Connect with us

মকর-সংক্রান্তির খবর

টুসু বিসর্জনের পর বাঁকুড়া জেলার বহু জায়গায় মকরের মেলার ধুম

pirbaba mela, akui
indrani sen

ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া:চোখের জলে টুসুকে বিদায় দিল জেলাবাসী। মকর সংক্রান্তির আগের দিন সারা রাত জেগে টুসু জাগরণ পুণ্যস্নান শেষ। এখন জেলার বিভিন্ন জায়গা মেতে উঠেছে নানা মেলায়।

টুসু উৎসব মূলত বাঁকুড়া জেলার লোকসংস্কৃতির এক অঙ্গ। এখানে টুসু ঘরের মেয়ে। মূলত এটি মেয়েদের একটি ব্রত। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তি থেকে পয়লা মাঘ পর্যন্ত চলে এই ব্রত পালন। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তিতে টুসু ঘট বা মূর্তি স্থাপন করা হয়। এর পর এক মাস চলে সন্ধ্যারতি ও গান। মেয়েরাই এই কাজ করে সম্মিলিত ভাবে। পৌষ সংক্রান্তির আগের দিন হল জাগরণ। পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তিতে টুসুর ভাসান বা বিসর্জন। এ দিন দলবেঁধে টুসুর বিসর্জন দেওয়া হয় জলাশয় বা নদীতে। তার পর মূর্তি ও চৌডল বিসর্জন দিয়ে নতুন জামা কাপড় পরে পিঠে-পুলি খেয়ে মকর পরবের সমাপ্তি ঘটে। এর সঙ্গে সঙ্গেই জেলা জুড়ে সূচনা হয় মেলা আর পৌষ পার্বণের। নতুন জামাকাপড়, নতুন চাল আর খেজুর গুড়ের গন্ধ জানান দেয় পিঠে সংক্রান্তির।

আরও পড়ুন গরামপুজো দিয়েই শুরু হল কুড়মি ও মূলবাসী সম্প্রদায়ের নববর্ষ

টুসু নিয়ে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে। বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষক সৌমেন রক্ষিত বলেন, “টুসু নিয়ে একাধিক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। পরকুলে বা দক্ষিণ বাঁকুড়ায় টুসু নিয়ে প্রচলিত লোকগাথা হল রাজনন্দিনী টুসু নতুন বৌ হয়ে পালকি চড়ে পতিগৃহে যাচ্ছিলেন পথে মুসলমান সেনারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করে তাঁকে অধিকার করতে চেয়েছিল। টুসু আপন সতীত্ব রক্ষার্থে নিকটবর্তী নদীতে ঝাঁপ দেয়। টুসুর এই আত্মবিসর্জনের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে পৌষ সংক্রান্তির দিন পরকুলের রাজা সেখানে টুসুমেলার আয়োজন করেন।” সৌমেনবাবু  আরও বলেন, অনেকেই টুসুকে শস্যের দেবী বলে মনে করেন। তাই শীতকালীন শস্য বাড়িতে উঠে এলে কৃষকেরা আনন্দে এই দেবীর পুজো করেন। আবার টুসু শব্দের অর্থ পুতুল (মুন্ডারী ভাষায়)। আদতে টুসু হল সাধারণ মানুষের উৎসব। টুসু রাজনন্দিনীই হোন, কিংবা শস্যের দেবী, তাঁর আগমন যে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলোর ঘরে ঘরে আনন্দ নিয়ে আসে, তাতে সন্দেহ নেই।

parkul mela

পরকুল মেলা।

অন্য দিকে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে জেলা জুড়ে বিভিন্ন মেলার সূচনা হয়, যার মধ্য অন্যতম হল ইন্দাসের আকুই গ্রামে রানার জাত বা পীরবাবার মেলা। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা শুরুর ইতিহাস আজও অজানা বর্তমান প্রজন্মের কাছে। রানার পুকুরে টুসু ভাসিয়ে মকর চান করে বুড়ো পীরের কাছে পুজো দেন ভক্তরা। সত্যপীরের পুজোর জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাতাসা, পাটালি, ধূপ, মাটির ঘোড়ার পসরা নিয়ে বসে থাকেন। একে শিন্নি বলে। সত্যপীরের কাছে ঘোড়া দেওয়ার নিয়ম। সাথে করে বাড়ির ঠাকুরের জন্য ও অনেক মানুষ জোড়া মাটির ঘোড়া কিনে আনেন।

indas mela

ইন্দাস মেলা।

পাশাপাশি ইন্দাসেও চলছে বাঁকুড়ারায়ের কুড়চি মেলা। ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ফরিদা খাতুন বলেন, সংক্রান্তির দিন থেকে ছয় দিন ধরে চলবে এই মেলা। মেলা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ এই মেলাতে অংশ নেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মকর-সংক্রান্তির খবর

সাগরমেলা উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেন পূর্ব রেলের, জানুন বিস্তারিত

Bandel Local

ওয়েবডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষ্যে একাধিক বিশেষ ট্রেন ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। শনিবার থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় এই বিশেষ ট্রেনগুলি চলবে।

পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এই দিনগুলিতে ১২টা মেলা স্পেশাল গ্যালোপিং লোকাল ট্রেন চালানো হবে। এর মধ্যে কিছু ট্রেন ছাড়বে কলকাতা স্টেশন থেকে, বাকিগুলি শিয়ালদহ থেকে। কলকাতা থেকে ছাড়া ট্রেনগুলি প্রিন্সেপ ঘাটেও দাঁড়াবে। অন্য দিকে শিয়ালদহ থেকে ছাড়া ট্রেনগুলি দাঁড়াবে বালিগঞ্জ, সোনারপুর, বারুইপুর, লক্ষ্মীকান্তপুর, নিশ্চিন্দাপুর এবং কাকদ্বীপে। পাশাপাশি শিয়ালদহ-বালিয়া এক্সপ্রেস এবং শিয়ালদহ-দ্বারভাঙ্গা এক্সপ্রেসে একটি করে বাড়তি সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণির বগি জুড়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন শীতের দাপট অব্যাহত থাকলেও মকর নিয়ে সংশয়

মেলার দিনগুলোয় নামখানা এবং কাকদ্বীপ স্টেশনে ২৪ ঘণ্টা পানীয় জল পরিষেবারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের  জন্য কাকদ্বীপে পাঁচটা এবং নামখানার চারটে বাড়তি টিকিট কাউন্টার তৈরি করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এই দু’টি স্টেশনে প্রচুর সিসিটিভির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও ‘মে আই হেল্প ইউ’ বুথেরও ব্যবস্থা করছে রেল।

এ ছাড়াও শিয়ালদহ, কাকদ্বীপ এবং নামখানা স্টেশনে বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Continue Reading

মকর-সংক্রান্তি

গঙ্গাসাগরের আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে

GangaSagar

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, গঙ্গাসাগর: সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর এক বার। এখন সে কথা অতীত। গঙ্গাসাগরের আমূল পরিবর্তনে এখন চেনাই যাচ্ছে না কয়েক বছর আগের গঙ্গাসাগরকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য্যের হাত ধরে এখানে গঠন করা হয়েছে, গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ন পর্ষদ। এই পর্ষদের তত্ত্বাবধানেই উন্নয়নের কাজ চলছে জোরকদমে।

গত বছর গঙ্গাসাগর পরিদর্শনে এসে সাগর সঙ্গমে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, গঙ্গাসাগরকে পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা আছে তাঁর। সমুদ্রতটে ২৭ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় সৌন্দর্যায়ণের নির্দেশও দিয়েছিলেন। তার পর জেলাশাসকের তৎপরতায় আমূল বদলে দিয়েছে গঙ্গাসাগর। পালটে যাচ্ছে গঙ্গাসাগরের অর্থনীতি, জনজীবনও।

আরও পড়ুন : মকর সংক্রান্তি মানে পৌষ পার্বণ, তাই শিখে নিন নবান্ন তৈরির পদ্ধতি

প্রাক্তন বিদ্যুৎমন্ত্রী মনীষ গুপ্তের হাত ধরে সাগরের রুদ্রনগরে বিদ্যুতের সাব স্টেশন তৈরি হয়েছে। সাগরবাসী এখন ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ পরিষেবা পাচ্ছে। বর্তমানে এই পরিষেবার আরও অগ্রগতি হয়েছে।

তৈরি হয়েছে বেশ কিছু স্থায়ী আবাসন। মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে গঙ্গাসাগর এখন বিশ্বমাঝে একটি পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। কচুবেড়িয়া থেকে সাগরদ্বীপ পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার রাস্তাকে (দু’লেনের) ঝাঁ চকচকে করে চওড়া পিচের রাস্তা করা হয়েছে। প্রচুর গাড়ি চলাচল করছে। রাস্তার দু’পাশে বসানো হয়েছে ত্রিফলা বাতিস্তম্ভ।

কপিলমুনির আশ্রম আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এখানে। মেলাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বসানো হয়েছে ড্রাম, ড্রাম্পিং গ্রাউন্ড। নদী তীরবর্তী এলাকায় বসানো হয়েছে ওয়াচটাওয়ার।

আরও পড়ুন : মকরসংক্রান্তি তে বানান ক্ষীর নারকেলের পাটি সাপটা

কপিলমুনির মন্দিরে জ্ঞানদাস মহান্ত জানালেন, এ বছর মকর সংক্রান্তির পূণ্যস্নান ১৪ জানুয়ারি সকাল ৯টা ১৫ থেকে পরের দিন ১৫ জানুয়ারি সকাল ১০ পর্যন্ত করা যাবে। গত ৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলার উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। মেলা চলাকালীন বেশ কয়েক জন মন্ত্রী গঙ্গাসাগরে থাকছেন।

GangaSagar

এ বছর তীর্থসাথী নামে মেগাকন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বাবুঘাট থেকে শুরু করে গঙ্গাসাগর অবধি ১০০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যার গতিবিধি ৪৪টি প্যানেলের মাধ্যমে তীর্থসাথী মেগাকন্ট্রোল রুমের মনিটরে ফুটে উঠবে। এবং তার ফুটেজ সরাসরি নবান্নে চলে যাবে বলে জানালেন, তীর্থসাথীর কাজের সঙ্গে যুক্ত অভিষেক মাইতি। এ বছর থেকে মেলায় আসা তীর্থযাত্রীদের বিমার ব্যবস্থা করেছে সরকার। এ বছর বাজেট ১০০ কোটি টাকা।

সব মিলিয়ে বার বার যেতে ইচ্ছা করবে গঙ্গাসাগরে।

Continue Reading

পরিবেশ

পরিবেশ আদালতকে বুড়ো আঙুল, মকর সংক্রান্তিতে বর্ধমান জুড়ে বিকোচ্ছে নাইলনের ঘুড়ির সুতো

নাইলন এবং সিনথেটিক মাঞ্জা বিক্রি নিষিদ্ধ করে জাতীয় পরিবেশ আদালত তথা ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি)।  প্রতিটি রাজ্য সরকারকে সিনথেটিক মাঞ্জা বিক্রি, কেনা অথবা সঞ্চয় নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা ‘পেটা’র (পিপল ফর এথিকাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিম্যাল) আবেদনের ভিত্তিতে এই নির্দেশ জারি করে এনজিটি। তার পরেই দিল্লিসহ বিভিন্ন বড় শহর গুলিতে বন্ধ হয় এই নাইলন তথা চানয়া  সিনথেটিক মাঞ্জা । গত বিশ্বকর্মা পুজো থেকেই কলকাতাতে খানিকটা হলেও এর ব্যবহার বন্ধ হয় । তবে ছোট মাঝারি শহরগুলো এখনও আনন্দে মেতে আছে এই দুর্ঘটনাপ্রবণ সুতো নিয়ে। কলকাতায় বিশ্বকর্মা পুজোতে ঘুড়ির মেলা পালন হলেও মকর সংক্রান্তিতে সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হয় ঘুড়ির মেলা । তবে গত কয়েক বছর ধরে ঘুড়ির জগতে নতুন সংযোজন হয়েছে নাইলনের সুতো। চলন্ত রাস্তা হোক বা গাছের ডাল, মানুষ থেকে পশুপাখি সকলের কাছেই ক্ষতিকর হয়ে ওঠে এই সুতো। যার থেকে রেহাই পেতেই গ্রিন ট্রাইব্যুনাল এই সিন্ধান্ত নিয়েছে। তবে  বর্ধমানের বাজারে রমরমা বিক্রি এই নাইলনের। বর্ধমানের বড়োবাজার, কালনাগেট বাজার , নীলপুড়, রথতলা একাধিক জায়গায় ঘুড়ি সুতো ব্যবসায়ীরা জমিয়ে ব্যবসা করছেন। যার জন্য দোকানে ভিড় পুরোনা থেকে নতুন সকলেরই । বড়োবাজারের ব্যবসায়ী বিট্টু ঘোষ জানান, “সকল খদ্দের এসে শুধু এই চায়না নাইলনের সুতোই চাইছে , না পেলে অন্য দোকানে চলে যাচ্ছে তাই রাখতে হচ্ছে । আমরাও চাই এই সুতো পুরোপুরি বন্ধ হোক। পশুপাখি ও মানুষ সকলের কাছেই এটা মারাত্মক হতে পারে।’’ বেশ কয়েকটি দোকানে খোঁজ করে জানাগেল দামে অন্য দেশীয় সুতির সুতোর থেকে ওনেক সস্তা চায়নার সুতো। তাই এর চাহিদা তুঙ্গে। এক পাইকারি ব্যবসায়ীর কথায়,” আমরা এই সুতো কোলকাতা থেকে আনি।  নিষিদ্ধ হওয়ার পরে একটু কড়াকড়ি হয়েছে। তাই চোরা পথে আনতে হয়।” ঐ দোকানেই এক ক্রেতা শ্যামল দাস-এর কথায় তিনি ২৫ বছর ধরে ঘুড়ি ওড়াচ্ছেন।  এখন ছেলেকে নিয়ে এসেছেন।  তিনিও বেছে নিয়েছেন এই নাইলন-সিনথেটিক।  নেবেন নাই বা কেন, যেখানে নাইলন( ১০০০ মিটার)  ৪০ টাকা থেকে শুরু সেখানে অন্য সুতো ১২০ থেকে ২০০-২৫০টাকা। সুতোর নামগুলিও তার ছেলের পছন্দ।  রয়েছে ব্লু হোয়েল, ডলফিন,  টারমিনেটর,  ব্লাক প্যান্থার। তবে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা দেখলেও পশুপ্রেমীরা খুবই ক্ষুদ্ধ।  বর্ধমান  শহরের টিকরহাটের বাসিন্দা তৃপ্তি চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে প্রাণী কল্যান সমিতি চালান। তৃপ্তিদেবী বলেন,  এই সুতো পাখিদের পা, ডানা,পালকে আকটে তাদের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে।  কুকুর বিড়াল,  গরুদেরও পা কেটে যাচ্ছে। বিক্রেতা, ক্রেতা ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।  মানুষেরও কী বিপদ হতে পারে আমাদের সকলেরই ধারনা আছে।” বর্ধমান  আদালতের আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বলেন, ” এগুলো বিক্রি করা আইন বিরুদ্ধ।  যার জন্য শাস্তি হতে পারে।  প্রশাসনকেই এদিকটা দেখতে হবে।”]]>

Continue Reading
Advertisement
ক্রিকেট3 hours ago

করোনাভাইরাস অতিমারির জের, ২০২১-এর জুন পর্যন্ত এশিয়া কাপ স্থগিত

কেনাকাটা5 hours ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

দঃ ২৪ পরগনা6 hours ago

‘গরিবের প্রাপ্য টাকা হজম করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব’, অভিযোগ শমীক লাহিড়ির

বিনোদন6 hours ago

শারীরিক দূরত্বের সঙ্গেই কেক কেটে নিজের জন্মদিন পালন করলেন সঙ্গীতা বিজলানি

ক্রিকেট7 hours ago

ক্যারিবিয়ান পেস-দাপটে উড়ে গেল ইংল্যান্ড ব্যাটিং

রাজ্য7 hours ago

কলকাতায় কমলেও এই প্রথম রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হাজারের ওপর

শিক্ষা ও কেরিয়ার7 hours ago

শুক্রবার আইসিএসই, আইএসসি-র ফল

দেশ8 hours ago

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভারতে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রক

দেশ17 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৭৯, সুস্থ ১৯৫৪৭

কলকাতা1 day ago

কলকাতায় লকডাউনের আওতায় পড়া এলাকাগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশিত

দেশ2 days ago

দ্রুত গতিতে বাড়ছে সুস্থতা, ভারতে এক সপ্তাহেই করোনামুক্ত লক্ষাধিক

রাজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউনের জল্পনা

বিদেশ2 days ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

রাজ্য2 days ago

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাজ্যের কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া লকডাউন

ক্রিকেট1 day ago

১১৬ দিন পর শুরু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডকে স্মরণ ক্রিকেটারদের

কেনাকাটা2 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

কেনাকাটা

কেনাকাটা5 hours ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা2 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা3 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে