smita das
স্মিতা দাস

‘লাজে রাঙা হল কনে বউ গো, মালা বদল হবে এ রাতে’

এই গানটা শুনলেই যে ছবিটা সবার আগে মনে আসে তা হল একটি লাল টুকটুকে কনে বউ। কিন্তু আজকাল শুধু লালেই আটকে নেই বউয়ের সাজ। তা ছড়িয়ে পড়েছে নানান রঙের মধ্যে। যে যাঁর নিজের পছন্দের রঙের বা গায়ের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বিয়ের শাড়ি বা পোশাক কিনে থাকেন। আর সাজও হয় সেই রঙের সঙ্গে মিলিয়ে। যাতে বিশেষ ওই দিনটিতে নিজে অনেক বেশি সুন্দরী, আরও মোহময়ী করে তোলা যায় সেই ইচ্ছে থাকে সব মেয়েরই।

তাই বিয়ের সাজ কেমন হবে এই নিয়ে সব মেয়েরই একটা কল্পনা বা বলা যায় পরিকল্পনা আগে থাকেই করা থাকে। তা সে গয়নাগাটিই হোক আর সাজগোজই হোক। তাই এই পরিকল্পনাকে আরও একটু উসকে দিতে কনের সাজ কেমন হলে ভালো হয় তার কিছু টিপস রইল এখানে।

চুলের সাজ –

মুখের সৌন্দর্য্য অনেকটাই নির্ভর করে চুলের উপর। তাই প্রথমেই করতে হয় চুলের সাজ। সে ক্ষেত্রে কনের মুখের আদল আর উচ্চতার ব্যাপারটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যাঁদের মুখ গোল তাঁদের চুলের সামনের দিকটা ফাঁপিয়ে নিয়ে ঘাড়ের কাছে একটা ডিজাইনার খোপা বা কিছুটা ছেড়ে কিছুটা বাঁধা রাখলেও দেখতে ভালো লাগে। আর যাঁদের মুখের আদল লম্বাটে তাঁদের মাথার দু’ পাশ ফুলিয়ে খোপা বা খোপার সঙ্গে কিছুটা চুল ছেড়ে বাঁধা যেতে পারে। যাঁর উচ্চতা বেশি তাঁর ক্ষেত্রে ঘাড়ের কাছে খোপা বাঁধলে ভালো লাগবে। যাঁর উচ্চতা একটু কম তাঁর ক্ষেত্রে মাথার উপরের দিকে খোপা বাঁধা যেতে পারে। তাতে উচ্চতা একটু বেশি মনে হবে।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, আগেকার প্রথা মেনে মাথায় ওড়না দেওয়ার রেওয়াজ যেমন আছে, তেমনই নতুন ধরনের অনেক কৃত্রিম ফুল, কাঁটা, ক্লিপ, পুঁথি বা স্টোন সেটিং গহনা ব্যবহারও শুরু হয়েছে। শাড়ির রঙের সঙ্গে মানানসই নকল ফুল ভরাট করে খোপা বা কানের পাশ দিয়ে লাগালে বেশ একটা আলাদা মাত্রা এনে দেয়। বা আসল সুগন্ধী ফুলের মালা বা গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা দিয়েও সাজানো যায় খোপাকে। এ ছাড়াও থাকতে পারে এক পাশ দিয়ে ওড়নাও। সে ক্ষেত্রে শুধু লাল নয়, গোল্ডেন বা সিলভার কালারের ওড়নাও আজকাল খুবই ব্যবহার করা হচ্ছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন