Connect with us

জীবন যেমন

এখন অনভ্যস্তরা রান্নাঘরে, তাঁদের জন্য কয়েকটি জরুরি পরামর্শ

kitchen

ওয়েবডেস্ক: শখের রাঁধুনি যাঁরা বা যাঁরা বাধ্য হয়ে রান্নাঘরে ঢুকছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন মোটেই রান্নাঘরের কাজে পোক্ত নন। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে অবসর সময় কাটানোর জন্য বা উপায় না থাকার দরুণ রান্না করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁদের জন্য রইল এই পরামর্শগুলি। এগুলো জেনে রাখা বা মাথায় রাখা খুবই জরুরি। কারণ খুব ছোটোখাটো কয়েকটি অসাবধানতা থেকেই ঘটে যায় বড়ো বিপদ। তাই নিজের সাবধানতা ও কাজের সুবিধার জন্য এই টিপস অবশ্যই মনে রাখবেন। তবে টিপস বলার আগে বলি, যে কোনো জায়গা গোছানো থাকলে সেখানে যে কোনো কাজই করতে সুবিধা হয়। জিনিসপত্র খুঁজে পেতে সুবিধা হয়। তাই রান্না শুরুর আগে তার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি চোখের সামনে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখলে রান্না করতে শুরু করার পর এটা কোথায় সেটা কোথায় করে কোনো রকম খোঁজাাখুঁজি করার ঝামেলায় পড়তে হবে না।

প্রথম কথা হল পরিকল্পনা।

আগে থেকে পরিকল্পনা করে সব কিছু হাতের কাছে গুছিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে আগে থেকে কুটে বেটেও রেডি করে রাখা যায়। তাতে ঠান্ডা মাথায় যেমন কাজটা করা যায়, তাতে কোনো কিছু বাদ পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। তেমন একটানা কাজের ধকলও কমে।

দ্বিতীয় কথা হল আজকাল ফ্রিজে সব জিনিস গুছিয়ে রাখা থাকে।

কাঁচা সবজি হোক বা রান্না করা খাবার, বা রান্নার যে কোনো উপকরণ, যেগুলি ঠান্ডাই ব্যবহার করার নিয়ম সেগুলি ছাড়া বাকি যে কোনো উপকরণই কিন্তু ব্যবহারের আগে ফ্রিজ থেকে আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা আগে বের করে রেখে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনা উচিত। তার পর ব্যবহার করুন। এতে গ্যাস খরচ বা বিদ্যুতের খরচ অনেকটা কমানো যায়।

তৃতীয় যে কথাটি বলা দরকার,

তা হল কাঁচা সবজি ফলমূল ইত্যাদি ধুয়ে ব্যবহার করার অভ্যাস। অনেকেই আছেন মুছে নিয়ে ফল খেয়ে ফেলেন। আবার অনেকেই আছেন আনাজ বা ফল কেটে নিয়ে ধোন। আবার কেউ আছেন আগে ধুয়ে নিয়ে তার পর কাটেন। এর মধ্যে ঠিক পদ্ধতি হল, আনাজ বা ফল যাবতীয় সব কিছু আগে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তার পর তার জল ভালো করে ঝরিয়ে নিয়ে তার পর কাটা উচিত।

চতুর্থ যে বিষয়টি মনে রাখতেই হবে,

শুধু আনাজপাতি ফলমূল ধুতে হবে তাই নয় ছুরি, বঁটি, কাঁচি বা যে কোনো কাটার যন্ত্র ব্যবহার করার আগে অবশ্যই তা ভালো করে ধুয়ে মুছে ব্যবহার করা উচিত।  

পঞ্চম, তবে মাছ মাংস বাজার থেকে এনে ফ্রিজে ঢোকানোর আগে

ভালো করে কেটে বেছে ধুয়ে নিন। ফ্রিজে রাখার আগে লক্ষ করতে হবে তা যেন এয়ারটাইট বক্সে করে রাখা হয়। কারণ তা না হলে তার থেকে গন্ধ বেরোবে, তার ফলে ফ্রিজের ভেতরে গন্ধ ভরে যাবে। ডিমের ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, সেদ্ধ করা বা ব্যবহার করার করার আগে কাঁচা ডিম ভালো করে ধুয়ে নিলে ভালো হয়। কারণ খোলা বাজার বা সাধারণ দোকান থেকে আনা আনপ্যাকড ডিমের গায়ে অনেক সময়ই নোংরা লেগে থাকে।

ষষ্ঠে, এর পরই মনে প্রশ্ন আসবে তা হলে মাছ মাংস বা ডিম ইত্যাদির ক্ষেত্রে কী করা উচিত?

সে ক্ষেত্রেও তাই। মাছ মাংস বা ডিম কাটা বা ব্যবহারের আগে বের করে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে তার পর ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে গরম তেলের মধ্যে দিলে তার থেকে বেরোনো জল তেলে পড়ে তেল ছিটকে এসে বিপদ ঘটাবে।

সপ্তম, এ বার আসা যাক গরম তেলে কোনো কিছু ছাড়ার পদ্ধতিতে।

তেলের কড়ায় ফোড়নই হোক বা মাছ, মাংস অথবা সবজি যা-ই হোক, খুব বেশি দূর থেকে ছাড়তে নেই। বেশি উঁচু থেকে ছাড়লে তেল ছিটকে এসে বিপদ ঘটাবে। তবে কাছ থেকে ছাড়ার সাহস না থাকলে একটি লম্বা হাতলের খুন্তি বা হাতা করে তেলে উপকরণ ছাড়তে পারা যায়। তাতে দূরত্বও বজায় থাকে এবং তেল ছেটকানোরও ভয় থাকে না।

এই ভাবে টোস্ট বানিয়ে কখনও খেয়েছেন? না খেলে অবশ্যই বানান

অষ্টম, এতক্ষণ কথা হচ্ছিল রান্না শুরুর আগের প্রস্তুতি নিয়ে। এ বার রান্নার পরের কথায় আসা যাক।

ভাতের ফ্যান গালার সময় অন্য কোনো দিকে মন দেওয়া যাবে না। খুব সচেতন ভাবে ও সাবধানে ধৈর্য ধরে ফ্যান গালাতে হবে। একটু এ-দিক ও-দিক হলেই কিন্তু প্রথমে হাতে ছ্যাঁকা লাগার ভয় তার পর তো হাতে ফ্যান পড়ে পুড়ে যাওয়ার ভয় পরে। তাই মোটেই অন্যমনস্ক নয়, রান্নার যে কোনো কাজই করতে হবে খুব মনোযোগ দিয়ে।

নবম, অনেকেই আছেন রান্নার পর কড়াই ভালো করে চেঁছে তোলেন না।

তলানি অংশ ফেলে দেন। কিন্তু তা করবেন না। তাতে অনেকটা স্বাদ নষ্ট হয়। তাই রান্নার শেষে কড়াই ভালো করে চেঁছে মুছে পদের মধ্যে মেশান। কারণ তা না করলে ও-তে অনেকটা মশলা নষ্ট হয়, যা স্বাদের জন্যই দেওয়া হয়েছিল।  

দশম, বাসন মাজার সময় খুব কম ক্ষারযুক্ত হালকা ধরনের ডিশ ওয়াশার ব্যবহার করা ভালো।

সঙ্গে মাজার স্ক্রাবারটিও যেন ভালো হয়। তা না হলে অতিরিক্ত ঘষে মাজতে গেলে হাতের দফারফা। সঙ্গে অনভ্যাসের কারণে হাতে কাঁধে ঘাড়ে পিঠে ব্যথাও হবে। তেমন হলে বাসন মাজার সময় গ্লাভসও পরে নেওয়া যায়। তাতে হাত নোংরা হবে না। বাসন মাজার কাজ শেষ করে ভালো করে হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত আঙুল নখের কোণ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অবশ্যই ক্রিম বা ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নিতে হবে।

একাদশ, আজকাল পরিস্থিতির কারণে স্যানিটাইজারের ব্যবহার খুবই বেড়েছে। কিন্তু তাই বলে রান্না করতে যাওয়ার আগে স্যানিটাইজার হাতে লাগিয়ে আগুনের কাছে মোটেই যাওয়া যাবে না। কারণ তাতে থাকে অ্যালকোহল। তা দাহ্য, ফলে আগুন ধরে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই রান্নাঘরের কোনো কিছুকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে মনে হলে খানিকটা গরম জল করে তাতে যে কোনো ওয়াশিং পাউডার ফেলে তাতে কাপড় চুবিয়ে তা দিয়ে পরিষ্কার করে তার পর স্বাভাবিক জলে ভালো করে মুছে নেওয়া যায়। তাতে ব্যকটেরিয়া বা জীবাণু বা ভাইরাস সবই দূর হবে। তবে স্যানিটাইজার নৈব নৈব চ।

দ্বাদশ, সব সাবধানতার পর একটি প্রতিকার।

যদি কোনো ভাবে শরীরের কোনো অংশ ছ্যাঁকা লেগে বা গরম তেলে বা গরম জলে পুড়ে যায় তা হলে কী করবেন? ভুল করেও জায়গাটা ঢলবেন না বা ঘষবেন না। সেই জায়গায় সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে ঠান্ডা দুধ থাকলে তা লাগান। অথবা ঠান্ডা জল ঢালুন । এর পর জ্বালা কমলে বার্নল জাতীয় পোড়ার মলম লাগানো যায়। তবে বেশি সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।

দেখুন – কিচেন গার্ডেন করতে চান? রইল টিপস

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

জীবন যেমন

বাড়িতে করোনা রোগীর দেখাশোনা কী ভাবে করবেন?

corona

খবরঅনলাইন ডেস্ক : প্রতিদিন হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এই অতিমারি করোনাভাইরাসে। এর মধ্যেই পঞ্চম দফার লকডাউনে খুলে গিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। আগামী দিনে খুলবে আরও কিছুও। তা হলে আর বাড়ি নয়, এ বার বাইরের জীবনকেই আগের মতো সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে করোনা। এই অবস্থায় করোনার প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ কথা ঠিক যে প্রতিষেধক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক তো থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ঘরের কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও অবাক হওয়ারও কিছু থাকবে না। বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে জানতে হবে কী ভাবে বাড়িতেই দেখাশোনা করবেন করোনাভাইরাসের রোগীকে।

এ দেশে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা হাতেগোনা। মুম্বই অ্যাপোলো হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ লক্ষ্মণ জেসানি এই বিষয়ে বিশেষ কিছু পরামর্শ দিলেন। জানালেন, হাসপাতালে না গিয়ে নিজে নিরাপদে থেকে কী ভাবে ঘরেই রোগীর পরিচর্যা করতে হবে।

১। অসুস্থতা বোধ করলে রোগীকে নিজের থেকেই সচেতন হতে হবে। 

২। কোনো ব্যক্তির মধ্যে যদি রোগের লক্ষণ থাকে তা হলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ১৪ থেকে ১৭ দিন আইসোলেশানে থাকতে হবে।

৩। শ্বাসকষ্ট থাকলে শুরুতেই সচেতন হতে হবে। নিয়মিত ডাক্তার ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।  

৪। এ ছাড়া হালকা জ্বর হলে ১০ দিন তাকে আলাদা রাখুন। 

৫। পরিবারের অন্য সসস্যদের নিরাপদে রাখতে সংক্ৰমিত রোগীকে বাথরুমসহ একটা ঘরে একা রাখতে হবে।

৬। রোগীর সঙ্গে কথা বলা বা তার দেখাশোনা করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস অবশ্যই পরতে হবে।

৭। খুব প্রয়োজন না হলে তার সঙ্গে নিশ্চিত রূপে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। যেমন ওধুষ বা খাবার খাওয়ানো ইত্যাদি।

৮। সংক্ৰমিত ব্যক্তির কাছে গেলে বারবার সাবানজলে হাত ধুতে হবে। অথবা অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতেই হবে। 

৯। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে জল ও ফলের রস, হালকা গরম সুপ ও আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি চা খেতে দিতে হবে। মাছ, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

১০। শিশু ও বয়স্কদের আক্রান্তের থেকে দূরে রাখুন।  

১১। সর্বোপরি তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে, মনের জোর ধরে রাখুন, নিয়ম মেনে চলুন। সচেতনতার কাছে করোনা পরাজিত হোক।  

আরও – করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়লেও অবশেষে কিছুটা আশার আলো

Continue Reading

জীবন যেমন

বিনা খরচে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর সহজ ৮টি পরামর্শ

face

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হয়। তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। লকডাউনের কারণে তেমনই শরীর মনে কমবেশি চাপ পড়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা সকলেই। তার ফল যেটা হচ্ছে, সেই ছাপ পড়ছে আমাদের চেহারায় ত্বকে। উলটো দিক থেকে ত্বক ভালো থাকলে মন ভালো থাকে। আলাদা কনফিডেন্স পাওয়া যায়। তাই একটু সময় বার করে খুব সাধারণ কয়েকটি কাজ নিয়মিত করুন। দেখবেন ত্বকের জেল্লা বাড়বে, সঙ্গে মনও ভালো থাকবে।

১। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা –  

দেরি করে ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি ওঠা সম্ভব নয়, কিন্তু যদি সময়মতো শোয়া যায় তা হলে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা সম্ভব। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার সুফল ত্বকের ওপর কিছু তো বর্তায় অবশ্যই।

২। লেবুর জল খাওয়া –

লেবুর রসে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করলে তা ভিতর থেকে শরীরকে পরিষ্কার ও রোগমুক্ত রাখে। তাতে লিভার ভালো থাকে। ফল হল ত্বক দারুণ ঝকঝকে থাকে।

৩। হাঁটা ও অল্প ব্যায়াম

এখন বাইরে বেরোনোর সুযোগ কম। কাজে লাগান ছাদকে। অথবা খুব ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তা। ভোর ভোর উঠে হাঁটার অভ্যাস খুব কাজের। সঙ্গে করতে পারেন সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।  এতে শরীর ঝরঝরে হবে। বাড়িতে থাকার ফলে হাতে পায়ে লেগে যাওয়া জং ছাড়বে। ব্যায়াম ও হাঁটায় শরীর ঘামবে ও শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যাবে। সুতরাং ত্বকের জেল্লাও বাড়বে।

৪। মুখ ধোয়ার অভ্যাস

ঘুম থেকে উঠে দেখবেন মুখমণ্ডলের নানা জায়গা – নাক, কপাল, গাল তেলতেলে হয়ে আছে। এগুলোকে ধুয়ে ফেলতে হবে ঘুম থেকে উঠেই। যে কোনো একটা কোমল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। তার পর ত্বকের ধরন ও ঋতুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে  সিরাম বা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। সারা দিন ত্বক তরতাজা থাকবে।

৫। এক্সফোলিয়েট করুন

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ওপরে মৃত কোষ জমে। তাতে ত্বক বিবর্ণ অনুজ্জ্বল দেখায়। সপ্তাহে অন্তত দু’বার ঘরোয়া স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন।

৬। ফল ও সবজি খান

শাকসবজি, ফল ত্বক ভালো রাখে। প্রতি দিন ব্রেকফাস্টে যে কোনো একটি ফল বা সবজি খান। কলা খাওয়া যেতে পারে। যে কোনো ফল খাওয়া যায় জুস বানিয়েও। সকালে ব্রেকফাস্টের পর জুস খেলে তা শরীরের যান্ত্রপাতিগুলিকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বক হয় জেল্লাদার।

৭। জল খান

প্রচুর পরিমাণে জল খেলেও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে ত্বকও পরিষ্কার থাকে। জেল্লা বাড়ে। জলের অভাবে ত্বক শুকনো লাগে।

৮। পরিমাণমতো ঘুম

অবশ্যই পরিমাণমতো ঘুম প্রত্যেক মানুষের জন্য জরুরি। তাই সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই শরীরকে ঘুমোতে দিতে হবে। তা না হলে ক্লান্তি বোধ বাড়ে, চোখের তলায় কালি পড়ে, ত্বক জেল্লা হারায়।

Continue Reading

ঘরদোর

এই দুর্দিনে রান্নার গ্যাস খরচ বেশি হচ্ছে? বাঁচাতে চাইলে এই পদ্ধতিগুলি মেনে চলুন

gas

খবরঅনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ লকডাউন, চাকরির বাজারেও মন্দা। কিন্তু বাড়িতে থাকলেই খাই খাই মন বশ মানে না। তার ওপর বাইরে বেরোলে জামাকাপড়কে ভাইরাসমুক্ত করতে গরম জল ব্যবহার হচ্ছে বারবার। অনেকেই গ্যাস জ্বালিয়ে জল গরম করেন। তাঁরা একটু বেশিই সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু উপায় কী? তা হলেও সময় এসেছে সচেতন হওয়ার।

সে ক্ষেত্রে গ্যাস কী ভাবে কম খরচ করবেন তা একটু ভেবে দেখতে হবে।

১। রান্নার সামগ্রী জোগাড় করে নিয়ে রান্না শুরু করুন। গ্যাস জ্বালিয়ে কাটা, বাটা, ধোয়া ইত্যাদি করবেন না।

২। রান্না করবেন যে বাসনে তা শুকনো করে মুছে তার পর উনুনে বসান, গ্যাসের আগুনে বাসন শুকিয়ে তেল দেবেন না। এতে গ্যাস খরচ প্রতি দিন অনেক বেশি হয়।

৩। জল গরম করার সময় ঢাকা দিয়ে বসান তা হলে তাড়াতাড়ি গরম হবে।

৪। খাবার জন্য জল গরম করতে হলে একবারে খানিকটা জল বেশি করে গরম করে ফ্লাক্সে ঢেলে রাখুন। তা দীর্ঘক্ষণ গরম থাকবে। বেশ কয়েক বার জল গরম না করলেও হবে।

৪। যে কোনো আনাজপাতি রান্নার ক্ষেত্রে সেদ্ধ করতেই হয়, সে ক্ষেত্রে প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। আনাজ প্রেশারে হালকা করে ভাপিয়ে নিয়ে রান্না করুন। প্রয়োজনে আনাজপাতি মশলা দিয়ে ভালো মতো কষিয়ে নিয়ে প্রেশারে দিয়ে সিটি দিয়ে নিন। তাতে রান্না চটজলদি হবে এবং গ্যাস খরচও কমবে।   

পড়ুন আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

৫। বার বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এক সঙ্গে বেশ কয়েক বারের চা তৈরি করে ফ্লাক্সে রেখে দিন। প্রয়োজনমতো ঢেলে খাওয়া যাবে।

৬। চাল, ডাল এই ধরনের দানাশস্য রান্নার আগে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। তা হলে সেদ্ধ করতে কম সময় লাগে। সেদ্ধ করতে বসানোর আগে জল ঢাকা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তার পর টগবগ করে ফুটন্ত গরম জলে চাল ডাল দিন। এর পর এক ফুট দিলেই সেগুলি বেশ বড়ো এবং নরম হয়ে যাবে। তখন ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ, এই ধরুন আধ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরে আবার এক দুই ফুট দিয়ে নিলেই পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে যাবে।

৭। চাল ডাল ইত্যাদি প্রেশারে খুব তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। তাতে গ্যাস কম খরচ হয়। তবে অনেকেরই প্রেশারের ভাত বা ডাল খেলে পেটে বায়ুর সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে উপরের পদ্ধতি অবশ্যই অনুসরণ করতে পারেন।

এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করলে দেখবেন আপনার গ্যাস আরও কিছু দিন বেশি চলছে।

দেখুন – এখন অনভ্যস্তরা রান্নাঘরে, তাঁদের জন্য কয়েকটি জরুরি পরামর্শ

দেখতে পারেন – মুখ ঢাকা মাস্কে, চরম মন্দা লিপস্টিক ব্যবসায়

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং