পুজোর ঢাকে কাঠি, ‘সুতি শৈলি’র প্রদর্শনীতে ‘কান্ট্রি’র সম্ভার

0

moitryমৈত্রী মজুমদার

পুজোর আর বাকি মাত্র একটি মাস, তাই কী কিনব কোথায় যাব এসব কথা মাথায় ঘুরছিলই। ইতিমধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধু দেবারতি নিমন্ত্রণ জানাল তার সদ্যোজাত বুটিক ‘কান্ট্রি’-র র এক্সিবিশন-এ। কলকাতার এক্সিবিশন মানচিত্রে খুব অল্প সময়েই বেশ সম্ভ্রম আদায় করে নিয়েছে “সুতি-শৈলি” আর তাদের ছাতার তলায় কান্ট্রির পসার বসার কথা শুনে হাজির হয়ে গেলাম বিড়লা একাডেমি অফ আর্ট অ্যান্ড কালচারে।  

৩১ আগস্ট এই ইভেন্টের উদ্বোধন করেছেন অপর্ণা সেন। পুরো প্রদর্শনীটিতে হ্যান্ডলুম এবং হস্তশিল্পজাত জিনিসপত্রকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আছে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা কারিগরেরা এবং তাদের হাতে বানানো শাড়ি, ড্রেস মেটেরিয়ালস, জারমান-সিলভার আর পিওর সিলভারের গয়না সঙ্গে ঘর সাজানোর উপাচারও। প্রদর্শনী চলবে ৩ সেপ্টেম্বর, শনিবার পর্যন্ত।

kountry-1

দেবারতি আদতে চিত্রপরিচালক, তাই স্বভাবতই প্রশ্ন করলাম তার এই বুটিকের ভাবনা সম্পর্কে। তাঁর কথায়, এই সম্ভার তার পেশার কাজেরই বাই প্রোডাক্ট। 

‘ছবি পরিচালনার কাজেই পোশাক আর সেট এর ডেকোরেশন করতে গিয়ে নানা জায়গায় এসব অসাধারন শিল্পীদের সাথে আলাপ হয় এবং তখনই মনে হয় শুধু ছবি কেন ? ছবির দর্শকদের কাছেও দারুণ ভাবে পৌঁছে দেওয়া যায় এ সব জিনিস। সেই থেকেই ভাবনার শুরু আর নিজের নান্দনিকতাকে কাজে লাগিয়ে এই বুটিকের সূত্রপাত’, বললেন দেবারতি।

kountry-3

তাহলে কান্ট্রির ছাতার তলায় আমরা কী কী পাব? তাঁর কথায়, এইখানে আমরা পেয়ে যাব সুতি, লিনেন, মটকা আর সিল্কের ওপর বাটিক, টাই অ্যান্ড ডাই, শিবরি, হাল্কা কাঁথা কাজ আর অ্যাসিড পেন্টিং-এর কাজ করা শাড়ি, স্কার্ফ। এছাড়া পাওয়া যাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের ট্রাইবাল উইভও।

প্রধানত পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের দেশজ শিল্পীদের হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প তুলে ধরাই দেবারতির উদ্দেশ্য। শুধু শাড়িকাপড়ই নয়, কান্ট্রিতে থাকছে ঘর সাজানোর জিনিসও।

পুজোর আগেই গলফ ক্লাব রোডে খুলতে চলেছে কান্ট্রি-র আউটলেট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.