”১৯৫৬ এ সত্যজিত রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ কান ফিল্ম ফেস্টিভালে বেস্ট হিউম্যান ডকুমেন্ট পুরস্কার পেয়েছিল। তারপর ঋত্বিক ঘটক, মৃনাল সেনদের হাত ধরে অনেক বাংলা ছবি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলিতে গেছে। তো সেক্ষেত্রে বলা যেতে পারে ৫০ এর দশক থেকেই বিশ্বের দরবারে বাংলা ছবি পৌছে গেছে। তবে একটা জিনিস যেটা দরকার তা হল, বাংলা ছবির উৎকর্ষ। যেকোনো শিল্পের উৎকর্ষ তখনই সম্ভব, যখন তা বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছয়। আর আজকের প্রযুক্তির যুগে বাংলা ছবি একমাত্র বিপণনের মাধ্যমেই বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছয়। আর এই দুটি জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটা উৎকর্ষ আর একটা বিপণন। সারা বিশ্বজুড়ে ৩০০০ চলচ্চিত্র উৎসব হয়। তারমধ্যে হয়তো কয়েকটি ফেস্টিভালের নাম আমরা জানি। কান, বার্লিন, টরন্টো, টোকিও। আরো অনেক কিছুর নাম হয়তো আমরা জানিই না। সেক্ষেত্রে এমন একটা ডিপার্টমেন্ট যদি থাকতো, যেখানে বাংলা ছবি সংক্রান্ত সব তথ্য পাওয়া যেতো, তাহলে আমাদের বাংলা ছবি আরোও বেশি করে বিশ্বের দরবারে পৌঁছতে পারতো”। বৃহস্পতিবার ২২ কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সিনেমার আড্ডায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এমনটাই বললেন অভিনেত্রী পাওলি দাম।

 এদিনের আলোচ্য বিষয় ছিল বিশ্বের দরবারে বাংলা ছবি। এই বিষয়ে আলোচনা করতে এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলি,  অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় ও সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য । আলোচনার  মডারেটর ছিলেন অভিনেত্রী- পরিচালক সুদেষ্ণা রায়।

 এদিনের আলোচনায় পাওলি আরোও জানালেন, ছবিগুলিকে সব ফেস্টিভালে পাঠানোর জন্য পরিচালকদের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে ছবির প্রযোজকদেরও। তাদেরকেও খোঁজ রাখতে হবে কখন কীভাবে ছবিগুলিকে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছনো যায়।

ছত্রাক ছবিটি যখন কান ফিল্ম ফেস্টিভালে যায়, তখন আমি বুঝতে পারি কম্পিটিশন ক্যাটেগরি ছাড়াও বাংলা ছবির একটা বিরাট মার্কেট রয়েছে। আর সেই মার্কেট হল বিশ্বের দর্শকরা। তাই তাদের কাছে বাংলা ছবিকে যদি আমরা পৌঁছে দিতে পারি, তবেই কিন্তু বিশ্বের দরবারে বাংলা ছবিকে পৌঁছনো সম্ভব।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন