মুখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে কফির ৩টি ব্যবহার আপনাকে উপকার দেবেই দেবে

0
coffee
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কফি যে খালি খেতে ভালো তা নয়। কফির এমন গুণও আছে যা ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। ত্বককে ফরসা, উজ্জ্বল ও গোলাপি আভাপূর্ণ করে তুলতে কফির তুলনা হয় না।

কফিকে একাধারে স্ক্রাবার, মাস্ক ও ডার্ক সারকেল রিমুভ করার জন্য যেমন ব্যবহার করা যায় তেমনই, চুলের মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করা যায়। তা ছাড়া ঠোঁটের মাস্ক, বডি মাস্ক ও মাথার ত্বকের মাস্ক হিসাবেও কফির ব্যবহার করা যায়।

আজ রইল মুখের জন্য কফির ব্যবহার কী ভাবে করবেন সেই পদ্ধতি।

মুখের স্ক্রাব হিসাবে কফি –

ত্বকের মরা কোষকে দূর করতে পারে কফি। তাই স্ক্রাব হিসাবে এর ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। সঙ্গে ব্ল্যাক হেডস দূর করতেও কফি খুব ভালো কাজ দেয়।

স্ক্রাব বানাতে কী কী লাগবে?

কফি স্ক্রাব বানাতে লাগবে খুবই সাধারণ তিনটি উপকরণ।

১) প্রথমেই লাগবে এক চামচ কফি

২) লাগবে এক চামচ চিনি

৩) সঙ্গে লাগবে এক চামচ অলিভ অয়েল। তবে অলিভ অয়েল না থাকলে সাধারণ নারকেল তেলও ব্যবহার করা যাবে।

ব্যবহারের পদ্ধতি কী?

প্রথমে একটি কাচের বাটিতে এই উপকরণগুলি ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তার পর মুখ ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। মুখের জল ঝরে গেলে হালকা ভেজা থাকা অবস্থাতেই এই স্ক্রাব প্যাকটি লাগাতে হবে। প্যাকটি লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে হবে গোল গোল করে। ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে। কয়েক মিনিট এই ভাবে ম্যাসাজ করার পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এ বার নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিতে হবে।

কিছু দিন এই পদ্ধতিতে কফি ব্যবহার করার পর মুখের ত্বকের পরিবর্তন বোঝা যাবে।

মুখের মাস্ক হিসাবে কফি –

মুখের স্ক্রাব হিসাবে কফির ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে মুখের মাস্ক হিসাবেও কফির ব্যবহার করা যায়। এই মাস্ক কিছু দিন ব্যবহারের পরে মুখে একটি হালকা গোলাপী আভা আসবে। ত্বককে অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখাবে। কারণ কফি মুখের ত্বকে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। এই মিশ্রণ একটু বেশি বানিয়ে তা কান ও গলাতেও প্রয়োগ করা যেতে পারে।

মাস্ক বানাতে কী কী লাগবে?

কফির মাস্ক বানাতে লাগবে মাত্র দু’টি উপকরণ।

১) অবশ্যই লাগবে এক চামচ কফি

২) আর লাগবে এক চামচ মধু

ব্যবহারের পদ্ধতি কী?

প্রথমেই মধুর সঙ্গে কফি ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তার পর মিশ্রণটি মুখে ভালো করে মোটা করে লাগিয়ে নিতে হবে। তবে চেষ্টা করতে হবে চোখের চারপাশের কিছুটা অংশ ছেড়ে এই মাস্ক লাগাতে। চাইলে পরিমাণের অনুপাতটা মোটামুটি একই রেখে একটু বেশি করে মিশ্রণ বানানো যেতে পারে। তাতে মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা ও কানেও মিশ্রণটি ব্যবহার করা যায়।

মাস্ক মুখে লাগিয়ে ফেলার পর অন্ততপক্ষে মিনিট ২০ চুপচাপ কোনো কথা না বলে শুয়ে থাকতে হবে। তার পর জলের ছিটে দিয়ে মুখ ভিজিয়ে জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলতে হবে। 

ত্বকের স্বাস্থ্যে গোলাপ জল দিয়ে ৩টি প্যাক, ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবেই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here