এই বর্ষায় নিজের ত্বকের বিশেষ যত্ন নিন

    আরও পড়ুন

    খবরঅনলাইন ডেস্ক: গরমের অস্বস্তি কাটাতে বৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ঋতুর পরিবর্তন আমাদের শরীরের উপরে প্রভাব ফেলে। বর্ষা যতই স্বস্তির স্পর্শ নিয়ে আসুক না কেন, ভুললে চলবে না একই সঙ্গে নিয়ে আসে শারীরিক নানা সমস্যাও। আবহাওয়ায় আর্দ্রতার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে, বাড়ি বা অফিস যেখানেই হোক, এমনকি বাইরে বেরিয়েও অস্বস্তি কিছুতেই কমতে চায় না। পরিবেশের কারণে এবং বাড়তি আর্দ্রতার জন্য সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক।

    বর্ষায় শরীরের ইমিউনিটি লেভেল কম হয়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের ফলে শরীরে অনেক রকমের অসুস্থতা বাসা বাঁধে। পেটের সমস্যা যেমন বদহজম বা পেট খারাপ, টাইফয়েড ইত্যাদি অসুখ মাথা চাড়া দেয়। এর সঙ্গে নিঃশ্বাসের কষ্ট, হাঁপানি, সর্দি-কাশিও হয়।

    Loading videos...

    ত্বকের সমস্যাও দৈনন্দিন জীবনকে অতিষ্ট করে তোলে। এগজিমা, ফুসকুড়ি, ঘামাচি, ব্রণ ইত্যাদির প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে এই মরশুমে ত্বকের বিশেষ খেয়াল রাখার দরকার পড়ে। একটু সচেতন হলেই বর্ষাতেও আমরা নিজেকে স্নিগ্ধ, সতেজ ও আরও সুন্দর রাখতে পারি।

    ব্রণ দূর করুন

    - Advertisement -

    বৃষ্টির জলে অ্যাসিড জাতীয় উপাদান থাকে। অন্য নোংরা বা দূষিত উপাদান তো থাকেই! তাই ত্বকে বৃষ্টির জল লাগলে ব্রণ বা র‍্যাশ বেরোনোটা মোটেই আশ্চর্য নয়! তেলহীন, ওয়াটার-বেসড প্রডাক্ট দিয়ে নিয়মিত মুখ ধুয়ে ফেলুন যাতে রোমছিদ্র বন্ধ না হয়ে যায়। বাড়তি তেল তুলে ফেলতে সপ্তাহে একদিন একটা স্ক্রাব ব্যবহার করুন।

    সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

    অনেকেই মনে করেন বৃষ্টির দিনে সানস্ক্রিনের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষেই এটি একটি ভুল ধারণা। রোদ না উঠলে বা মেঘলা দিন হলে এমন নয় যে আপনার ত্বক সূর্যের রশ্মি থেকে নিরাপদ। সুতরাং একটি ভালো সানস্ক্রিন লাগাতে একেবারেই ভুলবেন না।

    নিয়মিত জল খান

    আমরা সবাই শুনেছি, জল ত্বকের প্রতিটি সমস্যার জন্য সেরা ওষুধ। সুতরাং আপনার বর্ষার রুটিনে এই ওষুধটি অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রতি দিন কমপক্ষে ২ লিটার জল খান। এটি ব্রণ এবং ফুসকুড়ির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে, সেই সঙ্গে টক্সিনও বের হয়ে যাবে।

    ময়েশ্চারাইজার মাখুন

    বর্ষায় আর্দ্র আবহাওয়ায় মনে হতেই পারে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে বাড়তি আর্দ্রতার কী প্রয়োজন? কিন্তু এটাই সব চেয়ে বড়ো ভুল। বর্ষায় আবহাওয়ার তারতম্য এবং বাতাসে আর্দ্রতার ওঠাপড়া চলতেই থাকে এবং তার প্রভাবটাও ত্বকের উপর পড়ে। তাই আপনার ত্বকের ধরন যেমনই হোক, কোনো মতেই ময়েশ্চারাইজার মাখতে ভুলবেন না! তার সঙ্গে সপ্তাহে এক দিন একটা হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার করতে পারলে খুব ভালো!

    মুখ পরিষ্কার রাখুন

    বর্ষার মরশুমে বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকার কারণে ত্বক বেশি মাত্রায় তেলতেলে হয়ে পড়তে পারে। তাতে ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ হয়ে গিয়ে ব্রণ বা ব্ল্যাকহেডসের উপদ্রব দেখা দেয়। তাই এই মরশুমে দিনে দু’ থেকে তিন বার হালকা ফোমিং ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার জন্য হালকা গরম জল ব্যবহার করলে বাড়তি আরাম পাবেন, ত্বকও দীপ্তিময় হয়ে উঠবে! এ ছাড়াও অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল টোনার ব্যবহার বেশি লাভজনক। এটি ত্বককে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়।

    হয় মেকআপ নয়, কিংবা হালকা

    বৃষ্টির জলে মেকআপ ধুয়ে চেহারার অবস্থা খারাপ হতে পারে। তাই মেকআপ ছাড়াই বাইরে বেরোনো উচিত। তবে চাইলে আপনি ওয়ারটারপ্রুফ মেকআপ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু মেকআপ করলেও তা যতটা সম্ভব হালকা রাখার চেষ্টা করুন।

    আরও পড়ুন: সোনার মতো উজ্জ্বল ত্বক চান? বাড়িতেই করে নিন গোল্ড ফেসিয়াল

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    - Advertisement -

    আপডেট খবর