prime minister jan-dhan yojana
saibal biswas
শৈবাল বিশ্বাস

২০১৪ সালের লালকেল্লা ভাষণ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা’র কথা ঘোষণা করেছিলেন।

জনধন যোজনার মূল কথা হল দেশের সমস্ত গরিব মানুষের জন্য‌ সরকার জিরো ব্য‌ালেন্স অ্যাকাউন্ট খুলে দেবে। সরকারি সমস্ত প্রকল্পের টাকা ওই অ্য‌াকাউন্টগুলিতেই জমা হবে। ফলে গরিব মানুষরা আর্থিক পরিষেবার মধ্য‌ে ঢুকতে সমর্থ হবে। যে হেতু তাঁদের পরিশ্রমের টাকা সরাসরি ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টে জমা  পড়ছে, তাই টাকা মার যাওয়ারও কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় গরিব মানুষ সরাসরি ব্য‌াঙ্ক থেকে টাকা ধার করারও সুযোগ পাবেন। ব্য‌াঙ্কগুলি তাদের চিরাচরিত গ্রাহকদের একজন বলেই গণ্য‌ করবে। অর্থাৎ ব্য‌াঙ্কের সব গ্রাহক যেমন পরিষেবা পান জনধন যোজনার অ্য‌াকাউন্ট হোল্ডারদেরও ঠিক তেমনই সুবিধা দেওয়া হবে। একেই প্রধানমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছিলেন আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রকল্প।

সাম্প্রতিক তথ্য‌ে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর এই স্বপ্ন প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অবস্থা খুবই খারাপ। এর থেকে স্পষ্ট অনুমান করা যায় ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া পথে সংস্কার করে যদি কোনো রাজনীতিবিদ মনে করেন গরিব মানুষের প্রচণ্ড উপকার করবেন তা হলে তিনি আশাহত হতে বাধ্য‌। ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া সংস্কার কখনোই কোনো ব্য‌াপারে কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারে না।

জনধন যোজনা সম্পর্কিত সাম্প্রতিক তথ্য‌ দেওয়ার আগে একটা কথা বলে নেওয়া ভালো যে এই প্রকল্প কিন্তু নতুন কিছু নয়। বিশ্বব্য‌াঙ্কের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের দেওয়া এই দাওয়াই লাতিন আমেরিকার বেশ কিছু দেশ কাজে লাগিয়েছে। বিশেষ করে কাজে লাগিয়েছে ব্রাজিল। সেখানে এটিএম কার্ড থেকে শুরু করে যে কোনো ধরনের ব্য‌াঙ্কিং পরিষেবা জনসাধারণের প্রায় দোরগোড়ায় হাজির বলা যায়। কিন্তু তবু সেখানেও গরিব মানুষদের বিরাট কিছু উন্নতি হয়েছে বা সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্য‌মে দারিদ্র দূর করা সম্ভব হয়েছে এমনটা কিন্তু নয়। কাজেই ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে গেলে মনে রাখা দরকার এই পরীক্ষানিরীক্ষা যে শুধু নরেন্দ্র মোদী সরকার করছে এমনটা কিন্তু নয়। পৃথিবীর অন্য‌ান্য‌ জায়গাতেও এই নিয়ে গবেষণা চলছে।

সর্বমোট হিসাব নিয়ে দেখা গিয়েছে, ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য‌াঙ্কে ১ কোটি ৫ হাজার অ্য‌াকাউন্টে মাত্র এক টাকা করেই পড়ে আছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে সরকার যে সব জনধন অ্য‌াকাউন্ট খুলেছিল তার বেশির ভাগই অকেজো বা নন অপারেশনাল।

সম্প্রতি খড়্গপুর আইআইটি ও রিজার্ভ ব্য‌াঙ্ক স্টাফ কলেজ যৌথ ভাবে দিল্লির বস্তি অঞ্চলের ওপর সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছে। সেই সমীক্ষায় প্রায় ৬০০ পরিবারের সঙ্গে সমীক্ষকরা কথা বলেন। এঁদের মধ্য‌ে অধিকাংশই কিন্তু ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাঁদের বক্তব্য‌, ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টের মাধ্য‌মে লেনদেনে তাঁদের মালিকরা বা কর্মদাতারা একেবারেই ইচ্ছুক নন। ব্য‌াঙ্কগুলিও শুধু তাঁদের অ্য‌াকাউন্ট খুলতে রাজি নন। দুর্ভাগ্য‌ের বিষয় এই সব নাগরিক দেশের কোনো সমাজউন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুযোগও পান না। এই সমীক্ষা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, কৃষিই হোক বা শিল্প, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টের মাধ্য‌মে টাকা পাওয়ার কোনো সুযোগই নেই। বরং ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টের কথা বললে নিয়োগকর্তারা বিরক্ত হন। মজুরি হিসাবে তাঁদের হাতে যে টাকা তুলে দেওয়া হয় তার বেশির ভাগটাই কালো টাকা পর্যায়ভুক্ত।

২০১৬-র সেপ্টেম্বর মাসে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদপত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন ব্য‌াঙ্কের সঙ্গে কথা বলে ওই সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা দেখেছেন, বহু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য‌াঙ্কই জোর করে জনধন অ্য‌াকাউন্ট খুলে রেখেছে। বেশির ভাগ জনধন অ্য‌াকাউন্টে মাত্র ১ টাকা ব্য‌ালেন্স রয়েছে। সেই টাকাও আবার গ্রাহকের দেওয়া নয়। ব্য‌াঙ্কের কর্মচারীরাই সরকারের হুকুমের সঙ্গে তাল মেলানোর লক্ষ্য‌ে ওই অ্য‌াকাউন্টগুলিতে এক টাকা করে ফেলে রেখেছেন। সর্বমোট হিসাব নিয়ে দেখা গিয়েছে, ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্য‌াঙ্কে ১ কোটি ৫ হাজার অ্য‌াকাউন্টে মাত্র এক টাকা করেই পড়ে আছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে সরকার যে সব জনধন অ্য‌াকাউন্ট খুলেছিল তার বেশির ভাগই অকেজো বা নন অপারেশনাল।

কিছু দিন আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ হিন্দু বিজনেস লাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁর ধারণা, ব্য‌াঙ্কের যে সব জনধন অ্য‌াকাউন্ট এখনও সজীব রয়েছে তার ৪০ শতাংশই হল সেকেন্ড অ্য‌াকাউন্ট। অর্থাৎ যিনি জনধন অ্য‌াকাউন্ট খুলেছেন তাঁর ইতিমধ্য‌েই অন্য‌ অ্য‌াকাউন্ট রয়েছে। ব্য‌াঙ্ক অফিসাররা জনধন অ্য‌াকাউন্ট খোলানোর উপযুক্ত লোক না পেয়ে নিজেদের পুরোনো গ্রাহকদের দিয়েই একটি করে জনধন অ্য‌াকাউন্ট খুলে রেখেছেন। বোঝাই যায় এই সব অ্য‌াকাউন্টে টাকা রাখার জন্য‌ গ্রাহকরা কোনো তাগিদ অনুভব করেন না। ব্য‌াঙ্কগুলিও অনেক ক্ষেত্রেই অ্য‌াকাউন্ট খুলেই তৃপ্ত। সেই অ্য‌াকাউন্টকে কার্যকর করে রাখার ব্য‌াপারে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য‌ ছিল জনধন অ্য‌াকাউন্টগুলি যেন অপারেশনাল অর্থাৎ কার্যকর হয়। সেগুলি অকেজো হয়ে পড়ে থাকুক এটা তো তাঁর উদ্দেশ্য‌ ছিল না, কিন্তু এখন পরিস্থিতিটা সে দিকেই যাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলে ফেললেন, ২৫ কোটি পরিবারে ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট খোলার লক্ষ্য‌ নিয়ে প্রকল্প শুরু হয়েছিল, তার মধ্য‌ে ইতিমধ্য‌েই ২১ কোটি পরিবারে পৌঁছোনো সম্ভব হয়েছে, অর্থাৎ এই পরিবারগুলি আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণে শামিল হতে পেরেছে।…অর্থমন্ত্রীর এই দাবি কিন্তু অচিরেই অসত্য‌ বলে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। সরকারি হিসাবেই দেখা গেছে, মোট অ্য‌াকাউন্টের ২৮ শতাংশ মাত্র কার্যকর রয়েছে। 

জনধন অ্য‌াকাউন্ট খোলার ব্য‌াপারে গোড়ায় অবশ্য‌ উৎসাহের কোনো অভাব হয়নি। ২০১৪ সালের ২৩ থেকে ২৯ আগস্টের মধ্য‌ে ১৮ লক্ষ ৯৬ হাজার ১৩০টি অ্য‌াকাউন্ট খোলা হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, তাঁর লক্ষ্য‌ অবিলম্বে দেড় কোটি জনধন অ্য‌াকাউন্ট খোলার। সেই লক্ষ্য‌ে পৌঁছোনোর অভিপ্রায় যে এমন ভাবে সফল হবে তা অনেকেই বুঝে উঠতে পারেননি।

২০১৫-র গোড়াতেই উৎসাহভরে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলে ফেললেন, ২৫ কোটি পরিবারে ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্ট খোলার লক্ষ্য‌ নিয়ে প্রকল্প শুরু হয়েছিল, তার মধ্য‌ে ইতিমধ্য‌েই ২১ কোটি পরিবারে পৌঁছোনো সম্ভব হয়েছে, অর্থাৎ এই পরিবারগুলি আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণে শামিল হতে পেরেছে। ৪ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছোনো সম্ভব হয়নি তার কারণ, এই পরিবারগুলি বামপন্থী সন্ত্রাস কবলিত বা অন্য‌ান্য‌ সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় বাস করে। তবে অচিরেই তাঁদের কাছে পৌঁছোনো সম্ভব হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। অর্থমন্ত্রীর এই দাবি কিন্তু অচিরেই অসত্য‌ বলে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। সরকারি হিসাবেই দেখা গেছে, মোট অ্য‌াকাউন্টের ২৮ শতাংশ মাত্র কার্যকর রয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসের একটি হিসাবে দেখা যাচ্ছে ২৪ শতাংশ জনধন অ্য‌াকাউন্ট জিরো ব্য‌ালান্সে চলছে। অর্থাৎ গ্রাহকরা সেখানে এক পয়সা রাখতে পারেননি। এর মধ্য‌ে একটা বড়ো অংশের অ্য‌াকাউন্ট যে জয়রাম রমেশের বর্ণনা মাফিক সেকেন্ড অ্য‌াকাউন্ট তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাকি অ্য‌াকাউন্টগুলি ব্য‌বহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোনো উৎসাহ নেই কারণ তাঁদের কাছে এগুলির কোনো প্রয়োজনও নেই।

প্রশ্ন উঠেছে, একশো দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা এই অ্য‌াকাউন্টে জমা পড়ছে না কেন? অভিঞ্জ অর্থনীতিবিদদের বক্তব্য‌, রেগার টাকা নিয়েও সরকার বড়ো মাপের ধোঁকা দিচ্ছে। যত সংখ্য‌ক মানুষকে রেগা প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার কথা ছিল তার একটা নগন্য‌ অংশমাত্র এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দায়ভার শুধুমাত্র এনডিএ সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেই চলবে না রেগার কাজ নির্ণয় করা এবং মাস্টার রোল তৈরি করা সেই অনুযায়ী টাকা বণ্টন করার কাজটা গোড়া থেকেই সরকার অযথা  এতটাই জটিল করে তুলেছে যে টাকা আসতে আসতে বছর ঘুরে যায়। মাস্টার রোলে অনেকের ভুয়ো নাম ঢোকানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। কাজ হয়েছে কিন্তু কে কাজটা করল তা খুঁজে বের করা মুশকিল হয়। আসলে সংশ্লিষ্ট মাতব্বররা হয়তো ভেবেছিল নগদে টাকাটা এলে স্রেফ অফিসারদের হাতে কিছু ধরিয়ে দিয়ে বাকিটা মেরে দেবে। কিন্তু টাকা সরাসরি ব্য‌াঙ্ক অ্য‌াকাউন্টে চলে যাওয়ার পদ্ধতি চালু হয়ে যাওয়ায় টাকা কোথাও জমা পড়ছে না। সেই টাকা আবার সরকারের ঘরেই ফেরত চলে যাচ্ছে। অনেক সময় আবার রাজনৈতিক কারণে মাস্টার রোল তৈরিতে বিলম্ব করা হচ্ছে। নানা রকম শর্ত চাপিয়ে তবেই সত্য‌িকারের অভাবী মানুষকে মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। যে কোনো খয়রাতি সাহায্য‌ প্রকল্পে এ জিনিসটা হওয়া বিচিত্র নয়। আগেকার দিনে জমিদাররা যখন খয়রাতি খাতে টাকা বিলোতেন তখন নায়েব সেই টাকার একটা অংশ দপ্তুরি হিসাবে কেটে নিত। এখন রাজনৈতিক দলগুলির মাতব্বররা সেই টাকা নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বলে মনে করে। এর অন্য‌থা হলে কিন্তু কাজের বিলিবণ্টনই বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারি অফিসারদের অন্য‌ সমস্ত কাজ শিকেয় তুলে দিনরাত এই সব খয়রাতি কাজ নিয়ে পড়ে থাকতে হবে।

এই সরকার মনে করে বিনিয়োগ মূলত বেসরকারি উদ্য‌োগেই হবে আর সেই টাকা জোগাবে ব্য‌াঙ্কগুলি। বিনিয়োগকারীরাও জানে এই সরকার যত দিন আছে তত দিন ব্য‌াঙ্কের টাকা লোপাট করে দিলেও বলার কিছু নেই। সরকার গোড়ায় একটু চেপে ধরবে বটে, কিন্তু পরে সব কিছু শান্তিকল্য‌াণ হয়ে যাবে।

সংস্কারমূলক কাজকর্মের বদলে তাই প্রধানমন্ত্রীর জোর দেওয়া উচিত ছিল উৎপাদনমুখী কাজকর্মের ওপর। সরকার যদি গোড়া থেকে নিজেদের টাকা বিনিয়োগ করে উৎপাদনমুখী কাজে জোয়ার আনতে পারত তা হলে আর গরিব মানুষের এই হতশ্রী দশা হত না। কর্মদাতা যে হেতু সরকার, তাই অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণের কাজও ঠিকঠাক চালিয়ে নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু এই সরকার মনে করে বিনিয়োগ মূলত বেসরকারি উদ্য‌োগেই হবে আর সেই টাকা জোগাবে ব্য‌াঙ্কগুলি। বিনিয়োগকারীরাও জানে এই সরকার যত দিন আছে তত দিন ব্য‌াঙ্কের টাকা লোপাট করে দিলেও বলার কিছু নেই। সরকার গোড়ায় একটু চেপে ধরবে বটে, কিন্তু পরে সব কিছু শান্তিকল্য‌াণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ স্পষ্ট কথায় বলা যায় সরকারের অবস্থানের সুযোগ নিয়েছে বিনিয়োগকারীরা কিন্তু তার বিনিময়ে দেশকে কিছু ফিরিয়ে দেয়নি। সমস্ত মুনাফা দেশের বাইরে নিয়ে গিয়ে অন্য‌ কোনো খাতে বিনিয়োগ করে বসে আছে। দেশের অভ্য‌ন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির অঙ্ক দিয়ে এদের এই প্রতারণার হিসাব করতে যাওয়া বৃথা। অঙ্কবিদ ও অর্থনীতিবিদদের দিয়ে নানা ধরনের চোখে ধুলো দেওয়ার অঙ্ক কষে সরকার দেখিয়ে দেবে, ‘সব ঠিক হ্য‌ায়’।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন