Connect with us

জীবন যেমন

শীতকালে ছেলেদের চুলের যত্নের ঘরোয়া টিপস

haircare

ওয়েবডেস্ক : রূপচর্চা বা চুলের যত্ন মানেই যে শুধু মেয়েরা করবে তা কিন্তু নয়। এখন সব কঠিন কাজে ছেলেদের পাশাপাশি যেমন মেয়েরা এগিয়ে আসছে তেমনই সব রকম ভাবে নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখা বা নিজেকে সুন্দর করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় প্রচেষ্টায় আজকাল ছেলেরাও এগিয়ে আসছে। এখন ছেলে বা পুরুষরা কিন্তু রূপচর্চার বা চুলের যত্নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তারাও এখন রীতি মতো এই বিষয়গুলিতে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এখন যেহেতু শীতকাল তাই স্বাভাবিক ভাবেই যে কোনো মানুষেরই নিজের চুল ত্বক ইত্যাদির ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। আর সেই যত্নের ক্ষেত্রে চুলের যত্ন কিন্তু একটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। কারণ হল এই সময়ে খুসকির প্রকোপ বাড়ে। ফলে চুল যেমন রুক্ষ্ম শুষ্ক হয়ে যায় তেমনই ডগা ফাটা, ঝরে পড়া, মরামাস ইত্যাদির সমস্যা থাবা বসায়।

সে ক্ষেত্রে যাদের ঘরের বাইরে বেশি সময় কাটাতে হয় তাদের এই সমস্যায় বেশি জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারটা অস্বীকার করা যায় না। কারণ রোদে ধুলোবালির ফলে ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে চুলও তার স্বাভাবিক কমনীয়তা হারায়। ম্লান হয়ে যায়। তাই অবশ্যই দরকার নিয়মিত যত্নের।

সব কিছু ছেড়ে দিয়েও ছেলে হোক বা মেয়ে চুল শরীরের একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় অংশ। তাই নিয়মিত চুলের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন ছেলেদেরও।

সাধারণ পন্থা –

১। খুব সাধারণ ভাবে হলেও যেটি অবশ্যই করা দরকার তা হল, চুলে নিয়মিত তেল দেওয়া, নিয়ম করে চুলে শ্যাম্পু করা, শ্যাম্পুর পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করা।

২। চুলকে আতরিক্ত পুষ্টি দিতে অল্প কিছু সময় হাতে থাকলে সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে হেনা ব্যবহার করা ভালো।

ঘরোয়া টিপস –

তা ছাড়া আর একটু বেশি যত্ন করতে হলে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বা টিপস তো প্রয়োগ করাই যায়। তেমনই কয়েকটি খুব সাধারণ ও সহজ টিপস হল

১। হট অয়েল

শীতের দিনগুলিতে সবচেয়ে বেশি উপকার হট অয়েল ম্যাসাজে। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম তেল ইত্যাদি যে কোনো চুলে মাখার তেল হালকা গরম করে তা হালকা হাতে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করে লাগাতে হবে। তা কম করে আধ ঘণ্টা বা ৪০ মিনিট রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

২। লেবু হট অয়েল

যাদের খুসকির সমস্যা ভোগাচ্ছে তারা এই গরম তেল বা হট অয়েল ম্যাসাজের সঙ্গে অবশ্যই পাতি লেবুর রস ব্যবহার করতে পারে। লেবুর রস খুসকি দূর করতে সিদ্ধ হস্ত। তার জন্য গরম তেল নিতে হবে – নারকেল, অলিভ, জলপাই, বাদাম বা যে কোনো মাথায় মাখার তেল। তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ফেলে মিশিয়ে নিয়ে নিয়ম করে সপ্তাহে অন্তত দুই বা তিন দিন করলে ভালো ফল পাবে।

৩। তেল টকদই

লেবু ছাড়া টকদইও এই ট্রিটমেন্টে ভালো কাজ করতে পারে। তাই তেলের সঙ্গে টকদই মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে হবে। তবে টকদইটি ঘরে পাতা হলে বেশি ভালো। তা চুলের রুক্ষতা দূর করতে পারে।

৪। অ্যলোভেরা জেল

চুলকে কোমল মখমলের মতো করতে হলে অ্যলোভেরা জেল খুবই উপকারী। এই জেল শুধু চুল কোমল করে না, চুল ঝরে পড়াও অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

৫। লেবু পেঁয়াজের রস

পেঁয়াজের দাম আকাশ ছোঁয়া হলেও পেঁয়াজের গুণাগুণকে অস্বীকার করা যায় না। চুলের যত্নে আরও একটি কার্যকর টোটকা হল – লেবু ও পেঁয়াজের রস। লেবুর মতো পেঁয়াজও চুলের জন্য খুব খুব ভালো একটি উপকরণ। পাতি লেবু এবং পেঁয়াজ রস এক সঙ্গে মিশিয়ে চুলে মাখতে হবে। এতে খুসকি তো দূর হবেই, সঙ্গে জেল্লাও বাড়বে।

৬। ট্রিম

শীতের দিনের আরও একটি সমস্যা হল চুল রুক্ষ হয়ে ফেটে যাওয়া। তাই চুলের ডগা ফাটা দেখতে পেলেই দেরি না করে চুল ট্রিম করা বা ডগা ছেঁটে নেওয়া দরকার।

সাবধানতা –

১। চুলে কোন ধরনের প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে তা নির্বাচনের ওপরও কিন্তু  চুল ঝরা বা না ঝরা নির্ভর করে। তাই পণ্য সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করতে হবে। চুলের শ্যাম্পু, ডিপার কণ্ডিশনার ইত্যাদি সবই চুলের প্রকৃতি অনুযায়ী নির্বাচন করা দরকার। সে শুধু শীতকালে নয় সারা বছরই সে কথা প্রযোজ্য।

২। শীত কালের ভেজা চুলে ঠাণ্ডা লাগার সমস্যাটি একটি বড়ো ব্যাপার। তাই ভালো করে মাথা মোছা দরকার। তা ছাড়া স্নানের পরই ভেজা চুলে রাস্তায় বেরলে আরও একটি বিষয় হল শীতের দিনে উড়ন্ত অতিরিক্ত ধুলো-ময়লা চুল ও মাথার ত্বকে চেপে বসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ফলে চুল ঝরে বেশি, রুক্ষ্মও হয় বেশি।

৩। যেহেতু শীতকাল তাই প্রয়োজনে চুল শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা যায় ঠিকই। কিন্তু অবশ্যই মনে রাখতে হবে ড্রায়ার সব সময় যেন খুব কম তাপমাত্রায় ব্যবহার করা হয়। কারণ তা বেশি গরম থাকলে ত্বকের ক্ষতি করে। সঙ্গে সঙ্গে চুলকেও নষ্ট করে দেয়।

সাধারণ পরামর্শ –

১। শীত খুব বেশি পড়েছে, তাই ঠাণ্ডায় অনেকেই স্নান করতে ভয় পায়। কিন্তু একটা কথা বহুল প্রচলিত যে তেলে-জলে চুল বাঁচে। তাই চুলকে সুস্থ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে অবশ্যই প্রতিদিন ভালো করে স্নান করা দরকার। যাতে চুলে কোনো ভাবেই ধুলো ময়লা জমতে না পারে। তা না হলেই চুলের সমস্যা শুরু হবে।

২। সুদর্শন হতে হলে ত্বক এবং চুলের যত্নে কোনো রকম গা ফিলতি হলে চলবে না। তাই সুন্দর চুল এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হলে এই পরামর্শ ও টিপসগুলি অবশ্যই পরোখ করতে হবে। ফল হাতেনাতে পাওয়া যাবে।

৩। এই সব কিছুর সঙ্গে আরও একটি বিষয় অবশ্যই সংযুক্ত করা দরকার তা হল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম মতো ও পরিমাণ মতো পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। কারণ চুল বাহ্যিক যত্ন ছাড়াও খাবার বা খাদ্যদ্রব্য থেকে পুষ্টিগ্রহণ করে।

৪। সর্বোপরি যে বিষয়টি যে কোনো ক্ষেত্রে চলেই আসে, তা হল পর্যাপ্ত ঘুম। সব কিছু করে যদি পর্যাপ্ত ঘুম শরীরকে না দেওয়া যায়, তা হলে কিন্তু সব প্রচেষ্টাই বৃথা। তাই সর্বোপরি ঘুমটা শরীর ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অন্যতম ও জরুরি বিষয়। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত পক্ষে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম শরীরকে দেওয়া অবশ্যই দরকার। তাতে মন, স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুল সবই সুস্থ এবং প্রাণবন্ত থাকবে।

আরও পড়ুন – শীতে বয়স্কদের যত্নে বিশেষ টিপস

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কেনাকাটা

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়। কিন্তু ছোটোদের? একে তো মাস্ক পরে কষ্ট তার ওপর ওই একঘেয়ে মাস্ক তারা মোটেই পছন্দ করছে না। ওদের বরং দিন রংচঙে কার্টুন আঁকা মাস্ক, অথবা তাদেরই নিজেদের মুখের ছবি দেওয়া থ্রিডি মাস্ক। তাহ লে আর বিরক্তি থাকবে না, উলটে কারটা বেশি ভালো তা নিয়ে মেতে উঠবে।

অ্যামাজনেই পাওয়া যাচ্ছে এই কিডস ওয়্যার মাস্কগুলি। দেখে নিন। প্রতিবেদনটি লেখার সময় এই দামগুলিই দেওয়া ছিল অ্যামাজন পোর্টালে।

১। কিডস রিউইজেবল অ্যান্টিপলিউশন কার্টুন মাস্ক

১২ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলেরা এটি পরতে পারবে।  ৩০ বারেরও বেশি বার ধোওয়া যাবে। 

দাম – ৫৫% ছাড় দিয়ে ১০টির সেট ৫৬০ টাকা।

২। হাই কোয়ালিটি ফেস মাস্ক ফর কিডস

৩ থেকে ৮ বছরের শিশু পরতে পারবে।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ২টির সেট ১৭৮ টাকা

৩। থ্রি লেয়ার কিডস ফেস মাক্স

পুরোপুরি সুতির কাপড়ের, ধোয়া যাবে।

দাম – ৩টির সেট ৩৪৯ টাকা

৪। কিড ফেস মাস্ক

ছোটোদের জন্য প্রিন্টেড, ধোয়ার উপযুক্ত। তিন লেয়ারের।

দাম – ১৩% ছাড় দিয়ে ৪টির সেট ২৮০ টাকা।

৫।  ডুয়ো সেফ কিডস ফেস মাস্ক

হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে ধোয়া যাবে। সম্পূর্ণ সুতির তৈরি। ২ থেকে ৪ বছরের শিশুর জন্য।

দাম – ২টির সেট ২০০ টাকা।

৬। অ্যান্টি পলিউশন ডাস্ট পলিয়েস্টার মাস্ক

ছোটো মেয়েদের জন্য কার্টুন আঁকা মাস্ক। ধোয়া যাবে।

দাম – ৮৩% ছাড় দিয়ে ৯৯ টাকা।

৭। থ্রি ডি ফেস মাস্ক

রিইউজেবল, ধোয়া যাবে। নিজের মুখের ছবি তুলে  9213271912 এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে দিলেই নিজের মুখের ছবি দেওয়া মাস্ক তৈরি।

দাম – ৫৩% ছাড় দিয়ে ১৪০ টাকা।

৮। প্রিন্টেড কিডস ফেস মাস্ক

২ লেয়ারের প্রিন্টেড মাস্ক, ছোটোদের জন্য, ছেলেমেয়ে উভয়ই পরতে পারবে।

দাম – ৫৭% ছাড় দিয়ে ৫টির সেট ৩৪০ টাকা।

 ৯। ডুয়েল লেয়ার মাস্ক

৫ থেকে ১২ বছরের জন্য। ধোয়া যাবে।

দাম – ৫৫% ছাড়ে ৫টির সেট ৪৯৯ টাকা।

১০। অ্যান্টিপলিউশন থ্রি লেয়ার মাস্ক

ফিলট্রেশন সিস্টেম আছে, ৩ থেকে ১২ বছরের ছেলে ও মেয়েদের জন্য, প্রিন্টেড মাস্ক। ধোয়া যাবে।

দাম ৬০% ছাড়ে ৪টির সেট ৩৯৯ টাকা।.

দেখুন – ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

কেনাকাটা

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব নিয়ম মেনে চলা উচিত। অর্থাৎ বাইরে গেলে মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধিনিষেধ ও বাড়ি এসে ভালো করে পরিচ্ছন্ন হওয়া, জামাকাপড় কাচা, স্যানিটাইজ করা ইত্যাদি। তাই এখন যেন দরকারেও বাইরে বেরোতে অরুচি। তাই টুকিটাকি প্রয়োজনগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে চলাই ভালো মনে হচ্ছে। কিন্তু তারও দরকার নেই। টুকিটাকি প্রয়োজন পূরণের জন্য কোনো রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঘুরে আসাই যায় অনলাইন শপিং মলে। 

তেমনই কয়েকটি টুকিটাকি অথচ খুবই কাজের জিনিসের খোঁজ রইল আজকের তালিকায়। প্রতিবেদনটি লেখার সময় অ্যামাজনের অনলাইন পোর্টালে যে দাম দেখানো হয়েছিল সেটাই দেওয়া হল।

১। স্যাভলন সারফেস ডিসইনফেকটেন্ট স্প্রে

করোনাভাইরাস ও অন্যান্য যে কোনো জীবাণু খুব দ্রুত মুক্ত করতে এসে গিয়েছে স্যাভলনের স্প্রে। টেবিল দরজার কড়া, তালা চাবি, চেয়ার, প্যাকেজ, জামা কাপড়, গাড়ির ভেতর যে কোনো জিনিসেই স্প্রে করা যাবে।

দাম ১৫৯ টাকা

২। রিউইজেবল জিপজ্যাক প্ল্যাস্টিক ফুড স্টোরেজ ব্যাগ

আনাজ ফল ইত্যাদি একেবারে কিনে এনে রাখতে গিয়ে পচে যাচ্ছে। তাই ইচ্ছা না থাকলেও বার বার বাজার যেতে বাধ্য হচ্ছেন। চিন্তা করবেন না রিউইজেবল ফুড স্টোরেজ ব্যাগে রাখলে দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে ফল আনাজপাতি। এক লিটার তরলও ধরতে পারে। ১০টি ব্যাগ।

দাম  ৫৬% ছাড় দিয়ে  ৩৪৯ টাকা।

৩। মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার

বাড়িঘর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এ দিকে কোমরে-ঘাড়ে ব্যথা? লাঠি বা ন্যাতা কোনো কিছু দিয়েই ঘর মুছতে না পরলে রয়েছে মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার। এটি পরে সারা ঘরে হেঁটে বেরালেই ঘর মোছা হয়ে যাবে। দু’টি দাম ৭% ছাড় দিয়ে ২৭৬৯ টাকা

৪। হ্যান্ডি মিনি প্লাস্টিক চপার

খুব দ্রুত আনাজপাতি কুচিকুচি কেটে ফেলার সহজ উপায় হ্যান্ডি মিনি প্ল্যাস্টিক চপার। বাটির ভেতরে সবজি দিন আর হ্যান্ডেল ধরে কয়েকটি টান দিন। কাটা হয়ে যাবে।    

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা

৫। ভেজিটেবল কাটার চপার

যাবতীয় আনাজ বিভিন্ন আকারে কাটতে হলে এটি আদর্শ। মোট ১২ রকমের ব্লেড রয়েছে এইটিতে।

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা।

৬। সিলিকন পট হোল্ডার হিট রেজিস্টেন্স

গরম কিছু নামাতে গেলে কাপড় কিংবা কাগজ ব্যবহার করেন। বার বার সেটি পুড়েও যাওয়ার ভয় হয়? হাতে গরম লাগে। আর চিন্তা নেই ব্যবহার করুন এই সিলিকন পটহোল্ডার। গরমে কোনো ক্ষতিও হবে না। হাতেও গরম লাগবে না। আগুনের সামনে ও মাইক্রোওভেনে ব্যবহার করা যাবে। ২টি।

দাম ৬৩% ছাড় দিয়ে ২৯৯ টাকা

৭। স্ক্রাব ক্লিনিং গ্লাভস উইথ স্ক্রাবার

বাসন মাজতে গিয়ে হাত নোংরা হয়ে যায়, নখের কোণে ময়লা ঢুকে দেখতে খারাপ লাগে। ব্যবহার করতে পারেন এই স্ক্রাব গ্লাভস। শুধু বাসন মাজা নয়, পোষ্যকে স্নান করানো, গাড়ি পরিষ্কার করা, বেসিন সিঙ্ক প্যান ইত্যাদি পরিষ্কারের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। দু’টি।

দাম ৫৬% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা।

 ৮। সিঙ্ক স্টেইনার

নানা জিনিস পড়ে সিঙ্ক আটকে যাওয়ার ঘটনা সব রান্নাঘরেই ঘটে। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সিঙ্ক স্টেইনার। এটি সিঙ্কের মুখে পেতে রাখলে জল ছাড়া অন্য কিছুই যেতে পারবে না। আবার বাথরুম বা যে কোনো নর্দমার মুখেও ব্যবহার করা যায়, চুল বা অন্য কিছু ঢুকে নলের মুখ যাতে আটকে না দেয় তার জন্য।

দাম ৭৬% ছাড় দিয়ে ২১৯ টাকা।

৯। গ্রসারি লিস্ট প্যাড

এক সঙ্গে কাঁচা বাজার, মুদিখানার জিনিস ইত্যাদির লিস্ট বানিয়ে বাজারে বেরোতে চাইলে সাহায্য করবে এই গ্রসারি লিস্ট প্যাড।

দাম ৩৩% ছাড় দিয়ে ১৯৯ টাকা।

১০। অল পারপাস ক্লিনার –  

রান্নাঘরের টাইলস, টপ, টেবিল, ফ্রিজ, মাইক্রোওভেন, কাচ, চিমনি, এক্সজস্ট ফ্যান যাবতীয় সব কিছু জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহার করা যাবে। ৪০০ মিলি, লেবুর গন্ধ।

দাম – ৩৮% ছাড় দিয়ে ১০৯ টাকা।

দেখতে পারেন – ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

ঘরদোর

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

wfh

খবরঅনলাইন ডেস্ক : আনলক ফেজ টু শুরু হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অফিসে পুরোদমে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো অফিস খুলেছে কেউ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বার সকলের মধ্যেই নড়েচড়ে বসার প্রবণতা দৃঢ় হয়েছে। বাড়ি বা অফিস, যেখানে থেকেই হোক কাজের গুণমান ভালো করতে হবে। সেই গুণমান অনেকটাই নির্ভর করে মন আর পরিবেশের ওপর।

তাই কাজের জায়গাকে সদাসর্বদা রাখতে হবে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত। যাতে সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব সব সময় পাওয়া যায়। তার জন্য কয়েকটি পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পরিষ্কার ডেস্ক

প্রথম হল অবশ্যই ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন। যদিও অনেকেই সব কিছু মেলিয়ে নিয়ে বসে কাজ করলে মনযোগ ভালো দিতে পারেন। কেউ বা পরিপাটি ভাবে। তা সে যা-ই হোক, ধুলো ময়লা তো পরিষ্কার করাই যায়। সেটি নিয়মিত করুন। খুব অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ডেস্ক না রাখাই ভালো। কারণ তাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

শান্ত পরিবেশ

জীবন যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে তখন বিভিন্ন রকম শব্দ বা গোলমাল বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়ি থেকে কাজ করলে সেই সমস্যাটা একটু বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ বাড়ির ভেতর ও বাইরের নানান শব্দ সারাক্ষণ হতেই থাকে। তার ওপর বাড়ির লোকজনের হাঁকডাক তো আছেই। তাই কাজের সময় একটু নিরিবিলি পেতে সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিন যেন তাঁরা এর মধ্যে ডাকাডাকি না করেন। বা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন কারণে উৎপন্ন আওয়াজ যাতে যতটা সম্ভব কম করেন। সম্ভব হলে এমন একটি জায়গা বাছুন যেখানে বাইরের শোরগোল একটু কম।

আলোবাতাস

স্বাভাবিক ভাবেই আলো মন ভালো করে, কাজে উৎসাহ বাড়ায়। তাই অফিসে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাড়িতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক আলো। জানলার পাশ বা বেশি আলো আছে এমন জায়গা কাজের জন্য বাছুন। এতে চোখে চাপ কম পড়ে, প্রোডাকটিভিটিও বাড়ে।

মন ভালো

মন ভালো থাকলে সতেজ থাকলে কাজে ভালো মন বসে। তাই মন চাঙ্গা রাখতে হলে সবুজ গাছ বা রংবেরঙের ছবি বা সামগ্রী কাজের ডেস্কে রাখতে পারেন। বিশেষ করে গাছ, ফুল এ সব তো রাখাই যায়। গাছের ক্ষেত্রে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। ফুলদানিতে ফুল রাখুন। মন ভালো লাগবে, কাজের মানও ভালো হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ

বাড়িতে বসে কাজ করলে কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে না। ইচ্ছা না থাকলেও বাড়ির কাজে মাঝে মধ্যে মাথা ঘামাতেই হয়। শেষে অফিসের সময়ের বাইরেও কাজ চলতে থাকে। তাতে শেষের দিকে কাজে আর মন লাগে না। কিন্তু প্রতি দিন এমনটা না হওয়াই ভালো। তাতে ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজে বসা ও মাঝে যতটা সম্ভব ব্রেক না দিয়ে বাঁধা সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।

স্কুল বন্ধ কিন্তু বড়োদের অফিস চালু, এই পরিস্থিতিতে ছোটোদের সামলাবেন কী ভাবে?

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন6 hours ago

চলে গেলেন ‘শোলে’-র ‘সুরমা ভোপালি’ জগদীপ

দেশ9 hours ago

জম্মু-কাশ্মীরে বাবা এবং ভাই-সহ বিজেপি নেতাকে গুলি করে মারল জঙ্গিরা

ঝাড়গ্রাম9 hours ago

টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে, সক্রিয় রাজনীতিতে লালগড় আন্দোলনের মুখ ছত্রধর মাহাত

দেশ10 hours ago

৮৯টি অ্যাপ ‘নিষিদ্ধ’ করল ভারতীয় সেনা

বিনোদন11 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যাকাণ্ডে সলমন খান, করন জোহরের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ আদালতে

LPG
দেশ11 hours ago

উজ্জ্বলা যোজনায় বিনামূল্যের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার মেয়াদ বাড়ল আরও তিন মাস

রাজ্য12 hours ago

রেকর্ড বৃদ্ধি, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ১০০০

কলকাতা12 hours ago

অনলাইনে নয়, পড়ুয়াদের জন্য এই বিকল্প পথই বেছে নিয়েছে গড়িয়া স্টেশনের একটি স্কুল

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা3 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা1 week ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

নজরে