আপনার দাম্পত্যে এই ৪টি বিষয় মাথাচাড়া দিচ্ছে না তো!

0
divorce
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: আজকাল বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা সাংঘাতিক বেড়েছে। সামান্য কারণেই একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়াটা এখন কোনো ব্যাপারই নয়। ফলে অল্প দিনেই বিয়ে যাচ্ছে ভেঙে। এখন তো নিজেদের চারপাশে দেখলেই দেখা যায় কম-বেশি নানান বয়সের দাম্পত্য জীবন ভেঙে খান খান হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিচ্ছেদের পেছনে রয়েছে খুবই সাধারণ কয়েকটি কারণ। তাই নিজেদের সামলান। এই বিষয়গুলি সম্পর্কের মধ্যে যেন না আসে, খেয়াল রাখুন। যত্নবান হন।

১. সম্পর্কের গুরুত্ব

লক্ষ করে দেখুন তো আপনাদের কাছে এই সম্পর্কটার গুরুত্ব কতটুকু? এমন নয় তো যে সম্পর্কের প্রতি কারোরই কোনো টান নেই। দু’জনের কাছেই গুরুত্বহীন। এমন হলে কিন্তু সম্পর্কের প্রতি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা বিশেষ করে শ্রদ্ধা কমে আসে। ফলে সম্পর্ক থাকল কী গেল, তাই নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা থাকে না।

২. মানিয়ে নেওয়ার ইচ্ছে

দু’টি মানুষ সব সময়ই ভিন্ন। তাদের সব কিছুই আলাদা। এমনকি পছন্দ ও ইচ্ছাও। তাই চলতে গেলে মতো বিরোধ আসবে এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটাই মানিয়ে নিয়ে এক সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করা উচিত। কিন্তু না। আজকাল সেই মানিয়ে নেওয়ার জায়গায় বিরোধ আর বিচ্ছেদ মাথা গলাচ্ছে। তাই সমঝোতা ও সামঞ্জস্য আনাটা খুবই জরুরি।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মাঝে মোবাইল ফোন কি অশান্তির কারণ হয়ে উঠছে? জানেন কেন!

৩. ভুল বোঝাবুঝি

আজকাল প্রায় ৫০ শতাংশ বিবাহ বিচ্ছেদের পেছনে রয়েছে ভুল বোঝাবুঝি। কোনো কিছু নিয়ে সমস্যা তৈরি হলে তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা সব থেকে বেশি দরকার। উলটে প্রতি মুহূর্তে একে অপরের খুঁত ধরতে ব্যস্ত। এখনকার সম্পর্কের মধ্যে সেই জায়গাটুকুও থাকে না যে ধৈর্য ধরে একে অপরের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলবে। মনের ভেতর কোনো কিছু পুষে না রেখে তা পরিষ্কার করে নেবে। ফলে ক্ষোভ জমতে জমতে এক সময় দাবানলের চেহারা নেয়। তারই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বিবাহের গাঁটছড়া।

৪. ভালোবাসার অভাব

সর্বোপরি যে বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, তা হল একে অপরের প্রতি ভালোবাসা। এখন সবই দুই দিনের। ফলে হঠাৎ আসা প্রেম, ভালোবাসা হঠাৎই উবে যায়। সেই জায়গায় ভরে ওঠে তিক্ততা। মনের ভেতর থেকে অনুভূতিগুলি সরে যায়। ফলে একে অপরের সঙ্গে চিরকাল কাটানোর পরিবর্তে একে অপরকে মুহূর্তের মধ্যে ছেড়ে যেতে এতটুকু দ্বিধাবোধ থাকে না।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন কীসের অভাব হলে সম্পর্ক ভেঙে যায়। তাই আগে থেকে সাবধান হন। সম্পর্কের প্রতি যত্নবান ও শ্রদ্ধাশীল হওয়াটাই সর্বাগ্রে করণীয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here