Connect with us

জীবন যেমন

আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

classroom

ওয়েবডেস্ক : চেনা বিশ্ব অচেনা হয়ে গেল মাত্র একটা ছোট্টো শব্দের ধাক্কায়, কোভিড ১৯। সরল ভাবে বয়ে চলা নদীর পদে পদে বাধা। অনেক চেষ্টা চললেও এখনও পথ বের হয়নি এর থেকে মুক্তি পাওয়ার। উলটো দিকে আসতে আসতে সবাই একে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরিস্থিতিকে অনুকূলে বদলানো না গেলে বদলে নিতে হবে নিজেদের জীবনধারণ পদ্ধতি। সেইমতোই ঘরে বসে যাবতীয় কাজ করার পথে হাঁটছে গোটা বিশ্ব। অফিসের কাজ থেকে স্কুল কলেজের পাঠক্রম। আজকাল সবই ধীরে ধীরে অনলাইনে করার অভ্যাস তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছে মানবজাতি।

ক্লাসরুমে বসে ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষকের চোখের সামনেই ফাঁকি দেয় কত পড়ুয়া। সেখানে অনলাইনে পড়াশনা মানে ফাঁকি দেওয়ার দারুণ সুযোগ, আবার ব্যাপারটা কেমন যেন খটোমটোও। তাই যে বিষয়গুলিতে অভিভাবকদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে –

১। সন্তানরা অনলাইন ক্লাস ঠিকমতো করছে কিনা না। তবে তার মানে কিন্তু অনলাইনে ক্লাসরুমে অকারণে মাথা গলানো না। তাতে ক্ষতি হবে পড়ুয়ারই। শিক্ষকরাও অসুবিধে বোধ করবেন।

২। পড়ুয়াকেও কয়েকটি বিষয় শেখাতে হবে –

স্কুলে গিয়ে ক্লাস করতে না হলেও এটা ক্লাসরুমই। তাই স্কুলের ডিসিপ্লিন মানতে হবে এখানেও।

ক্লাস শুরুর আগেই বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনীয় খাতা বই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে।

হোমওয়ার্ক বা ক্লাসওয়ার্ক যাই থাকুক সবটাই সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।

অনলাইন ক্লাসরুমেও অ্যাটেনডেন্স মার্ক করা হয়। তাই তার আগেই ভিডিও অন করতে হবে।

স্কুলের পোশাক পরেই অনলাইন ক্লাসে বসতে হবে।

ক্লাস চলাকালীন ভিডিও এবং অডিও অফ রাখতে হয়, তা না হলে পড়াতে অসুবিধে হয়।

ক্লাসরুমে যেমন বুঝতে না পারলে শিক্ষককে প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে, এখানেও সে সুযোগ থাকে। তাই ক্লাস চলাকালীনই তা জেনে নিতে হবে।

৩। অভিভাবকদের কাজ হল এই সমস্ত বিষয় পড়ুয়ারা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলছে কি না। ঠিকমতো নোট নিচ্ছে কি না, খেয়াল রাখা। কিন্তু তার মানে এই নয়, অনলাইনে ক্লাস চলাকালীনই বকাবকি করা। কোনো ভুলভ্রান্তি হলে তা পরে শুধরে দিতে হবে, যাতে ক্লাসের সমস্যা না হয় এবং সে দ্বিতীয় বার এই ভুল না করে।

৪। প্রতি দিনের কাজ প্রতি দিন করছে কিনা, ঠিকমতো বুঝল কি না, ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নিল কি না, এ বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে।

প্রথম প্রথম নতুন কিছুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সকলেরই অসুবিধে হয়। পড়ুয়াদের তো হবেই। তাই তাদের ঠান্ডা মাথায় বোঝাতে হবে। ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে।

অবশ্যই দেখুন – দীর্ঘ লকডাউন! এ দিকে স্বামী-স্ত্রীতে খিটিমিটি বাড়ছে? সমাধান পেতে হলে দেখুন

জীবন যেমন

বাড়িতে করোনা রোগীর দেখাশোনা কী ভাবে করবেন?

corona

খবরঅনলাইন ডেস্ক : প্রতিদিন হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এই অতিমারি করোনাভাইরাসে। এর মধ্যেই পঞ্চম দফার লকডাউনে খুলে গিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। আগামী দিনে খুলবে আরও কিছুও। তা হলে আর বাড়ি নয়, এ বার বাইরের জীবনকেই আগের মতো সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে করোনা। এই অবস্থায় করোনার প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ কথা ঠিক যে প্রতিষেধক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক তো থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ঘরের কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও অবাক হওয়ারও কিছু থাকবে না। বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে জানতে হবে কী ভাবে বাড়িতেই দেখাশোনা করবেন করোনাভাইরাসের রোগীকে।

এ দেশে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা হাতেগোনা। মুম্বই অ্যাপোলো হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ লক্ষ্মণ জেসানি এই বিষয়ে বিশেষ কিছু পরামর্শ দিলেন। জানালেন, হাসপাতালে না গিয়ে নিজে নিরাপদে থেকে কী ভাবে ঘরেই রোগীর পরিচর্যা করতে হবে।

১। অসুস্থতা বোধ করলে রোগীকে নিজের থেকেই সচেতন হতে হবে। 

২। কোনো ব্যক্তির মধ্যে যদি রোগের লক্ষণ থাকে তা হলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ১৪ থেকে ১৭ দিন আইসোলেশানে থাকতে হবে।

৩। শ্বাসকষ্ট থাকলে শুরুতেই সচেতন হতে হবে। নিয়মিত ডাক্তার ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।  

৪। এ ছাড়া হালকা জ্বর হলে ১০ দিন তাকে আলাদা রাখুন। 

৫। পরিবারের অন্য সসস্যদের নিরাপদে রাখতে সংক্ৰমিত রোগীকে বাথরুমসহ একটা ঘরে একা রাখতে হবে।

৬। রোগীর সঙ্গে কথা বলা বা তার দেখাশোনা করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস অবশ্যই পরতে হবে।

৭। খুব প্রয়োজন না হলে তার সঙ্গে নিশ্চিত রূপে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। যেমন ওধুষ বা খাবার খাওয়ানো ইত্যাদি।

৮। সংক্ৰমিত ব্যক্তির কাছে গেলে বারবার সাবানজলে হাত ধুতে হবে। অথবা অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতেই হবে। 

৯। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে জল ও ফলের রস, হালকা গরম সুপ ও আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি চা খেতে দিতে হবে। মাছ, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

১০। শিশু ও বয়স্কদের আক্রান্তের থেকে দূরে রাখুন।  

১১। সর্বোপরি তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে, মনের জোর ধরে রাখুন, নিয়ম মেনে চলুন। সচেতনতার কাছে করোনা পরাজিত হোক।  

আরও – করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়লেও অবশেষে কিছুটা আশার আলো

Continue Reading

জীবন যেমন

বিনা খরচে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর সহজ ৮টি পরামর্শ

face

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হয়। তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। লকডাউনের কারণে তেমনই শরীর মনে কমবেশি চাপ পড়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা সকলেই। তার ফল যেটা হচ্ছে, সেই ছাপ পড়ছে আমাদের চেহারায় ত্বকে। উলটো দিক থেকে ত্বক ভালো থাকলে মন ভালো থাকে। আলাদা কনফিডেন্স পাওয়া যায়। তাই একটু সময় বার করে খুব সাধারণ কয়েকটি কাজ নিয়মিত করুন। দেখবেন ত্বকের জেল্লা বাড়বে, সঙ্গে মনও ভালো থাকবে।

১। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা –  

দেরি করে ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি ওঠা সম্ভব নয়, কিন্তু যদি সময়মতো শোয়া যায় তা হলে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা সম্ভব। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার সুফল ত্বকের ওপর কিছু তো বর্তায় অবশ্যই।

২। লেবুর জল খাওয়া –

লেবুর রসে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করলে তা ভিতর থেকে শরীরকে পরিষ্কার ও রোগমুক্ত রাখে। তাতে লিভার ভালো থাকে। ফল হল ত্বক দারুণ ঝকঝকে থাকে।

৩। হাঁটা ও অল্প ব্যায়াম

এখন বাইরে বেরোনোর সুযোগ কম। কাজে লাগান ছাদকে। অথবা খুব ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তা। ভোর ভোর উঠে হাঁটার অভ্যাস খুব কাজের। সঙ্গে করতে পারেন সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।  এতে শরীর ঝরঝরে হবে। বাড়িতে থাকার ফলে হাতে পায়ে লেগে যাওয়া জং ছাড়বে। ব্যায়াম ও হাঁটায় শরীর ঘামবে ও শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যাবে। সুতরাং ত্বকের জেল্লাও বাড়বে।

৪। মুখ ধোয়ার অভ্যাস

ঘুম থেকে উঠে দেখবেন মুখমণ্ডলের নানা জায়গা – নাক, কপাল, গাল তেলতেলে হয়ে আছে। এগুলোকে ধুয়ে ফেলতে হবে ঘুম থেকে উঠেই। যে কোনো একটা কোমল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। তার পর ত্বকের ধরন ও ঋতুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে  সিরাম বা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। সারা দিন ত্বক তরতাজা থাকবে।

৫। এক্সফোলিয়েট করুন

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ওপরে মৃত কোষ জমে। তাতে ত্বক বিবর্ণ অনুজ্জ্বল দেখায়। সপ্তাহে অন্তত দু’বার ঘরোয়া স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন।

৬। ফল ও সবজি খান

শাকসবজি, ফল ত্বক ভালো রাখে। প্রতি দিন ব্রেকফাস্টে যে কোনো একটি ফল বা সবজি খান। কলা খাওয়া যেতে পারে। যে কোনো ফল খাওয়া যায় জুস বানিয়েও। সকালে ব্রেকফাস্টের পর জুস খেলে তা শরীরের যান্ত্রপাতিগুলিকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বক হয় জেল্লাদার।

৭। জল খান

প্রচুর পরিমাণে জল খেলেও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে ত্বকও পরিষ্কার থাকে। জেল্লা বাড়ে। জলের অভাবে ত্বক শুকনো লাগে।

৮। পরিমাণমতো ঘুম

অবশ্যই পরিমাণমতো ঘুম প্রত্যেক মানুষের জন্য জরুরি। তাই সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই শরীরকে ঘুমোতে দিতে হবে। তা না হলে ক্লান্তি বোধ বাড়ে, চোখের তলায় কালি পড়ে, ত্বক জেল্লা হারায়।

Continue Reading

ঘরদোর

এই দুর্দিনে রান্নার গ্যাস খরচ বেশি হচ্ছে? বাঁচাতে চাইলে এই পদ্ধতিগুলি মেনে চলুন

gas

খবরঅনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ লকডাউন, চাকরির বাজারেও মন্দা। কিন্তু বাড়িতে থাকলেই খাই খাই মন বশ মানে না। তার ওপর বাইরে বেরোলে জামাকাপড়কে ভাইরাসমুক্ত করতে গরম জল ব্যবহার হচ্ছে বারবার। অনেকেই গ্যাস জ্বালিয়ে জল গরম করেন। তাঁরা একটু বেশিই সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু উপায় কী? তা হলেও সময় এসেছে সচেতন হওয়ার।

সে ক্ষেত্রে গ্যাস কী ভাবে কম খরচ করবেন তা একটু ভেবে দেখতে হবে।

১। রান্নার সামগ্রী জোগাড় করে নিয়ে রান্না শুরু করুন। গ্যাস জ্বালিয়ে কাটা, বাটা, ধোয়া ইত্যাদি করবেন না।

২। রান্না করবেন যে বাসনে তা শুকনো করে মুছে তার পর উনুনে বসান, গ্যাসের আগুনে বাসন শুকিয়ে তেল দেবেন না। এতে গ্যাস খরচ প্রতি দিন অনেক বেশি হয়।

৩। জল গরম করার সময় ঢাকা দিয়ে বসান তা হলে তাড়াতাড়ি গরম হবে।

৪। খাবার জন্য জল গরম করতে হলে একবারে খানিকটা জল বেশি করে গরম করে ফ্লাক্সে ঢেলে রাখুন। তা দীর্ঘক্ষণ গরম থাকবে। বেশ কয়েক বার জল গরম না করলেও হবে।

৪। যে কোনো আনাজপাতি রান্নার ক্ষেত্রে সেদ্ধ করতেই হয়, সে ক্ষেত্রে প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। আনাজ প্রেশারে হালকা করে ভাপিয়ে নিয়ে রান্না করুন। প্রয়োজনে আনাজপাতি মশলা দিয়ে ভালো মতো কষিয়ে নিয়ে প্রেশারে দিয়ে সিটি দিয়ে নিন। তাতে রান্না চটজলদি হবে এবং গ্যাস খরচও কমবে।   

পড়ুন আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

৫। বার বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এক সঙ্গে বেশ কয়েক বারের চা তৈরি করে ফ্লাক্সে রেখে দিন। প্রয়োজনমতো ঢেলে খাওয়া যাবে।

৬। চাল, ডাল এই ধরনের দানাশস্য রান্নার আগে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। তা হলে সেদ্ধ করতে কম সময় লাগে। সেদ্ধ করতে বসানোর আগে জল ঢাকা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তার পর টগবগ করে ফুটন্ত গরম জলে চাল ডাল দিন। এর পর এক ফুট দিলেই সেগুলি বেশ বড়ো এবং নরম হয়ে যাবে। তখন ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ, এই ধরুন আধ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরে আবার এক দুই ফুট দিয়ে নিলেই পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে যাবে।

৭। চাল ডাল ইত্যাদি প্রেশারে খুব তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। তাতে গ্যাস কম খরচ হয়। তবে অনেকেরই প্রেশারের ভাত বা ডাল খেলে পেটে বায়ুর সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে উপরের পদ্ধতি অবশ্যই অনুসরণ করতে পারেন।

এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করলে দেখবেন আপনার গ্যাস আরও কিছু দিন বেশি চলছে।

দেখুন – এখন অনভ্যস্তরা রান্নাঘরে, তাঁদের জন্য কয়েকটি জরুরি পরামর্শ

দেখতে পারেন – মুখ ঢাকা মাস্কে, চরম মন্দা লিপস্টিক ব্যবসায়

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং