সহজে ওজন কমাবেন? জেনে নিন ৩টি পদ্ধতি

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: বাড়তি ওজন ছেঁটে ফেলার জন্য ব্যাপক দৌড়ঝাঁপের পাশাপাশি প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, ওজন কমানোর একাধিক পন্থা রয়েছে, কিন্তু ‘মুখে লাগাম’ না দিলে কিস্যুটি হবে না। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সংক্ষেপে-

শর্করা এবং শ্বেতসারের পরিমাণ হ্রাস

সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হল সুগার বা শর্করা এবং স্টার্চ বা শ্বেতসারের পরিমাণ হ্রাস করা। এটা করলে, সে সময় খিদের মাত্রা কমে যায় এবং কম ক্যালোরিতেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা যায়। আসলে ওই সময় শক্তির জন্য স্টার্চ (কার্বস) পোড়ানোর পরিবর্তে আপনার দেহ সঞ্চিত ফ্যাট খাওয়া শুরু করে।

এ ভাবে কার্বস ছেঁটে ফেলার আরেকটি সুবিধা হল এটি ইনসুলিনের মাত্রা হ্রাস করে। অন্য দিকে কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম এবং জল প্রবাহিত করে। এটি ফোলা এবং অপ্রয়োজনীয় জলের ওজন হ্রাস করে। এটা শরীরের ফ্যাট এবং জলের ওজন উভয় হ্রাসেই কাজ করে।

প্রোটিন, ফ্যাট এবং শাকসবজি খান

নিজের প্রতিটি খাবারের মধ্যে একটি প্রোটিন উৎস, চর্বি উৎস এবং কম কার্বযুক্ত শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। একই সঙ্গে মনে রাখা দরকার, মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তেমনটা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, এটি প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ ক্যালোরি বিপাককে উন্নত করার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

আমিষ প্রোটিনের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রকমের মাংস। এ ছাড়া মাছ এবং সামুদ্রিক খাবার হিসাবে সালমন, ট্রাউট, চিংড়ি ইত্যাদি। অন্য দিকে কুসুমযুক্ত পুরো ডিমই ভালো। শাকসবজির মধ্যে রয়েছে শসা, ব্রোকলি, ফুলকপি, শাক, টমেটো, বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদি।

ফ্যাটের উৎসগুলির মধ্যে রয়েছে অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, অ্যাভোকাডো তেল এবং মাখন। ফ্যাট খাওয়ার বিষয়ে ভীত হবেন না, কারণ একই সঙ্গে কম কার্ব ও লো ফ্যাট চিন্তাভাবনা অমূলকই নয়, অসম্ভবও বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন শরীরচর্চা

প্রতিদিন হলে খুবই ভালো। তবে যদি তা সম্ভব না হয়, তা হলে দিনে অন্তত তিন বার শরীরচর্চা করতেই হবে। ওজন কমানোর জন্য শারীরিক কসরতের পরামর্শটি এখন অনেকেই দিয়ে থাকেন। মানে জিমে যাওয়ার পরামর্শও। আসলে একটু ওয়ার্ম-আপ অথবা কিছু ওজন উত্তোলন করলে ক্যালোরি পোড়ানো যায়। যা নিজের বিপাককে ধীরগতিতে আটকানোর পাশাপাশি ওজন হ্রাস করার একটি সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে।

এ ক্ষেত্রে এমনটাও দেখা যেতে পারে, শরীরের চর্বির পরিমাণ হ্রাস করতে গিয়ে আপনি কিছুটা পেশিবহুল কাঠামোও অর্জন করতে পারেন। সেটা হলে মন্দ কী!

তবে যদি ওজন তোলা আপনার পক্ষে সম্ভব না হয়, তা হলে বিকল্প হিসাবে কিছু কার্ডিও ওয়ার্কআউট যেমন হাঁটাচলা, জগিং, দৌড়, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটলেই যথেষ্ট।

বিভিন্ন সূত্র থেকে সংকলিত তথ্য। অনুশীলনের আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নিন।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.