তেলের ম্যাজিক! জেনে নিন এই ৪টি তেলের অসাধারণ গুণাগুণ সম্পর্কে

oil benefits
রান্না করতে গেলে যেমন তেলের দরকার পরে আবার ত্বক ও চুলের যত্নেও তেলের প্রয়োজন হয়।

ওয়েবডেস্ক: তেল! কথাটা শুনলেই মনে হচ্ছে না স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর একটি জিনিস? কিন্তু সব তেল কি খারাপ? এমন কিছু তেল আছে যা মানুষের জীবন রক্ষায় পর্যন্ত কাজ করে। আর অতি প্রাচীনকাল থেকে রূপচর্চায় তেলের ব্যবহার হয়েই আসছে।

রান্না করতে গেলে যেমন তেলের দরকার পড়ে আবার ত্বক ও চুলের যত্নেও তেলের প্রয়োজন হয়। তবে কি তেল ব্যবহার করবেন ত্বকের ও চুলের যত্ন নিতে আসুন জেনে নেওয়া যাক।

১। নারকেল তেল

বহু প্রাচীন যুগ থেকেই নারকেল তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে।  নিষ্প্রাণ, রুক্ষ চুলের উজ্জ্বলতা ফেরাতে নারকেল তেল খুবই উপকারী। এ ছাড়া মেকআপ তোলার সময়ে ক্লিনজার হিসেবেও ব্যবহার করা যায় নারকেল তেল। ঠোঁটের রুক্ষ ভাব দূর করতে নিয়মিত ঠোঁটে নারকেল তেল লাগালে ঠোঁট হবে নরম, কোমল। ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করতেও নারকেল তেল ভীষণ কাজের।

২। বাদাম তেল

ভিটামিন ই-তে ভরপুর তেল হল বাদাম তেল। চুলের বৃদ্ধি আর নতুন চুল গজিয়ে চুলকে ভালো রাখতে বাদাম তেল যুগ যুগ ধরে ব্যবহার করে আসছে সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ। এখন প্রায় সব ময়েশ্চারাইজিং ক্রিমেই এর উপস্থিতি থাকে। চেহারা ঝলমলে ও লাবণ্যময় করতে বাদাম তেল বিশেষভাবে পরিচিত। এটি চোখের নিচের ফোলা ও কালো ভাব দূর করে। নিয়মিত বাদাম তেল মাখলে ত্বকের কালো দাগ দূর হয়। পুষ্টি ও শক্তি এই দু’টো এক সঙ্গে পেতে বেছে নিতে পারেন আমন্ড বা বাদাম তেল। ভিটামিন ও মিনারেলের সমৃদ্ধ এই তেল হজম ভালো করে ও পেট ভালো রাখে। বাদাম তেল প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে।

৩। নিমের তেল

ব্রণ কমাতে নিমের তেল দুর্দান্ত কার্যকরী। এটি ব্রণের ব্যাক্টেরিয়া দূর করে। নিম তেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় ত্বকে সহজে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না। নিম তেল ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ যার ফলে তেলটি সহজে ত্বকের সাথে মিশে যায়। নিয়মিত নিম তেল ব্যবহার করলে ত্বকের বলিরেখা ও বার্ধক্যজনিত যাবতীয় দাগ দূর করা সম্ভব।

[আরও পড়ুন: চটজলদি পিঠের কালো দাগ দূর করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে এই ৫টি পদ্ধতি] 

৪। তিলের তেল

তিলের তেল চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটা টনিক হিসেবে কাজ করে। তিলের তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও বি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও প্রোটিন থাকে। মাথার স্ক্যাল্পের যে কোনো ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া দূর করে। চুল পড়া কমাতে ভালো কাজ করে। খুশকি দূর করে চুলকে সিল্কি করে তোলে। রাতে তিলের তেল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পড়ার সম্ভাবনা কমে যায়। অকালে চুল পেকে যাওয়াও রোধ করে। গায়ের রং উজ্জ্বল করতেও এর ভূমিকা অপরিসীম।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.