snowfall in shimla
শিমলায় তুষারপাত।

শীত উপভোগ করতে হলে চলুন হিমাচল প্রদেশ। ঝলমলে আকাশ, রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিন। বরফে ঢাকা পাহাড় যেন হাত বাড়ালেই। তুষারপাতের সাক্ষী থাকার সমূহ সম্ভাবনা। শিমলা, মানালি, ডালহৌসি – শীতে পথঘাট অনেক সময়েই বরফে ঢেকে গেলেও, তা পথ চলায় তেমন বিঘ্ন ঘটায় না। তবে ভরা শীতে এই রাজ্যটির কিছু পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়। তাতে কী? বাকি যা থাকে তা থেকে অন্তত গোটা চারেক ভ্রমণ পরিকল্পনা করে ফেলাই যায়। আজ প্রথম দু’টি।

১) চিরাচরিত পথে শিমলা-মান্ডি-মানালি

হাওড়া, দিল্লি ও মুম্বই থেকে সরাসরি ট্রেনে কালকা আসা যায়। চেন্নাই থেকে দিল্লি এসে কালকার ট্রেন ধরা যায়। হাওড়া থেকে সন্ধে ৭.৪০-এর দিল্লি-কালকা মেলে তৃতীয় দিন ভোরে কালকা। মুম্বই থেকে বেলা ১২টার পশ্চিম এক্সপ্রেস ধরে দ্বিতীয় দিন বিকেল ৪.৪৫-এ কালকা। দিল্লি থেকে সকালে ও বিকেলে শতাব্দী এক্সপ্রেস ছাড়া আরও ট্রেন আছে কালকা আসার।

কালকা থেকে টয় ট্রেনে, বাসে বা গাড়িতে শিমলা। লাগবে তিন থেকে সওয়া পাঁচ ঘণ্টা, নির্ভর করবে কীসে যাবেন। বেশির ভাগ বাস আসে চণ্ডীগড় থেকে, তাই জায়গা পাওয়া মুশকিল। স্টেশনের পাশেই কালকা ট্যাক্সি ইউনিয়নের ট্যাক্সি স্ট্যান্ড।

shimla kalibari
শিমলা কালীবাড়ি।

প্রথম থেকে চতুর্থ দিন – রাত্রিবাস শিমলা।

শীতের শিমলায় অন্তত চারটে দিন থাকুন। ম্যালে অবশ্যই তুষারপাত উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

শিমলায় কী দেখবেন

২২১৩ মিটার উঁচু শিমলা। ম্যালের শেষ প্রান্তে নিও-গথিক শৈলিতে তৈরি অ্যাংলিসিয়ান ক্রাইস্ট চার্চ, ম্যাল ও রিজের সংযোগে লাজপত রায় চক তথা কিপলিং-এর স্ক্যান্ডাল পয়েন্ট (এখান থেকে নাকি ভাইসরয়ের কন্যা অপহৃত হন), ম্যাল থেকে সামান্য চড়াই পথে বান্টনি পাহাড়ে শিমলা কালীবাড়ি, রিজ থেকে দেড় কিমি চড়াই পথে জাকু হিলস (সূর্যাস্ত নয়নাভিরাম), জাকুর চুড়োয় হনুমান মন্দির

আরও পড়ুন: শীতের ভ্রমণ / ৪: রন-ভূমি থেকে উপকূল গুজরাত

শহর থেকে চার কিমি দূরে চড়ুইভাতির মনোরম স্থান গ্লেন, কাছেই আনানদেল। পাঁচ কিমি পশ্চিমে প্রসপেক্ট হিল, ১০ কিমি দূরে তারাদেবী মন্দির, পথেই সঙ্কটমোচন মন্দির, অবজারভেটরি হিলে দ্য রিট্রিট (বর্তমানে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ)।

snow covered kufri
বরফে মোড়া কুফরি।

১৩ কিমি দূরে ২৫৯৩ মিটার উঁচুতে পাইনে ছাওয়া ওয়াইল্ড ফ্লাওয়ার হল, আরও ৩ কিমি দূরে ২৬৩৩ মিটার উঁচুতে কুফরি (শীতে বরফে মোড়া কুফরি অবশ্য দ্রষ্টব্য, হিমালয়ের শিখরশ্রেণি সুন্দর দৃশ্যমান, ইন্দিরা টুরিস্ট পার্ক, হিমালয়ান নেচার পার্ক মিনি জু), আরও ৬ কিমি অর্থাৎ শিমলা থেকে ২২ কিমি দূরে নৈসর্গিক শোভার জন্য বিখ্যাত ফাগু।

শিমলা শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে ২১৪৯ মিটার উচ্চতায় চড়ুইভাতির মক্কা মাসোব্রা, আছেন মহাকালীশিব কাঠের মন্দিরে, পাহাড়চুড়োয় ভিমাকালী মন্দির

tattapani
তত্তাপানি।

শিমলা শহর থেকে ৮ কিমি পুবে ঢালি হয়ে আরও ১৫ কিমি গিয়ে ২০৪৪ মিটার উচ্চতায় ‘নল রাজার ডেরা’ টুরিস্ট প্যারাডাইস নলদেরা। নিচু দিয়ে বয়ে চলেছে শতদ্রু। বিশ্বের প্রাচীনতম নাইন হোল গলফ্‌ কোর্স, প্রাচীন মন্দিরে দেবতা মাহুংনাগ। নলদেরা দেখে আরও ২৩ কিমি দূরে শতদ্রুর ধারে তত্তাপানি, উষ্ণ প্রস্রবণের জন্য বিখ্যাত।

কুফরি থেকে আরও ৪৫ কিমি দক্ষিণ-পুবে ২২৫০ মিটার উচ্চতায় চ্যেল, বিশ্বের সর্বোচ্চে ক্রিকেট খেলার মাঠ। পক্ষীপ্রেমিকদের স্বর্গ চ্যেল।

himachal tourism hotel, narkanda
নারকান্ডায় হিমাচল পর্যটনের হোটেল।

শিমলা থেকে কুফরি-ফাগু হয়ে নারকান্ডা ৬২ কিমি। শীতের দিনে স্কি হয় ২৭০৮ মিটার উঁচু নারকান্ডায়। বরফ পড়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। চলে যান ৩৩০০ মিটার উঁচু হাটু পিকে। পাহাড়চুড়োয় কালো পাথরের দুর্গার (হাটু) মন্দির। তুষারমৌলী হিমালয়ের নয়নলোভন দৃশ্য।

পঞ্চম দিন – রাত্রিবাস রিওয়ালসর।

শিমলা থেকে রিওয়ালসর ১৪০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে চলে আসুন। মান্ডির বাসে নর চৌক এসেও চলা যায় ১২ কিমি দূরের রিওয়ালসর। তবে তাতে ঝক্কি অনেক।

একটা দিন রিওয়ালসর লেকের ধারে কাটান। মনাস্ট্রি, মন্দির আর গুরুদ্বারের সমাবেশ লেকের পাড়ে। শীতের দুপুরে হেঁটে চক্কর মারুন লেককে ঘিরে।

rewalsar lake
রিওয়ালসর লেক।

ষষ্ঠ দিন – রাত্রিবাস মান্ডি।

সক্কাল সক্কাল চলে আসুন ২৪ কিমি দূরের মান্ডি। যে গাড়ি ভাড়া করে রিলওয়ালসর আসবেন, তাকেই এক দিন রেখে মান্ডি আসুন। মান্ডি এসে গাড়ি ছেড়ে দিন।

মান্ডিতে দেখুন

এক গুচ্ছ মন্দির। বাস স্ট্যান্ডের শিরে তরনা পাহাড়ে মাতা তরনার (শ্যামাকালী) ৪০০ বছরের পুরোনো মন্দির, ত্রিলোকনাথ মন্দির, বাস স্ট্যান্ড থেকে পাঁচ মিনিটের পথে অর্ধনারীশ্বর মন্দির, ভূতনাথ মন্দির ইত্যাদি।

parashar lake
পরাশর লেক।

তবে মান্ডিতে একটা দিন থাকার মূল কারণ পরাশর লেক। কথিত, এটিই নাকি ছিল পরাশর মুনির সাধনক্ষেত্র। শহর থেকে ৪০ কিমি দূরে ২৭৩০ মিটার উচ্চতায় চলুন গাড়ি ভাড়া করে। শীতে অনেক সময়েই এই লেক জমে যায়। সে-ও এক দৃশ্য।

সপ্তম থেকে নবম দিন – রাত্রিবাস মানালি।

মান্ডি থেকে বিপাশার তীর ধরে মানালি যাত্রা। ১২৩ কিমি। বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে যেতে পারেন।

মানালিতে কী দেখবেন

মানালিকে যে পাহাড়গুলো সে সব থাকবে বরফে মোড়া। শহরে দেখে নিন হিড়িম্বা মন্দির, তিব্বতীয় মনাস্ট্রি, মানালি ক্লাব হাউস, ওল্ড মানালি,  অর্জুন গুম্ফাবশিষ্ঠ কুণ্ড। রোটাং পাস বন্ধ থাকবে। রোটাং-এর পথে দেখে নিন সোলাং ভ্যালি, রহালা ফলস্‌

snow covered hadimba temple, manali.
বরফে মোড়া হিড়িম্বা মন্দির, মানালি।

এক দিন গাড়ি ভাড়া করে বেরিয়ে পড়ুন। চলে যান পার্বতী তীরে মণিকরণ, দূরত্ব ৮০ কিমি। ফেরার পথে দেখে নিন কুলু, নগ্‌গর ও জগৎসুখ

দশম দিন – ঘরে ফেরা। বাসে চলুন চণ্ডীগড়/কালকা। মানালি থেকে দিনে-রাতে বাস চলে। চণ্ডীগড়/কালকা থেকে ট্রেন ধরুন সুবিধামতো সময়ে।

২) বেপথু হয়ে কসৌলি-শিমলা-চিন্ডি-মান্ডি-মানালি

প্রথম দিন – রাত্রিবাস কসৌলি।

কালকা থেকে ৩৭ কিমি দূরের কসৌলি চলে আসুন গাড়ি ভাড়া করে।

natural beauty of kasauli
কসৌলির নিসর্গ।

একটা দিন কাটান ১৯২৭ মিটার উঁচু ‘১৯৪২ লাভ স্টোরি’র কসৌলিতে। নিভৃতে অবকাশ যাপনের আদর্শ জায়গা। ইচ্ছে হলে ঘুরে আসুন সাড়ে সাত হাজার ফুট উচ্চতায় মাঙ্কি পয়েন্ট। এখান থেকে দেখুন সবুজ উপত্যকা, শতদ্রু নদী। দেখে আসুন শ্রীবাবা বালকনাথ মন্দির, ৬.৪ কিমি দূরের গিলবার্ট হিল, চার্চ ইত্যাদি,

দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন – রাত্রিবাস শিমলা।

কসৌলি থেকে শিমলা ৭০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে চলুন।

একটা দিন শিমলা শহর ঘুরে নিন। আর একটা দিন গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আসুন কুফরি-ফাগু-নারকান্ডা

চতুর্থ ও পঞ্চম দিন – রাত্রিবাস চিন্ডি।

শিমলা থেকে গাড়ি ভাড়া করে চলে আসুন ১০০ কিমি দূরের চিন্ডি। পথে দেখে নিন মাসোব্রা, নলদেরা ও তত্তাপানি।

durgamata temple, chindi.
দুর্গামাতা মন্দির, চিন্ডি।
চিন্ডিতে দেখে নিন

মনোহর রূপের ডালি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কারসগ ভ্যালি। হিমাচল পর্যটনের হোটেল থেকে হাঁটা পথে চিন্ডিমাতা (দুর্গা) মন্দির। যে পাহাড়ের ঢালে ওই হোটেল তার নাম লাভার্স হিল। পাহাড়চুড়োয় গাড়িতে ওঠা যায়। অল্প চড়াই। হেঁটে উঠতেও কষ্ট হয় না। ১০ কিমি দূরে পঙ্গনা গ্রাম, ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ। ৭ কিমি দূরে হনুমান মন্দির। আরও কিছুটা এগোতে কারসগের রাস্তা। চিন্ডি থেকে কারসগ ১৪ কিমি। এখানে দেখে নিন মমলেশ্বর মহাদেব মন্দির। কারসগ থেকে ৫/৬ কিমি দূরে কামাখ্যা দেবীর মন্দির। স্থানীয়রা বলেন, অসম নয়, সতীর যোনি পড়েছিল এখানেই। তাই এটি সতীপীঠ। কাছেই খড়কন গ্রামে আধ্যান শিবের মন্দির

ষষ্ঠ দিন – রাত্রিবাস মান্ডি।

চিন্ডি থেকে যদি রিলওয়ারসর ঘুরে মান্ডি আসেন তা হলে দূরত্ব পড়বে ১১৭ কিলোমিটার। সে ভাবে গাড়ি ভাড়া করুন। মান্ডি পৌঁছে বিকেলের দিকে শহরের কিছু মন্দির দেখে নিতে পারেন।

সপ্তম থেকে নবম দিন – রাত্রিবাস মানালি।

সপ্তম দিন সক্কালে সম্ভব হলে ঘুরে আসুন পরাশর লেক। (প্রথম ভ্রমণ পরিকল্পনা দ্রষ্টব্য)। ফিরে এসে চলুন মানালি।

(পথ, আবহাওয়া ইত্যাদি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন। পরাশর লেক যাওয়া সম্ভব না হলে মান্ডিতে প্রাতঃরাশ সেরেই বেরিয়ে পড়ুন মানালির উদ্দেশে।)

solang valley in winter
শীতে সোলাং ভ্যালি।
মানালিতে কী দেখবেন (প্রথম ভ্রমণ পরিকল্পনা দ্রষ্টব্য)।

দশম দিন – ঘরে ফেরা (প্রথম ভ্রমণ পরিকল্পনা দ্রষ্টব্য)।

কোথায় থাকবেন

(১) মান্ডি ছাড়া সব জায়গাতেই হিমাচল পর্যটন উন্নয়ন নিগমের বাংলো আছে। অনলাইন বুকিং hpdtc.nic.in। কলকাতায় hpdtc মার্কেটিং অফিস, যোগাযোগ ০৩৩-২২১২৬৩৬১। ই-মেল [email protected]

hotel mamleshwar, chindi
চিন্ডিতে হিমাচল পর্যটনের হোটেল মমলেশ্বর।

(২) বেসরকারি হোটেল সব জায়গাতেই আছে। make my trip, goibibo, yatra.com, triviago.in  ইত্যাদির মতো ওয়েবসাইটগুলিতে সন্ধান পাবেন।

(৩) শিমলা ও মানালিতে অনেক হলিডে হোম আছে। খোঁজ পাবেন www.holidayhomeindia.com থেকে।

কী ভাবে ঘুরবেন

(১) শিমলায় ম্যালের আশেপাশের হেঁটে ঘুরুন। জাকু হিলস ঘোড়ায় চেপে যেতে পারেন। বাকি জায়গাগুলি গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে নিন। শিমলায় যে হোটেলে থাকবেন সেখানে বলে দিলে গাড়ির ব্যবস্থা হয়ে যাবে। এমনিই শিমলায় ঘোরাঘুরি করলে গাড়ির চালকরা আপনাকে ছেঁকে ধরবে। হিমাচল পর্যটন সারা দিনের কন্ডাক্টেড ট্যুরে নিয়ে যায়। পর্যটনের কলকাতার অফিসে বা শিমলার অফিসে খোঁজ নিয়ে নিন। ম্যালেই হিমাচল পর্যটনের অফিস। যোগাযোগ – ০১৭৭ ২৬৫ ২৫৬১।

(২) শিমলা ঘোরার জন্য একটা দিন রাখুন। এক একটা দিন গাড়ি ভাড়া করে চলুন মাসোব্রা-নলদেরা-তত্তাপানি, কুফরি-ফাগু-চ্যেল এবং নারকান্ডা।

(৩) চিন্ডিতে স্থানীয় গাড়ি ভাড়া করে ঘুরুন।

আরও পড়ুন: শীতের ভ্রমণ/৩ : হেরিটেজ গুজরাত

মনে রাখবেন

(১) ট্রেনের সময় পালটাতে পারে। যাত্রার আগে ভালো করে চেক করে নেবেন। ট্রেনের সময় জানার জন্য দেখুন erail.in।

(২) শীতে উত্তর ভারতে খুব কুয়াশা হয়। ফলে ট্রেন বেশ দেরিতে চলে। তবে তারই মধ্যে রাজধানী ও শতাব্দী এক্সপ্রেসে লেট হয় অনেক কম। সুতরাং রাজধানী এক্সপ্রেসে দিল্লি এসে সেখান থেকে শতাব্দীতে কালকা আসতে পারেন। অথবা দিল্লি থেকে রাতে কাশ্মীরি গেট বাসস্ট্যান্ড থেকে শিমলার বাস ধরুন। ঘণ্টা দশেক লাগে। সে ক্ষেত্রে পরের দিন সকালেই শিমলা পৌঁছোনো সম্ভব। তবে এ ভাবে এলে কালকা-শিমলা পথের সৌন্দর্য অদেখা থেকে যায়।

kalka shimla toy train
কালকা শিমলা টয় ট্রেন।

(৩) টয় ট্রেনে আগাম আসন সংরক্ষণ কিন্তু ৩০ দিন আগে, অন্যান্য ট্রেনের মতো ১২০ দিন আগে নয়।

(৪) দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেনে/বিমানে চণ্ডীগড় আসা যায়। সেখানকার আইএসবিটি থেকে শিমলার বাস ছাড়ে, শিমলা যাওয়ার ট্যাক্সিও মেলে।

(৫) হিমাচল রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন দিল্লির কাশ্মীরি গেটে আইএসবিটি থেকে সারা দিনই শিমলা যাওয়ার নানা ধরনের বাস চালায়। দিল্লি এলে ট্রেনের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে বাস নির্বাচন করবেন। মানালি থেকে চণ্ডীগড়ও বাসে আসতে পারেন। অনলাইন বুকিং-এর জন্য লগ ইন করুন www.hrtchp.com ।  অন্য বাসের জন্য দেখুন www.redbus.in

(৬) পাহাড়ি অঞ্চলে পরের গন্তব্যে পৌঁছোনোর জন্য সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়বেন। রাস্তার অবস্থা কখন কেমন থাকে বলা যায় না।

(৭) যেখানেই যান পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র রাখবেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here