Connect with us

ঘরদোর

স্নান ঘরের গান – ২

moitryমৈত্রী মজুমদার

চারিদিকে যখন ‘স্বচ্ছ-ভারত অভিযান’ নিয়ে এত মাতামাতি তখন নিজের ঘরের প্রতিটা আনাচ-কানাচ সুন্দর স্বচ্ছ করে তোলার জন্য অন্য কোনও বিশেষ উৎসাহের কী দরকার?

ভারতীয় সংস্কৃতিতে স্নান-ঘর বা বাথরুমকে সব সময়ই একটু অচ্ছুত হিসেবে দেখা হয়েছে। তাই বাড়ির এই স্থানটি নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামানোর প্রয়োজনও সে ভাবে অনুভূত হয়নি। তাই আজও অনেক গ্রামে, বাড়িতে শৌচাগার নেই। তবে আজ দিন পালটেছে, বড়ো বড়ো পৈতৃক বাসগৃহ ছেড়ে শহুরে ছোটো ছোটো ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করার প্রয়োজনীয়তা আমাদের অন্য ভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে বলা যায়। কিন্তু সব বদল যেমন ঠিক নয়, তেমন সব বদল খারাপও নয়, কী বলুন? বিশেষ করে স্বাস্থ্য-সচেতনতার বিষয়ে। তাই চলুন না আমি আপনি মিলে আমাদের চিন্তাধারা একটু পালটাই আর আমাদের চারপাশ, নিজেদের আর আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ ভাবে বসবাস যোগ্য করে তুলি।

আগের ব্লগে আমরা আলোচনা করেছিলাম স্নান-ঘরের স্বাস্থ্য সঠিক রাখার উপায় নিয়ে। আজ আলোচনা করব, স্নান-ঘরকে সুন্দর করে তোলার ধাপগুলো নিয়ে। যে ভাবে যে কোনও সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষকে সুন্দর করে সাজানো সহজ ঠিক সে ভাবেই, যে কোনও স্বাস্থ্যকর জায়গা সুন্দর করে তোলাও সহজ কাজ।

নিজের বাড়ির বাথরুমকে আরেকটি রুম বা ঘর বলেই মনে করুন। তা হলে এই স্থানটির দেখাশোনাকে বাড়তি উদ্যোগ বলে মনে হবে না। আর এর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজটিও অযথা বলে মনে হবে না। ইংরাজিতে স্নান-ঘরের একটি সমার্থক শব্দ হোল ‘ভ্যানিটি রুম’। অর্থাৎ আপনার বা আপনার বাসগৃহের ভ্যানিটি নির্ভর করছে আপনার স্নান-ঘরের গ্ল্যামারের ওপর। তা হলে আর দেরি কেন? লেগে পড়া যাক আপনার স্বাস্থ্যকর স্নান-ঘরকে গ্ল্যামারাস করে তোলার কাজে।

1-a

প্রথমেই আসা যাক, বাথরুমের সিলিং-এর কথায়। এই স্থানটিকে আমরা খুব একটা নজরে আনি না। থাক যে রকম আছে, বলে ছেড়ে দিই। খুব বেশি হলে অ্যালকোভ হিসেবে কাজে লাগাই, কিন্তু সৌন্দর্য বর্ধন? নৈব নৈব চ। তাই ভাবলাম এখান দিয়েই শুরু করা যাক।

বাথরুমের সিলিংটিকে সুন্দর করে সাজানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের রঙ-এর ব্যবহার করা যায়। বিভিন্ন প্যাটার্ন ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি বাজেট বেশি থাকলে মিরর বা কালার গ্লাস ইত্যাদিও ব্যবহার করতে পারেন। দেখবেন তুলির একটি মাত্র স্ট্রোক-এ আপনার চেনাজানা বাথরুম কোনও স্বপ্নরাজ্যের রূপ পাবে।

2

বাথরুমের আয়নাটি একটি খুবই জরুরি জিনিস আবার বাথরুমকে উজ্জ্বল করে তোলার ক্ষেত্রে মিরর বা আয়নার একটি বড় ভুমিকা আছে। তাই বাথরুমে বড়োসড়ো সুন্দর ফ্রেম লাগানো আয়না লাগান। যদি আপনার বাথরুমটি ছোটো হয় তা হলে, উইন্ডো হাইট-এ একটা গোটা দেওয়াল জুড়েও মিরর লাগাতে পারেন। এতে আলো রিফ্লেক্ট করে, বাথরুমকে উজ্জ্বল করে তোলার পাশাপাশি বড়ো দেখাতেও সাহায্য করবে।

3

মিরর-এর সাথে বাথরুমের লাইটিং ফিক্সচারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বাথরুমে বেশি ওয়াটের লাইট লাগাতে দ্বিধা বোধ করবেন না। দরকারে নতুন প্রজন্মের এলইডি ল্যাম্প লাগান। বিদ্যুৎ বিল-এ সাশ্রয় হবে। কিন্তু আলোর উজ্জ্বলতায় কোনও সমঝোতা নয়। পাশাপাশি ল্যাম্পশেডটিও যদি ফ্যাশনদুরস্ত হয় তা হলে তো কথাই নেই। আপনার ‘ভ্যানিটি রুম’-এর গ্ল্যামার কোশেন্ট চড় চড় করে বেড়ে যাবে।

4

এ বার আসা যাক দেওয়ালের কথায়। সাধারণত বাথরুমের দেওয়ালে সেরামিক টাইলস লাগানোই রেওয়াজ। এবং তা এর উপযোগিতার কথা মাথায় রেখেই। তবে যদি আমরা বাথরুমকে ওয়েট আর ড্রাই এরিয়ায় ভাগ করে নিই, তা হলে ওয়েট এরিয়ার দেওয়ালে ফ্লোর থেকে সিলিং বা দরজার উচ্চতায় টাইলস লাগিয়ে বাকি দেওয়ালগুলোয় কোমর উচ্চতা বা যাকে বলে ‘সিল হাইট’ পর্যন্ত টাইলস লাগিয়ে বাকিটা অন্য ভাবে সাজানো যেতে পারে।

5

এ ক্ষেত্রে বাকি জায়গার দেওয়ালে আপনি রঙ করতে পারেন। এক বা একাধিক রঙের প্রয়োগ এ ক্ষেত্রে নতুনত্ব এনে দেবে। বাথরুম বড় দেখানোর জন্য আড়াআড়ি ভাবে স্ট্রাইপ ডিজাইন করা যেতে পারে। আবার একটা দেওয়াল ফোকাস করার জন্য গাড় রঙ-ও ব্যবহার করা যেতে পারে।

6

বাথরুমের দেওয়ালে নিজের পছন্দের ওয়ালপেপার লাগানো যেতে পারে। ওয়ালপেপার আর বিভিন্ন ফটোফ্রেম-এর সাহায্যে বাথরুমকে যে কোনও থিমেও সাজানো যেতে পারে। ধরুন, আপনার জঙ্গল পছন্দ, সে ক্ষেত্রে দেওয়ালে গাছ, পাতাওয়ালা ওয়ালপেপার লাগান, সাথে পোকামাকড় বা পাখি প্রজাপতির ছবি ফ্রেম করে লাগিয়ে নিন, নানা উচ্চতায়, নানা সাইজে। ব্যাস! আপনার জঙ্গল থিম এর স্নান-ঘর তৈরি, আপনাকে রোজ রোজ জঙ্গলের পরিবেশ উপভোগ করানোর জন্য। এ ক্ষেত্রে সুবিধা হল একঘেয়ে লাগলে খুবই সহজে এবং কম খরচায় পাল্টে ফেলা যাবে আপনার বাথরুমের থিম।

7

যে সময় থেকে আপনি আপনার নিজস্ব স্নান-ঘরটিকে অন্য ঘরের সমান ভাবতে শুরু করবেন, ঠিক তখন থেকেই আপনার কল্পনারা ডানা মেলতে শুরু করবে। আর যে কোনও ঘরকে সাজিয়ে তোলার মতোই তখন আপনার মন বাঁধন খোলা। সেই খোলা হাওয়ায় পাল তুলুক আপনার মন আর আমরা ফিরে আসব পরের ব্লগে আবার আপনার স্নান ঘরের গান শোনার আশায়।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ঘরদোর

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

wfh

খবরঅনলাইন ডেস্ক : আনলক ফেজ টু শুরু হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অফিসে পুরোদমে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো অফিস খুলেছে কেউ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বার সকলের মধ্যেই নড়েচড়ে বসার প্রবণতা দৃঢ় হয়েছে। বাড়ি বা অফিস, যেখানে থেকেই হোক কাজের গুণমান ভালো করতে হবে। সেই গুণমান অনেকটাই নির্ভর করে মন আর পরিবেশের ওপর।

তাই কাজের জায়গাকে সদাসর্বদা রাখতে হবে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত। যাতে সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব সব সময় পাওয়া যায়। তার জন্য কয়েকটি পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পরিষ্কার ডেস্ক

প্রথম হল অবশ্যই ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন। যদিও অনেকেই সব কিছু মেলিয়ে নিয়ে বসে কাজ করলে মনযোগ ভালো দিতে পারেন। কেউ বা পরিপাটি ভাবে। তা সে যা-ই হোক, ধুলো ময়লা তো পরিষ্কার করাই যায়। সেটি নিয়মিত করুন। খুব অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ডেস্ক না রাখাই ভালো। কারণ তাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

শান্ত পরিবেশ

জীবন যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে তখন বিভিন্ন রকম শব্দ বা গোলমাল বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়ি থেকে কাজ করলে সেই সমস্যাটা একটু বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ বাড়ির ভেতর ও বাইরের নানান শব্দ সারাক্ষণ হতেই থাকে। তার ওপর বাড়ির লোকজনের হাঁকডাক তো আছেই। তাই কাজের সময় একটু নিরিবিলি পেতে সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিন যেন তাঁরা এর মধ্যে ডাকাডাকি না করেন। বা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন কারণে উৎপন্ন আওয়াজ যাতে যতটা সম্ভব কম করেন। সম্ভব হলে এমন একটি জায়গা বাছুন যেখানে বাইরের শোরগোল একটু কম।

আলোবাতাস

স্বাভাবিক ভাবেই আলো মন ভালো করে, কাজে উৎসাহ বাড়ায়। তাই অফিসে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাড়িতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক আলো। জানলার পাশ বা বেশি আলো আছে এমন জায়গা কাজের জন্য বাছুন। এতে চোখে চাপ কম পড়ে, প্রোডাকটিভিটিও বাড়ে।

মন ভালো

মন ভালো থাকলে সতেজ থাকলে কাজে ভালো মন বসে। তাই মন চাঙ্গা রাখতে হলে সবুজ গাছ বা রংবেরঙের ছবি বা সামগ্রী কাজের ডেস্কে রাখতে পারেন। বিশেষ করে গাছ, ফুল এ সব তো রাখাই যায়। গাছের ক্ষেত্রে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। ফুলদানিতে ফুল রাখুন। মন ভালো লাগবে, কাজের মানও ভালো হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ

বাড়িতে বসে কাজ করলে কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে না। ইচ্ছা না থাকলেও বাড়ির কাজে মাঝে মধ্যে মাথা ঘামাতেই হয়। শেষে অফিসের সময়ের বাইরেও কাজ চলতে থাকে। তাতে শেষের দিকে কাজে আর মন লাগে না। কিন্তু প্রতি দিন এমনটা না হওয়াই ভালো। তাতে ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজে বসা ও মাঝে যতটা সম্ভব ব্রেক না দিয়ে বাঁধা সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।

স্কুল বন্ধ কিন্তু বড়োদের অফিস চালু, এই পরিস্থিতিতে ছোটোদের সামলাবেন কী ভাবে?

Continue Reading

ঘরদোর

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

DIY

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে থাকা বা বাতিল জিনিসপত্র দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মনের মতো সামগ্রী। তার জন্য টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাবেন কোথায়? ডিআইওয়াইয়ের যাবতীয় সামগ্রী বাড়ির বাইরে না বেরিয়েই সংগ্রহ করুন অ্যামাজন থেকে। দেখুন এগুলো আপনার কাজে লাগবেই লাগবে। প্রতিবেদন লেখার সময়ে দাম যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। হট গ্লু গান

ঠান্ডা নয়, গরম আঠা খুব চটপট কাজ করে। তার জন্য হটগ্লু গান। নীল রঙের, অন, অফের সুইচ আছে। ২০ ওয়াটের। সঙ্গে ১৫টি গ্লু স্টিক।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ২৪৫ টাকা।

২। মডপচ

আপনার বানানো সামগ্রী রং করার পর দিন মডপচ। দীর্ঘস্থায়ী হবে ও চকচকে হবে। ফেব্রিক মডপচ গ্লস, ১২০ এমএলের এক একটি, ২টির সেট।

দাম – ৩০০ টাকা।

৩। গ্লু স্টিক

হট গ্লু গানের আঠা হল এই গ্লু স্টিক। হটমেল্ট গ্লু স্টিক, ১ মিমি X ২২ সেমি, সাদা রঙের।

দাম – ২০টার সেট ১৯৯ টাকা। ১০টার সেট ১৪৯ টাকা

৪। পিকচার ভার্নিশ

ছবি আঁকা বা রং করার পর ব্যবহার করতে পারেন ক্যামেল পিকচার ভার্নিশ, ১০০ মিলি, তেল রঙের জন্য উপযুক্ত।

দাম – ১৪০ টাকা।   

৫। ডবল সাইড অ্যাডহেসিভ

যে কোনো জিনিসের সঙ্গে অন্য কিছুকে বা কোনো সামগ্রী কোথাও আটকাতে এই টেপ খুব কাজের। ডবল পুনঃব্যবহারযোগ্য, দীর্ঘদিন ভালো থাকে, জল দিয়ে ধোওয়া যায়।

দাম – ৭২% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা।

৬। সিলিকন মোল্ড

কোনো কিছুর ওপর নকশা তুলতে বা ইউরোপিয়ান নকশাকাটা লুক দেওয়ার জন্য সিলিকন মোল্ড ছাঁচ বিশেষ কাজে লাগে। বিভিন্ন মাপের নকশা।

দাম -৩৭% ছাড় দিয়ে ৩২৮ টাকা।

৭। থ্রিডি নিয়ন লাইনার

যে কোনো রঙের কাজ হাইলাইট করতে ৩ডি লাইনার। ২টি নিয়ন কালার কিট ও ৩ডি নিয়ন লাইনার কম্বো প্যাক। নন ফেব্রিক কাজের জন্য। চামড়া, মাটি, কাঠ, কাগজ, ধাতু, থার্মোকল, পাথর ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৩৯০ টাকা।

৮। অ্যাক্রেলিক কালার সেট

১০টি আলাদা রঙের সেট, এক একটি ১৫মিলি।

দাম – ২০০ টাকা।

৯। ফ্ল্যাট পেন্ট ব্রাশ

যে কোনো রকম রঙ করার জন্য।

দাম – ৩% ছাড় দিয়ে ১৯৫ টাকা।

১০। ন্যাচরাল ক্লে

হাতের কাজ, ছোটোদের খেলার জন্য উপযুক্ত।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ৯০ টাকা।

১১। জুট রোপ

যে কোনো কিছু বানাতে, বা নকশা করতে বা সাজাতে এর ব্যবহার হয়। ১২০ মিটার জুট রোপ, ডিআইওয়াই-এর জন্য কাজে লাগে।

দাম – ৫১% ছাড় দিয়ে ১৫৫ টাকা।  

১২। মাল্টিপারপাস এনগ্রেভার পেন

কাঁচ, ধাতু, প্ল্যাস্টিক, কাঠ ইত্যাদির ওপর ব্যবহার করা যায়। এটি টুল নিব।

দাম – ৫৪% ছাড় দিয়ে ২২৯ টাকা।

১৩। স্প্রে পেন্ট

মাল্টিপারপাস স্প্রে পেন্ট। গাড়ি বা অন্য কিছু রং করতে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ২৪৫ টাকা।

১৪। ক্যান্ডেল মেকিং কিট

মোমবাতি বানানোর সম্পূর্ণ সরঞ্জাম, সম্পূর্ণ পদ্ধতি বলা বই, সলতে, গ্লিটার ইত্যাদি।

দাম – ৪০% ছাড় দিয়ে ৫৯৯ টাকা।

১৫। এমব্রয়ডারি থ্রেড

এমব্রয়ডারি করতে লাগে মাল্টি কালার কটন থ্রেড, ১০০টির সেট।

দাম – ৩৯% ছাড় দিয়ে ২৮০ টাকা।

১৬। ডেকোপেজ

ছাপা কাগজ বা টিসু। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো জিনিসকে নতুন লুক দিতে খুবই উপযুক্ত। ৪টি ডিজাইনের ৮টি টিসু, ফুল ও পাখির নকশা। ৩৩ সেমি X ৩৩ সেমি।

দাম – ২০% বাদ দিয়ে ৩২০ টাকা।

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading

ঘরদোর

রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

amazon

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বাড়ির কাজের সুবিধের জন্য এই সমস্ত সামগ্রী আপনার বাড়িতে রাখতে পারেন। রোজকার কাজ অনেক কম খাটুনিতেই দেখবেন সারা হয়ে গিয়েছে। এগুলি পাবেন কোথা থেকে? পাওয়া যাচ্ছে অ্যামাজন অনলাইন শপিং অ্যাপেই। অর্থাৎ বিনা পরিশ্রমে, বাড়ি থেকে না বেরিয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন।

দেখে নেওয়া যাক রান্নাঘরের ১০টি আকর্ষণীয় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাও মাত্র ৫০০ টাকার মধ্যেই

১। টুইস্টার এয়ারটাইট জার, ১২টি –

ডায়মন্ড নকশা কাটা প্ল্যাস্টিক জার। কিন্তু মাইক্রোওভেন সেভ, হাই টেম্পারেচারেও ভালো থাকবে, ৩ মাপের ১২টি কৌটো। ডাল আটা স্ন্যাকস থেকে যে কোনো মশলা খুব ভালো ভাবে রাখা যাবে।

মাপ – ১৫০০ মিলিলিটারের ৪টে, ৭৫০ মিলিলিটারের ৪টে, ২৫০ মিলিলিটারের ৪টে জার।

রং – ২ রকমের – গোটাটাই নীল এবং স্বচ্ছ কৌটো ও কালো ঢাকনা।

দাম – ৪৬% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা

২। এয়ার টাইট ফুড স্টরেজ কনটেনার , ৬টি –

৪০০ এমএল মাপের ৬টি জার। চার দিক থেকে লক করার ব্যবস্থা আছে।  ফ্রিজে রাখার জন্য খুব সুন্দর একটি মাপ, এটিতে করে খাবার বাইরেও নিয়ে যাওয়া যাবে। তেল ঝোল গড়ানোর ভয় নেই।

মাপ – ১২০X ১২০ X ৭০ মিলিমিটার।

রং – স্বচ্ছ।

দাম – ৫৬% ছাড় দিয়ে ৪৩৯ টাকা

৩। মাইক্রো যোগা রাইস কুকার, স্পুন ও মেজারিং কাপ –

২.৭৫ লিটারের কনটেনার। যে কোনো ধরনের চাল ৪ কাপ রান্না করা যাবে। চার জনের রান্নার জন্য একদম ঠিকঠাক। ব্যবহার করা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা খুবই সহজ। সঙ্গে একটি চামচ ও একটি পরিমাপের কাপ দেওয়া আছে। মাইক্রোওভেনে খুব সহজেই ব্যবহার করা যাবে।

রঙ – লাল

দাম – ২৫% ছাড় দিয়ে ৪৮৫ টাকা

৪। কিচেন সিঙ্ক ডিশ ড্রাইং ড্রেনার র‍্যাক হোল্ডার বাসকেট –

রান্নাঘরের বেসিনের পাশে রেখে বাসন জলমুক্ত করার জন্য খুব সুন্দর একটি ব্যবস্থা। মোট ৩টি হোল্ডার এক সঙ্গে পাওয়া যাবে। চামচ, সাইডহুক-সহ স্পুন সিলিন্ডার অর্থাৎ হাতা-খুন্তি, ডিশ, বাটি ইত্যাদি রাখার জায়গা, ড্রেনার। ৩টি-ই প্ল্যাস্টিকের।

মাপ – লম্বায় ৪৪ চেমি, চওড়ায় ৩০.৫ সেমি, উচ্চতায় ১৪.৮ সেমি

রং – সবুজ, নীল, খয়রি, সাদা

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৫। ভেজটেবিল চপার –

৫০০ এমএল-এর ভেজটেবিল চপার। এতে রয়েছে ধারালো ৩টি ব্লেড, একটি লিড আছে এটি ধরে টেনে সবজি কাটতে হয়। সুরক্ষার জন্য চারটি লক ব্যবহারের সময় আটকে নিতে হয়। যে কোনো ধরনের ফল সবজি এতে অনায়াসেই কাটা হয়ে যায়। রান্নাঘরে খুব কম জায়গার মধ্যে এটি রাখা হয়ে যাবে।

মাপ – ১৩.৫ x ১৩.৫ x ৯ সেমি  

রং – নীল

দাম – ৫৭% ছাড় দিয়ে ২৫৯ টাকা

৬। স্টেনলেস স্টিল গার্লিক ক্রাশার

আদা পেঁয়াজ রসুন থেঁতো করা বা বাটার জন্য একদম সহজ একটি উপকরণ। গোল শক্ত হাতলযুক্ত স্টেনলেস স্টিলের একটি ক্রাশার। পরিষ্কার করাও সুবিধাজনক। ছোট্টো সুন্দর মাপের এই ক্রাশারটি খুব হালকা ফলে বহনযোগ্য ও রান্নাঘরে রাখতেও খুব কম জায়গা লাগে।

মাপ- ৩.৯৪ ইঞ্চি লম্বা ও ২.৭৫ ইঞ্চি চওড়া। ওজন ১০৬ গ্রাম।  

রং – কালো হ্যান্ডেল

দাম – ৩৩% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৭। ওয়াশিং হোল্ডার অর্গানাইজার, ১টি –

রান্না রের সিঙ্কের কোণে মাজা-ঘষার স্ক্রাবার সাবান ইত্যাদি রাখার জন্য আদর্শ একটি হোল্ডার/ট্রে। জল ঝরে যাওয়ার ভালো ব্যবস্থা। প্ল্যাস্টিকের হোল্ডারটি খুবই সুবিধাজনক।

রং – সবুজ

দাম – ৭৫% ছাড় দিয়ে ২৪৯ টাকা

৮। প্ল্যাস্টিক কর্নার র‍্যাক-

ছোট্টো প্ল্যাস্টিকের দরজা দেওয়া ২ থাকের র‍্যাক।

মাপ – ২৭ x  ১৮ x ৩৫ সেমি

রং – গাঢ় ও হালকা আইভরি, নীল, ধুসর

দাম – ৬% ছাড় দিয়ে ২৯১ টাকা

৯। স্পেস সেভার ফ্রিজ স্টরেজ অর্গানাইজার, ৪টে –

ফ্রিজের ভেতরে জিনিস গুছিয়ে রাখার জন্য অতিরিক্ত বাস্কেটের দরকার থাকলে ব্যবহার করা যায় এটি। ট্রেগুলি ঢোকানো, বের করার সুবিধের জন্য রয়েছে হ্যান্ডেল। জ্যামজেলির শিশি, ফল ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যেতে পারে। শুধু ফ্রিজের ভেতর না যে কোনো জায়গায় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে এগুলি ব্যবহার করা যাবে।

রং – স্বচ্ছ, হ্যান্ডেল মাল্টিকালার

মাপ – ২৯ x ১২.৫ x ৮.৫

দাম – ৫০% ছাড় দিয়ে ৪টের সেট ২৯৯ টাকা, ৮টির সেট ৪৯৯ টাকা

১০। গ্রেন ভেজটেবিল ওয়াশিং বোল, ১টি –

চাল ডাল সবজি শাক চাউ পাস্তা ইত্যাদি ধোয়ার সুবিধার জন্য ছিদ্রওয়ালা পাত্র। প্ল্যাস্টিকের পাত্রটি ব্যবহারের সুবিধাযুক্ত। জল ফেলার কোনো সমস্যাই হয় না। শাকসবজি চাল ডালও ধুতে গিয়ে জলের সঙ্গে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। ম্যাট ফিনিশ।

মাপ – ২২ x ১৮ X ১২ সেমি

রং – নীল, লাল, গোপালি, যে রং স্টকে থাকবে

দাম – ৮০% ছাড় দিয়ে ৭৯ টাকা।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন4 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য5 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ5 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর6 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ6 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য6 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য6 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ7 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে