Connect with us

ঘরদোর

অন্দরসজ্জা: যদি ‘রঙ’ দিলে না প্রাণে

moitryমৈত্রী মজুমদার

“মনে কর আমি নেই, বসন্ত এসে গেছে/ কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে…”

বিবিধভারতীতে সুমন কল্যানপুরের গাওয়া সেই কবেকার এই গানটা শুনতেসন্ শুনতে হঠাৎ মনে হল সত্যি তো কত কত বত আমরা পার করে ফেলি এই ইঁট কাঠ কংক্রিটে ঠাসা শহরটার অলিতে গলিতে যন্ত্রের মতো ঘুরতে ঘুরতে। কিন্তু তার গোলকধাঁধারও যে রঙ পালটায় তার হদিস করার সময় কি পাই?

এই যে গলির মাথার পার্কে বড় হয়ে ওঠা মন্দার, রাধচূড়া, কৃষ্ণচূড়ায় লালহলুদের মেলা বসতে চলেছে; ওই যে সেদিন দুপুরের উষ্ণ পরশের মাঝে দুকলি কোকিলের ডাক শোনা গেল আর গতকাল অফিসফেরতা গলদঘর্ম হয়ে বাস থেকে নামতেই দখিনা বাতাসের মিষ্টি একটা ঝলক প্রাণের ভিতর পর্যন্ত স্নিগ্ধতায় ভরে দিল, সেগুলো কি জীবনের অংশ নয়? অথচ দেখুন কতদিন যে এসব ভালো করে খেয়ালই করিনি সেটাও মনে পড়ে না।

কি বন্ধুরা আপনাদেরও কি সেই হাল? যদি তাই হয় তাহলে আমার নিজের জন্য ভাবা সমাধানটা শেয়ার করে ফেলি আপনাদের সঙ্গে।

ঋতুরাজ বসন্ত ঢুকে পড়েছে ঘরে আর তাকে সম্মান জানানোর সহজ এবং অব্যর্থ উপায় হল নিজেকে আর নিজের ঘরকে রাঙিয়ে নেওয়া। কিন্তু ঘর বলে কথা, যেমন তেমন করে যা ইচ্ছে রঙ তো আর করা যায় না, তাই সহজে,কম খরচে নিজের মনের মতো করে ঘর রাঙানোর উপায় আমি দেব আপনাদের।

১. আপনার ঘরে থাকা ভীষণ পছন্দের রঙিন একটি পেইন্টিং বা ফটোগ্রাফ বা কার্পেট বেছে নিন। এবার ভালো করে ভেবে নিন ঠিক কী কী কারণে এর রঙগুলি আপনার পছন্দের। এবার এর মধ্যে থাকা রঙগুলির সঙ্গে মিলিয়ে আপনি আপনার ঘরের বাকি আসবাবপত্র, পর্দা, কুশন, শো-পিস ব্যবহার করুন ঘরটিতে। এতে আপনার ঘরে থাকা সব ক’টি উপকরণের মধ্যে একটি সামঞ্জস্য বজায় থাকবে আর আপনাকে অনুপ্রেরণা জোগানো উপাদানটিও পাবে তার সঠিক গুরুত্ব।

R-1

২. ঘরে  দুই-এর বেশি রঙ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ৬০:৩০:১০ অনুপাতের নিয়ম অনুসরণ  করুন। ঘরে থাকা ৬০ ভাগ জিনিসের ক্ষেত্রে যে রঙটি ব্যবহার করবেন সেটি হতে হবে যথা সম্ভব হাল্কা, ধরে নিন ঘরের দেওয়াল, মেঝে ইত্যাদি; বাকি ৩০ ভাগ জিনিসে তার থেকে খানিকটা উজ্জল রঙ ব্যবহার করুন। যেমন ধরুন সোফা বা চেয়ার এর কভার, পর্দা ইত্যাদি। আর পুরো ঘরে নাটকীয়তা এনে দিতে বাকি দুটো রঙের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না থাকা একটি অতি উজ্জ্বল আর সাহসী রঙ ব্যবহার করুন কুশন কভার, ফ্লাওয়ার ভাস ইত্যাদিতে, একে বলা হয় অ্যাকসেন্ট(Accent) যোগ করা।

R-2

মনে রাখবেন এই গুরুত্বপুর্ণ নিয়মটি সব ধরনের ডিজাইনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

৩. আপনারা নিশ্চয় লক্ষ করেছেন যতই আমরা ঘরের বিভিন্ন জিনিসে নানান রঙের ব্যবহার করিনা কেন ঘরের সিলিং সবসময় সাদা বা কাছাকাছি কোন হাল্কা রঙেরই হয়ে থাকে। তার একটা কারণ আছে। আমাদের মনে গাঢ় রঙ ভারি আর হাল্কা রঙ হাল্কা ওজনের পরিচায়ক তাই ঘরে রঙের ব্যবহারের ক্ষেত্রে উল্লম্ব ভাবে নিচের দিকে, যেমন মেঝে, কার্পেট ইত্যাদিতে গাঢ় রঙ, মাঝামাঝি যেমন টেবিল সোফা, আসবাবপত্রে মাঝারি আর, ওপরের দিকে যেমন দেওয়াল,পর্দা ইত্যাদিতে হাল্কা রঙ ব্যবহার করা উচিত।

R-3

৪. যদি বেশি উজ্জ্বল রঙ এর ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা বোধ করেন কিন্তু সেই সঙ্গে ঘরকে একটু অন্য রকমও করে তুলতে চান তাহলে নির্দ্বিধায় সাদা-কালো রঙের বিভিন্ন জিনিস ব্যবহার করতে পারেন আপনার বাড়ির বিভিন্ন জায়গায়। নানান রঙের মাঝে মাঝে ধবধবে সাদা বা গাঢ় কালো রঙের অ্যাক্সেসরিগুলো দারুন নাটকীয়তা এনে দেবে আপনার অন্দরমহলে।

R-4

নিজের ঘরকে রাঙিয়ে তুলতে অনুপ্রেরণা পেতে পারেন যেকোনো জায়গা থেকে, ঘাসের মাঝে ফুটে থাকা বুনো ফুল, পিচের রাস্তায় পড়ে থাকা নানারঙ্গের শুকনো পাতা, বা আপনার পছন্দের শাড়ি বা ড্রেস। যে কোনো কিছুই আপনার কল্পনার রঙে মিশে রাঙিয়ে তুলতে পারে আপনার ঘর বাড়ি।

R-5_R-5A

তবে আর দেরি কেন মেতে উঠুন বসন্ত উৎসবে।

R-6a

(ছবি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংগৃহীত)

ঘরদোর

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

DIY

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে থাকা বা বাতিল জিনিসপত্র দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মনের মতো সামগ্রী। তার জন্য টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাবেন কোথায়? ডিআইওয়াইয়ের যাবতীয় সামগ্রী বাড়ির বাইরে না বেরিয়েই সংগ্রহ করুন অ্যামাজন থেকে। দেখুন এগুলো আপনার কাজে লাগবেই লাগবে। প্রতিবেদন লেখার সময়ে দাম যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। হট গ্লু গান

ঠান্ডা নয়, গরম আঠা খুব চটপট কাজ করে। তার জন্য হটগ্লু গান। নীল রঙের, অন, অফের সুইচ আছে। ২০ ওয়াটের। সঙ্গে ১৫টি গ্লু স্টিক।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ২৪৫ টাকা।

২। মডপচ

আপনার বানানো সামগ্রী রং করার পর দিন মডপচ। দীর্ঘস্থায়ী হবে ও চকচকে হবে। ফেব্রিক মডপচ গ্লস, ১২০ এমএলের এক একটি, ২টির সেট।

দাম – ৩০০ টাকা।

৩। গ্লু স্টিক

হট গ্লু গানের আঠা হল এই গ্লু স্টিক। হটমেল্ট গ্লু স্টিক, ১ মিমি X ২২ সেমি, সাদা রঙের।

দাম – ২০টার সেট ১৯৯ টাকা। ১০টার সেট ১৪৯ টাকা

৪। পিকচার ভার্নিশ

ছবি আঁকা বা রং করার পর ব্যবহার করতে পারেন ক্যামেল পিকচার ভার্নিশ, ১০০ মিলি, তেল রঙের জন্য উপযুক্ত।

দাম – ১৪০ টাকা।   

৫। ডবল সাইড অ্যাডহেসিভ

যে কোনো জিনিসের সঙ্গে অন্য কিছুকে বা কোনো সামগ্রী কোথাও আটকাতে এই টেপ খুব কাজের। ডবল পুনঃব্যবহারযোগ্য, দীর্ঘদিন ভালো থাকে, জল দিয়ে ধোওয়া যায়।

দাম – ৭২% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা।

৬। সিলিকন মোল্ড

কোনো কিছুর ওপর নকশা তুলতে বা ইউরোপিয়ান নকশাকাটা লুক দেওয়ার জন্য সিলিকন মোল্ড ছাঁচ বিশেষ কাজে লাগে। বিভিন্ন মাপের নকশা।

দাম -৩৭% ছাড় দিয়ে ৩২৮ টাকা।

৭। থ্রিডি নিয়ন লাইনার

যে কোনো রঙের কাজ হাইলাইট করতে ৩ডি লাইনার। ২টি নিয়ন কালার কিট ও ৩ডি নিয়ন লাইনার কম্বো প্যাক। নন ফেব্রিক কাজের জন্য। চামড়া, মাটি, কাঠ, কাগজ, ধাতু, থার্মোকল, পাথর ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৩৯০ টাকা।

৮। অ্যাক্রেলিক কালার সেট

১০টি আলাদা রঙের সেট, এক একটি ১৫মিলি।

দাম – ২০০ টাকা।

৯। ফ্ল্যাট পেন্ট ব্রাশ

যে কোনো রকম রঙ করার জন্য।

দাম – ৩% ছাড় দিয়ে ১৯৫ টাকা।

১০। ন্যাচরাল ক্লে

হাতের কাজ, ছোটোদের খেলার জন্য উপযুক্ত।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ৯০ টাকা।

১১। জুট রোপ

যে কোনো কিছু বানাতে, বা নকশা করতে বা সাজাতে এর ব্যবহার হয়। ১২০ মিটার জুট রোপ, ডিআইওয়াই-এর জন্য কাজে লাগে।

দাম – ৫১% ছাড় দিয়ে ১৫৫ টাকা।  

১২। মাল্টিপারপাস এনগ্রেভার পেন

কাঁচ, ধাতু, প্ল্যাস্টিক, কাঠ ইত্যাদির ওপর ব্যবহার করা যায়। এটি টুল নিব।

দাম – ৫৪% ছাড় দিয়ে ২২৯ টাকা।

১৩। স্প্রে পেন্ট

মাল্টিপারপাস স্প্রে পেন্ট। গাড়ি বা অন্য কিছু রং করতে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ২৪৫ টাকা।

১৪। ক্যান্ডেল মেকিং কিট

মোমবাতি বানানোর সম্পূর্ণ সরঞ্জাম, সম্পূর্ণ পদ্ধতি বলা বই, সলতে, গ্লিটার ইত্যাদি।

দাম – ৪০% ছাড় দিয়ে ৫৯৯ টাকা।

১৫। এমব্রয়ডারি থ্রেড

এমব্রয়ডারি করতে লাগে মাল্টি কালার কটন থ্রেড, ১০০টির সেট।

দাম – ৩৯% ছাড় দিয়ে ২৮০ টাকা।

১৬। ডেকোপেজ

ছাপা কাগজ বা টিসু। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো জিনিসকে নতুন লুক দিতে খুবই উপযুক্ত। ৪টি ডিজাইনের ৮টি টিসু, ফুল ও পাখির নকশা। ৩৩ সেমি X ৩৩ সেমি।

দাম – ২০% বাদ দিয়ে ৩২০ টাকা।

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading

ঘরদোর

রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

amazon

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বাড়ির কাজের সুবিধের জন্য এই সমস্ত সামগ্রী আপনার বাড়িতে রাখতে পারেন। রোজকার কাজ অনেক কম খাটুনিতেই দেখবেন সারা হয়ে গিয়েছে। এগুলি পাবেন কোথা থেকে? পাওয়া যাচ্ছে অ্যামাজন অনলাইন শপিং অ্যাপেই। অর্থাৎ বিনা পরিশ্রমে, বাড়ি থেকে না বেরিয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন।

দেখে নেওয়া যাক রান্নাঘরের ১০টি আকর্ষণীয় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাও মাত্র ৫০০ টাকার মধ্যেই

১। টুইস্টার এয়ারটাইট জার, ১২টি –

ডায়মন্ড নকশা কাটা প্ল্যাস্টিক জার। কিন্তু মাইক্রোওভেন সেভ, হাই টেম্পারেচারেও ভালো থাকবে, ৩ মাপের ১২টি কৌটো। ডাল আটা স্ন্যাকস থেকে যে কোনো মশলা খুব ভালো ভাবে রাখা যাবে।

মাপ – ১৫০০ মিলিলিটারের ৪টে, ৭৫০ মিলিলিটারের ৪টে, ২৫০ মিলিলিটারের ৪টে জার।

রং – ২ রকমের – গোটাটাই নীল এবং স্বচ্ছ কৌটো ও কালো ঢাকনা।

দাম – ৪৬% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা

২। এয়ার টাইট ফুড স্টরেজ কনটেনার , ৬টি –

৪০০ এমএল মাপের ৬টি জার। চার দিক থেকে লক করার ব্যবস্থা আছে।  ফ্রিজে রাখার জন্য খুব সুন্দর একটি মাপ, এটিতে করে খাবার বাইরেও নিয়ে যাওয়া যাবে। তেল ঝোল গড়ানোর ভয় নেই।

মাপ – ১২০X ১২০ X ৭০ মিলিমিটার।

রং – স্বচ্ছ।

দাম – ৫৬% ছাড় দিয়ে ৪৩৯ টাকা

৩। মাইক্রো যোগা রাইস কুকার, স্পুন ও মেজারিং কাপ –

২.৭৫ লিটারের কনটেনার। যে কোনো ধরনের চাল ৪ কাপ রান্না করা যাবে। চার জনের রান্নার জন্য একদম ঠিকঠাক। ব্যবহার করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা খুবই সহজ। সঙ্গে একটি চামচ ও একটি পরিমাপের কাপ দেওয়া আছে। মাইক্রোওভেনে খুব সহজেই ব্যবহার করা যাবে।

রঙ – লাল

দাম – ২৫% ছাড় দিয়ে ৪৮৫ টাকা

৪। কিচেন সিঙ্ক ডিশ ড্রাইং ড্রেনার র‍্যাক হোল্ডার বাসকেট –

রান্নাঘরের বেসিনের পাশে রেখে বাসন জলমুক্ত করার জন্য খুব সুন্দর একটি ব্যবস্থা। মোট ৩টি হোল্ডার এক সঙ্গে পাওয়া যাবে। চামচ, সাইডহুক-সহ স্পুন সিলিন্ডার অর্থাৎ হাতা-খুন্তি, ডিশ, বাটি ইত্যাদি রাখার জায়গা, ড্রেনার। ৩টি-ই প্ল্যাস্টিকের।

মাপ – লম্বায় ৪৪ চেমি, চওড়ায় ৩০.৫ সেমি, উচ্চতায় ১৪.৮ সেমি

রং – সবুজ, নীল, খয়রি, সাদা

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৫। ভেজটেবিল চপার –

৫০০ এমএল-এর ভেজটেবিল চপার। এতে রয়েছে ধারালো ৩টি ব্লেড, একটি লিড আছে এটি ধরে টেনে সবজি কাটতে হয়। সুরক্ষার জন্য চারটি লক ব্যবহারের সময় আটকে নিতে হয়। যে কোনো ধরনের ফল সবজি এতে অনায়াসেই কাটা হয়ে যায়। রান্নাঘরে খুব কম জায়গার মধ্যে এটি রাখা হয়ে যাবে।

মাপ – ১৩.৫ x ১৩.৫ x ৯ সেমি  

রং – নীল

দাম – ৫৭% ছাড় দিয়ে ২৫৯ টাকা

৬। স্টেনলেস স্টিল গার্লিক ক্রাশার

আদা পেঁয়াজ রসুন থেঁতো করা বা বাটার জন্য একদম সহজ একটি উপকরণ। গোল শক্ত হাতলযুক্ত স্টেনলেস স্টিলের একটি ক্রাশার। পরিষ্কার করাও সুবিধাজনক। ছোট্টো সুন্দর মাপের এই ক্রাশারটি খুব হালকা ফলে বহনযোগ্য ও রান্নাঘরে রাখতেও খুব কম জায়গা লাগে।

মাপ- ৩.৯৪ ইঞ্চি লম্বা ও ২.৭৫ ইঞ্চি চওড়া। ওজন ১০৬ গ্রাম।  

রং – কালো হ্যান্ডেল

দাম – ৩৩% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৭। ওয়াশিং হোল্ডার অর্গানাইজার, ১টি –

রান্না রের সিঙ্কের কোণে মাজা-ঘষার স্ক্রাবার সাবান ইত্যাদি রাখার জন্য আদর্শ একটি হোল্ডার/ট্রে। জল ঝরে যাওয়ার ভালো ব্যবস্থা। প্ল্যাস্টিকের হোল্ডারটি খুবই সুবিধাজনক।

রং – সবুজ

দাম – ৭৫% ছাড় দিয়ে ২৪৯ টাকা

৮। প্ল্যাস্টিক কর্নার র‍্যাক-

ছোট্টো প্ল্যাস্টিকের দরজা দেওয়া ২ থাকের র‍্যাক।

মাপ – ২৭ x  ১৮ x ৩৫ সেমি

রং – গাঢ় ও হালকা আইভরি, নীল, ধুসর

দাম – ৬% ছাড় দিয়ে ২৯১ টাকা

৯। স্পেস সেভার ফ্রিজ স্টরেজ অর্গানাইজার, ৪টে –

ফ্রিজের ভেতরে জিনিস গুছিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত বাস্কেটের দরকার থাকলে ব্যবহার করা যায় এটি। ট্রেগুলি ঢোকানো, বের করার সুবিধের জন্য রয়েছে হ্যান্ডেল। জ্যামজেলির শিশি, ফল ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যেতে পারে। শুধু ফ্রিজের ভেতর না যে কোনো জায়গায় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে এগুলি ব্যবহার করা যাবে।

রং – স্বচ্ছ, হ্যান্ডেল মাল্টিকালার

মাপ – ২৯ x ১২.৫ x ৮.৫

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৪টের সেট ২৯৯ টাকা, ৮টির সেট ৪৯৯ টাকা

১০। গ্রেন ভেজটেবিল ওয়াশিং বোল, ১টি –

চাল ডাল সবজি শাক চাউ পাস্তা ইত্যাদি ধোয়ার সুবিধার জন্য ছিদ্রওয়ালা পাত্র। প্ল্যাস্টিকের পাত্রটি ব্যবহারের সুবিধাযুক্ত। জল ফেলার কোনো সমস্যাই হয় না। শাকসবজি চাল ডালও ধুতে গিয়ে জলের সঙ্গে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। ম্যাট ফিনিশ।

মাপ – ২২ x ১৮ X ১২ সেমি

রং – নীল, লাল, গোপালি, যে রং স্টকে থাকবে

দাম – ৮০% ছাড় দিয়ে ৭৯ টাকা।

Continue Reading

ঘরদোর

এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখবেন কী ভাবে? ৭টি পরামর্শ

room

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিড ১৯এর সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে খুব কম রাখতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার এসির ব্যবহারও কম করতে বলা হচ্ছে। সঙ্গে গরমের দমকে প্রাণ যায় যায়। প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও গরম ভাব কিন্তু সে অর্থে এখনও পর্যন্ত যায়নি। পাশাপাশি বাড়ি থেকে অফিসের কাজ যদি করতে হয় একটা ঠান্ডা আবহাওয়া না থাকলে মাথাও যেন কাজ করতে চায় না। উলটো দিকে কারেন্টের বিলের কথাটাও তো ভাবতে হবে। সব মিলিয়ে কী যে করা যায় সে এক চিন্তার বিষয় তো অবশ্যই। তাই এসি ছাড়াও কী ভাবে ঘরকে ঠান্ডা রাখা যায় সে বিষয়টি বলা যাক। তবে বিষয়গুলি মানতে পারলে শুধু এই পরিস্থিতিতেই নয়, যে কোনো গরমের মরশুমেই ঘর তুলনায় ঠান্ডা থাকবে।

কয়েকটি সাধারণ বিষয় –

১। ঘরের রং বা অন্ততপক্ষে সিলিং-এর রঙ হালকা হওয়া দরকার। এতে ঘর কিছুটা ঠান্ডা অনুভব হয়।

২। পশ্চিম দিকে জানলা বা দরজা থাকলে গরম বেশি হয়। তা যদি বন্ধ রাখা যায় তা হলেও ঘর কিছুটা ঠান্ডা থাকে।

৩। কাচের জানলায় তাপমাত্রা ঠান্ডা হোক বা গরম তা বেশি অনুভূত হয়। তুলনায় কাঠের জানলা তাপমাত্রাকে গ্রাস করে।

৪। মুখোমুখি জানলা থাকলে ঘরে হাওয়া বাতাস চলাচল করবে ভালো।

তবের এই চার পরিবর্তন হুট করে করা সম্ভব নয়। তাই ভাবতে হবে আরও বিকল্প কিছু। সেগুলি হল –

১। ঘরে বেশি তাপ ঢুকতে দেবেন না –

সকাল সকাল উঠে ঘরের সব জানলা দরজা খুলে আলো হাওয়া খেলিয়ে নিন। তখন সূর্যের তাপ কম থাকে। এগারোটার পর তাপ বাড়ে। তখন সব জানলা বন্ধ করে পর্দা টানুন। কোনো ব্লাইন্ডস থাকলে বন্ধ করে দিন। তাতে তাপ কম ঢুকবে। এই সময় পাখা চলিয়ে রাখুন। আবার পশ্চিমের রোদ পুরো চলে গেলে সব জানলা দরজা খুলে দিন।

২। রান্না ঘরে এগজস্ট ফ্যান

রান্না করার সময় অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান চালান। তাতে ঘরের ভেতরে আগুনের তাপ কম ঢুকবে। সম্ভব হলে সকাল সকাল রান্না সারুন।

৩। পর্দার ধরন –

সুতির বা লিনেনের পর্দা ব্যবহার করুন। রঙ যেন অবশ্যই হালকা হয়। রং আর ফেব্রিক হালকা ধরনের হলে তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রিত হয়। খুব বেশি বাড়তে পারে না। তাপ শোষণ ও প্রতিফলন এগুলি কম করে।

৪। চাদর ও কভার –

বিছানার চাদর ও সোফার কভার ইত্যাদি এমনই সূতি বা লিনেনের বাছাই করুন। রং-ও হালকা হওয়াই বাঞ্ছনীয়। ঘরে তাপ কম ছড়াবে।  

৫। আলোর ব্যবহার

ঘরে আলো কম হলে ঘর ঠান্ডা থাকে বেশি। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঘরে বেশি আলো জ্বালাবেন না। তাতে কারেন্ট খরচ বাঁচবে। ঘরের তাপমাত্রাও কম থাকবে। কম্পিউটারের কাজ করার সময় টেবিল ল্যাম্প বা ছোটো স্পট লাইট ব্যবহার করুন। ঘরের পুরোনো টিউব বা বালবের বদলে সিএফএল বা এলইডি ল্যাম্প ব্যবহার করুন। এতে বিদ্যুতের খরচ কম এবং আলোও বেশি ঠান্ডা।

৬। ইনডোর প্ল্যান্ট

ঘরের মধ্যে গাছ রাখলে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। দেখতেও সুন্দর লাগে। এরা তাপ শুষে নেয়। ইনডোর প্ল্যান্টের মধ্যে রাখতে পারেন স্নেক প্ল্যান্ট, মানিপ্ল্যান্ট, অ্যারিকা পাম, অ্যালোভেরা। তবে অনেকের পরাগরেণুতে অ্যালার্জি থাকে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৭। জল দিয়ে ভেজানো

অনেকেই ছাদে, দেওয়ালে জল দিয়ে তাপ বের করে দেন। তাতেও ঘর কিছুটা ঠান্ডা হয়। আবার জানলা দরজার পাল্লা, মেঝে একটু জল জল করে মুছলেও ঘরের ভেতরটা বেশ ঠান্ডা থাকে। তবে তার জন্য আগে থেকে জানলা দরজা বন্ধ করে পর্দা টেনে রাখুন তাতে বেশি কাজ হবে।

অবশ্যই জেনে নিন – কী ভাবে ব্লিচিং পাউডার ছাড়াই বাড়িতে বানাবেন স্বাস্থ্যসম্মত জীবাণুনাশক

Continue Reading
Advertisement
দেশ2 mins ago

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখ থেকে চিনকে হঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

gst
শিল্প-বাণিজ্য47 mins ago

জিএসটি-তে বড়োসড়ো স্বস্তি, কমল জরিমানা

দেশ1 hour ago

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

thunderstorm
রাজ্য1 hour ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

বিদেশ2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের প্রতিক্রিয়া

দেশ2 hours ago

কোভিড-১৯: হোম আইসোলেশনের নতুন নিয়ম জারি করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

দেশ4 hours ago

চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

দেশ5 hours ago

আচমকা লাদাখ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সেনার সঙ্গে বৈঠক

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২০,৯০৩, সুস্থ ২০,০৩২

ক্রিকেট2 days ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

DIY
ঘরদোর3 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

ক্রিকেট3 days ago

বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে থাকছে ‘ব্ল্যাক লাইভ্‌স ম্যাটার’

বিজ্ঞান2 days ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

LPG
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

পর পর দু’মাস বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

দেশ2 days ago

ভারতে রোগীবৃদ্ধির হার কমল অনেকটাই, সুস্থতার হার ৬০ শতাংশের কাছাকাছি

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ফাইনালে খেলা ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ শ্রীলঙ্কা পুলিশের

নজরে