পায়ের গোড়ালির যত্ন কীভাবে নেবেন? মেনে চলুন এই ৫টি ঘরোয়া টিপস

0

খবর অনলাইন ডেস্ক : সময়ের অভাব। সবই এখন নৈব নৈব চ। সেরকমই নিজের পায়ের যত্ন নেওয়ার কথা আর ক’ জনই বা ভাবেন।
হয়ত শীতকালে পা ফাটলে তখন একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। প্রায় বেশিরভাগ মানুষই তখন একটু পায়ের গোড়ালির যত্ন নেন। ব্যাস, শীতও চলে যায় পায়ের যত্নের কথা আর ভেবেও দেখেন না।

প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের পা মাটির মধ্যে সবসময় সংস্পর্শ হয়। আর যাদের প্রতিদিন বাইরে বেরোতে হয় তাদের পায়ের মধ্যে ধুলো-বালি তো লাগেই। এতে যে পা এর ও পা এর গোড়ালির কতটা ক্ষতি করছে তা কি একবারও ভেবে দেখেন?

কিন্তু আর অবহেলা না করে বরং নিজের পা-কে কিভাবে সুন্দর রাখবেন একবার জেনে নিতে পারেন-


পা পরিষ্কার করার পদ্ধতি-

পা প্রত্যেকদিন নিয়মিত ধুতে হবে। এতে পায়ের ত্বক মসৃণ থাকবে। বাড়ি ফিরে ভালো করে আগে পা ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। এরপরে হালকা উষ্ণ গরম জলে টাওয়াল দিয়ে পা মুছে নিন।

বাইরে বেরোনোর আগে-

বাইরে যাওয়ার আগে পায়ের গোড়ালিতে ময়েশ্চারাইজার লোশন লাগিয়ে নিন। অনেকেই ভাবেন, বাইরে বেরোনোর আগে পায়ে কোনও লোশন ব্যবহার করলে আরও বেশি পরিমাণে পায়ে ধুলো-ময়লা আটকে যাবে। তবে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল।

১। মধু —

মধুর মধ্যে থাকে বেশ কিছু অ্যাণ্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এছাড়াও মধু ত্বককে নরম করে।
তাই আগে হালকা উষ্ণ জলে পা ধুয়ে পায়ের গোড়ালিতে মধু লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পায়ে মধু লাগিয়ে রাখার পরে ধুয়ে ফেলুন।
এতে খুব ভালো উপকার পাবেন।

২। নারকেল তেল —

ত্বকের জন্য নারকেল তেল খুবই উপকারী। প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভালো করে নারকেল তেল গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন।
১ সপ্তাহ নিয়মিত করে দেখুন। আপনার পায়ের চেহারা একেবারে বদলে যাবে।

৩। ভিনিগার —

ভিনিগারের মধ্যেও থাকে অ্যাণ্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার হলে খুবই ভালো।
সপ্তাহে ৩-৪ দিন স্নান করার সময়ে হাফ বালতি অথবা হাফ গামলা জলে ২ চামচ ভিনিগার নিন। এরপরে ওই বালতি বা গামলার জলে ১০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন।
এতে আপনার পায়ের ত্বকের ও গোড়ালির যত্ন নেওয়া তো হবেই। সেইসঙ্গে আপনার পায়ের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

৪। কলা —

কলা খাওয়া যতটা উপকারী ঠিক ততটাই কার্যকরী ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে। পায়ের যত্ন নেওয়ার নেওয়ার জন্য কলা আপনি ব্যবহার করতে পারেন।
পায়ের যত্ন নিতে ১টি কলাকে ভালোভাবে চটকে নিন। এরপরে কলার ওই মিশ্রণটি দুটি পায়ে ও পায়ের গোড়ালিতে ভালভাবে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপরে একটু শুকিয়ে গেলে নরম টাওয়াল দিয়ে মুছে ফেলুন।

৫। অ্যালোভেরা জেল —

অ্যালোভেরা জেলের উপকারিতা তো প্রায় সকলেরই জানা। তাই অ্যালোভেরা জেলে আপনার পায়ের জেল্লা বেড়ে যেতে পারে।
বাজার চলতি কোনও অ্যালোভেরা জেলের প্রোডাক্ট যদি আপনার হাতের কাছে থাকে সেটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি না থাকে, তাতেও কোনও সমস্যা নেই।

বাড়িতে যদি অ্যালোভেরা গাছ থাকে তাহলে সেই অ্যালোভেরার মধ্যে যে জেলিটা থাকে। ওটাকে বের করে নিয়ে ওই জেলিটা পায়ে ও পায়ের গোড়ালিতে লাগাতে হবে। ৫-১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন