কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর সময় ত্বক সুরক্ষিত রাখার ৩টি পদ্ধতি

0
skincare
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কালীপুজোর দিন, আর বাজি পোড়ানো হবে না এমন ভাবাটা অনেক ক্ষেত্রেই অমূলক, তাই না? বাজির ফুলঝুরির আলোয় চারপাশ ঝিলমিল করে উঠবে। সেই আলোর রোশনাই ত্বকের ওপর পড়বে। আর মুখের ত্বক চিকচিক করে উঠবে। এমন একটা মুহূর্তে পছন্দের সেলফি বা ছবি তুলতে পারলে মন্দ হয় না। কী বলুন। কিন্তু সেই বাজি পড়ানোর দরুণ যে আপনার ত্বকও বেশ কিছুটা দূষণে পুড়বে সেই কথাটা কি মনে আছে? কারণ ধুলো ধোঁয়ায় ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দূষণের সংস্পর্শে অনেক বেশি আসবে।

তাই এই বাজি পোড়ানোর পর অনেকেই ত্বকের নানা সমস্যায় ভোগেন। ত্বকে জ্বালা করা, র‍্যাশ বেরোনো, খসখস করা ইত্যাদি। আবার যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের তেলা ভাবও বেড়ে যায়।

তবে এই সকল সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ারও উপায় আছে। তার জন্য শেষ পর্যন্ত অবপশ্যই পড়ুন।

১. ত্বকের উজ্জ্বলতা হারানো
বাজির ধোঁয়ায় ত্বকের সতেজভাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই প্রচুর জল খেতে হবে। অবশ্যই খেতে হবে সবুজ শাকসবজি, তাজা রসালো ফলও। নিয়মিত ক্লেনজ়িং-টোনিং-ময়শ্চারাইজ়িং অবশ্যই করতে হবে। তার জন্য শশার রস টমেটোর রস মিলিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে ক্লেনজিং-এর পর ২০ মিনিট। তার পর তা ধুয়ে ফেলে, পরের ধাপে টনিং আর ময়শ্চারাইজিং। অ্যালো জেল ব্যবহার করতে পারেন ময়শ্চারাইজিং-এ।

২. ত্বক শুষ্ক লাগা ও জ্বালা করা
বাজির দূষণে ত্বকেও প্রভাব পড়ে। ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, বাতাসে ভাসমান মিহি বারুদ ও দূষণ কণা ত্বকে চেপে বসে। ফলে শুকনো ভাব অনুভব হয়। ত্বক জ্বালাও করে। এ রকম হলে দূষণ থেকে সরে যাওয়া ভালো। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে টোনার লাগিয়ে নিতে হবে। গোলাপ জল দিয়েও মুখ পরিষ্কার করা যেতে পারে। তারপর পুরু করে ময়শ্চারাইজ়ার মাখুন। অথবা সম্ভব না হলে অন্ততপক্ষে ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে নিতে হবে। সঙ্গে ফেস মিস্ট থাকলে তা স্প্রে করলে জ্বালাভাব কিছুটা কমবে।

সর্দি-কাশির ধাত? বাজি ফাটানোর সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন এই ৫টি বিষয়

৩. তৈলাক্ত ত্বক
পুজোর আনন্দে সাজগোজ এবং রিচ খাবার মাস্ট। তাই এইগুলির কু-প্রভাব তো আছেই। সঙ্গে বাজি ফাটালে তার ধোঁয়া দূষণ আর যায় কোথায়? সবটাই ত্বকে। এর ফলে তেলতেলে ত্বক আর তেলতেলে হয়ে যায়। তাই সব কিছুর শেষে মুখের ত্বকের জন্য একটু সময় দিতে হবে। তার জন্য প্রথম শর্তই হল প্রচুর জল খেতে হবে। করতে হবে মুখের ত্বকের ডিপ ক্লেনজ়িং। তার জন্য লাগবে অ্যাভোকাডো, ভিটামিন-ই যুক্ত ক্লেনজ়ার। এর সাহায্যে ত্বকের গভীরে জমে থাকা নোংরা বেরিয়ে যাবে। তারপর টোনার লাগিয়ে ময়শ্চারাইজ়ার মেখে নিতে হবে।

রূপচর্চার আরও লেখা পড়তে হলে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.