Connect with us

জীবন যেমন

সন্তান বয়ঃসন্ধিতে? কিছুতেই বাগে আনতে না পারলে অবশ্যই এগুলি করে দেখুন

relation

ওয়েবডেস্ক: কৈশোর এমনই একটি সময় যে সময় ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। সঙ্গে থাকে হরমোনাল পরিবর্তনও। ফলে অনেক রকমের ব্যবহারিক ও চারিত্রিক পরিবর্তন তাদের মধ্যে প্রকাশ পেতে থাকে। সেই সময়টা হল বয়ঃসন্ধির সময়। ভালোমন্দ, ঠিক-ভুল ইত্যাদির সম্পর্কে নিজের মতো করে ধারণা তৈরি হওয়ার সময়। এই সময়টাই তাদের ঠিক ভাবে পরিচালনা করা, সঙ্গ দেওয়া অভিভাবকদের বড়ো দায়িত্ব হয়ে ওঠে। এই সময়েই অভিভাবকদের কাছ থেকে ঠিক মতো পরিচর্যা ও ব্যবহার না পেলে তাঁদের সঙ্গে ছেলেমেয়েদের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। আর সেই দূরত্বের সুদূরপ্রসারী ফল থেকে যায় গোটা জীবনভর। তাই এই সময়টাই অভিভাবকদের উচিত অনেক বেশি সহানুভূতিশীল ও সহমর্মী ভাবে সন্তানদের সঙ্গ দেওয়া। তাদের বোঝা ও বোঝানো।

এই সময়টায় ঠিক কী ধরনের ব্যবহার করা উচিত তা বুঝে নিতে হয় খানিকটা নিজেদের কৈশোর বেলার মানসিকতার কথা স্মরণ করে। কারণ সব অভিভাবকই একটা সময় এই টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। নিজেদের উপলব্ধি ও অভিজ্ঞতার হাত ধরে সহমর্মিতার ব্যাপারটা অনেক সহজেই এসে পড়ে।  

সন্তানরা এই বয়সে এলে ঠিক কী ধরনের ব্যবহার করবেন? এই উত্তরের গোলোক ধাঁধায় অনেক অভিভাবকই হন্যে হয়ে যান। তার কয়েকটি টিপস রইল তাঁদের জন্য।

সন্তানের বিশ্বাস জিততে হবে

যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই বিশ্বাস একটি অন্যতম উপাদান। তাই সেই বিশ্বাসের ভিত তৈরি করা দরকার সন্তানের মনেও। যাতে করে তার মনে বাবা মা সম্পর্কে একটি নিশ্চিন্ত ভাবনা তৈরি হয়, যেখানে সে সব কথা মন খুলে নির্দ্বিধায় বলতে পারে তেমন একটি ভরসা পায়।

ধৈর্য রাখতে হবে

অভিভাবক যদি চান সন্তানরা তাঁদের কথা মানুক, শুনুক তা হলে অবশ্যই তাদের প্রতি ধৈর্য রাখতে হবে। কারণ একে-অপরকে শোনা আর বোঝার মধ্যে দিয়েই সম্পর্ক দৃঢ় হয়। তাই সে কোনো কিছু বলতে চাইলে ধৈর্য ধরে শুনতে হবে। তাকে বুঝতে হবে। তবেই সে নিজেকে উন্মুক্ত করতে পারবে বাবামায়ের কাছে। অধৈর্য হয়ে ধমকে দিয়ে কাজ হবে না।

বন্ধুত্বের সম্পর্ক

সন্তানের সঙ্গে কথা শেয়ার করলে তারাও নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। তাদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে। নিজেদের অভিভাবকদের কাছের মনে করে। ভয়ে দূরে সরে থাকে না। তারাও নিজেদের মনের কথা সমস্যা প্রশ্ন ইত্যাদি বাবামায়েদের সঙ্গে শেয়ার করার সাহস পায়। বন্ধু মনে করতে পারে। সম্পর্কটা সহজ ও সুন্দর হয়। এতে করে বয়ঃসন্ধির নানান জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসা আর বার করে আনা সহজ হয়।

সহানুভূতিশীল আচরণ

সকলেই একদিন ছোটো থাকে। কৈশোর পেরিয়ে বড়ো হয়। ধাপে ধাপে বাবা-মা হন। অর্থাৎ প্রত্যেক বাবা-মায়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে কৈশোর, বয়ঃসন্ধি। তাই তাঁরা অতি সহজেই সন্তানের সমস্যা, চাহিদা, টানাপোড়েন উপলব্ধি করতে পারেন। তার জন্য শুধু দরকার, সহানুভূতিশীল মনকে জাগিয়ে তোলা। খালি শাসন নয়, হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে হবে তাদের মনকে।   

ছোটদেরও সম্মান দেওয়া

সম্মান মর্যাদা শ্রদ্ধা ইত্যাদি যে কেবলমাত্র বড়োদের জন্য বরাদ্দ তা কিন্তু নয়। ছোটোদেরও এই শব্দগুলিতে সমানাধিকার আছে। তাই কখনওই সন্তানদের সম্মানহানি করা উচিত নয়। না সকলের সামনে না সকলের আড়ালে। কারণ বাবা-মায়ের কাছ থেকে বারবার অপমানিত হতে থাকলে এক সময় তাদের মন বিদ্রোহ করে উঠবে। তারাও অভিভাবকের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা হারাবে। ফলে তারা বিগড়ে যাবে। তাই বোড়োদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে তাদেরও সম্মান দিতে হয়ে। তা দিতে হবে উপযুক্ত ভালোবাসার মাধ্যমে।

আস্থা জোগানো

বয়ঃসন্ধির সময়ে সকলের মধ্যে একটা সব পারি, সব জানি, কাউকে লাগবে না গোছের মানসিকতা তৈরি হয়। এর ফলে অনেক সময় অনেক অযাচিত সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে তারা। সমস্যা মুক্তির জন্য কারোর সাহায্যও নিতে চায় না তারা। কিন্তু সেই সময় যদি আস্থা দিতে পারা যায় যে সর্বদা যে কোনোও সাহায্যের জন্য তার অভিভাবক পাশে আছে, তা হলে সমস্যায় সে অবশ্যই বাবা-মাকে ভরসা করবে।

সময় দেওয়া

আজকাল বেশির ভাগ বাবা-মা কাজ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু সন্তান বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছলে অনেক সময় তারা এই ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে একা মনে করে। মনের ওপর অন্য রকম প্রভাব পড়ে। ফলে বারমুখো হয়ে যায় তারা। তাই ছেলেমেয়েকে একাকীত্বের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে তাদের একটু বেশি বেশি করে সময় দিতে হবে। তার জন্য এক সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া, নির্দিষ্ট সময় এক সঙ্গে খাওয়া, গল্পগুজব, হাসিমজা করা, এক সঙ্গে অনেকটা সময় নিয়মিত ব্যয় করা উচিত। সারা দিনে কে কী করলেন তা একে অপরের সঙ্গে একসঙ্গে বসে শেয়ার করা উচিত। সময়টাকে মধুময় করে তোলা উচিত।

পড়ুন – একের পর এক প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে? দেখুন তো এই লক্ষণগুলি আপনার মধ্যে নেই তো?

কেনাকাটা

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব নিয়ম মেনে চলা উচিত। অর্থাৎ বাইরে গেলে মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব ও অন্যান্য বিধিনিষেধ ও বাড়ি এসে ভালো করে পরিচ্ছন্ন হওয়া, জামাকাপড় কাচা, স্যানিটাইজ করা ইত্যাদি। তাই এখন যেন দরকারেও বাইরে বেরোতে অরুচি। তাই টুকিটাকি প্রয়োজনগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে চলাই ভালো মনে হচ্ছে। কিন্তু তারও দরকার নেই। টুকিটাকি প্রয়োজন পূরণের জন্য কোনো রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঘুরে আসাই যায় অনলাইন শপিং মলে। 

তেমনই কয়েকটি টুকিটাকি অথচ খুবই কাজের জিনিসের খোঁজ রইল আজকের তালিকায়। প্রতিবেদনটি লেখার সময় অ্যামাজনের অনলাইন পোর্টালে যে দাম দেখানো হয়েছিল সেটাই দেওয়া হল।

১। স্যাভলন সারফেস ডিসইনফেকটেন্ট স্প্রে

করোনাভাইরাস ও অন্যান্য যে কোনো জীবাণু খুব দ্রুত মুক্ত করতে এসে গিয়েছে স্যাভলনের স্প্রে। টেবিল দরজার কড়া, তালা চাবি, চেয়ার, প্যাকেজ, জামা কাপড়, গাড়ির ভেতর যে কোনো জিনিসেই স্প্রে করা যাবে।

দাম ১৫৯ টাকা

২। রিউইজেবল জিপজ্যাক প্ল্যাস্টিক ফুড স্টোরেজ ব্যাগ

আনাজ ফল ইত্যাদি একেবারে কিনে এনে রাখতে গিয়ে পচে যাচ্ছে। তাই ইচ্ছা না থাকলেও বার বার বাজার যেতে বাধ্য হচ্ছেন। চিন্তা করবেন না রিউইজেবল ফুড স্টোরেজ ব্যাগে রাখলে দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে ফল আনাজপাতি। এক লিটার তরলও ধরতে পারে। ১০টি ব্যাগ।

দাম  ৫৬% ছাড় দিয়ে  ৩৪৯ টাকা।

৩। মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার

বাড়িঘর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এ দিকে কোমরে-ঘাড়ে ব্যথা? লাঠি বা ন্যাতা কোনো কিছু দিয়েই ঘর মুছতে না পরলে রয়েছে মাইক্রোফাইবার মপ স্লিপার। এটি পরে সারা ঘরে হেঁটে বেরালেই ঘর মোছা হয়ে যাবে। দু’টি দাম ৭% ছাড় দিয়ে ২৭৬৯ টাকা

৪। হ্যান্ডি মিনি প্লাস্টিক চপার

খুব দ্রুত আনাজপাতি কুচিকুচি কেটে ফেলার সহজ উপায় হ্যান্ডি মিনি প্ল্যাস্টিক চপার। বাটির ভেতরে সবজি দিন আর হ্যান্ডেল ধরে কয়েকটি টান দিন। কাটা হয়ে যাবে।    

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা

৫। ভেজিটেবল কাটার চপার

যাবতীয় আনাজ বিভিন্ন আকারে কাটতে হলে এটি আদর্শ। মোট ১২ রকমের ব্লেড রয়েছে এইটিতে।

দাম ৪৪% ছাড় দিয়ে ৪৯৯ টাকা।

৬। সিলিকন পট হোল্ডার হিট রেজিস্টেন্স

গরম কিছু নামাতে গেলে কাপড় কিংবা কাগজ ব্যবহার করেন। বার বার সেটি পুড়েও যাওয়ার ভয় হয়? হাতে গরম লাগে। আর চিন্তা নেই ব্যবহার করুন এই সিলিকন পটহোল্ডার। গরমে কোনো ক্ষতিও হবে না। হাতেও গরম লাগবে না। আগুনের সামনে ও মাইক্রোওভেনে ব্যবহার করা যাবে। ২টি।

দাম ৬৩% ছাড় দিয়ে ২৯৯ টাকা

৭। স্ক্রাব ক্লিনিং গ্লাভস উইথ স্ক্রাবার

বাসন মাজতে গিয়ে হাত নোংরা হয়ে যায়, নখের কোণে ময়লা ঢুকে দেখতে খারাপ লাগে। ব্যবহার করতে পারেন এই স্ক্রাব গ্লাভস। শুধু বাসন মাজা নয়, পোষ্যকে স্নান করানো, গাড়ি পরিষ্কার করা, বেসিন সিঙ্ক প্যান ইত্যাদি পরিষ্কারের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়। দু’টি।

দাম ৫৬% ছাড় দিয়ে ৩৯৯ টাকা।

 ৮। সিঙ্ক স্টেইনার

নানা জিনিস পড়ে সিঙ্ক আটকে যাওয়ার ঘটনা সব রান্নাঘরেই ঘটে। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সিঙ্ক স্টেইনার। এটি সিঙ্কের মুখে পেতে রাখলে জল ছাড়া অন্য কিছুই যেতে পারবে না। আবার বাথরুম বা যে কোনো নর্দমার মুখেও ব্যবহার করা যায়, চুল বা অন্য কিছু ঢুকে নলের মুখ যাতে আটকে না দেয় তার জন্য।

দাম ৭৬% ছাড় দিয়ে ২১৯ টাকা।

৯। গ্রসারি লিস্ট প্যাড

এক সঙ্গে কাঁচা বাজার, মুদিখানার জিনিস ইত্যাদির লিস্ট বানিয়ে বাজারে বেরোতে চাইলে সাহায্য করবে এই গ্রসারি লিস্ট প্যাড।

দাম ৩৩% ছাড় দিয়ে ১৯৯ টাকা।

১০। অল পারপাস ক্লিনার –  

রান্নাঘরের টাইলস, টপ, টেবিল, ফ্রিজ, মাইক্রোওভেন, কাচ, চিমনি, এক্সজস্ট ফ্যান যাবতীয় সব কিছু জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহার করা যাবে। ৪০০ মিলি, লেবুর গন্ধ।

দাম – ৩৮% ছাড় দিয়ে ১০৯ টাকা।

দেখতে পারেন – ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

ঘরদোর

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

wfh

খবরঅনলাইন ডেস্ক : আনলক ফেজ টু শুরু হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অফিসে পুরোদমে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো অফিস খুলেছে কেউ বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বার সকলের মধ্যেই নড়েচড়ে বসার প্রবণতা দৃঢ় হয়েছে। বাড়ি বা অফিস, যেখানে থেকেই হোক কাজের গুণমান ভালো করতে হবে। সেই গুণমান অনেকটাই নির্ভর করে মন আর পরিবেশের ওপর।

তাই কাজের জায়গাকে সদাসর্বদা রাখতে হবে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত। যাতে সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব সব সময় পাওয়া যায়। তার জন্য কয়েকটি পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পরিষ্কার ডেস্ক

প্রথম হল অবশ্যই ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন। যদিও অনেকেই সব কিছু মেলিয়ে নিয়ে বসে কাজ করলে মনযোগ ভালো দিতে পারেন। কেউ বা পরিপাটি ভাবে। তা সে যা-ই হোক, ধুলো ময়লা তো পরিষ্কার করাই যায়। সেটি নিয়মিত করুন। খুব অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ডেস্ক না রাখাই ভালো। কারণ তাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

শান্ত পরিবেশ

জীবন যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে তখন বিভিন্ন রকম শব্দ বা গোলমাল বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়ি থেকে কাজ করলে সেই সমস্যাটা একটু বেশি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ বাড়ির ভেতর ও বাইরের নানান শব্দ সারাক্ষণ হতেই থাকে। তার ওপর বাড়ির লোকজনের হাঁকডাক তো আছেই। তাই কাজের সময় একটু নিরিবিলি পেতে সময় নির্দিষ্ট করে বলে দিন যেন তাঁরা এর মধ্যে ডাকাডাকি না করেন। বা বাড়ির ভেতরের বিভিন্ন কারণে উৎপন্ন আওয়াজ যাতে যতটা সম্ভব কম করেন। সম্ভব হলে এমন একটি জায়গা বাছুন যেখানে বাইরের শোরগোল একটু কম।

আলোবাতাস

স্বাভাবিক ভাবেই আলো মন ভালো করে, কাজে উৎসাহ বাড়ায়। তাই অফিসে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু বাড়িতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক আলো। জানলার পাশ বা বেশি আলো আছে এমন জায়গা কাজের জন্য বাছুন। এতে চোখে চাপ কম পড়ে, প্রোডাকটিভিটিও বাড়ে।

মন ভালো

মন ভালো থাকলে সতেজ থাকলে কাজে ভালো মন বসে। তাই মন চাঙ্গা রাখতে হলে সবুজ গাছ বা রংবেরঙের ছবি বা সামগ্রী কাজের ডেস্কে রাখতে পারেন। বিশেষ করে গাছ, ফুল এ সব তো রাখাই যায়। গাছের ক্ষেত্রে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। ফুলদানিতে ফুল রাখুন। মন ভালো লাগবে, কাজের মানও ভালো হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ

বাড়িতে বসে কাজ করলে কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে না। ইচ্ছা না থাকলেও বাড়ির কাজে মাঝে মধ্যে মাথা ঘামাতেই হয়। শেষে অফিসের সময়ের বাইরেও কাজ চলতে থাকে। তাতে শেষের দিকে কাজে আর মন লাগে না। কিন্তু প্রতি দিন এমনটা না হওয়াই ভালো। তাতে ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তাই নির্দিষ্ট সময়ে কাজে বসা ও মাঝে যতটা সম্ভব ব্রেক না দিয়ে বাঁধা সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।

স্কুল বন্ধ কিন্তু বড়োদের অফিস চালু, এই পরিস্থিতিতে ছোটোদের সামলাবেন কী ভাবে?

Continue Reading

কেনাকাটা

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

DIY

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে থাকা বা বাতিল জিনিসপত্র দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মনের মতো সামগ্রী। তার জন্য টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাবেন কোথায়? ডিআইওয়াইয়ের যাবতীয় সামগ্রী বাড়ির বাইরে না বেরিয়েই সংগ্রহ করুন অ্যামাজন থেকে। দেখুন এগুলো আপনার কাজে লাগবেই লাগবে। প্রতিবেদন লেখার সময়ে দাম যা ছিল তাই দেওয়া হল –

১। হট গ্লু গান

ঠান্ডা নয়, গরম আঠা খুব চটপট কাজ করে। তার জন্য হটগ্লু গান। নীল রঙের, অন, অফের সুইচ আছে। ২০ ওয়াটের। সঙ্গে ১৫টি গ্লু স্টিক।

দাম – ৮৬% ছাড় দিয়ে ২৪৫ টাকা।

২। মডপচ

আপনার বানানো সামগ্রী রং করার পর দিন মডপচ। দীর্ঘস্থায়ী হবে ও চকচকে হবে। ফেব্রিক মডপচ গ্লস, ১২০ এমএলের এক একটি, ২টির সেট।

দাম – ৩০০ টাকা।

৩। গ্লু স্টিক

হট গ্লু গানের আঠা হল এই গ্লু স্টিক। হটমেল্ট গ্লু স্টিক, ১ মিমি X ২২ সেমি, সাদা রঙের।

দাম – ২০টার সেট ১৯৯ টাকা। ১০টার সেট ১৪৯ টাকা

৪। পিকচার ভার্নিশ

ছবি আঁকা বা রং করার পর ব্যবহার করতে পারেন ক্যামেল পিকচার ভার্নিশ, ১০০ মিলি, তেল রঙের জন্য উপযুক্ত।

দাম – ১৪০ টাকা।   

৫। ডবল সাইড অ্যাডহেসিভ

যে কোনো জিনিসের সঙ্গে অন্য কিছুকে বা কোনো সামগ্রী কোথাও আটকাতে এই টেপ খুব কাজের। ডবল পুনঃব্যবহারযোগ্য, দীর্ঘদিন ভালো থাকে, জল দিয়ে ধোওয়া যায়।

দাম – ৭২% ছাড় দিয়ে ২৭৯ টাকা।

৬। সিলিকন মোল্ড

কোনো কিছুর ওপর নকশা তুলতে বা ইউরোপিয়ান নকশাকাটা লুক দেওয়ার জন্য সিলিকন মোল্ড ছাঁচ বিশেষ কাজে লাগে। বিভিন্ন মাপের নকশা।

দাম -৩৭% ছাড় দিয়ে ৩২৮ টাকা।

৭। থ্রিডি নিয়ন লাইনার

যে কোনো রঙের কাজ হাইলাইট করতে ৩ডি লাইনার। ২টি নিয়ন কালার কিট ও ৩ডি নিয়ন লাইনার কম্বো প্যাক। নন ফেব্রিক কাজের জন্য। চামড়া, মাটি, কাঠ, কাগজ, ধাতু, থার্মোকল, পাথর ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

দাম – ৩৯০ টাকা।

৮। অ্যাক্রেলিক কালার সেট

১০টি আলাদা রঙের সেট, এক একটি ১৫মিলি।

দাম – ২০০ টাকা।

৯। ফ্ল্যাট পেন্ট ব্রাশ

যে কোনো রকম রঙ করার জন্য।

দাম – ৩% ছাড় দিয়ে ১৯৫ টাকা।

১০। ন্যাচরাল ক্লে

হাতের কাজ, ছোটোদের খেলার জন্য উপযুক্ত।

দাম – ৭০% ছাড় দিয়ে ৯০ টাকা।

১১। জুট রোপ

যে কোনো কিছু বানাতে, বা নকশা করতে বা সাজাতে এর ব্যবহার হয়। ১২০ মিটার জুট রোপ, ডিআইওয়াই-এর জন্য কাজে লাগে।

দাম – ৫১% ছাড় দিয়ে ১৫৫ টাকা।  

১২। মাল্টিপারপাস এনগ্রেভার পেন

কাঁচ, ধাতু, প্ল্যাস্টিক, কাঠ ইত্যাদির ওপর ব্যবহার করা যায়। এটি টুল নিব।

দাম – ৫৪% ছাড় দিয়ে ২২৯ টাকা।

১৩। স্প্রে পেন্ট

মাল্টিপারপাস স্প্রে পেন্ট। গাড়ি বা অন্য কিছু রং করতে ব্যবহার করা যায়।

দাম – ২৪৫ টাকা।

১৪। ক্যান্ডেল মেকিং কিট

মোমবাতি বানানোর সম্পূর্ণ সরঞ্জাম, সম্পূর্ণ পদ্ধতি বলা বই, সলতে, গ্লিটার ইত্যাদি।

দাম – ৪০% ছাড় দিয়ে ৫৯৯ টাকা।

১৫। এমব্রয়ডারি থ্রেড

এমব্রয়ডারি করতে লাগে মাল্টি কালার কটন থ্রেড, ১০০টির সেট।

দাম – ৩৯% ছাড় দিয়ে ২৮০ টাকা।

১৬। ডেকোপেজ

ছাপা কাগজ বা টিসু। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো জিনিসকে নতুন লুক দিতে খুবই উপযুক্ত। ৪টি ডিজাইনের ৮টি টিসু, ফুল ও পাখির নকশা। ৩৩ সেমি X ৩৩ সেমি।

দাম – ২০% বাদ দিয়ে ৩২০ টাকা।

দেখুন – রান্নাঘরের রোজকার ঝামেলা কমাতে ১০টি অত্যাধুনিক সামগ্রী ৫০০ টাকার মধ্যে

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য3 hours ago

নতুন সংক্রমণ কিছুটা কম, রাজ্যে করোনামুক্ত হলেন ১৫ হাজার

প্রযুক্তি3 hours ago

নতুন অ্যাপ ‘সেল্‌ফ স্ক্যান’ নিয়ে এল রাজ্য সরকার! এর কাজ কী?

বিনোদন5 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু-রহস্যে থানায় বয়ান রেকর্ডের পর নি‌ঃশব্দেই বেরিয়ে এলেন সঞ্জয়লীলা বনশালী

ক্রিকেট5 hours ago

ওপেনার সচিন তেন্ডুলকরের গোপন রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

কেনাকাটা5 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

দার্জিলিং6 hours ago

‘বিশ্বাস ছিল এই লড়াই জিতব’, করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন অশোক ভট্টাচার্য

বিদেশ6 hours ago

মার্কিন পথে কুয়েতও, কর্মহীন হয়ে দেশছাড়া হতে পারেন ৮ লক্ষ ভারতীয়

currency
শিল্প-বাণিজ্য6 hours ago

পিপিএফের ৯টি নিয়ম, যা জেনে রাখা ভালো

কেনাকাটা

কেনাকাটা5 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে