দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? দেখুন তো এই সমস্যগুলি আপনাদের মধ্যে আছে কি না

0
relationship
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক:  যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই মতের মিল হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তার সঙ্গে হল মানিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা। কিন্তু যে কোনো সম্পর্কে এই দু’য়ের অভাব থাকলেই সেই সম্পর্ক ‘পচতে’ শুরু করে। অবশেষে তা ভেঙে যায়। একই কথা খাটে দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। সেখানে মতের অমিল, মেজাজ হারানো, সহ্য করতে না পারা- এই সব কারণে সম্পর্ক বিষিয়ে যায়। যা বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই বাস্তব সমস্যা।

ভেঙে যাওয়া বিষিয়ে ওঠা সম্পর্কে একে অপরকে সম্মান দেওয়া, মনের ভাব, ইচ্ছা ইত্যাদি প্রকাশ করার কোনো পরিস্থিতিই থাকে না। উলটে সম্পর্ক হয়ে উঠে ডোবার জলের মতো। তেমনই এই বিষিয়ে যাওয়া সম্পর্কে থাকে বিরক্তি আর অশান্তি।

বিশেষজ্ঞেরা এই বিষয়ে বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ সম্পর্কে থাকার ফলে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়া খুবই স্বাভাবিক। শুধু তাই নয় অবসাদ গ্রাস করে ও আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন বিষাক্ত সম্পর্কের বেশ কিছু লক্ষণ থাকে। সেগুলি থাকলে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে অর্থাৎ কম দিন ধরে এই লক্ষণ অনুভব করলে একে অপরের সঙ্গে বসে সমঝোতা করে নেওয়া যেতে পারে। সমস্যার মীমাংসা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যেতে পারে। আর এই সমস্যাগুলি দীর্ঘদিনের হলে অবশ্যই পরিবার পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবের সাহায্যও নিতে হবে। বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করে সম্পর্কটির বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ করতে হবে।

বিষিয়ে যাওয়া সম্পর্কের লক্ষণগুলি হল –

বিপরীতের মানুষটি বাড়িতে থাকলে স্বচ্ছন্দবোধ না করা

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের কাছে কাছে থাকতে স্বচ্ছন্দবোধ করবেন, এমনটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু তা যদি না হয়, তা হলে ধরে নিতে হবে সম্পর্কে ভাঙন ধরেছে। একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বিরক্তি, কাজ ভাগাভাগি করে না করা, এমন কি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার যৌনজীবনের ঘনিষ্ঠতা একেবারেই না থাকা – এই সবই সম্পর্ক বিষিয়ে যাওয়ার লক্ষণ। কিন্তু একটানা এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে তা নিশ্চিতভাবেই গুরুতর সমস্যারই ইঙ্গিত।

অনেক সময় অবশ্য কাজের চাপেও স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে সময় দিতে পারেন না। কিন্তু তার ধরন আলাদা।

বিপরীতের মানুষটি আপনার কিছুই পছন্দ করেন না

বিপরীতের মানুষটি আপনার প্রশংসা তো দূরের কথা। কোনো কাজই পছন্দ করেন না। এমনকী স্বার্থপরের মতো আচরণ করেন। তা হলে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

সামান্য ব্যাপারেই মনমালিন্য

যে কোনো সম্পর্কেই ঝগড়াঝাটি হতেই পারে। আবার তার মিলমিশও হয়ে যায়। কথায় আছে ঝগড়া হলে ভাব বাড়ে। কিন্তু সম্পর্ক সুস্থ না হলে, ঝগড়া থামতেই চায় না। কথায় কথায় অশান্তি লেগেই থাকে।

গার্হস্থ্য হিংসা

এখন একটি কথা খুবই প্রচলিত হয়েছে, গার্হস্থ্য হিংসা। অর্থাৎ সর্বক্ষণই হেনস্থা, গালিগালাজ, অপমান, এমনকী মারধরও এই গার্হস্থ্য হিংসার মধ্যে পড়ে। এমন ঘটনা যদি আপনার সঙ্গে ঘটে তা হলে বুঝতে হবে সেই সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। তার মধ্যে আর কিছু অবশেষ নেই। এমন সম্পর্কের বিষয়ে আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করাই বাঞ্ছনীয়।

সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে এই ৪টি পরামর্শে মোটেই কান দেবেন না

সম্পর্ক নিয়ে আরও পড়তে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here