নখ যখন ক্যানভাস, কিছু পরামর্শ

0
nail
সুন্দর সাজানো নখ

ওয়েবডেস্ক: পুজো এসে যাচ্ছে। শরীর ত্বক চুল নখ – এই সবের জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়ার সময়ও এসে গিয়েছে। প্রত্যেকেই নিজের নিজের মতো করে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে, আকর্ষণীয় করে তুলতে পছন্দ করে। ঠিক সেই আকর্ষণের অন্যতম একটি বিষয় হল সুন্দর নখ। তা সে হাত হোক বা পায়ের নখ। তাকে সুন্দর সুস্থ্য ও নজরকাড়া করে তুলতে হলে নিতে হবে বিশেষ যত্ন।

যত্নের কথাতেই মনে হবে তার জন্য মেনিকিওর পেডিকিওর তো রয়েছেই। তা হলে আর বেশি কী চাই। বেশি তো অবশ্যই চাই। কারণ নখকে সাজাতে হলেই চাই নখের রং। তবে আজকাল নখের রঙ অর্থাৎ নেলপলিশেই কিন্তু থেমে নেই। অনেকেই নেল আর্ট বা নখের ওপর কারুকাজ করতে বেশ পছন্দ করে।

আজ রইল তেমনই কয়েকটি নেল আর্টের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।

এক রঙা নেলপলিশ

শুরু থেকেই চলে আসছে এক রঙা নেলপলিশ পরার রেওয়াজ। নখ ছোটো বা বড়ো, গোল বা চৌকো যেমনই হোক, নেল কালার দিয়ে ভরিয়ে দিলে দেখতে সুন্দর লাগে।

একের মাঝে অন্য রঙ

এখন একটা ট্রেন্ড উঠেছে আঙুলের চারটিতে এক রঙ মাত্র একটিতে আলাদা রঙ। অর্থাৎ দুই রঙের নেলপলিশ।

দুইয়ের অধিক রঙ

আবার কেউ কেউ পাঁচ আঙুলে তিন বা তার থেকে বেশি রঙ ব্যবহার করতে পছন্দ করেন পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে।

এই বারে আসা যাক বিশেষ ধরনের নেল আর্টের কথায় –

স্পাঞ্জ ববিং

নখের ওপরে করা যায় অ্যাক্রোম্যাটিক ডিজাইন। তার জন্য সব থেকে সহজ পদ্ধতি হল স্পাঞ্জ ববিং। এর জন্য প্রথমে একটি বেস কালার লাগিয়ে নিতে হবে। তার পর একটি স্পঞ্জের ওপর নিজের পছন্দমতো রঙ লাগিয়ে নখের ওপর চেপে ধরতে হয়। নখের খানিকটা বা পুরো নখই এই ভাবে ডিজাইন করা যায়।

স্টেনসিল মেথড

এখানেও বেস রঙ দরকার। বেস রঙের একটি ড্রাই কোট লাগিয়ে নিতে হবে। তার পর ব্যবহার করতে হয় স্টেনসিল। তার ওপর পছন্দের রঙের নেলপলিশ লাগাতে হয়। এই রঙ শুকিয়ে গেলে স্টেনসিল তুলে ফেলতে হয়।

ব্রাশ পেন্টিং

খুব সরু মুখওয়ালা নানান ধরনের ব্রাশ ব্যবহার করে এই পেন্টিং করা যায়। তার জন্য একটি বেস কালার লাগিয়ে নিতে হয়। তার পর বিভিন্ন প্যাটার্ন বা ডিজাইন যেমন খুশি বানানো যায়।

টেপিং

এতে টেপ ব্যবহার করে বিভিন্ন রং দিয়ে ডিজাইন বানাতে হয়। এতে নানান ধরনের জ্যামিতিক আকারের ডিজাইন ভালো হয়। এ ক্ষেত্রেও বেস কালার আগে করে নিতে হয়।

এয়ার ব্রাশ নেল আর্ট

এই বিষয়টি মূলত স্টেনসিল ব্যবহারের পর, ফিনিশিং ভালো করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি একটি এয়ার ব্রাশ মেশিনের সাহায্যে করা হয়।  

ওয়াটার মার্বেল

এটি হয় জলের ওপর ভেসে থাকা রঙের ওপর পছন্দের মন গড়া ডিজাইন করে। বিষয়টা হল প্রথমে জলের ওপর নেলপলিশ ফেলতে হবে। তার ওপর পর পর আরও বেশ কয়েকটি রঙ দিতে হবে। তার পর একটি সরু মুখের কাঠি দিয়ে নেড়ে ঘেঁটে ডিজাইন বানাতে হবে। তার পর আঙুল ডুবিয়ে নখের ওপর ওই রঙের ডিজাইনটি তুলে আনতে হবে। ঠিক ভাবে নখের ওপর জলের নকশা উঠে আসার পর তার ওপর আবার ন্যাচারাল কালার নেলপলিশের কোটিং করতে হবে।

ডিজি আর্ট

nail

ক্যামেরার ছবি স্ক্যান করেও নখের ওপর ডিজাইন করা যায়। এতে করে মানুষের মুখের ছবি থেকে পৃথিবীর যে কোনো কিছুর ছবিই নখের ওপর আঁকা যায়।

স্টিকার ট্যাটু

নখের ওপর বেস কালার কোটিং করে তার ওপর স্টিকার, গ্লিটার ইত্যাদি দিয়ে নখ সাজানো যায়। তবে এ ক্ষেত্রে ধৈর্য্য বেশি লাগে।

কৃত্রিম নখের সৌন্দর্য্য

দেখতে পারেন – বর্ষায় চুল পড়ার হাত থেকে বাঁচতে ৫টি সহজ ঘরোয়া টিপস

নিজের নখে সন্তুষ্ট না হলে ব্যবহার করা যায় বাজার চলতি কৃত্রিম নখ। তাকে সাজিয়ে নিজের পছন্দের মতো করে নিজের নখের সঙ্গে সেট করে নিলেই হয়ে যাবে নেল আর্ট।

তা হলে পুজোর আগে এই নেল আর্টের পদ্ধতিগুলি ট্রাই করে দেখো। কোনটি বেশি ভালো লাগছে। সেইমতোই পুজোর সাজের জন্য প্রস্তুত করো নিজেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here