Connect with us

জীবন যেমন

মন খারাপ? মন ঠিক করতে আরও আট পরামর্শ

happy

স্মিতা দাস

মন খারাপ হলে শরীর খারাপ হয়। কিন্তু এটা তো চলতে দেওয়া যায় না। তাই হুট করে মন খারাপ লাগলে, হুট করে তা ঠিকও করে ফেলতে হবে। তেমনই মন ভালো করার সহজ ৮টি উপায় আগের পর্বে বলা হয়েছে। এই পর্বে রইল আরও ৮টি সহজ উপায়।

১। নেতিবাচক ভাবনা থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। নিজের জীবনে নতুন কোনো কিছুকে নিয়ে আসুন, কোনো ট্রেনিং বা পোষ্য বা যা হোক। যাতে আপনি অনেকটা সময় আটকে থাকবেন। তা হলে আর উলটোপালটা চিন্তা স্থান পাবে না। মনও খারাপ হবে না।

২। মন খারাপ হলে যেমন সকলের মধ্যে থাকা একটা ওষুধ, তেমন সকলের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াটাও। নিজেকে একক ভাবে সময় দেওয়া, নিজেকে বোঝানো এবং বোঝা দরকার। ঠিক ভাবনায় ভাবিত হওয়া ইত্যাদির জন্যও নিজেকে সময় দিতে হয়, তার জন্য সকলের থেকে একটু আলাদা হওয়া দরকার পড়ে। তাতেও মন খারাপ ঠিক হয়ে যায়।  

৩। বাড়ির যে কোনো কাজে অন্যকে সাহায্য করুন। কাজে মেতে থাকলে মন খারাপ চলে যাবে।

৪। মন খারাপ লাগলে রান্না করতে পারেন। অনেক সময় মন দিয়ে রান্না করতে গেলেও আপনার মেজাজ ভালো হয়ে যেতে পারে।

৫। নিজের কাজের জায়গাটি মনের মতো করে সাজান। সেখানে নানা রঙের সামগ্রী রাখুন। কম্পিউটার ল্যাপটপে মজার স্ক্রিনসেভার রাখুন, যা দেখলেই আনন্দে মন ভরে যায়।

৬। মন খারাপ হলে লেখাপড়ার কাজ করুন। ডায়েরিতে মজার কোনো স্মৃতি লিখতে পারেন। মজার বই পড়তে পারেন।

৭। ছবি তুলুন। মন ভালো না থাকলে নিজের চারপাশের সুন্দর ভালো খারাপ সব মিলিয়ে যেমনটা মন চায় তেমনই ছবি তুলুন। বিভিন্ন কোণ থেকে ছবি তুলুন। আকাশ, গাছ পাখি, ফড়িং, প্রজাপতি, পথঘাট এই সমস্ত কিছুর রূপকে ক্যামেরাবন্দিকরুন। সেগুলো দেখুন, শেয়ার করুন, মন ভালো হয়ে যাবে।  

৮। সাজগোজ করুন। আরও একটি ভালো পথ হল এটি। সব শেষে বললেও, এটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিজেকে মনের মতো করে সুন্দর করে সাজান। নেলপলিশ পরুন। লিপস্টিক লাগান, কাজল পরুন, চোখ আঁকুন ইত্যাদি। সুন্দর করে চুল বাঁধুন। বা রূপচর্চায় মন দিন। মন ভালো হয়ে যাবে।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ঘরদোর

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

wfh

খবরঅনলাইন ডেস্ক : আনলক ফেজ টু শুরু হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অফিসে পুরোদমে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো অফিস খুলেছে কেউ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বার সকলের মধ্যেই নড়েচড়ে বসার প্রবণতা দৃঢ় হয়েছে। বাড়ি বা অফিস, যেখানে থেকেই হোক কাজের গুণমান ভালো করতে হবে। সেই গুণমান অনেকটাই নির্ভর করে মন আর পরিবেশের ওপর।

তাই কাজের জায়গাকে সদাসর্বদা রাখতে হবে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত। যাতে সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব সব সময় পাওয়া যায়। তার জন্য কয়েকটি পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পরিষ্কার ডেস্ক

প্রথম হল অবশ্যই ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন। যদিও অনেকেই সব কিছু মেলিয়ে নিয়ে বসে কাজ করলে মনযোগ ভালো দিতে পারেন। কেউ বা পরিপাটি ভাবে। তা সে যা-ই হোক, ধুলো ময়লা তো পরিষ্কার করাই যায়। সেটি নিয়মিত করুন। খুব অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ডেস্ক না রাখাই ভালো। কারণ তাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

শান্ত পরিবেশ

জীবন যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে তখন বিভিন্ন রকম শব্দ বা গোলমাল বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়ি থেকে কাজ করলে সেই সমস্যাটা একটু বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ বাড়ির ভেতর ও বাইরের নানান শব্দ সারাক্ষণ হতেই থাকে। তার ওপর বাড়ির লোকজনের হাঁকডাক তো আছেই। তাই কাজের সময় একটু নিরিবিলি পেতে সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিন যেন তাঁরা এর মধ্যে ডাকাডাকি না করেন। বা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন কারণে উৎপন্ন আওয়াজ যাতে যতটা সম্ভব কম করেন। সম্ভব হলে এমন একটি জায়গা বাছুন যেখানে বাইরের শোরগোল একটু কম।

আলোবাতাস

স্বাভাবিক ভাবেই আলো মন ভালো করে, কাজে উৎসাহ বাড়ায়। তাই অফিসে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাড়িতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক আলো। জানলার পাশ বা বেশি আলো আছে এমন জায়গা কাজের জন্য বাছুন। এতে চোখে চাপ কম পড়ে, প্রোডাকটিভিটিও বাড়ে।

মন ভালো

মন ভালো থাকলে সতেজ থাকলে কাজে ভালো মন বসে। তাই মন চাঙ্গা রাখতে হলে সবুজ গাছ বা রংবেরঙের ছবি বা সামগ্রী কাজের ডেস্কে রাখতে পারেন। বিশেষ করে গাছ, ফুল এ সব তো রাখাই যায়। গাছের ক্ষেত্রে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। ফুলদানিতে ফুল রাখুন। মন ভালো লাগবে, কাজের মানও ভালো হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ

বাড়িতে বসে কাজ করলে কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে না। ইচ্ছা না থাকলেও বাড়ির কাজে মাঝে মধ্যে মাথা ঘামাতেই হয়। শেষে অফিসের সময়ের বাইরেও কাজ চলতে থাকে। তাতে শেষের দিকে কাজে আর মন লাগে না। কিন্তু প্রতি দিন এমনটা না হওয়াই ভালো। তাতে ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজে বসা ও মাঝে যতটা সম্ভব ব্রেক না দিয়ে বাঁধা সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।

স্কুল বন্ধ কিন্তু বড়োদের অফিস চালু, এই পরিস্থিতিতে ছোটোদের সামলাবেন কী ভাবে?

Continue Reading

ঘরদোর

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

DIY

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে থাকা বা বাতিল জিনিসপত্র দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মনের মতো সামগ্রী। তার জন্য টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাবেন কোথায়? ডিআইওয়াইয়ের যাবতীয় সামগ্রী বাড়ির বাইরে না বেরিয়েই সংগ্রহ করুন অ্যামাজন থেকে। দেখুন এগুলো আপনার কাজে লাগবেই লাগবে। প্রতিবেদন লেখার সময়ে দাম যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। হট গ্লু গান

ঠান্ডা নয়, গরম আঠা খুব চটপট কাজ করে। তার জন্য হটগ্লু গান। নীল রঙের, অন, অফের সুইচ আছে। ২০ ওয়াটের। সঙ্গে ১৫টি গ্লু স্টিক।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ২৪৫ টাকা।

২। মডপচ

আপনার বানানো সামগ্রী রং করার পর দিন মডপচ। দীর্ঘস্থায়ী হবে ও চকচকে হবে। ফেব্রিক মডপচ গ্লস, ১২০ এমএলের এক একটি, ২টির সেট।

দাম – ৩০০ টাকা।

৩। গ্লু স্টিক

হট গ্লু গানের আঠা হল এই গ্লু স্টিক। হটমেল্ট গ্লু স্টিক, ১ মিমি X ২২ সেমি, সাদা রঙের।

দাম – ২০টার সেট ১৯৯ টাকা। ১০টার সেট ১৪৯ টাকা

৪। পিকচার ভার্নিশ

ছবি আঁকা বা রং করার পর ব্যবহার করতে পারেন ক্যামেল পিকচার ভার্নিশ, ১০০ মিলি, তেল রঙের জন্য উপযুক্ত।

দাম – ১৪০ টাকা।   

৫। ডবল সাইড অ্যাডহেসিভ

যে কোনো জিনিসের সঙ্গে অন্য কিছুকে বা কোনো সামগ্রী কোথাও আটকাতে এই টেপ খুব কাজের। ডবল পুনঃব্যবহারযোগ্য, দীর্ঘদিন ভালো থাকে, জল দিয়ে ধোওয়া যায়।

দাম – ৭২% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা।

৬। সিলিকন মোল্ড

কোনো কিছুর ওপর নকশা তুলতে বা ইউরোপিয়ান নকশাকাটা লুক দেওয়ার জন্য সিলিকন মোল্ড ছাঁচ বিশেষ কাজে লাগে। বিভিন্ন মাপের নকশা।

দাম -৩৭% ছাড় দিয়ে ৩২৮ টাকা।

৭। থ্রিডি নিয়ন লাইনার

যে কোনো রঙের কাজ হাইলাইট করতে ৩ডি লাইনার। ২টি নিয়ন কালার কিট ও ৩ডি নিয়ন লাইনার কম্বো প্যাক। নন ফেব্রিক কাজের জন্য। চামড়া, মাটি, কাঠ, কাগজ, ধাতু, থার্মোকল, পাথর ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৩৯০ টাকা।

৮। অ্যাক্রেলিক কালার সেট

১০টি আলাদা রঙের সেট, এক একটি ১৫মিলি।

দাম – ২০০ টাকা।

৯। ফ্ল্যাট পেন্ট ব্রাশ

যে কোনো রকম রঙ করার জন্য।

দাম – ৩% ছাড় দিয়ে ১৯৫ টাকা।

১০। ন্যাচরাল ক্লে

হাতের কাজ, ছোটোদের খেলার জন্য উপযুক্ত।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ৯০ টাকা।

১১। জুট রোপ

যে কোনো কিছু বানাতে, বা নকশা করতে বা সাজাতে এর ব্যবহার হয়। ১২০ মিটার জুট রোপ, ডিআইওয়াই-এর জন্য কাজে লাগে।

দাম – ৫১% ছাড় দিয়ে ১৫৫ টাকা।  

১২। মাল্টিপারপাস এনগ্রেভার পেন

কাঁচ, ধাতু, প্ল্যাস্টিক, কাঠ ইত্যাদির ওপর ব্যবহার করা যায়। এটি টুল নিব।

দাম – ৫৪% ছাড় দিয়ে ২২৯ টাকা।

১৩। স্প্রে পেন্ট

মাল্টিপারপাস স্প্রে পেন্ট। গাড়ি বা অন্য কিছু রং করতে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ২৪৫ টাকা।

১৪। ক্যান্ডেল মেকিং কিট

মোমবাতি বানানোর সম্পূর্ণ সরঞ্জাম, সম্পূর্ণ পদ্ধতি বলা বই, সলতে, গ্লিটার ইত্যাদি।

দাম – ৪০% ছাড় দিয়ে ৫৯৯ টাকা।

১৫। এমব্রয়ডারি থ্রেড

এমব্রয়ডারি করতে লাগে মাল্টি কালার কটন থ্রেড, ১০০টির সেট।

দাম – ৩৯% ছাড় দিয়ে ২৮০ টাকা।

১৬। ডেকোপেজ

ছাপা কাগজ বা টিসু। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো জিনিসকে নতুন লুক দিতে খুবই উপযুক্ত। ৪টি ডিজাইনের ৮টি টিসু, ফুল ও পাখির নকশা। ৩৩ সেমি X ৩৩ সেমি।

দাম – ২০% বাদ দিয়ে ৩২০ টাকা।

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading

জীবন যেমন

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক ব্যবহার করতে। অর্থাৎ যত বেশি মোটা হবে মাস্ক ততই আপনার জন্য ভালো। এখন যখন মাস্ক সব সময়ের সঙ্গী হয়ে যাচ্ছে তখন এক আধটা নয় একাধিক মাস্ক থাকবে প্রত্যেকেরই। অ্যামাজনে পেয়ে যাবেন বেশ কয়েক রকমের উন্নত মানের মাস্ক। তারই মধ্যে কয়েকটি দেখে নিন। এই প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দামগুলি ছিল সেগুলিই দেওয়া হল –

১। এন৯৫ কটন ওয়াশেবল মাস্ক এটি ডবল লেয়ার মাস্ক। হেলমেট বা যে কোনো গার্ডের নীচেও পরা যাবে। দু’টি রং পাওয়া যাবে – নীল, কালো।

দাম – ৬৬% বাদ দিয়ে ৮৯ টাকা। ডেলিভারি চার্জ অতিরিক্ত।

২। কটসন ৫ লেয়ার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কেএন৯৫ মাস্ক। এটি এক সঙ্গে ৩টি পাওয়া যাচ্ছে। হলুদ সাদা ও ধুসর রঙের।

দাম – ৭৪% ছাড় দিয়ে ১৬৮ টাকা।

৩। মার্ক লয়রি স্ট্যান্ডার্ড সাইজ অ্যাডাল্ট মাস্ক। ৫ লেয়ার বিশিষ্ট। ওয়াশেবল মাস্ক। এক সঙ্গে ৩টি পাওয়া যাচ্ছে।

দাম – ২৯৮ টাকা

৪। জিওরদানো অ্যান্টিপলিউশন, অ্যান্টি হিট, অ্যান্টি ডাস্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল রেসপিরেট্যাল মাস্ক। ৬ লেয়ার। ৪টে এক সঙ্গে। কালো, ধুসর, কালচে লাল, নীল রঙের।

দাম – ৫৯৯ টাকা।

৫। মাউথ কভারিং মাস্ক। পুনঃ ব্যবহারযোগ্য। কালো রঙের, ব্রিদিং ভাল্ভ যুক্ত।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ১৬৫ টাকা

ব্রিপ্রো সফট বাইক ফেস মাস্ক। কালো রঙের।

দাম- ৯২% ছাড় দিয়ে ২৩ টাকা।

৭। ইইউএমই প্রটেক্ট+৯৫ মাস্ক। ওয়াশেবল। ৪ লেয়ারের। রং লাল। ৩টে একসঙ্গে।

দাম – ৯০০ টাকা।

৮। থ্রি লেয়ার ফেস প্রোটেকশন মাস্ক। ২০টির প্যাক।

দাম – ১৪৯ টাকা

৯। ফেশন সেফটি আউটডোর মাস্ক। ৩ লেয়ার। ওয়াশেবল। ৪টের প্যাক। (প্রিন্ট ৬)।

দাম – ৩৮% ছাড় দিয়ে ৩৬৯ টাকা

১০। ৬ লেয়ার আউটডোর ফেস মাস্ক। গোলাপি রঙের। একটি। ওয়াশেবল।

দাম – ১৬% ছাড় দিয়ে ১২৫ টাকা

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading
Advertisement

নজরে