Connect with us

রূপচর্চা

হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা! এই ৭টি পদ্ধতিতে যত্ন নিন ত্বক ও চুলের

ওয়েবডেস্ক: শীতের আগমন ঘটেছে। এই আগমনে ত্বকের যত্নে সতর্ক থাকতে হবে। ত্বককে সুন্দর তরতাজা, আরও উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক শুষ্ক ও আর্দ্র হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে বারো মাসই সঙ্গে ছাতা নিয়ে অবশ্যই বেরোবেন।

সেই সঙ্গে বাইরে যখন বেরোবেন ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে যেমন কোল্ড ক্রিম মাখবেন আর তার সঙ্গে  সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম মাখতে কিন্তু ভুলবেন না।

শীত পড়তে না পড়তেই শুরু হয়েছে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা। তাই এখন থেকেই শুরু হোক ত্বকের বাড়তি যত্ন। এতে শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

১। ময়েশ্চারাইজার

শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডোসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন।

২। সানস্ক্রিন ব্যবহার

শীত আসছে বলে ভাববেন না যে, সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৩। আর্দ্রতা বজায় রাখুন

শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মাঝের মধ্যে মুখে জলের ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না।

৪। ভেজা ত্বকের পরিচর্যা

প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন: ত্বকের যাবতীয় সমস্যায় ব্যবহার করুন ময়দা

৫। ঠোঁটের পরিচর্যা

কখনোই জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফাটবে না।

৬। মেকআপ করার সময়

মেকআপ করার সময় লিক্যুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

৭। চুলের যত্ন

শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়।

জীবন যেমন

বিনা খরচে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর সহজ ৮টি পরামর্শ

face

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হয়। তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। লকডাউনের কারণে তেমনই শরীর মনে কমবেশি চাপ পড়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা সকলেই। তার ফল যেটা হচ্ছে, সেই ছাপ পড়ছে আমাদের চেহারায় ত্বকে। উলটো দিক থেকে ত্বক ভালো থাকলে মন ভালো থাকে। আলাদা কনফিডেন্স পাওয়া যায়। তাই একটু সময় বার করে খুব সাধারণ কয়েকটি কাজ নিয়মিত করুন। দেখবেন ত্বকের জেল্লা বাড়বে, সঙ্গে মনও ভালো থাকবে।

১। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা –  

দেরি করে ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি ওঠা সম্ভব নয়, কিন্তু যদি সময়মতো শোয়া যায় তা হলে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা সম্ভব। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার সুফল ত্বকের ওপর কিছু তো বর্তায় অবশ্যই।

২। লেবুর জল খাওয়া –

লেবুর রসে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করলে তা ভিতর থেকে শরীরকে পরিষ্কার ও রোগমুক্ত রাখে। তাতে লিভার ভালো থাকে। ফল হল ত্বক দারুণ ঝকঝকে থাকে।

৩। হাঁটা ও অল্প ব্যায়াম

এখন বাইরে বেরোনোর সুযোগ কম। কাজে লাগান ছাদকে। অথবা খুব ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তা। ভোর ভোর উঠে হাঁটার অভ্যাস খুব কাজের। সঙ্গে করতে পারেন সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।  এতে শরীর ঝরঝরে হবে। বাড়িতে থাকার ফলে হাতে পায়ে লেগে যাওয়া জং ছাড়বে। ব্যায়াম ও হাঁটায় শরীর ঘামবে ও শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যাবে। সুতরাং ত্বকের জেল্লাও বাড়বে।

৪। মুখ ধোয়ার অভ্যাস

ঘুম থেকে উঠে দেখবেন মুখমণ্ডলের নানা জায়গা – নাক, কপাল, গাল তেলতেলে হয়ে আছে। এগুলোকে ধুয়ে ফেলতে হবে ঘুম থেকে উঠেই। যে কোনো একটা কোমল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। তার পর ত্বকের ধরন ও ঋতুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে  সিরাম বা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। সারা দিন ত্বক তরতাজা থাকবে।

৫। এক্সফোলিয়েট করুন

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ওপরে মৃত কোষ জমে। তাতে ত্বক বিবর্ণ অনুজ্জ্বল দেখায়। সপ্তাহে অন্তত দু’বার ঘরোয়া স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন।

৬। ফল ও সবজি খান

শাকসবজি, ফল ত্বক ভালো রাখে। প্রতি দিন ব্রেকফাস্টে যে কোনো একটি ফল বা সবজি খান। কলা খাওয়া যেতে পারে। যে কোনো ফল খাওয়া যায় জুস বানিয়েও। সকালে ব্রেকফাস্টের পর জুস খেলে তা শরীরের যান্ত্রপাতিগুলিকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বক হয় জেল্লাদার।

৭। জল খান

প্রচুর পরিমাণে জল খেলেও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে ত্বকও পরিষ্কার থাকে। জেল্লা বাড়ে। জলের অভাবে ত্বক শুকনো লাগে।

৮। পরিমাণমতো ঘুম

অবশ্যই পরিমাণমতো ঘুম প্রত্যেক মানুষের জন্য জরুরি। তাই সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই শরীরকে ঘুমোতে দিতে হবে। তা না হলে ক্লান্তি বোধ বাড়ে, চোখের তলায় কালি পড়ে, ত্বক জেল্লা হারায়।

Continue Reading

রূপচর্চা

মুখ ঢাকা মাস্কে, চরম মন্দা লিপস্টিক ব্যবসায়

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মুখে মুখে মাস্ক। অন্য দিকে লকডাউনের জেরে আগের মতো বাইরে বেরনো অথবা উৎসব-অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ারও পাট চুকেছে। সব মিলিয়ে চরম মন্দার শিকার লিপস্টিক ব্যবসা।

শুধু লিপস্টিক নয়, যে কোনো ধরনের প্রসাধন সামগ্রীতেই এখন আর ততটা টান নেই সাধারণ মানুষের। সাবান, হ্যান্ডওয়াশ বা স্যানিটাইজারটুকু মিললেই অনেকটা স্বস্তি। লকডাউনে আয় হারিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে পকেটেও। ফলে সাজুগুজুর দিকে ততটা গুরুত্ব দেওয়ার সময় নেই বিশ্ববাসীর। বিশেষ করে মুখ যখন ঢাকা থাকছে মাস্কে, তখন লিপস্টিক তো নিত্যদিনের তালিকা থেকে অনায়াসেই বাদ পড়েছে।

বাইরে বেরোলেই মাস্ক এখন বাধ্যতামূলক। লকডাউনের নিয়মকানুন আলগা হতেই বিভিন্ন সংস্থা কাজ শুরু করেছে। সেখানেও মাস্ক পরতেই হবে। স্বাভাবিক ভাবেই ন্যূনতম প্রসাধনীতেই কাজ চালিয়ে নিতে হচ্ছে। তবে লিপস্টিকের কদর না থাকলেও আদর বাড়ছে আই-মেকআপের। মাস্কে ঠোঁট ঢাকা থাকলেও চক্ষুসজ্জায় জোর দিচ্ছেন অনেকেই।

প্রসাধন প্রস্ততকারী সংস্থাগুলিও সে দিকেই জোর দিচ্ছে। করোনাভাইরাসে সংক্রমণের যা মতিগতি, তাতে স্পষ্ট ভাবেই বোঝা যাচ্ছে, ভাইরাস যদি নিয়ন্ত্রণেও আসে, মাস্ক এখনই সরবে না মুখ থেকে।

ক্রেতার চাহিদার কথা ভেবে প্রসাধন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিও জোর দিচ্ছে আই-লাইনার, মাসকারা অথবা আই-শ্যাডোয়। বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নিয়ে ল’অরিয়েল, নাইকার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি সেই উদ্যোগই নিচ্ছে।

তবে প্রসাধন শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের কথায়, ভারতে আই-মেকআপের কদর বরাবরই বেশি। তাই বলে লিপস্টিকও যথেষ্ট বিকোয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রসাধনীর ৩৬ শতাংশ দখল করে রয়েছে আই-মেকআপ, অন্য দিকে ভারতীয় প্রসাধনী বাজারে লিপস্টিকের অংশীদারিত্ব প্রায় ৩২ শতাংশ।

তাঁদের মতে, খুব শীঘ্রই লিপস্টিকের বাজার ফিরে আসবে। আমরা সমাজবদ্ধ জীব। সামাজিকতা কখনই শেষ হওয়ার নয়। কোনো সংকট এলে বিকল্প পথের সন্ধান করে নিতে পারে মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই লিপস্টিক ফিরে আসবেই!

লকডাউনের কারণে বিভিন্ন ব্যবসাতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে ত্বক অথবা চুলের যত্ন নিতে ব্যবহার করা সামগ্রীগুলির বিক্রিবাট্টা অনলাইনে বা খুচরো বাজারে মন্দ নয়। ফলে চলতি বছরের মধ্যেই প্রসাধন ব্যবসা পূর্ণ মহিমায় ফিরে আসবে বলে প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Continue Reading

জীবন যেমন

কনুইয়ের কালচে ভাব? রান্নার সামগ্রী দিয়ে দূর করার ৮টি টিপ

ত্বক

ওয়েবডেস্ক: লকডাউনে বাড়িতে বসে এখনই সময় ত্বকের ভালো করে যত্ন নেওয়ার। তাতে উপকারও যেমন হবে খানিকটা সময়ও কাটবে। বেশির ভাগ মানুষেরই একটা অভিন্ন সমস্যা তাহকে। তা হল ঘাড়, কনুই, হাঁটু কালো থাকা। শরীরের অন্য অংশের ত্বকের চেয়ে এই অংশের চামড়া বেশি পুরু। তাই সাধারণ ত্বকের যত্ন এখানে বিশেষ কাজে লাগে না। ফলে খুব তাড়াতাড়ি  শুকনো হয়ে যায়। আবার এই অংশে মেলানিন তৈরি হয় বেশি। ফলে কালচে ভাবও বেশি। তাই শরীরের এই সব অংশের কালচে আর শুকনো ভাব কমিয়ে স্বাভাবিক করতে চাইলে বিশেষ যত্ন নিতেই হবে

রান্নাঘরেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা খুব সহজেই কনুই, হাঁটু ও ঘাড়ের কালো ছোপ কমিয়ে ত্বকের রং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে, আর কোমলও রাখতে পারে! দরকার শুধু একটু নিয়মিত পরিচর্যা আর ধৈর্য। রইল টিপস –

১। লেবুর রস

পাতিলেবুর রসে ব্লিচিং এফেক্ট রয়েছে। তাই কনুইয়ের বিশ্রী কালো ছোপ তুলতে ভরসা করা যায় পাতিলেবুর ওপরে। একটা বড়ো আকারের পাতিলেবু আধখানা করে কেটে, রসটা ভালো ভাবে নিংড়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এ বার একটি করে টুকরো নিয়ে কনুইয়ে খুব ভালো করে ঘষতে হবে।

২। লেবু চিনি

লেবুর সঙ্গে সামান্য চিনিও মাখিয়ে নেওয়া যায়। তাতে কনুইয়ের অংশটা এক্সফোলিয়েট করা হয়ে যাবে। এর পর আধ ঘণ্টা অপেক্ষা। তার পরে হালকা গরম জলে ধুয়ে ঘন ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিলেই হল। প্রতি দিন নিয়ম করে এই ভাবে করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কনুইয়ের কালো ভাব দূর হবে।

৩। শশার রস

একটা শশা থেকে একটু মোটা করে দু’টো টুকরো কেটে নিয়ে তা কনুইয়ে মিনিট দশেক ঘষতে হবে। তার পর পাঁচ মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৪। শশা লেবুর রস

শশার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়েও লাগানো যায়। এ ক্ষেত্রে দু’টো রসই সমপরিমাণে নিতে হবে। প্রতি দিন এই মিশ্রণটা মাখলে তফাত খুব তাড়াতাড়িই চোখে পড়বে

৫। দুধের সর আর হলুদ

দুধের সর আর হলুদ ব্যবহার করে দেখতে পারেন কালো ভাব হালকা করতে। লেবুর মতো হলুদও একটি ব্লিচিং এজেন্ট এবং এটি ত্বকের মেলানিন কমিয়ে দিতে সক্ষম। বেশ খানিকটা দুধের সর নিয়ে তার মধ্যে আধ চামচ হলুদ দিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। কাঁচা হলুদ বেটে নিতে পারলে খুব ভালো হয়। না হলে গুঁড়ো হলুদও নেওয়া যেতে পারে। এই পেস্টটি পুরো কনুই হাঁটু বা ঘাড়ের কালো জায়গায় বৃত্তাকারে ঘষে ঘষে মেখে  ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৬। দই হলুদ

সরের বদলে দইও নেওয়া যায়। বেশ খানিকটা টক দই, তার মধ্যে আধ চামচ হলুদ দিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। কাঁচা হলুদ বেটে নিতে পারলে খুব ভালো হয়। না হলে গুঁড়ো হলুদ। এই পেস্টটি পুরো কনুই হাঁটু বা ঘাড়ের কালো জায়গায় বৃত্তাকারে ঘষে ঘষে মেখে  ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৭। দুধ আর বেকিং সোডা

দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের পিগমেন্টেশন কমায় আর বেকিং সোডা জমে থাকা মৃত কোষ তুলে ফেলতে সাহায্য করে। খানিকটা বেকিং সোডার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে একটা থকথকে পেস্ট তৈরি করে কালো অংশে মেখে মিনিট তিনেক চক্রাকারে মাসাজ করতে হবে। ধীরে ধীরে কালচে ভাব কমে আসবে, দুধের ফ্যাট কনুইয়ের শুকনো ভাবও কমাবে।

করতে পারেন – মুখের অবাঞ্ছিত লোম বাড়িতে বসেই দূর করুন এই পদ্ধতিতে

৮। চিনি অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল না থাকলে নারকেল তেলও চলতে পারে। সমপরিমাণ চিনি আর অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে কালো জায়গায় লাগিয়ে মিনিট পাঁচেক বৃত্তাকারে মাসাজ করে আরও পাঁচ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। নিয়ম করে সপ্তাহে দু’ দিন করলে উপকার হবে।

ময়শ্চারাইজার

এই প্যাকগুলি যে কোনোটিই লাগানো হোক না কেন, প্রতিবার প্যাক ধুয়ে এবং স্নানের পর ময়শ্চারাইজার মাখতে ভুললে হবে না। রাতেও ঘুমোতে যাওয়ার আগেও মুখ হাত পা এবং সঙ্গে সঙ্গে এই কালো অংশগুলিতে ঘন ক্রিম মাখতে হবে।

কী কী ময়শ্চারাইজার মাখবেন?

স্বাভাবিক ভাবেই পেট্রোলিয়াম জেলি, নারকেল তেল, কোকো বা শিয়া বাটার ময়শ্চারাইজার হিসেবে খুবই ভালো।

সানস্ক্রিন

রোদের দিনে বাড়ির বাইরে কেবল নয় বাড়ির ভিতরে থাকলেও সানস্ক্রিন মাখতেই হবে। পুরো হাতে কনুইয়ে ঘাড়ে ভালো করে সানস্ক্রিন মাখতে হবে।

অবশ্যই করে দেখুন – ত্বক ও চুলের যত্নে ঘিয়ের এই ব্যবহারগুলি কি জানেন

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং