Connect with us

জীবন যেমন

চুলের যত্নে পেঁয়াজ রস কী ভাবে ব্যবহার করবেন? ৫টি টিপস

চুল

ওয়েবডেস্ক : কথায় আছে নারীর সৌন্দর্য চুলে এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল নারীর অহংকারের অন্যতম বিষয়। তবে আজকাল প্রচলিত কথা মিলিয়ে শুধু তেলেই চুলকে সুন্দর করার পন্থা ছেড়ে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছেন ললনারা। তাই পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন হেয়ারকাট, স্ট্রেটনিং, কার্লিং, কালার ব্যবহার করে চুলকে অস্থায়ী ভাবে ভিন্নরূপ দেওয়া হয়। কিন্তু হলে কী হবে, এতে চুল তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা, মসৃণতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে শুরু হয় চুল পড়া, আগাফাটা, খুশকি, চুলের গোড়া আলগা হওয়া ইত্যাদি। তার থেকেই তাঁদের ঘিরে ধরে দুশ্চিন্তা ও হতাশা।

কিন্তু হতাশা কোনো সমাধান না। তাই সমাধানের জন্য ব্যবহার করা যায় এমন বহু টিপ রয়েছে। তার মধ্যে এমন অনেক কিছুই আছে যেগুলি রোজকার জীবনে আমরা ব্যবহার করে থেকি। তার মধ্যেই একটি পেঁয়াজ। প্রাকৃতিক ভাবে চুলকে আবার স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করতে পেঁয়াজ অনন্য।

কারণ পেঁয়াজ ত্বক ও চুলের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে। এতে  রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান তা ত্বক ও চুলকে রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। পেঁয়াজে ভিটামিন, মিনারেল, সালফার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি রয়েছে প্রচুর। সালফার নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুল পড়া বন্ধ করে এবং অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

কী ভাবে চুলে ব্যবহার করবেন পেঁয়াজ? রইল তারই ৫টি টিপ।

১। পেঁয়াজ রস

পেঁয়াজের রস সরাসরি ত্বকে বা মাথায় ব্যবহার করা যায়।

উপকরণ

কয়েক টুকরো পেঁয়াজ।

পদ্ধতি

কয়েকটি পেঁয়াজের টুকরো নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিতে হবে। এ বার রসটা সরাসরি মাথায় ত্বকে মালিশ করতে হবে তেল মালিশ করার মতো। ৩০ মিনিট পর চুলে শ্যাম্পু করে ধুলে ফেলতে হবে।

২। মধুর সঙ্গে পেঁয়াজ

উপকরণ

পেঁয়াজের রস – আধ কাপ,

মধু –  ১ টেবিল চামচ।

পদ্ধতি

আধ কাপ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মেশাতে হবে। এ বার এই রস নিয়মিত খাওয়াও যায় আবার মাথায়ও লাগানো যায়।

মাথায় লাগানোর কিছু সময় পরে তা শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে।

৩। তেলের সঙ্গে পেঁয়াজের রস

উপকরণ

পেঁয়াজের রস – ৩ টেবিল চামচ,

নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল – ১ টেবিল চামচ মতো।

পদ্ধতি                                                

৩ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে তা মাথার ত্বকে হালকা হাতে ঘষে ঘষে মালিশ করতে হবে যাতে গোড়ায় গোড়ায় তেল পৌঁছায়।

কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে নিতে হবে বা জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

৪। লেবুর সঙ্গে পেঁয়াজ রস

লেবুর রস কিন্তু খুশকি দূর করতেও সহায়ক।

উপকরণ

পেঁয়াজের রস – ৩ টেবিল চামচ,

লেবুর রস – ১ টেবিল চামচ।

পদ্ধতি  

৩ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে মালিশ করতে হবে। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে বা শুধু জলে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

এ ভাবে নিয়মিত সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। মসৃণ হবে।

৫। শ্যাম্পুর সঙ্গে পেঁয়াজ রস

উপকরণ

শ্যাম্পু

খানিকটা পেঁয়াজ রস

পদ্ধতি

স্নানের সময় পরিমাণমতো শ্যাম্পু একটি বাটিতে নিয়ে তাতে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে শ্যাম্পু করতে হবে। স্বাভাবিক নিয়ম মেনে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এই পদ্ধতি নিয়মিত করলে চুল আকর্ষণীয় ও সুন্দর হয়ে উঠবে।

দেখতে পারেন – কনুইয়ের কালচে ভাব? রান্নার সামগ্রী দিয়ে দূর করার ৮টি টিপ

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

জীবন যেমন

বাড়িতে করোনা রোগীর দেখাশোনা কী ভাবে করবেন?

corona

খবরঅনলাইন ডেস্ক : প্রতিদিন হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এই অতিমারি করোনাভাইরাসে। এর মধ্যেই পঞ্চম দফার লকডাউনে খুলে গিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। আগামী দিনে খুলবে আরও কিছুও। তা হলে আর বাড়ি নয়, এ বার বাইরের জীবনকেই আগের মতো সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে করোনা। এই অবস্থায় করোনার প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ কথা ঠিক যে প্রতিষেধক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক তো থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ঘরের কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও অবাক হওয়ারও কিছু থাকবে না। বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে জানতে হবে কী ভাবে বাড়িতেই দেখাশোনা করবেন করোনাভাইরাসের রোগীকে।

এ দেশে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা হাতেগোনা। মুম্বই অ্যাপোলো হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ লক্ষ্মণ জেসানি এই বিষয়ে বিশেষ কিছু পরামর্শ দিলেন। জানালেন, হাসপাতালে না গিয়ে নিজে নিরাপদে থেকে কী ভাবে ঘরেই রোগীর পরিচর্যা করতে হবে।

১। অসুস্থতা বোধ করলে রোগীকে নিজের থেকেই সচেতন হতে হবে। 

২। কোনো ব্যক্তির মধ্যে যদি রোগের লক্ষণ থাকে তা হলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ১৪ থেকে ১৭ দিন আইসোলেশানে থাকতে হবে।

৩। শ্বাসকষ্ট থাকলে শুরুতেই সচেতন হতে হবে। নিয়মিত ডাক্তার ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।  

৪। এ ছাড়া হালকা জ্বর হলে ১০ দিন তাকে আলাদা রাখুন। 

৫। পরিবারের অন্য সসস্যদের নিরাপদে রাখতে সংক্ৰমিত রোগীকে বাথরুমসহ একটা ঘরে একা রাখতে হবে।

৬। রোগীর সঙ্গে কথা বলা বা তার দেখাশোনা করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস অবশ্যই পরতে হবে।

৭। খুব প্রয়োজন না হলে তার সঙ্গে নিশ্চিত রূপে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। যেমন ওধুষ বা খাবার খাওয়ানো ইত্যাদি।

৮। সংক্ৰমিত ব্যক্তির কাছে গেলে বারবার সাবানজলে হাত ধুতে হবে। অথবা অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতেই হবে। 

৯। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে জল ও ফলের রস, হালকা গরম সুপ ও আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি চা খেতে দিতে হবে। মাছ, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

১০। শিশু ও বয়স্কদের আক্রান্তের থেকে দূরে রাখুন।  

১১। সর্বোপরি তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে, মনের জোর ধরে রাখুন, নিয়ম মেনে চলুন। সচেতনতার কাছে করোনা পরাজিত হোক।  

আরও – করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়লেও অবশেষে কিছুটা আশার আলো

Continue Reading

জীবন যেমন

বিনা খরচে ত্বকের জেল্লা বাড়ানোর সহজ ৮টি পরামর্শ

face

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হয়। তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকে। লকডাউনের কারণে তেমনই শরীর মনে কমবেশি চাপ পড়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা সকলেই। তার ফল যেটা হচ্ছে, সেই ছাপ পড়ছে আমাদের চেহারায় ত্বকে। উলটো দিক থেকে ত্বক ভালো থাকলে মন ভালো থাকে। আলাদা কনফিডেন্স পাওয়া যায়। তাই একটু সময় বার করে খুব সাধারণ কয়েকটি কাজ নিয়মিত করুন। দেখবেন ত্বকের জেল্লা বাড়বে, সঙ্গে মনও ভালো থাকবে।

১। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা –  

দেরি করে ঘুমিয়ে তাড়াতাড়ি ওঠা সম্ভব নয়, কিন্তু যদি সময়মতো শোয়া যায় তা হলে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা সম্ভব। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার সুফল ত্বকের ওপর কিছু তো বর্তায় অবশ্যই।

২। লেবুর জল খাওয়া –

লেবুর রসে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করলে তা ভিতর থেকে শরীরকে পরিষ্কার ও রোগমুক্ত রাখে। তাতে লিভার ভালো থাকে। ফল হল ত্বক দারুণ ঝকঝকে থাকে।

৩। হাঁটা ও অল্প ব্যায়াম

এখন বাইরে বেরোনোর সুযোগ কম। কাজে লাগান ছাদকে। অথবা খুব ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তা। ভোর ভোর উঠে হাঁটার অভ্যাস খুব কাজের। সঙ্গে করতে পারেন সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।  এতে শরীর ঝরঝরে হবে। বাড়িতে থাকার ফলে হাতে পায়ে লেগে যাওয়া জং ছাড়বে। ব্যায়াম ও হাঁটায় শরীর ঘামবে ও শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যাবে। সুতরাং ত্বকের জেল্লাও বাড়বে।

৪। মুখ ধোয়ার অভ্যাস

ঘুম থেকে উঠে দেখবেন মুখমণ্ডলের নানা জায়গা – নাক, কপাল, গাল তেলতেলে হয়ে আছে। এগুলোকে ধুয়ে ফেলতে হবে ঘুম থেকে উঠেই। যে কোনো একটা কোমল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। তার পর ত্বকের ধরন ও ঋতুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে  সিরাম বা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। সারা দিন ত্বক তরতাজা থাকবে।

৫। এক্সফোলিয়েট করুন

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ওপরে মৃত কোষ জমে। তাতে ত্বক বিবর্ণ অনুজ্জ্বল দেখায়। সপ্তাহে অন্তত দু’বার ঘরোয়া স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন।

৬। ফল ও সবজি খান

শাকসবজি, ফল ত্বক ভালো রাখে। প্রতি দিন ব্রেকফাস্টে যে কোনো একটি ফল বা সবজি খান। কলা খাওয়া যেতে পারে। যে কোনো ফল খাওয়া যায় জুস বানিয়েও। সকালে ব্রেকফাস্টের পর জুস খেলে তা শরীরের যান্ত্রপাতিগুলিকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বক হয় জেল্লাদার।

৭। জল খান

প্রচুর পরিমাণে জল খেলেও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে ত্বকও পরিষ্কার থাকে। জেল্লা বাড়ে। জলের অভাবে ত্বক শুকনো লাগে।

৮। পরিমাণমতো ঘুম

অবশ্যই পরিমাণমতো ঘুম প্রত্যেক মানুষের জন্য জরুরি। তাই সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই শরীরকে ঘুমোতে দিতে হবে। তা না হলে ক্লান্তি বোধ বাড়ে, চোখের তলায় কালি পড়ে, ত্বক জেল্লা হারায়।

Continue Reading

ঘরদোর

এই দুর্দিনে রান্নার গ্যাস খরচ বেশি হচ্ছে? বাঁচাতে চাইলে এই পদ্ধতিগুলি মেনে চলুন

gas

খবরঅনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ লকডাউন, চাকরির বাজারেও মন্দা। কিন্তু বাড়িতে থাকলেই খাই খাই মন বশ মানে না। তার ওপর বাইরে বেরোলে জামাকাপড়কে ভাইরাসমুক্ত করতে গরম জল ব্যবহার হচ্ছে বারবার। অনেকেই গ্যাস জ্বালিয়ে জল গরম করেন। তাঁরা একটু বেশিই সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু উপায় কী? তা হলেও সময় এসেছে সচেতন হওয়ার।

সে ক্ষেত্রে গ্যাস কী ভাবে কম খরচ করবেন তা একটু ভেবে দেখতে হবে।

১। রান্নার সামগ্রী জোগাড় করে নিয়ে রান্না শুরু করুন। গ্যাস জ্বালিয়ে কাটা, বাটা, ধোয়া ইত্যাদি করবেন না।

২। রান্না করবেন যে বাসনে তা শুকনো করে মুছে তার পর উনুনে বসান, গ্যাসের আগুনে বাসন শুকিয়ে তেল দেবেন না। এতে গ্যাস খরচ প্রতি দিন অনেক বেশি হয়।

৩। জল গরম করার সময় ঢাকা দিয়ে বসান তা হলে তাড়াতাড়ি গরম হবে।

৪। খাবার জন্য জল গরম করতে হলে একবারে খানিকটা জল বেশি করে গরম করে ফ্লাক্সে ঢেলে রাখুন। তা দীর্ঘক্ষণ গরম থাকবে। বেশ কয়েক বার জল গরম না করলেও হবে।

৪। যে কোনো আনাজপাতি রান্নার ক্ষেত্রে সেদ্ধ করতেই হয়, সে ক্ষেত্রে প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। আনাজ প্রেশারে হালকা করে ভাপিয়ে নিয়ে রান্না করুন। প্রয়োজনে আনাজপাতি মশলা দিয়ে ভালো মতো কষিয়ে নিয়ে প্রেশারে দিয়ে সিটি দিয়ে নিন। তাতে রান্না চটজলদি হবে এবং গ্যাস খরচও কমবে।   

পড়ুন আপনার বাচ্চা অনলাইনে ঠিকমতো ক্লাস করছে তো! খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলি

৫। বার বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এক সঙ্গে বেশ কয়েক বারের চা তৈরি করে ফ্লাক্সে রেখে দিন। প্রয়োজনমতো ঢেলে খাওয়া যাবে।

৬। চাল, ডাল এই ধরনের দানাশস্য রান্নার আগে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। তা হলে সেদ্ধ করতে কম সময় লাগে। সেদ্ধ করতে বসানোর আগে জল ঢাকা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তার পর টগবগ করে ফুটন্ত গরম জলে চাল ডাল দিন। এর পর এক ফুট দিলেই সেগুলি বেশ বড়ো এবং নরম হয়ে যাবে। তখন ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ, এই ধরুন আধ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরে আবার এক দুই ফুট দিয়ে নিলেই পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে যাবে।

৭। চাল ডাল ইত্যাদি প্রেশারে খুব তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। তাতে গ্যাস কম খরচ হয়। তবে অনেকেরই প্রেশারের ভাত বা ডাল খেলে পেটে বায়ুর সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে উপরের পদ্ধতি অবশ্যই অনুসরণ করতে পারেন।

এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করলে দেখবেন আপনার গ্যাস আরও কিছু দিন বেশি চলছে।

দেখুন – এখন অনভ্যস্তরা রান্নাঘরে, তাঁদের জন্য কয়েকটি জরুরি পরামর্শ

দেখতে পারেন – মুখ ঢাকা মাস্কে, চরম মন্দা লিপস্টিক ব্যবসায়

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং