ওয়েবডেস্ক : সব সময় ফোন কাছে কাছে রাখা বা তা ব্যবহার করা ভালো কথা নয়। কারণ তার রেডিয়েশন আমাদের অনেক রকমের ক্ষতি করতে পারে। তবে সেই জন্য দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছুটা সময় নিয়ম করে মোবাইল থেকে দূরে থাকা খুব একটা মন্দ হবে না। তবে এই ফোনই যদি আপানাদের দাম্পত্য কলহের কারণ হয়ে যায় তা হলে তা খুবই দুঃখজনক। মোবাইলকে কেন্দ্র করে অনেক সময়ই মনের মধ্যে অনেক রকম সমস্যা অসন্তোষ দানা বাঁধে। তাই সেই ব্যাপারগুলি এড়িয়ে চলাই ভালো।

তবে ঠিক কী কারণে এই সমস্যা, তা উপলব্ধি অনেকেই করতে পারেন না। তাঁদের জন্য –

১। অনেকের স্বভাব আছে বার বার ফোন দেখা। সেটা করবেন না। কোনো জরুরি কথা আলোচনার সময় তো খুব দরকার না হলে ফোনে ব্যস্ত থাকবেনই না। পারলে দু’জনে এক সঙ্গে থাকার সময়টা অন্তত ফোনকে সরিয়ে রাখুন।

২। নিজেদের মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। আর ঠিক সময় ফোনের মেসেজ অ্যালার্টটা বেজে উঠল। অমনি সঙ্গে সঙ্গে কী মেসেজ এল, তা দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড়া এমনটা হামেশাই হয়। এমন করবেন না। তাতে বিপরীতের মানুষের মনে আপনার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

আরও – দাম্পত্য জীবনের আলগা বাঁধনকে মজবুত করতে সেক্সের বদলে মেনে চলুন এই ৫টি টিপস

৩। অনেকেরই মনের মধ্যে ধারণা থাকে, ফোন বা মেসেজের জলদি উত্তর যদি মনের মানুষের কাছ থেকে না পাওয়া যায়, তা হলে সেই মানুষটি আপনাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। বা ভালোবাসে না। কিন্তু এমনটা ভাবার কোনো অর্থ নেই। কারণ প্রত্যেকটি মানুষেরই ফোনের কাছে কাছে থাকা ছাড়াও আরও অনেক জরুরি কাজ থাকে। ফলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন ধরা বা মেসেজের উত্তর করা সম্ভব নাও হতে পারে।

৪। মনের ভাবকে ইমোজি বা স্টিকার দিয়ে প্রকাশ করার বদ অভ্যাস অনেকেরই তৈরি হয়েছে। ভালো মন্দ সুখ-দুঃখ সবটাই ইমোজি দিয়ে প্রকাশ করে ফেলেন অনেকেই। কিন্তু হালকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ধরনের আচরণ চলতে পারলেও বিশেষ বা গভীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ধরনের ভাব প্রকাশের পদ্ধতি অনেকেটাই ক্ষতিকর। এতে অনেক কথাই না বলা থেকে যায়। অনেক ভাবও স্পষ্ট ভাবে ব্যক্ত হতে পারে না। ফলে জটিলতা দিনে দিনে বড়ো আকার ধারণ করে। তাই সামনাসামনি কথা বলা উচিত। ফোনের ইমোজির মাধ্যমে ভাব প্রকাশ না করাই ভালো।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here