ওয়েবডেস্ক: অনেক অপেক্ষার পর অবশেষে দেখা মিলল বৃষ্টির। ময়ূর-ময়ূরীর মতো প্রেমিক-প্রেমিকারাও অপেক্ষার অবসানে আনন্দিত। অনেক দিনের পরিকল্পনাকে সফল করতে এক দিন বেরিয়ে পড়তে পারেন লং ড্রাইভে। এতে প্রেম যেমন গদগদ হবে, তেমনই ছোট্টো একটি আউটিং মন মেজাজকেও সতেজ করবে।

তবে হ্যাঁ, লং ড্রাইভে যাওয়ার আগে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় মাথার মধ্যে ভালো করে বসিয়ে নিতে হবে। তা হল দুই জনের সুরক্ষার বিষয়টি। আনন্দটিই শেষ কথা নয়। আনন্দের শেষে সুস্থ ভাবে বাড়ি ফেরাটাই আসল। তাই ড্রাইভ করার সময় এই সচেতনতাগুলি মনে রাখতে ভুলবেন না।

১. এক হাতে নয়!

এক হাতে গাড়ি চালাবেন না। বর্ষার এমন মনোরম দিনে পাশের সিটে প্রেমিকা বা কাছের মানুষটি বসে থাকলে যা হয়ে থাকে। তবে কেতা দেখিয়ে এক হাতে গাড়ি না চালানোই ভালো। এমনিতেই বৃষ্টির জলে রাস্তা পিচ্ছিল থাকে। হঠাৎ কোনো সমস্যা হলে সামলাতে পারবেন না। তাই গাড়ি দুই হাতেই চালান। প্রয়োজনে ফাঁকা দেখে গাড়ি সাইড করে রাখতে পারেন।

পড়ুন – ডেটিং-এর দিনটি স্মরণীয় করে তুলতে চান? মনে রাখুন ৭টি বিষয়

২. গাড়ির গতি

গাড়ির গতি কম রাখুন। একে পাশে প্রিয় জন। তায় আবার বর্ষার মরশুম। সবটাই মনকে অন্য দিকে নিয়ে যেতে উপযুক্ত। তাই গাড়ির গতি এক দম কম রাখুন। এমনিতেই বর্ষার দিনে রাস্তার অবস্থা অন্য সময়ের থেকে দুই-তিনগুণ বেশি পিচ্ছিল হয়। তাই গতিও দুই তিনভাগ কম থাকলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে।

৩. গল্প-খাওয়া-গান

দৃষ্টি স্থির রাখতে হবে। গাড়ির ভেতর থেকে বর্ষায় রাস্তা ঘাট যেহেতু আবঝা বোঝা যায়, তাই মনোযোগ গাড়ি চালানোর দিকে রাখতে হবে। আর দৃষ্টি রাস্তায়। সেই সময়, গল্প করা, খাওয়া ইত্যাদিতে মনোসংযোগ না করাই বুদ্ধিমানের। গাড়িতে গান না চালানোই ভালো। হবে বিষয়টি যখন প্রেমিকার সঙ্গে লং ড্রাইভের তখন গান তো চলবেই। তাই একদম মৃদু স্বরের গান হলেই ভালো। বেশি কান ফাটানো শব্দে গান না চালানোই মঙ্গল।

৪. নিরাপদ দূরত্ব

সামনের গাড়ির থেকে কিছুটা বেশি দূরত্ব বজায় রাখুন। এতে করে সামনের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। নিরাপদে ড্রাইভ করা যায়।

আরও পড়ুন – বন্ধুর প্রতি দুর্বল? জেনে নিন এই ৫টি লক্ষণ

৫. হেড লাইট অন

বাইরের আকাশের রং কালো হয়ে এলে সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির হেড লাইট জ্বালিয়ে নিতে ভুলবেন না। এতে অন্য গাড়ি যেমন আপনার গাড়িকে দেখতে পাবে, তেমনই আপনিও সামনের সব কিছু দেখতে পাবেন।

৬. বাঁকের মুখে

গাড়ি টার্ন নেওয়ার সময়ও সাবধানতা অবলম্বন করবেন। খুব ধীরে-সুস্থে টার্ন নেবেন, আগে-পিছে ভালো করে দেখে এবং গাড়ি থামানোর সময়ও দরকার সাবধান হওয়া। গাড়ি থামানোর আগে হর্ন দিয়ে, সিগন্যাল অন করে গাড়ি থামান। সামনে পিছনে দেখতে ভুলবেন না। ব্লাইন্ড স্পটগুলিও চেক করতে হবে। গাড়ি থামানোর পর ফোর ওয়ে লাইটগুলি সব কটি অন করতে হবে।

৭. কেন সতর্কতা?

এই ভাবে সতর্কতা মেনে প্রিয় জনকে নিয়ে লং ড্রাইভে গেলে সবটাই মধুর হয়ে উঠবে। কোনো উটকো সমস্যা আপনাদের বিরক্ত করতে পারবে না।  

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.