Connect with us

বিবাহ

বিয়ের কনের মেকআপ কেমন হলে ভালো মানাবে জেনে নিন

স্মিতা দাস

আগের দিন বলেছিলাম বিয়ের কনের সাজগোজের প্রথম ধাপ চুল বাঁধার ধরন নিয়ে। চুল বাঁধার পরই সাজগোজের মধ্যে যে অংশটা এসে পড়ে তা হল মুখের সাজ বা মেক আপ। বিশেষ বিশেষ অংশ যেমন চোখ বা ঠোঁটের সাজ কিন্তু এক্কেবারে অন্য রকম একটা লুক এনে দিতে পারে। আবার কনের পেশা বা পছন্দের ওপর ভিত্তি করেও মেকআপ করা যায়। কখনও করা যায় ভারী মেকআপ। আবার অনেকেই হালকা মেকআপ-এ আগ্রহী।

মেকাপের ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো এ ক্ষেত্রে কিন্তু সব কিছুই নির্বাচন করতে হবে কনের গায়ের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে। তবে সব সাজই কিন্তু আবার তিনটে ধরনের হতে পারে। ট্র্যাডিশনাল, ট্রেন্ডি, ফিউশান। এখানে ছোট্টো করে বলে রাখি, ট্র্যাডিশনাল মেকআপে সাজ একটু ভারী। চুল ফুলিয়ে বেঁধে, গাঢ় লাল লিপস্টিক দিয়ে, চোখের ভারী মেকআপ করে করা হয় ট্র্যাডিশনাল মেকআপ। ট্রেন্ডি লুক বলতে সাজ একটু হালকা। মর্ডান স্টাইলের চুল বাঁধা, চোখে একটা স্মোকি ভাব, ঠোঁটে হালকা বা ম্যাচিং লিপস্টিক। আর ফিউশানে থাকে ট্র্যাডিশনাল মেকআপ আর ট্রেন্ডি মেকআপের মেলানো একটা সাজ।

প্রথমে বেস মেকআপের কথা বলেনি। মেকআপ শুরুর আগে মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা ঘাড় কান ও কানের পাশ আর পিঠে ত্বকের রঙ অনুযায়ী টোনার লাগাতে হবে। তার পর মুখে কোনো রকম দাগ থাকলে তা কভার স্টিক দিয়ে ঢেকে নিতে হবে। এর পর ফাউন্ডেশন। সেটাও হবে ত্বক বা স্কিনটোন অনুযায়ী। তবে মেকআপ বসাতে হালকা জল মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। শীতের দিনে বিশেষ করে একটু গাঢ় মেকআপ করা উচিত। এর পর কপাল নাক গালের দু’ পাশ থুতনিতে এক শেড বেশি গাঢ় ফাউন্ডেশন দিয়ে নিতে হয়। তাতে মুখ চোখ নাক গালের শার্পনেস বাড়ে। তার ওপর দিতে হবে কমপ্যাক্ট।

এই ভাবে বেস মেকআপ শেষ করে নিয়ে শুরু করতে হবে চোখ ঠোঁটের মেকআপ। গালে দিতে হবে ব্রাউন ব্লাশন। ভ্রূ দু’টিকে সুন্দর করে এঁকে নিতে হবে হালকা টানে। তার পর গ্রে কালারের ব্যাক শ্যাডো লাগাতে হবে চোখের ভাঁজে আর চোখের কোণের দিকে। ভেতরের কোণে সিলভার আইশ্যাডো দেওয়া যায়। এর পর ভ্রূ-র নিচের অংশটা হাইলাইট করতে হবে গোল্ডেন বা সিলভার বা অন্য রঙের হাইলাইটার দিয়ে। তার পর চোখের পাতার ওপরে লালচে বা গোলাপি বা ব্রাউন বা পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে রঙ বাছা যেতে পারে। আজ কাল গোটাটাই একই রঙের আইশ্যাডো ব্যবহার না করে দুই বা তিন ভাগে ভাগ করেও আলাদা রং ব্যবহার করে চোখের পাতাকে সাজিয়ে তুলছেন। সবটাই নির্ভর করে রুচি আর মানসই কোনটা তার ওপর। এর পর চোখ আঁকার পালা।

চোখ আঁকার আগে বলে দিই, মেক আপ করে কিন্তু ছোটো চোখকে বড়ো আর বড়ো চোখকে ছোটো বানানো যায়। তাই যাঁদের চোখ ছোটো তাঁদের মোটা করে, আর যাঁদের চোখ বড়ো তাঁদের একটু সরু করে আইলাইনার দিতে হবে চোখের ওপর দিয়ে। কোণের দিকটা কখনও বাড়িয়ে বেশ কিছুটা টেনে আঁকা যায়, তাতে চোখ টানা টানা মনে হয়। আবার চোখের পাশেই দাগ শেষ করা যায়। কখনও চোখের নিচের আর ওপরের লাইনারের দাগ জুড়ে বা না জুড়েও চোখ আঁকা যেতে পারে। না জুড়ে ফাঁকা রাখলে মাঝে সাদা দাগ দিয়ে ফাঁকা অংশ ভরাট করা যায়। আর চোখের ভেতরের দিকের কোণের দাগ সব সময় জুড়ে দিতে হবে। চোখের নিচেও মোটা বা হালকা কাজল দিতে হবে। আই লাইনার দিয়েও নিচের অংশ ভরাট করা যায়। তবে চোখ বসা হলে একটু বেশি করেই কাজল দিলে ভালো। বাকিদের ক্ষেত্রে অল্প কাজল দিলে চোখে একটা স্মোকি ভাব আসে।

এ বার মাস্কারা দেওয়ার পালা। পাতা ঘন দেখাতে প্রথমে সাদা মাস্কারা দিয়ে তা শুকিয়ে গেলে কালো মাস্কার দেওয়া উচিত।

এর পর ঠোঁটের মেকআপ। প্রথমেই ঠোঁটেও বেস মেকআপ করে নেওয়া ভালো। তার ওপর লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে তার পড়ে লিপস্টিক ব্যবহার করা উচিত। ঠোঁট মোটা হলে একটু ভেতরের দিক করে আর সরু ঠোঁট হলে একটু বাড়িয়ে মোটা করে আঁকতে হবে। এই পদ্ধতিতে ঠোঁটে কোন খুঁত থাকলে তা সহজেই ঢেকে ফেলা যায়। আর সুন্দর ভাবে সাজানোও যায়। লিপস্টিকের রং বাছাই করতে হবে গোটা সাজ আর পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়েই।

সবশেষে আসছে চন্দনের পালা। আগেকার দিনে গোটা কপাল, গাল ভরে চন্দন পরানোর রেওয়াজ ছিল। এখনকার দিনেও আছে। তবে অনেকেই টিপের পাশে আর গালে চন্দন পরতে পছন্দ করেন। অনেকেই দু’টি ভ্রূর ওপর পর্যন্তও চন্দন পরে থাকেন। আর থুতনি তে ছোট্টো করে একটা নকশা করা যায় চন্দন দিয়ে। আজ কাল চন্দন ছাড়াও নানা রঙের কুমকুম, গোল্ড, সিলভার কালারের গ্লিটার বা মুক্তো, পুঁথি, স্টোনের সাজও বেরিয়েছে। তাও লাগানো যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং রঙের কেনাই ভালো

বিবাহ

বিয়ের গয়না কেনার আগে দেখে নিন কী পরবেন? আর কেন পরবেন?

মৈত্রী মজুমদার

বিয়ের সাজের অন্যতম হল ক’নের অলঙ্কার।শুধুমাত্র সাজ হিসেবেই নয়, পরিবারের আভিজাত্য, সামাজিক প্রভাব প্রকাশের ক্ষেত্রেও ক’নের অলঙ্কার , বহু প্রাচীন কাল থেকেই অন্যতম উপায় হয়ে উঠেছে।আবার অন্যদিক থেকে দেখতে গেলে বিয়ের সময় পাওয়া অলঙ্কার স্ত্রীধন হিসেবে প্রাচীন অবলা নারীকুল থেকে আজকের সব নারীদের মনোবল বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এক বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে।

তাহলে কি শুধু এই জন্যই বিয়ের ক’নেকে বিভিন্ন গয়না পরানো হয়? নাকি এর পিছনে আরও অন্য কোনো গুঢ় অর্থ আছে এদের? চলুন জেনে নিই।

গয়নার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য আর আকর্ষণীয় হল গলার হার বা নেকলেস।সব গয়নার মধ্যে সব থেকে বড়ো এবং সর্বাপেক্ষা মধ্যবর্তিনী এই গয়নাটি ঠিক কী কী কারণে গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে নিন।

আরও পড়ুন: এই মরশুমে বিয়ে করছেন? কনের সাজের ট্রেন্ডগুলো জানেন তো?

গলার হার হৃদয়ের সবচেয়ে কাছে থাকে আর তাই এটি ভালবাসা আর নিবেদনের চিহ্ন। একই সঙ্গে এটি সুরক্ষারও ইঙ্গিতবাহী। যেহেতু এটি মুখাবয়বের ঠিক নীচেই থাকে তাই যে কোনো পরপুরুষের সম্মোহিনী দৃষ্টি এড়াতে প্রাচীনকালে অভিজাত পরিবারের সুন্দরী মহিলারা সোনার নেকলেসকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন।

এবার আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ব্যবহারিক দিক থেকে দেখতে গেলে যে কোনো পোশাকে তাৎক্ষনিক নাটকীয়তা যোগ করতে নেকলেসের জুড়ি মেলা ভার।তাই বিয়ের পোশাকে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে বেছে নিন ঠিক নেকলেসটি।

বিয়ের দিন আপনার পোশাক অবশ্যই হবে জাঁকজমকপূর্ণ, আবার গলার হারটিও তাই। সেক্ষেত্রে যদি কলার বোন লাগোয়া গলার হার বাছেন তাহলে দুটি ব্যাপারই আলাদা করে চোখে পড়বে।

যদি আপনার গলার উচ্চতা বেশি হয়, সেক্ষেত্রে উপরিউক্ত গলার হারের ওপরের দিকে একটি চোকার পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে দুটিরই নকশায় মিল থাকা চাই।

আর যদি আপনার মরাল গ্রীবা না হয় তাতেও কুছ পরোয়া নেহি। নেকলেসের সঙ্গে একটি লম্বা সীতাহার জাতীয় গলার হার যোগ করুন। এক্ষেত্রেও নকশায় মিল থাকা চাই।

যদি আপনার জমকালো শাড়ির বা লেহেঙ্গার জরিদার ব্লাউসটি কিছুটা সাদামাটা হয় তাহলে আপনি বিয়ের প্রধান নেকলেস হিসেবে সাতলারা (সাতনুরি) হার বেছে নিন। এতে গলা থেকে নাভি পর্যন্ত একটি কমপ্লিট লুক পাওয়া যাবে।

সাতনুরি ছাড়াও লম্বা ও মোটা চেন ও একটি জমকালো পেন্ডেন্ট থাকা দক্ষিণী ধাঁচের ‘হারম’ এখন খুবই ফ্যাশনে আছে। তবে সেক্ষেত্রে বাকি গয়নাও মিলিয়ে কিনতে হবে।

গরমের সময় আপনি বিয়ের ক’নে হিসেবে যদি সিম্পল লুক পছন্দ করেন সেক্ষেত্রে একটি মোটা ও জমকালো গলা লাগোয়া হারই উপযুক্ত।

এবার আসি হারের নকশার কথায়।

বাঙালি সাবেকি গয়নার দিকে দেখলে দেখা যায় শুধু সোনার নকশা কাটা গয়নারই বেশি চলন। তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বিয়ের পোশাকও যেমন কেবল মাত্র বেনারসি শাড়িতে আটকে নেই সেরক মগয়নাও তার সীমা বাড়িয়ে হিরে, পোলকি, জড়াউ (জড়োয়া ), মুক্ত, সেমি প্রেসাস স্টোন ফিনিশ, দক্ষিণী ভারী নকশা ইত্যাদি সব কিছুকেই আপন করে নিয়েছে।তাই সাজের পরিধি আর পরিভাষাও আজ বহুমুখী।

তাই পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক গয়না বাছুন। ভারী ও সাবেকি গাঢ় রঙের পোশাকের সঙ্গে শুধু সোনার গয়না যেমন মানানসই।

তেমনই প্যাস্টেল শেডের হালকা শিফন বা নেটের পোশাকের সঙ্গে হিরের বা মুক্তোর গয়না বেশি মানানসই।আবার জরিপাড় বুটিদার পোশাকের সঙ্গে পোলকির জুড়ি মেলা ভার।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন, বিভিন্ন ধরনের গয়না একসঙ্গে মেলাবেন না। ভিন্নভিন্ন ধরনের গয়না, ভিন্ন পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরুন। বিয়ের অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে ভিন্নভিন্ন গয়নায় সেজে উঠুন।

বিয়ের কনের জন্যে সব থেকে মঙ্গলময় গয়না বিয়ের হার, তাই এটি কেনার আগে ভালো করে সবদিক ভেবে নিন। কারণ একদিন এই বস্তুটিই আপনার বিভিন্ন অনুভুতির প্রকাশক হয়ে উঠবে।

Continue Reading

বিবাহ

এই মরশুমে বিয়ে করছেন? কনের সাজের ট্রেন্ডগুলো জানেন তো?

মৈত্রী মজুমদার

এসে গেল আরও একটা নতুন বছর। আর বৈশাখের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল বিয়ের মরশুম।

ভারতীয় উপমহাদেশে বিবাহ একটি পারিবারিক আনন্দযজ্ঞ। যত আধুনিক মনস্কই হয়ে উঠি না কেন আমরা, বিয়ের কথা আসলে সেই সাবেকি রীতিনীতির বাইরে যেতে মন চায় না। যদিও বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিয়মনীতি কম মানা যায় কিন্তু জাঁকজমকে কমসম? নৈব নৈব চ।

আর এই জাঁকজমকের প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ কনের সাজ।আর এই কনের সাজের ক্ষেত্রে আজকের দিনে টাকা খরচ করতে কেউই কার্পণ্য করেন না। শুধু ভারতীয় নয় সারা পৃথিবীর নারীদের কাছে ভারতীয় কনের সাজ আজ এক পরম আকাঙ্ক্ষিত বিষয়।

তাহলে দেরি না করে আলোচনা শুরু করা যাক কনের সাজ নিয়ে।

এই মরশুমে বিয়ে করছেন? দেখে নিন কী কী ভাবে হয়ে উঠতে পারেন অনন্যা।

প্যাস্টেল – যেহেতু মাসটি বৈশাখ আর তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী, সেক্ষেত্রে পোশাকের রঙের দিকটিতে দৃষ্টি দেওয়া দরকার।সাবেকি লাল, মেরুন,গোলাপি রঙ থেকে বেরিয়ে বেছে নিন প্যাস্টেল শেডস। ল্যাভেন্ডার, বেইজ, পুদিনা সবুজ, পিচ, টারকয়েস হয়ে উঠতে পারে আপনার শো স্টপার সাজের ভিত্তি।

স্টেটমেন্ট– যদি খুব সাহসী হয়ে উঠতে চান পোশাক নিয়ে তাহলে নির্দ্বিধায় ব্যবহার করুন বোল্ড রয়্যাল ব্লু, সানসেট ইয়েলো বা শকিং পিঙ্ক-এর মতো রঙ। মানানসই আক্সেসরিস-এর সঙ্গে আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা।

মেটালিক– আজকের ফ্যাশন ট্রেন্ড অনুযায়ী সিলভার, গোল্ড, কপার-এর মতো মেটালিক রঙ খুবই চালু। এই ধরনের রঙে আপনি হয়ে উঠতে পারেন সুপার মডেল। তবে এক্ষেত্রে গয়নার ব্যবহার ভেবেচিন্তে করতে হবে।

লেয়ার অ্যান্ড ফ্লেয়ার– বিয়ের কনে মানে সব দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু তাই এই একটি ক্ষেত্রে যতটা পারা যায় এক্সট্রাভেগেন্ট হয়ে উঠতে ক্ষতি নেই। আর সেক্ষেত্রে সাহায্য করবে লেয়ার আর ফ্লেয়ার-ওয়ালা পোশাক। আর এক্ষেত্রে সুবিধা হল অনায়াসে ঢেকে দেওয়া যাবে রোগা, মোটা, লম্বা, বেঁটে ধরনের ছোটোখাটো শারীরিক ত্রুটি।

থিম– থিম আজকের দিনের ইন থিং, দুর্গা পুজা থেকে বিয়ে, অন্দরসজ্জা থেকে অফিস পার্টি, থিম ছাড়া কখনই জমে না। তাই আপনার বিয়ের সাজটিও হয়ে উঠতে হবে আপনার বিয়ের অনুষ্ঠানের অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে মানানসই। বিয়ের ভুরিভোজ যদি হয় উত্তর ভারতীয় ঘেঁষা তবে বিয়ের পোশাক হোক লেহেঙ্গা। কিংবা যদি হয় কন্টিনেন্টাল মেনু পোশাক কিন্তু গাউন হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

এত কিছুর পরেও যদি নিতান্তই সাবেকি কনের সাজে সাজতে চান, নো পরোয়া। আপনার জীবনের বিশেষ দিনটি আপনার মনমতো হওয়া জরুরি। শুধু মাথায় রাখবেন পোশাক যাই হোক, মেকআপ আর হেয়ার স্টাইল যেন হয় মানানসই। সঙ্গে থাকুক অপর্যাপ্ত কনফিডেন্স আর গালভরা হাসি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কনে হয়ে উঠতে আর কি চাই?

Continue Reading

বিবাহ

হবু শ্বশুরবাড়ির লোকের সঙ্গে প্রথম আলাপে কী বলবেন? ৩টি টিপস

ওয়েবডেস্ক: পছন্দের মানে ভালোবাসার মানুষটির অভিভাবকের সঙ্গে প্রথমবার দেখা করতে যাচ্ছেন? কী বলবেন কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না? একটু ভেবে দেখুন। উত্তরটা কিন্তু খুবই সহজ। সমাধানও। যে বিষয়গুলো খুব সাধারণ কিন্তু প্রত্যেক মানুষের আলাদা। এমন কোনো বিষয় নিয়ে কথা শুরু করলে সময়টাও যেমন কাটে, তেমন একে অপরকে জানার ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়েও যাওয়া যায়।

১) এমনই একটা সাধারণের মধ্যে অসাধারণ ব্যাপার শুরু হয় রসনা দিয়ে। মানে বলা যায়, খাবার দাবার দিয়েই। কারণ প্রত্যেক মানুষের খাবারের রুচি পছন্দ আলাদা আলাদা হয়। তা ছাড়া জীবনে কোনো না কোনো অভিজ্ঞতা খাবার নিয়ে কম বেশি সকলেরই হয়। তাই এই বিষয় নিয়ে কথা শুরু করে অনেকটা সময় গল্প চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তাতে নতুন পরিবারের খাদ্যাভ্যাস সম্বন্ধে যেমন জানা যায়, তেমনই নিজের পছন্দ বা অপছন্দ সম্পর্কেও বলা যায়।

২) এর পর আর একটা এমন বিষয় হতে পারে ছোটোবেলার গল্প। এই গল্পের মাধ্যমেও দূরত্ব অনেকটা কমে আসে। সম্পর্কে একটা ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। অর্থাৎ মন খুলে এই বিষয়ে কম বেশি কথা বলাই যায়। এতে একে অপরের অভ্যাস আচরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জানা যায়। তা ছাড়া এর মাধ্যমেও পারিবারিক ভিত, বড়ো হয়ে ওঠার ধরন ইত্যাদি বোঝা যায়। এই কথা শুরু করা যায় বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড তাদের ছোটোবেলার যে গল্প আগে করেছে সেই গল্পের সূত্র ধরেও।

৩) আরও একটা বিষয় নিয়েও কথা বলা যেতে পারে। বাবা-মায়েদের পছন্দ। যেমন দু’ জনের বাবা বা মায়ের পছন্দের মধ্যে কোনো মিল থাকলে তা নিয়ে গল্প শুরু করা যেতে পারে। আবার অপছন্দের বিষয়েও কথা বলা যেতে পারে। তবে এ ব্যাপারে অবশ্য আগে থেকে একটু কিছু বিষয়ে জেনে রাখতে হবে। মানে তাঁদের ভালোলাগা মন্দ লাগার ব্যাপারে। তা না হলে পরিস্থিতি বিপরীত হতে পারে। বা অস্তত্বিতে পড়তে হতে পারে।

সুতরাং লজ্জা বা সংকোচ কাটিয়ে নিন। আর বুকের ভেতরের ধুকপুকুনিটা একটু কমিয়ে নিন। আর আসন্ন সেই দিনটার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়ে নিন। সঙ্গে এক বার ঝালিয়ে নিন, ভালোবাসার মানুষের বাবামায়ের সঙ্গে প্রথমবার দেখা করে এর মধ্যে থেকে কোন কোন গল্প করবেন। ব্যাস তা হলেই হল।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা1 week ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে