মকর সংক্রান্তি মানে পৌষ পার্বণ, তাই শিখে নিন নবান্ন তৈরির পদ্ধতি

ন আর কিছু মরসুমি ফল আর দুধ আর শিতকালীন পাটালি গুড়, তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু নবান্ন। রইল তারই রেসিপি।

0
nabanna
ila-das
ইলা দাস

মকরসংক্রান্তি মানেই ঘরে ঘরে নতুন ধান নতুন ফসল তোলার উৎসব। একে বলা হয় নবান্ন। আর এই নবান্ন উৎসবে অনেকের বাড়িতেই নবান্ন বানানোর একটা রেয়াজ থাকে। সেই নবান্ন খেতে দারুণ সুস্বাদু হয়। এই নবান্ন বানানো খুবই সহজ। লাগবে খালি সদ্য ওঠা ধান আর কিছু মরসুমি ফল আর দুধ আর শীতকালীন পাটালি গুড়, তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু নবান্ন। রইল তারই রেসিপি। প্রথমে দেখবে কী কী লাগবে।

উপকরণ –

দুধ – আধ লিটার

সুগন্ধী নতুন চাল (নতুন কামিনী আতপ) বাটা (আধ বাটা) – ৫০ গ্রাম

ক্ষীর – ৫০ গ্রাম

পাটালি গুড় – ১০০ গ্রাম

কাজু – অল্প

কিসিমিস – অল্প

পেস্তা বাদাম – অল্প

আমন্ড – অল্প

ছোটো এলাচ গুঁড়ো – সামান্য

বড়ো এলাচ গুঁড়ো – সামান্য

নারকোল কোড়া – আধ মালা

পানিফল কুঁচি

আপেল কুঁচি

খেজুর কুঁচি

আখ কুঁচি

কলা কুঁচি

শাঁকালু কুঁচি

শশা কুঁচি

চেরি কুঁচি

আঙ্গুর

বেদানা

কমলালেবু

কড়াইশুটি

পদ্ধতি –

কী ভাবে বানাবেন ভাবছেন তো। আহামরি কিছুই করতে হয় না। খালি একটা একটু বড়ো মাপের বাটি নিতে হবে তাতে একে একে উপকরণগুলি দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

প্রথমে চালটা ধুয়ে নিতে হবে। তার পর আধ বাটা মতো করে চালটা বেটে নিতে হবে। খেয়াল করতে হবে যেন মিহি বাটা না হয়। নারকেলটা কুড়ে রাখতে হবে। গুড়টা ভালো করে গুড়িয়ে রাখতে হবে আর সামান্য পরিমাণ ছোটো আর বড়ো এলাচ গুঁড়ো করে রাখতে হবে। আর ফলগুলিকে যতটা সম্ভব ছোটো ছোটো করে কেটে রাখতে হবে।

এ বার একটা বড়ো বাটিতে দুধটা ঢেলে তাতে গুড়টা মিশিয়ে নিতে হবে। গুড় মিশে গেলে ক্ষিরটা মেশাতে হবে। তারপর চাল বাটাটা দিয়ে একে একে ফলগুলি ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোথাও এক রকমের ফল জড়ো হয়ে না থাকে। সব রকমের ফল যেন একে অপরের সঙ্গে ভালো করে মিশে যায়। এবার কাজু কিসিমিস পেস্তা আমন্ড ছড়িয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। সব শেষে দু’ রকম এলাচের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিলেই নবান্ন বানানো শেষ। তারপর সামান্য সময় ধরুন পাঁচ দশ মিনিটের জন্য ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে। তারপর বের করে নিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা নবান্ন পরিবেশন করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here