Connect with us

ঘরদোর

নতুন বাড়িতে কেমন হওয়া উচিত আপনার রান্নাঘর

মৈত্রী মজুমদার
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই তৈরি নিজেদের বাড়ি সাজিয়ে তোলার জন্য।
আগের বার আমরা আলোচনা করেছিলাম চটজলদি রান্নাঘর সাজানোর উপায় নিয়ে। কিন্তু অনেক বন্ধুই আছেন যাঁরা হয়তো এই মরশুমে নতুন বাড়ি বানানোর বা কেনার কথা ভাবছেন। তাই এ বারে আমরা আলোচনা করব কী ভাবে নিজের রান্নাঘরটি বানানো যায়, যাতে তা একই সঙ্গে সুন্দর এবং কার্যকর হয়ে ওঠে।
রান্নাঘর হল এমন একটি জায়গা যেখানে আমাদের, মানে মহিলাদের, বেশ অনেকটা সময় আর মনোযোগ দিতে হয়। তাই এটি এমন জায়গায় হওয়া উচিত যাতে তা সুন্দর ভাবে প্রাকৃতিক আলো-হাওয়া পায়। আর রান্নাঘরে যেন থাকে বড় একটি জানলা। আপনার বাড়ির দক্ষিণ-পূর্বের জায়গাটি আপনার রান্নাঘরের জন্য রাখুন। সকাল থেকে মোটামুটি সারা দিনই সূর্যের আলো আর মৃদুমন্দ দখিনা বাতাস আপনার রান্নাঘরটিকে সঠিক উষ্ণতায় ভরে দেবে।

1 (2)
রাতের বেলা কাজের সুবিধার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ বৈদ্যুতিন আলো লাগাতে হবে কাজের জায়গাগুলোর ওপরে, আর লাগবে ভালো একজস্ট ফ্যান।
এ বারে আসি কাজের প্রসঙ্গে —
রান্নাঘরের প্রধান কাজগুলোকে আমরা প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করি…
১। স্টোরেজ (জিনিস রাখা) — এটি হল কাঁচামাল মানে রোজের কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস, মশলাপাতি ইত্যাদি রাখার জায়গা। আবার রান্না-খাওয়ার শেষে অবশিষ্ট খাবারদাবারও এখানে রাখতে হবে। প্রধানত আপনার ফ্রিজ এই কাজটি করে থাকে। এরই সঙ্গে মশলাপাতি ও অন্যান্য উপকরণ রাখার তাকগুলোকেও এই কাজে সমান ভাবে ব্যবহার করতে হবে।
শুধু তো কাঁচা মাল নয়, রান্নাঘরে জায়গা দিতে হবে বাসনপত্রকেও। তাই আপনার রান্নাঘরের স্টোরেজ স্পেস যতটা পারেন বেশি করে বানান। বাড়িতে জায়গা বেশি থাকলে রান্নাঘরের সঙ্গে এক ফালি ভাঁড়ার ঘর বা প্যানট্রি বানালে মন্দ হয় না।

7 (1)
২। প্রিপারেশন (প্রস্তুতি) — কাঁচামাল কেটে ধুয়ে বেছেবুছে রান্নার উপযোগী করে তোলার জন্য এই জায়গা। প্রধানত ওয়াশিং সিঙ্ক-এর আশেপাশের জায়গাটি এই কাজে ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে জুড়ে দিন ওয়াটার পিউরিফায়ারটিকেও। আজকাল ডিশ-ওয়াশারও ভারতের বাজারে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আপনার যদি এই বস্তুটি থাকে তা হলে সেটিকেও এখানেই রাখার ব্যাবস্থা করুন। রান্নাঘরের জলের লাইনটির সদ্ব্যবহার করতে হবে না ? এ ছাড়াও আছে মিক্সার-গ্রাইন্ডার, ফুড-প্রসেসর, ছুরি-কাঁচি আরও কত কী। জায়গা রাখতে হবে এদের সবার জন্যই।
এই ক্ষেত্রে আর একটা অতি জরুরি ভুমিকা আছে আপনার রান্নাঘরের ওয়েস্ট বিনটির। সিঙ্ক-এর তলার জায়গাটা তাই এর জন্য সংরক্ষিত ।

৩। কুকিং (রান্না) — সব শেষে আসে রান্নার পালা। যা মূলত আপনার গ্যাস ওভেনটি করে। কিন্তু আজকাল এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইনডাকশন ওভেন ইত্যাদি। তাই আপনার রান্নাঘরের রান্নার জায়গাটিতে স্থান করে দিতে হবে এদেরকেও।
ওপরের কাজগুলোকে মাথায় রেখে প্রথমেই ভাগ করে নিন নিজের রান্নাঘরের জায়গা। জানলার সামনে রাখুন সিঙ্ক আর জলের জায়গা, যাতে কাজের শেষে চট করে জায়গাটা শুকনো হয়ে যায়। সিঙ্ক এর নীচে রাখুন ওয়েস্ট বিন আর ওপরে বা একটু পাশে লাগিয়ে নিন ওয়াটার পিউরিফায়ার।
গ্যাস ওভেনটি কখনওই জানলার সামনে বা বিপরীতে রাখবেন না। রাখবেন জানলার সঙ্গে সমকোণে। যদি আপনার কুক টপটি শুধুমাত্র এক লাইনে হয়, যাকে বলে সিঙ্গল স্ল্যাব, তা হলেও জানলার থেকে দূরে রাখুন ওভেনকে আর তার ওপরে চিমনি লাগাতে ভুলবেন না। ঠিক তার নীচে রাখুন গ্যাস সিলিন্ডারটি। কিন্তু ইলেক্ট্রিক্যাল আপ্লায়েন্সগুলো গ্যাস এবং সিঙ্ক দু’টি থেকেই দূরে রাখুন। কিছুটা বেশি জায়গা যদি রান্নাঘরে থাকে, তা হলে যোগ করতে পারেন আলাদা ওয়ার্ক স্টেশন।

2 (1)
ভাগাভাগি তো হল। এ বার আসা যাক এদের সঠিক পজিশনিং-এর প্রসঙ্গে। রান্নাঘরের এই যে তিনটি প্রধান বাহু এদের স্থান হওয়া উচিত ত্রিকোণ আকারে যাকে আমরা বাস্তুবিদ্যা বা আরকিটেচারের ভাষায় বলি, ওয়ার্ক ট্রায়াঙ্গল।
এর তিন কোনায় রাখতে হবে তিনটি জিনিসকে। আর কাজের সুবিধার জন্য এদের মধ্যে দূরত্ব হতে হবে ১২ ফুট থেকে ২৬ ফুটের মধ্যে। এর বেশি বা কম হলে কাজ করার সময় আপনি বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়‌বেন।
এই ত্রিভুজ সাজানোর সময় মনে রাখবেন যিনি রান্না করছেন তিনি ছাড়াও রান্নাঘরে কাজ থাকে বাড়ির অন্যদেরও। প্রধানত ফ্রিজটিতে। তাই তিনটি কোণের সব চেয়ে বাইরের দিকে রাখুন ফ্রিজকে। এর পরই আসে জলের জায়গা। তাই এই জায়গাটিও থাকতে হবে অন্যদের নাগালে। কিন্তু আপনার রান্নার জায়গাটি যথা সম্ভব আগলে রাখার দরকার অন্যদের থেকে, তাই সব চেয়ে দূরের কোনাতে রাখুন গ্যাস ওভেনটিকে।

3 (1)
সব শেষে বলি স্টোরেজ সাজানো নিয়ে।
জিনিসপত্র সাজানোর ক্ষেত্রে, অতি প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে রাখুন হাতের কাছে। যাতে কাজের সময় বেশি খোঁজাখুঁজি করতে না হয়।
নিজের ব্যস্ত সময় থেকে অল্প সময় বের করে নিয়ে, নিয়মিত ভাবে স্টোরেজ স্পেস নতুন ভাবে সাজান। এতে আপনি সব সময় নিজের জিনিসপত্র সম্পর্কে অবগত থাকবেন আর সেগুলোও খারাপ হওয়ার সুযোগ পাবে না।
4 (1)
রান্নঘর যে হেতু একটি বাড়ির সব থেকে জরুরি জায়গা, তাই একে সঠিক ভাবে সাজিয়ে তোলাটাও একটি বড় কাজ। ডিজাইন থেকে শুরু করে, ফ্লোরিং, টাইলস, ক্যাবিনেট তৈরি, রঙ, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল ফিটিংস হয়ে অ্যাপ্লায়েন্স, কুকওয়্যার, ডিশওয়্যার কেনা পর্যন্ত। তাই রান্নাঘর সাজানোর ক্ষেত্রে সময় নিন, তাড়াহুড়ো করবেন না। এক একটি দিকে খুঁটিয়ে ভেবে তবেই এগোবেন।
এক সঙ্গে সব কিছু না করে ছোট ছোট প্রোজেক্ট-এ ভাগ করে নিন পুরো কাজটাকে। এর পর একটা একটা করে কাজ শেষ করুন। এতে আপনি এক এক ধাপে বুঝতে পারবেন কোথায় থামতে হবে আর কখন কোন দিকে এগোতে হবে। এ ভাবেই আপনার বাজেট অনুযায়ী ধীরে ধীরে সুন্দর ভাবে সেজে উঠবে আপনার সাধের রান্নাঘর। আর আমরা তো আছিই আপনাদের সঙ্গে।

6 (1)
আপনার ঘর সাজানো সংক্রান্ত যে কোন প্রশ্ন নিয়ে চলে আসুন আমাদের এই পোর্টালে। আমরা সব সময় চেষ্টা করব আপনার ঘরকে আপনার মনোমত করে সাজিয়ে দিতে।



কেনাকাটা

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে ও-দিক আর এ-ঘর থেকে সে-ঘর করে ঘরের ভোল বদলে ফেলুন। মন ভালো লাগবে। ঘরের বড়ো বড়ো দেওয়াল, আলমারি, জানলা দরজার একঘেয়েমি কাটাতে বিনা ঝক্কিতেই বদলে ফেলুন চেহারা। কী ভাবে? অ্যামাজনের এই সমস্ত টাইল আর ওয়ালপেপার বা ওয়াল স্টিকারের ডিজাইনগুলি ব্যবহার করে। এখান থেকে পছন্দ করুন আর অর্ডার দিন এসে গেলেই দেওয়ালে লাগিয়ে ফেলুন আর নতুনত্বের স্বাদ উপভোগ করুন

দাম প্রতিবেদন লেখার সময় যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। ইন্ডিয়ান রয়্যাল উইন্ড ওয়ালপেপার

বেডরুম, লিভিংরুম, হল, কিচেন সব জায়গার দেওয়ালেই লাগানো যাবে। এর পেছন দিকে আঠা দেওয়াই আছে, কাগজ খুলে দেওয়ালে বা পছন্দের জায়গায় সাঁটিয়ে নেওয়ার অপেক্ষা। ওয়াটারপ্রুফ, হিটপ্রুফ ও ওয়েলপ্রুফ। এটি কিন্তু একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে। মাপ ২০০ X ৪৫ সেমি। প্রায় ৯ বর্গফুটের মতো।

দাম – ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা

২। রয়্যাল ব্রিক স্টোন

এটিও বাড়ির যে কোনো দেওয়ালে ব্যবহার করা যাবে। মাপ ২০০ X ৪৫ সেমি। প্রায় ৯ বর্গফুটের মতো। দীর্ঘ দিন চলে। একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে। তবে খোলার সময় সাবধানে খুলতে হবে। দ্বিতীয় বারের সময় আঠা একটু কমে যেতে পারে। সে দিকে খেয়াল রেখতে হবে।

দাম – ৭০% ছাড়ে ২৯৯ টাকা

৩। উডেন স্ট্রাইপ ওয়ালপেপার

বেডরুম, লিভিংরুম, হল, কিচেন, আয়না, দরজা সব জায়গায় লাগানো যাবে। এর পেছন দিকে আঠা দেওয়াই আছে, কাগজ খুলে দেওয়ালে বা পছন্দের জায়গায় সাঁটিয়ে নেওয়ার অপেক্ষা। ওয়াটারপ্রুফ, হিটপ্রুফ ও ওয়েলপ্রুফ। এটি কিন্তু একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে। পরিমাণ ২০০ X ৪৫ সেমি। প্রায় ৯ বর্গফুটের মতো।

দাম – ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা

৪। উডেন ব্যাম্বু ওয়ালপেপার

এটি উপহার হিসাবেও কাউকে দেওয়া যেতে পারে। তবে তার জন্য কারো বাড়ি যাওয়ার অবশ্যই প্রয়োজন নেই। অর্ডার করার সময় সেখানকার ঠিকানা দিয়ে দিলেই পৌঁছে যাবে উপহার, সে কথা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না। নিজের বাড়িতেও ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি সিঁড়ির ধাপেও ব্যবহার করা যায়। মাপ ৯ বর্গ ফুট মতো।

দাম – ৬০% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা

৫। রয়্যাল ওয়ালপেপার

একাধিক বার ব্যবহার করা যাবে। বাড়ি অফিস দোকান সব জায়গায় ব্যবহার করা যাবে, মেঝেতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনকি আলমারি বা সে কোনো সেলফের উপর ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা

৬। ওয়াল পোস্টার

নতুনত্বের জন্য এক দম আদর্শ একটি ওয়ালপেপার। যে কোনো জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বসার ঘর বা ডাইনিং অথবা অফিসের জন্য আদর্শ। একাধিক বার ব্যবহার করা যাবে। মাপ ৯ বর্গফুট মতো।

দাম – ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা  

৭। রেট্রো উড গ্রেন

সম্পূর্ণ অন্য রকম লুক দিতে এই ওয়ালপেপারটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। কাঠের দেওয়ালের মতো দেখতে। দেওয়াল ছাড়াও আলমারি বা সেলফে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা

৮। রিমুভেবল ওয়ালপেপার

কচি বাঁশের দেওয়ালের চেহারা দিতে এটি খুব সুন্দর উপায়।

দাম- ৬০% ছাড়ে ৩৯৯ টাকা

৯। ওয়ালস্টিকার

নৃত্যরতা মহিলার স্টিকার। ফুলের নকশা কাটা। যে কোনো জায়গায় দেওয়ালে সাঁটানো যেতে পারে।

দাম – ৫৪% বাদে ২২৯ টাকা

১০। বেবি কৃষ্ণ ওয়ালস্টিকার

অস্থির আবহে মন শান্ত করতে ঘরে রাখতে পারেন বিশাল বড়ো মাখন চোরের ছবি।  ১৬০০ বর্গসেমি দেওয়াল ভরাট করবে একটি শিশু কৃষ্ণের ছবি। ওয়াটারপ্রুফ ও উচ্চ মানের। ৪ থেকে ৭ বছর টিকবে। এ ছাড়াও আরও অন্যান্য ছবিও আছে তবে দাম ও মাপ আলাদা।

দাম – ৬৯% ছাড়ে ২৪৯ টাকা

 ১১। ফেয়ারি প্রিন্সেস

ছোটোদের মনে একটু আনন্দ এনে দিতে তাঁদের ঘরের দেওয়াল ভরিয়ে দিতে পারেন রূপকথার গল্পের নানান চরিত্রদের দিয়ে। দেওয়াল বা আলমারি বা সেলফ যে কোনো জায়গায় সাঁটাতে পারেন। এইটি একটি ছোট্টো পরীর ছবি, সঙ্গে আরও নানান ছোটো স্টিকার। মাপ – ৬০ x ৪৫ সেমি। দেওয়ালে মোট জায়গা লাগবে ১০০ x ৭০ সেমি।

দাম – ৬৯% বাদ দিয়ে ১৭৫ টাকা

১২। সিলভার অ্যাক্রেলিক ৩ডি মিরার স্টিকার

পাঁচটির সেট। ৩ডি মিরার স্টিকার। এটিও ডু ইট ইওরসেলফ অর্থাৎ নিজে নিজে ঘর সাজানোর একটি উপকরণ।

দাম – ৭৪% ছাড়ে ২৭০ টাকা

১৩। আফ্রিকান ট্রাইবাল ওম্যান ওয়ালস্টিকার

৪০০টিরও বেশি ডিজাইন পাওয়া যায়। এক একটির মাপ ৫০ x ৭০ সেমি। দেওয়ালে মোট জায়গা লাগবে ৫০ x ৮০ সেমি।

দাম ৮৭% ছাড়ে ৮৯ টাকা

১৪। সানফ্লেম মিরর ডেকরেটিভ ওয়াল স্টিকার

একটি সূর্যের মতো ওয়ালস্টিকার। এটি ৩ডি অ্যাক্রেলিক স্টিকার। সঙ্গে ১০টি অতিরিক্ত প্রজাপতি। সূর্যের আয়তন ৪৫ x ৪৫ সেমি।

দাম -৭১% বাদে ২৭৯ টাকা

১৫। হ্যাপি ওয়ালস বাইসাইকেল

৪ থেকে ৫ বছর টিকবে। ওয়াটার প্রুফ ওয়াল স্টিকার।

দাম – ৬০% ছাড় দিয়ে ১৯৯ টাকা

https://www.khaboronline.com/life-style/diy-materials-from-amazon/দেখুন – সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

Continue Reading

কেনাকাটা

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব নিয়ম মেনে চলা উচিত। অর্থাৎ বাইরে গেলে মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধিনিষেধ ও বাড়ি এসে ভালো করে পরিচ্ছন্ন হওয়া, জামাকাপড় কাচা, স্যানিটাইজ করা ইত্যাদি। তাই এখন যেন দরকারেও বাইরে বেরোতে অরুচি। তাই টুকিটাকি প্রয়োজনগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে চলাই ভালো মনে হচ্ছে। কিন্তু তারও দরকার নেই। টুকিটাকি প্রয়োজন পূরণের জন্য কোনো রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঘুরে আসাই যায় অনলাইন শপিং মলে। 

তেমনই কয়েকটি টুকিটাকি অথচ খুবই কাজের জিনিসের খোঁজ রইল আজকের তালিকায়। প্রতিবেদনটি লেখার সময় অ্যামাজনের অনলাইন পোর্টালে যে দাম দেখানো হয়েছিল সেটাই দেওয়া হল।

১। স্যাভলন সারফেস ডিসইনফেকটেন্ট স্প্রে

করোনাভাইরাস ও অন্যান্য যে কোনো জীবাণু খুব দ্রুত মুক্ত করতে এসে গিয়েছে স্যাভলনের স্প্রে। টেবিল দরজার কড়া, তালা চাবি, চেয়ার, প্যাকেজ, জামা কাপড়, গাড়ির ভেতর যে কোনো জিনিসেই স্প্রে করা যাবে।

দাম ১৫৯ টাকা

২। রিউইজেবল জিপজ্যাক প্ল্যাস্টিক ফুড স্টোরেজ ব্যাগ

আনাজ ফল ইত্যাদি একেবারে কিনে এনে রাখতে গিয়ে পচে যাচ্ছে। তাই ইচ্ছা না থাকলেও বার বার বাজার যেতে বাধ্য হচ্ছেন। চিন্তা করবেন না রিউইজেবল ফুড স্টোরেজ ব্যাগে রাখলে দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে ফল আনাজপাতি। এক লিটার তরলও ধরতে পারে। ১০টি ব্যাগ।

দাম  ৫৬% ছাড় দিয়ে  ৩৪৯ টাকা।

৩। মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার

বাড়িঘর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এ দিকে কোমরে-ঘাড়ে ব্যথা? লাঠি বা ন্যাতা কোনো কিছু দিয়েই ঘর মুছতে না পরলে রয়েছে মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার। এটি পরে সারা ঘরে হেঁটে বেরালেই ঘর মোছা হয়ে যাবে। দু’টি দাম ৭% ছাড় দিয়ে ২৭৬৯ টাকা

৪। হ্যান্ডি মিনি প্লাস্টিক চপার

খুব দ্রুত আনাজপাতি কুচিকুচি কেটে ফেলার সহজ উপায় হ্যান্ডি মিনি প্ল্যাস্টিক চপার। বাটির ভেতরে সবজি দিন আর হ্যান্ডেল ধরে কয়েকটি টান দিন। কাটা হয়ে যাবে।    

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা

৫। ভেজিটেবল কাটার চপার

যাবতীয় আনাজ বিভিন্ন আকারে কাটতে হলে এটি আদর্শ। মোট ১২ রকমের ব্লেড রয়েছে এইটিতে।

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা।

৬। সিলিকন পট হোল্ডার হিট রেজিস্টেন্স

গরম কিছু নামাতে গেলে কাপড় কিংবা কাগজ ব্যবহার করেন। বার বার সেটি পুড়েও যাওয়ার ভয় হয়? হাতে গরম লাগে। আর চিন্তা নেই ব্যবহার করুন এই সিলিকন পটহোল্ডার। গরমে কোনো ক্ষতিও হবে না। হাতেও গরম লাগবে না। আগুনের সামনে ও মাইক্রোওভেনে ব্যবহার করা যাবে। ২টি।

দাম ৬৩% ছাড় দিয়ে ২৯৯ টাকা

৭। স্ক্রাব ক্লিনিং গ্লাভস উইথ স্ক্রাবার

বাসন মাজতে গিয়ে হাত নোংরা হয়ে যায়, নখের কোণে ময়লা ঢুকে দেখতে খারাপ লাগে। ব্যবহার করতে পারেন এই স্ক্রাব গ্লাভস। শুধু বাসন মাজা নয়, পোষ্যকে স্নান করানো, গাড়ি পরিষ্কার করা, বেসিন সিঙ্ক প্যান ইত্যাদি পরিষ্কারের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। দু’টি।

দাম ৫৬% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা।

 ৮। সিঙ্ক স্টেইনার

নানা জিনিস পড়ে সিঙ্ক আটকে যাওয়ার ঘটনা সব রান্নাঘরেই ঘটে। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সিঙ্ক স্টেইনার। এটি সিঙ্কের মুখে পেতে রাখলে জল ছাড়া অন্য কিছুই যেতে পারবে না। আবার বাথরুম বা যে কোনো নর্দমার মুখেও ব্যবহার করা যায়, চুল বা অন্য কিছু ঢুকে নলের মুখ যাতে আটকে না দেয় তার জন্য।

দাম ৭৬% ছাড় দিয়ে ২১৯ টাকা।

৯। গ্রসারি লিস্ট প্যাড

এক সঙ্গে কাঁচা বাজার, মুদিখানার জিনিস ইত্যাদির লিস্ট বানিয়ে বাজারে বেরোতে চাইলে সাহায্য করবে এই গ্রসারি লিস্ট প্যাড।

দাম ৩৩% ছাড় দিয়ে ১৯৯ টাকা।

১০। অল পারপাস ক্লিনার –  

রান্নাঘরের টাইলস, টপ, টেবিল, ফ্রিজ, মাইক্রোওভেন, কাচ, চিমনি, এক্সজস্ট ফ্যান যাবতীয় সব কিছু জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহার করা যাবে। ৪০০ মিলি, লেবুর গন্ধ।

দাম – ৩৮% ছাড় দিয়ে ১০৯ টাকা।

দেখতে পারেন – ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

ঘরদোর

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

wfh

খবরঅনলাইন ডেস্ক : আনলক ফেজ টু শুরু হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অফিসে পুরোদমে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো অফিস খুলেছে কেউ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বার সকলের মধ্যেই নড়েচড়ে বসার প্রবণতা দৃঢ় হয়েছে। বাড়ি বা অফিস, যেখানে থেকেই হোক কাজের গুণমান ভালো করতে হবে। সেই গুণমান অনেকটাই নির্ভর করে মন আর পরিবেশের ওপর।

তাই কাজের জায়গাকে সদাসর্বদা রাখতে হবে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত। যাতে সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব সব সময় পাওয়া যায়। তার জন্য কয়েকটি পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পরিষ্কার ডেস্ক

প্রথম হল অবশ্যই ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন। যদিও অনেকেই সব কিছু মেলিয়ে নিয়ে বসে কাজ করলে মনযোগ ভালো দিতে পারেন। কেউ বা পরিপাটি ভাবে। তা সে যা-ই হোক, ধুলো ময়লা তো পরিষ্কার করাই যায়। সেটি নিয়মিত করুন। খুব অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ডেস্ক না রাখাই ভালো। কারণ তাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

শান্ত পরিবেশ

জীবন যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে তখন বিভিন্ন রকম শব্দ বা গোলমাল বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়ি থেকে কাজ করলে সেই সমস্যাটা একটু বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ বাড়ির ভেতর ও বাইরের নানান শব্দ সারাক্ষণ হতেই থাকে। তার ওপর বাড়ির লোকজনের হাঁকডাক তো আছেই। তাই কাজের সময় একটু নিরিবিলি পেতে সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিন যেন তাঁরা এর মধ্যে ডাকাডাকি না করেন। বা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন কারণে উৎপন্ন আওয়াজ যাতে যতটা সম্ভব কম করেন। সম্ভব হলে এমন একটি জায়গা বাছুন যেখানে বাইরের শোরগোল একটু কম।

আলোবাতাস

স্বাভাবিক ভাবেই আলো মন ভালো করে, কাজে উৎসাহ বাড়ায়। তাই অফিসে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাড়িতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক আলো। জানলার পাশ বা বেশি আলো আছে এমন জায়গা কাজের জন্য বাছুন। এতে চোখে চাপ কম পড়ে, প্রোডাকটিভিটিও বাড়ে।

মন ভালো

মন ভালো থাকলে সতেজ থাকলে কাজে ভালো মন বসে। তাই মন চাঙ্গা রাখতে হলে সবুজ গাছ বা রংবেরঙের ছবি বা সামগ্রী কাজের ডেস্কে রাখতে পারেন। বিশেষ করে গাছ, ফুল এ সব তো রাখাই যায়। গাছের ক্ষেত্রে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। ফুলদানিতে ফুল রাখুন। মন ভালো লাগবে, কাজের মানও ভালো হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ

বাড়িতে বসে কাজ করলে কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে না। ইচ্ছা না থাকলেও বাড়ির কাজে মাঝে মধ্যে মাথা ঘামাতেই হয়। শেষে অফিসের সময়ের বাইরেও কাজ চলতে থাকে। তাতে শেষের দিকে কাজে আর মন লাগে না। কিন্তু প্রতি দিন এমনটা না হওয়াই ভালো। তাতে ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজে বসা ও মাঝে যতটা সম্ভব ব্রেক না দিয়ে বাঁধা সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।

স্কুল বন্ধ কিন্তু বড়োদের অফিস চালু, এই পরিস্থিতিতে ছোটোদের সামলাবেন কী ভাবে?

Continue Reading
Advertisement
প্রযুক্তি2 hours ago

‘মেড ইন ইন্ডিয়া’, টিকটকের পাল্টা ‘জোশ’ অ্যাপ এল বাজারে

রাজ্য3 hours ago

মৃত্যুহার কমে ৩ শতাংশে, রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমল

ক্রিকেট5 hours ago

ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালের ১৮ বছর, টুইটে নাসির হুসেনকে ট্রোল যুবরাজের, জবাবে নাসির যা বললেন…

বিদেশ5 hours ago

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে নেপাল, ভূমিধসে মৃত ৬০

রাজ্য6 hours ago

বিধায়ক-মৃত্যুতে সিআইডিকে তদন্তভার রাজ্যের, উত্তরবঙ্গে বন্‌ধ ডাকল বিজেপি

cbse class X result
দেশ6 hours ago

সিবিএসইর দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, নেই মেধাতালিকা

দেশ6 hours ago

শক্তিপ্রদর্শন গহলৌত শিবিরের, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব

football2
ফুটবল12 hours ago

কোভিড-পরিস্থিতিতে আসন্ন আই লিগের সব ম্যাচই কলকাতায় করার ভাবনা

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা4 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা6 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে