের নিয়ে রাজনীতি করছেন মোদী। জওয়ানরা কারো নয়, দেশের। প্রধানমন্ত্রী শুধু যুদ্ধের কথা বলেন। এ বার ভোটারদের স্ট্রাইক দেখবেন মোদী”।

এ দিন বিজেপির পাশাপাশি সিপিএম-কংগ্রেসকে ভোট না দেওয়ার আর্জি জানান মমতা। তিনি বলেন, “সিপিএমের কাউকে দেখতে পেয়েছেন, কংগ্রেসের কাউকে দেখতে পেয়েছেন। সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি এরা এক। সকালে করে সিপিএম, দুপুরে করে কংগ্রেস, রাতে করে বিজেপি। এরা তিন দিল জগাই-মাধাই-গদাই। একটাও ভোট দেবেন না।”।

ক’দিন আগেই রাজ্যে এসে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে সরব হয়েছিলেন মোদী। তাঁর উদ্দেশে মমতা বলেন, “বাংলায় নাগরিকপঞ্জি হতে দেব না। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলও আনতে দেব না”।

[ আরও পড়ুন: আরএসএস-কংগ্রেস যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার ]

ভোটের মুখে পুলিশ আধিকারিকদের বদলি প্রসঙ্গে মমতার দাবি, “অফিসাররা ভোট দেন না, ভোট দেবেন জনগণ। ফলে তৃণমূলের ভোট কেউ আটকাতে পারবে না। রাজ্যের ৪২টার মধ্যে ৪২টাই দখলে এলে দিল্লিও দখলে আসবে”।

Continue Reading

প্রচ্ছদ খবর

মিছিলে হামলা, আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী গুরুতর আহত হয়ে ভরতি হাসপাতালে

cpm's campaign

আসানসোল: প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত হলেন আসানসোলের সিপিএম প্রার্থী গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ভরতি হাসপাতালে।

ঘটনাটি ঘটেছে বারাবনির মদনপুরে। এ দিন সকালে প্রচারে বেরিয়েছিলেন গৌরাঙ্গবাবু। মদনপুরে পৌঁছোতেই তাঁর মিছিলে হামলা চালানো হয়। তাঁকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনায় শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

gouranga chatterjee

আহত গৌরাঙ্গবাবু।

বর্ষীয়ান বাম প্রার্থীর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আসানসোলের পরিস্থিতি। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে অণ্ডাল থানায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সিপিএম।

আরও পড়ুন এখনও গৃহীত হয়নি মুকুটমণি অধিকারীর ইস্তফাপত্র, রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা বিজেপির

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজ্য বিধানসভার মধ্যে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৎকালীন বিধায়ক গৌরাঙ্গবাবু। সেই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন দেবলীনা হেমব্রমও। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিল সিপিএম।

এর আগেও গত বৃহস্পতিবার রাতে বাঁকুড়ার রানিবাঁধ এলাকায় প্রচার সেরে সিঁদুরপুর গ্রামের বাড়িতে ফিরতেই কয়েক জন দুষ্কৃতী সিপিএম নেতা মধুসূদন মাহাতোকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে আখখুটা মোড় এলাকায় তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। দুষ্কৃতীরা সবাই তৃণমূলের আশ্রিত বলে অভিযোগ।

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
শিল্প-বাণিজ্য11 hours ago

লকডাউনেও ২২ শতাংশ নিট মুনাফা বাড়ল বিপিসিএলের

রাজ্য11 hours ago

আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার নামল দশ শতাংশের নীচে

বিজ্ঞান11 hours ago

অক্সফোর্ড করোনা ভ্যাকসিন আপডেট: নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে হিউম্যান ট্রায়াল

গাড়ি ও বাইক12 hours ago

ব্যাটারি ছাড়াই কেনা যাবে ইলেকট্রিক গাড়ি, নির্দেশ কেন্দ্রের

অনুষ্ঠান12 hours ago

রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির হাত ধরে প্রয়াত অমলা শঙ্করের প্রতি অনলাইন অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমির

দেশ12 hours ago

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের, বললেন নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

রাজ্য13 hours ago

পেশাগত রোগ সিলিকোসিসে ঝরছে শ্রমিকের প্রাণ! দায় নেবে কে?

ক্রিকেট13 hours ago

কোহলি-স্মিথ-উইলিয়ামসনরা অভিষেক করার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি, ফের সুযোগ পেলেন বৃহস্পতিবার

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা19 hours ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা1 week ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা1 week ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা4 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand