Connect with us

ঘরদোর

অন্দরসজ্জা: বাচ্চাদের ঘর

moitryমৈত্রী মজুমদার

সে একদিন ছিল যখন পাঠশালা ফাঁকি দিয়ে অপুরা একছুটে চলে যেতে পারত মাঠে বা আমবাগানে আবার সেখান থেকে দুর্গাদিদির হাত ধরে দৌড়তে দৌড়তে মাঠঘাট, বনবাদাড়, কাশফুলের জঙ্গল পার হয়ে যেত রেলগাড়ি দেখার আশায়।

 আজ  আর  সেদিন নেই। পাঠশালা  পলায়ন  তো দূরস্থান, পৃথিবীর আলো  দেখার পর আঠারো মাস কাটতে না কাটতেই পিঠে ব্যাগ আর জলের বোতল নিয়ে আজকের অপু-দুর্গা দের যেতে হয় প্লে স্কুলে। আর প্রকৃতির অপার রহস্যের সন্ধান এবং সমাধান দুটোই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে বই আর ইন্টারনেট-এর ওপর। সে যাই হোক, ‘যস্মিন কালে যদাচার…’ । এসব কথা বলার আসল কারণ হল, এমতাবস্থায় বাচ্চা মানুষ করার ক্ষেত্রে বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা অভিভাবকদের জন্যে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সব চ্যালেঞ্জে পাশে থাকতে না পারলেও, আপনার বাচ্চাদের ঘরদোর সময়োপযোগী করে সাজিয়ে তোলার ক্ষেত্রে খবর অনলাইনের ঘরদোর বিভাগ আপনার পাশে অবশ্যই থাকবে।

বাচ্চাদের জন্য ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা কথা মনে রাখা জরুরি।

প্রথমত বাচ্চাদের স্বনির্ভর হিসেবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব ঘর থাকা খুবই জরুরি। তাইযত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের ঘর আলাদা করে দিন।

খুব ছোটো বাচ্চা হলেও সেই ঘরে তাদের খেলার বা পড়ার ব্যবস্থা রাখুন যাতে সেই ঘরের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় সব জিনিস যাতে তাদের নিজেদের ঘরেই রাখা যায়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। তাহলেই নিজের জিনিসের দায়িত্ব নিতে নিতে তারা একদিন দায়িত্বশীল নাগরিক হয়ে উঠবে।

এবারে আসি বাকি কথায়।

বাচ্চাদের ঘরে প্রাথমিক জরুরি সরঞ্জাম হল, বিছানা, পড়ার টেবিল চেয়ার, আর বইখাতা, জামাকাপড়, খেলাধুলোর সরঞ্জাম রাখার জন্য স্টোরেজ। এগুলো ঠিক থাকলেই বাকি সাজানোর ব্যাপারটা আপনাআপনি হয়ে যাবে।

1

এবার বাচ্চাদের ঘরের ক্ষেত্রে যে জিনিসটা মনে রাখা দরকার তা হল বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এদের চাহিদা আর পছন্দ কিন্তু বদলাতে থাকে, আর সেই বদল বেশ তাড়াতাড়ি হয়। বাচ্চা বলে হয়তো আপনি খুব রঙচঙে সুন্দর একটি ঘর বানালেন।

কিন্তু অল্প বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার আর এইসব রঙ ভাল লাগলো না, বা  তার শারীরিক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আসবাবের মাপ দ্রুত ছোটো হয়ে পড়ল। একটি বাচ্চার জন্মের পর থেকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার মধ্যে হয়তো আপনাকে তিন থেকে চারবার ঘরের সজ্জা বদলাতে হতে পারে।  তাই একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে হবে।

সব থেকে উপযুক্ত কাজ হল এক্ষেত্রে একটি  বেসিক রঙের আসবাবপত্র তৈরি  করে বাকি দেওয়ালের রঙ, পর্দার, কুশনের, কার্পেটের রঙ ইত্যাদি বদলে বদলে ঘরের সজ্জা বদল করুন।

3

ঘরের সমস্ত কিছু নিউট্রাল রঙের মানে সাদা বা বেজ বা ব্রাউন রেখেও শুধুমাত্র  ফারনিশিং বদলে আপনি ঘরে বদল আনতে পারেন।

4

বাচ্চাদের ঘরের ক্ষেত্রে যত বেশি মেঝে খালি রাখা যায় ততই ভাল। তাই  বাড়িতে একাধিক বাচ্চা থাকলে তাদের ঘরের জন্য বাঙ্ক বেড একটি  যুগোপযোগী ব্যবস্থা। একাধিক বাচ্চা না থাকলেও এ ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কারণ বাড়িতে বাচ্চাদের বন্ধুদের নাইট আউটের জন্যই হোক বা আপনার  অতিথিদের বাচ্চাদের জন্য এই ব্যবস্থা  স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেবে।

5

যতটা  সম্ভব  বাচ্চাদের ঘরের আসবাবপত্র একটি বা খুব বেশি হলে দুটি  দেওয়াল লাগোয়া করে বানানো ভাল। তাতে কম জায়গায় কাজ হয়ে যাবে আর  মেঝেতেও জায়গা থাকবে খেলার।

6

বাচ্চাদের ঘরে স্টোরেজ-এর জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই যত সম্ভব স্টোরেজ রাখুন। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আলমারি, পড়ার টেবিল এসব ছাড়াও বুদ্ধি খাটিয়ে  বসার জায়গা, সিলিং এমনকি বাঙ্ক বেডের সিঁড়িকেও স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

7.1

বাচ্চাদের ঘরে প্লাসটিক বাস্কেট বা টাব ইত্যাদি ব্যবহার করুন খেলনা ইত্যাদি রাখার জন্য, যেগুলি পরবর্তীকালে বদলে যাবে। ঘরের মেঝেতে কার্পেটের ব্যবহার  বাচ্চাদের ঘরের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কার্পেট পাতা থাকলে যেকোনো সময় বাচ্চারা মেঝেতে খেলাধুলো, পড়াশোনা করতে পারবে। কখনো পড়ে গেলেও ব্যথা কম পাবে।

7

বাচ্চাদের ঘরের সজ্জার ক্ষেত্রে থিম ডেকোরেশন কিন্তু খুবই বেশি ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে ঘরের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে সবকিছুই একটি বিশেষ থিমের অনুসরণ বানানো যেতে পারে।

8

থিম অনুযায়ী বানানো আসবাব খরচ সাপেক্ষ আবার সেগুলি তাড়াতাড়ি বদলানো আরও খরচ সাপেক্ষ। তবে উপায়? কম খরচে করতে চাইলে দেওয়ালের রঙের ব্যবহার এবং সফট ফারনিশিং-এর ব্যবহারেও থিম গড়ে তোলা সম্ভব।

9

তবে  আর একটা মধ্যপন্থী উপায় আছে। থিম মানেই কিন্তু বড়োসড়ো ব্যাপার নয়। বরং একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের বারংবার ব্যবহার। তাই যদি এরকম থিম ভাবা যায় যা অনায়াসসাধ্য এবং একই সঙ্গে যা কিছুদিন পর কম খরচে পালটে ফেলা যায় তাহলে আর থিমসজ্জায় আপত্তি কি।

10

বাচ্চাদের ঘর বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে সাজান। রঙিন কাগজের  মালা, শিকলি ঝোলাতে পারেন। দেওয়ালে রঙিন কাগজের প্যাটার্ন লাগাতে পারেন, বাচ্চাদের আর্ট ক্লাসে নিজের হাতে তৈরি নানা ধরনের বস্তু বা হাতে আঁকা ছবি ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেওয়ালে ঝোলাতে পারেন। দেখবেন চোখের সামনে কীভাবে একটা সাদামাটা ঘর উজ্জ্বল আর উৎসবময় হয়ে উঠবে। 

inside-decoration

ঋত্বিক  বলেছিলেন, “ভাবো ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস কর”।   সেরকম ভাবে ভাবতে পারলে… আপনার বাচ্চার জন্য তার ঘরের পরিসরেই হয়তো বা ট্রি হাউজ বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

12

ঘরদোর

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

DIY

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে থাকা বা বাতিল জিনিসপত্র দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মনের মতো সামগ্রী। তার জন্য টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাবেন কোথায়? ডিআইওয়াইয়ের যাবতীয় সামগ্রী বাড়ির বাইরে না বেরিয়েই সংগ্রহ করুন অ্যামাজন থেকে। দেখুন এগুলো আপনার কাজে লাগবেই লাগবে। প্রতিবেদন লেখার সময়ে দাম যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। হট গ্লু গান

ঠান্ডা নয়, গরম আঠা খুব চটপট কাজ করে। তার জন্য হটগ্লু গান। নীল রঙের, অন, অফের সুইচ আছে। ২০ ওয়াটের। সঙ্গে ১৫টি গ্লু স্টিক।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ২৪৫ টাকা।

২। মডপচ

আপনার বানানো সামগ্রী রং করার পর দিন মডপচ। দীর্ঘস্থায়ী হবে ও চকচকে হবে। ফেব্রিক মডপচ গ্লস, ১২০ এমএলের এক একটি, ২টির সেট।

দাম – ৩০০ টাকা।

৩। গ্লু স্টিক

হট গ্লু গানের আঠা হল এই গ্লু স্টিক। হটমেল্ট গ্লু স্টিক, ১ মিমি X ২২ সেমি, সাদা রঙের।

দাম – ২০টার সেট ১৯৯ টাকা। ১০টার সেট ১৪৯ টাকা

৪। পিকচার ভার্নিশ

ছবি আঁকা বা রং করার পর ব্যবহার করতে পারেন ক্যামেল পিকচার ভার্নিশ, ১০০ মিলি, তেল রঙের জন্য উপযুক্ত।

দাম – ১৪০ টাকা।   

৫। ডবল সাইড অ্যাডহেসিভ

যে কোনো জিনিসের সঙ্গে অন্য কিছুকে বা কোনো সামগ্রী কোথাও আটকাতে এই টেপ খুব কাজের। ডবল পুনঃব্যবহারযোগ্য, দীর্ঘদিন ভালো থাকে, জল দিয়ে ধোওয়া যায়।

দাম – ৭২% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা।

৬। সিলিকন মোল্ড

কোনো কিছুর ওপর নকশা তুলতে বা ইউরোপিয়ান নকশাকাটা লুক দেওয়ার জন্য সিলিকন মোল্ড ছাঁচ বিশেষ কাজে লাগে। বিভিন্ন মাপের নকশা।

দাম -৩৭% ছাড় দিয়ে ৩২৮ টাকা।

৭। থ্রিডি নিয়ন লাইনার

যে কোনো রঙের কাজ হাইলাইট করতে ৩ডি লাইনার। ২টি নিয়ন কালার কিট ও ৩ডি নিয়ন লাইনার কম্বো প্যাক। নন ফেব্রিক কাজের জন্য। চামড়া, মাটি, কাঠ, কাগজ, ধাতু, থার্মোকল, পাথর ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৩৯০ টাকা।

৮। অ্যাক্রেলিক কালার সেট

১০টি আলাদা রঙের সেট, এক একটি ১৫মিলি।

দাম – ২০০ টাকা।

৯। ফ্ল্যাট পেন্ট ব্রাশ

যে কোনো রকম রঙ করার জন্য।

দাম – ৩% ছাড় দিয়ে ১৯৫ টাকা।

১০। ন্যাচরাল ক্লে

হাতের কাজ, ছোটোদের খেলার জন্য উপযুক্ত।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ৯০ টাকা।

১১। জুট রোপ

যে কোনো কিছু বানাতে, বা নকশা করতে বা সাজাতে এর ব্যবহার হয়। ১২০ মিটার জুট রোপ, ডিআইওয়াই-এর জন্য কাজে লাগে।

দাম – ৫১% ছাড় দিয়ে ১৫৫ টাকা।  

১২। মাল্টিপারপাস এনগ্রেভার পেন

কাঁচ, ধাতু, প্ল্যাস্টিক, কাঠ ইত্যাদির ওপর ব্যবহার করা যায়। এটি টুল নিব।

দাম – ৫৪% ছাড় দিয়ে ২২৯ টাকা।

১৩। স্প্রে পেন্ট

মাল্টিপারপাস স্প্রে পেন্ট। গাড়ি বা অন্য কিছু রং করতে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ২৪৫ টাকা।

১৪। ক্যান্ডেল মেকিং কিট

মোমবাতি বানানোর সম্পূর্ণ সরঞ্জাম, সম্পূর্ণ পদ্ধতি বলা বই, সলতে, গ্লিটার ইত্যাদি।

দাম – ৪০% ছাড় দিয়ে ৫৯৯ টাকা।

১৫। এমব্রয়ডারি থ্রেড

এমব্রয়ডারি করতে লাগে মাল্টি কালার কটন থ্রেড, ১০০টির সেট।

দাম – ৩৯% ছাড় দিয়ে ২৮০ টাকা।

১৬। ডেকোপেজ

ছাপা কাগজ বা টিসু। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো জিনিসকে নতুন লুক দিতে খুবই উপযুক্ত। ৪টি ডিজাইনের ৮টি টিসু, ফুল ও পাখির নকশা। ৩৩ সেমি X ৩৩ সেমি।

দাম – ২০% বাদ দিয়ে ৩২০ টাকা।

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading

ঘরদোর

রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

amazon

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বাড়ির কাজের সুবিধের জন্য এই সমস্ত সামগ্রী আপনার বাড়িতে রাখতে পারেন। রোজকার কাজ অনেক কম খাটুনিতেই দেখবেন সারা হয়ে গিয়েছে। এগুলি পাবেন কোথা থেকে? পাওয়া যাচ্ছে অ্যামাজন অনলাইন শপিং অ্যাপেই। অর্থাৎ বিনা পরিশ্রমে, বাড়ি থেকে না বেরিয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন।

দেখে নেওয়া যাক রান্নাঘরের ১০টি আকর্ষণীয় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাও মাত্র ৫০০ টাকার মধ্যেই

১। টুইস্টার এয়ারটাইট জার, ১২টি –

ডায়মন্ড নকশা কাটা প্ল্যাস্টিক জার। কিন্তু মাইক্রোওভেন সেভ, হাই টেম্পারেচারেও ভালো থাকবে, ৩ মাপের ১২টি কৌটো। ডাল আটা স্ন্যাকস থেকে যে কোনো মশলা খুব ভালো ভাবে রাখা যাবে।

মাপ – ১৫০০ মিলিলিটারের ৪টে, ৭৫০ মিলিলিটারের ৪টে, ২৫০ মিলিলিটারের ৪টে জার।

রং – ২ রকমের – গোটাটাই নীল এবং স্বচ্ছ কৌটো ও কালো ঢাকনা।

দাম – ৪৬% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা

২। এয়ার টাইট ফুড স্টরেজ কনটেনার , ৬টি –

৪০০ এমএল মাপের ৬টি জার। চার দিক থেকে লক করার ব্যবস্থা আছে।  ফ্রিজে রাখার জন্য খুব সুন্দর একটি মাপ, এটিতে করে খাবার বাইরেও নিয়ে যাওয়া যাবে। তেল ঝোল গড়ানোর ভয় নেই।

মাপ – ১২০X ১২০ X ৭০ মিলিমিটার।

রং – স্বচ্ছ।

দাম – ৫৬% ছাড় দিয়ে ৪৩৯ টাকা

৩। মাইক্রো যোগা রাইস কুকার, স্পুন ও মেজারিং কাপ –

২.৭৫ লিটারের কনটেনার। যে কোনো ধরনের চাল ৪ কাপ রান্না করা যাবে। চার জনের রান্নার জন্য একদম ঠিকঠাক। ব্যবহার করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা খুবই সহজ। সঙ্গে একটি চামচ ও একটি পরিমাপের কাপ দেওয়া আছে। মাইক্রোওভেনে খুব সহজেই ব্যবহার করা যাবে।

রঙ – লাল

দাম – ২৫% ছাড় দিয়ে ৪৮৫ টাকা

৪। কিচেন সিঙ্ক ডিশ ড্রাইং ড্রেনার র‍্যাক হোল্ডার বাসকেট –

রান্নাঘরের বেসিনের পাশে রেখে বাসন জলমুক্ত করার জন্য খুব সুন্দর একটি ব্যবস্থা। মোট ৩টি হোল্ডার এক সঙ্গে পাওয়া যাবে। চামচ, সাইডহুক-সহ স্পুন সিলিন্ডার অর্থাৎ হাতা-খুন্তি, ডিশ, বাটি ইত্যাদি রাখার জায়গা, ড্রেনার। ৩টি-ই প্ল্যাস্টিকের।

মাপ – লম্বায় ৪৪ চেমি, চওড়ায় ৩০.৫ সেমি, উচ্চতায় ১৪.৮ সেমি

রং – সবুজ, নীল, খয়রি, সাদা

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৫। ভেজটেবিল চপার –

৫০০ এমএল-এর ভেজটেবিল চপার। এতে রয়েছে ধারালো ৩টি ব্লেড, একটি লিড আছে এটি ধরে টেনে সবজি কাটতে হয়। সুরক্ষার জন্য চারটি লক ব্যবহারের সময় আটকে নিতে হয়। যে কোনো ধরনের ফল সবজি এতে অনায়াসেই কাটা হয়ে যায়। রান্নাঘরে খুব কম জায়গার মধ্যে এটি রাখা হয়ে যাবে।

মাপ – ১৩.৫ x ১৩.৫ x ৯ সেমি  

রং – নীল

দাম – ৫৭% ছাড় দিয়ে ২৫৯ টাকা

৬। স্টেনলেস স্টিল গার্লিক ক্রাশার

আদা পেঁয়াজ রসুন থেঁতো করা বা বাটার জন্য একদম সহজ একটি উপকরণ। গোল শক্ত হাতলযুক্ত স্টেনলেস স্টিলের একটি ক্রাশার। পরিষ্কার করাও সুবিধাজনক। ছোট্টো সুন্দর মাপের এই ক্রাশারটি খুব হালকা ফলে বহনযোগ্য ও রান্নাঘরে রাখতেও খুব কম জায়গা লাগে।

মাপ- ৩.৯৪ ইঞ্চি লম্বা ও ২.৭৫ ইঞ্চি চওড়া। ওজন ১০৬ গ্রাম।  

রং – কালো হ্যান্ডেল

দাম – ৩৩% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৭। ওয়াশিং হোল্ডার অর্গানাইজার, ১টি –

রান্না রের সিঙ্কের কোণে মাজা-ঘষার স্ক্রাবার সাবান ইত্যাদি রাখার জন্য আদর্শ একটি হোল্ডার/ট্রে। জল ঝরে যাওয়ার ভালো ব্যবস্থা। প্ল্যাস্টিকের হোল্ডারটি খুবই সুবিধাজনক।

রং – সবুজ

দাম – ৭৫% ছাড় দিয়ে ২৪৯ টাকা

৮। প্ল্যাস্টিক কর্নার র‍্যাক-

ছোট্টো প্ল্যাস্টিকের দরজা দেওয়া ২ থাকের র‍্যাক।

মাপ – ২৭ x  ১৮ x ৩৫ সেমি

রং – গাঢ় ও হালকা আইভরি, নীল, ধুসর

দাম – ৬% ছাড় দিয়ে ২৯১ টাকা

৯। স্পেস সেভার ফ্রিজ স্টরেজ অর্গানাইজার, ৪টে –

ফ্রিজের ভেতরে জিনিস গুছিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত বাস্কেটের দরকার থাকলে ব্যবহার করা যায় এটি। ট্রেগুলি ঢোকানো, বের করার সুবিধের জন্য রয়েছে হ্যান্ডেল। জ্যামজেলির শিশি, ফল ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যেতে পারে। শুধু ফ্রিজের ভেতর না যে কোনো জায়গায় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে এগুলি ব্যবহার করা যাবে।

রং – স্বচ্ছ, হ্যান্ডেল মাল্টিকালার

মাপ – ২৯ x ১২.৫ x ৮.৫

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৪টের সেট ২৯৯ টাকা, ৮টির সেট ৪৯৯ টাকা

১০। গ্রেন ভেজটেবিল ওয়াশিং বোল, ১টি –

চাল ডাল সবজি শাক চাউ পাস্তা ইত্যাদি ধোয়ার সুবিধার জন্য ছিদ্রওয়ালা পাত্র। প্ল্যাস্টিকের পাত্রটি ব্যবহারের সুবিধাযুক্ত। জল ফেলার কোনো সমস্যাই হয় না। শাকসবজি চাল ডালও ধুতে গিয়ে জলের সঙ্গে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। ম্যাট ফিনিশ।

মাপ – ২২ x ১৮ X ১২ সেমি

রং – নীল, লাল, গোপালি, যে রং স্টকে থাকবে

দাম – ৮০% ছাড় দিয়ে ৭৯ টাকা।

Continue Reading

ঘরদোর

এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখবেন কী ভাবে? ৭টি পরামর্শ

room

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিড ১৯এর সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে খুব কম রাখতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার এসির ব্যবহারও কম করতে বলা হচ্ছে। সঙ্গে গরমের দমকে প্রাণ যায় যায়। প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও গরম ভাব কিন্তু সে অর্থে এখনও পর্যন্ত যায়নি। পাশাপাশি বাড়ি থেকে অফিসের কাজ যদি করতে হয় একটা ঠান্ডা আবহাওয়া না থাকলে মাথাও যেন কাজ করতে চায় না। উলটো দিকে কারেন্টের বিলের কথাটাও তো ভাবতে হবে। সব মিলিয়ে কী যে করা যায় সে এক চিন্তার বিষয় তো অবশ্যই। তাই এসি ছাড়াও কী ভাবে ঘরকে ঠান্ডা রাখা যায় সে বিষয়টি বলা যাক। তবে বিষয়গুলি মানতে পারলে শুধু এই পরিস্থিতিতেই নয়, যে কোনো গরমের মরশুমেই ঘর তুলনায় ঠান্ডা থাকবে।

কয়েকটি সাধারণ বিষয় –

১। ঘরের রং বা অন্ততপক্ষে সিলিং-এর রঙ হালকা হওয়া দরকার। এতে ঘর কিছুটা ঠান্ডা অনুভব হয়।

২। পশ্চিম দিকে জানলা বা দরজা থাকলে গরম বেশি হয়। তা যদি বন্ধ রাখা যায় তা হলেও ঘর কিছুটা ঠান্ডা থাকে।

৩। কাচের জানলায় তাপমাত্রা ঠান্ডা হোক বা গরম তা বেশি অনুভূত হয়। তুলনায় কাঠের জানলা তাপমাত্রাকে গ্রাস করে।

৪। মুখোমুখি জানলা থাকলে ঘরে হাওয়া বাতাস চলাচল করবে ভালো।

তবের এই চার পরিবর্তন হুট করে করা সম্ভব নয়। তাই ভাবতে হবে আরও বিকল্প কিছু। সেগুলি হল –

১। ঘরে বেশি তাপ ঢুকতে দেবেন না –

সকাল সকাল উঠে ঘরের সব জানলা দরজা খুলে আলো হাওয়া খেলিয়ে নিন। তখন সূর্যের তাপ কম থাকে। এগারোটার পর তাপ বাড়ে। তখন সব জানলা বন্ধ করে পর্দা টানুন। কোনো ব্লাইন্ডস থাকলে বন্ধ করে দিন। তাতে তাপ কম ঢুকবে। এই সময় পাখা চলিয়ে রাখুন। আবার পশ্চিমের রোদ পুরো চলে গেলে সব জানলা দরজা খুলে দিন।

২। রান্না ঘরে এগজস্ট ফ্যান

রান্না করার সময় অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান চালান। তাতে ঘরের ভেতরে আগুনের তাপ কম ঢুকবে। সম্ভব হলে সকাল সকাল রান্না সারুন।

৩। পর্দার ধরন –

সুতির বা লিনেনের পর্দা ব্যবহার করুন। রঙ যেন অবশ্যই হালকা হয়। রং আর ফেব্রিক হালকা ধরনের হলে তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রিত হয়। খুব বেশি বাড়তে পারে না। তাপ শোষণ ও প্রতিফলন এগুলি কম করে।

৪। চাদর ও কভার –

বিছানার চাদর ও সোফার কভার ইত্যাদি এমনই সূতি বা লিনেনের বাছাই করুন। রং-ও হালকা হওয়াই বাঞ্ছনীয়। ঘরে তাপ কম ছড়াবে।  

৫। আলোর ব্যবহার

ঘরে আলো কম হলে ঘর ঠান্ডা থাকে বেশি। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঘরে বেশি আলো জ্বালাবেন না। তাতে কারেন্ট খরচ বাঁচবে। ঘরের তাপমাত্রাও কম থাকবে। কম্পিউটারের কাজ করার সময় টেবিল ল্যাম্প বা ছোটো স্পট লাইট ব্যবহার করুন। ঘরের পুরোনো টিউব বা বালবের বদলে সিএফএল বা এলইডি ল্যাম্প ব্যবহার করুন। এতে বিদ্যুতের খরচ কম এবং আলোও বেশি ঠান্ডা।

৬। ইনডোর প্ল্যান্ট

ঘরের মধ্যে গাছ রাখলে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। দেখতেও সুন্দর লাগে। এরা তাপ শুষে নেয়। ইনডোর প্ল্যান্টের মধ্যে রাখতে পারেন স্নেক প্ল্যান্ট, মানিপ্ল্যান্ট, অ্যারিকা পাম, অ্যালোভেরা। তবে অনেকের পরাগরেণুতে অ্যালার্জি থাকে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৭। জল দিয়ে ভেজানো

অনেকেই ছাদে, দেওয়ালে জল দিয়ে তাপ বের করে দেন। তাতেও ঘর কিছুটা ঠান্ডা হয়। আবার জানলা দরজার পাল্লা, মেঝে একটু জল জল করে মুছলেও ঘরের ভেতরটা বেশ ঠান্ডা থাকে। তবে তার জন্য আগে থেকে জানলা দরজা বন্ধ করে পর্দা টেনে রাখুন তাতে বেশি কাজ হবে।

অবশ্যই জেনে নিন – কী ভাবে ব্লিচিং পাউডার ছাড়াই বাড়িতে বানাবেন স্বাস্থ্যসম্মত জীবাণুনাশক

Continue Reading
Advertisement
দেশ2 days ago

কোভিড ১৯ আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৮,৫২২, সুস্থ ১৩,০৯৯

ক্রিকেট1 day ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

ক্রিকেট2 days ago

বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে থাকছে ‘ব্ল্যাক লাইভ্‌স ম্যাটার’

kiran rao, aamir khan and azaad khan
বিনোদন2 days ago

আমির খানের বেশ কয়েকজন সহযোগী করোনা পজিটিভ

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল: গড়াপেটার অভিযোগে ফৌজদারি তদন্তের নির্দেশ

DIY
ঘরদোর2 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

বিজ্ঞান1 day ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

বিদেশ2 days ago

ভারত ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করতেই চিনের জোরালো প্রতিক্রিয়া

নজরে