Connect with us

মকর-সংক্রান্তি

কোন দেশে কী নামে পরিচিত এই মকর সংক্রান্তি জানেন কি?

মকরসংক্রান্তি

ওয়েবডেস্ক : শীত কাল মানেই পৌষ সংক্রান্তি বা মকরসংক্রান্তির উৎসব। এই মকর সংক্রান্তি হল আসলে একটি ফসলী উৎসব। এই উপলক্ষ্যে গঙ্গা সাগরে বিশাল মেলা বসে। সেখানে সাগর সঙ্গমে পূণ্য স্নানের হিড়িক। কিন্তু একটি বিষয় হল এটি শুধু কিন্তু গঙ্গাসাগরের বা পশ্চিমবঙ্গের একার উৎসব নয়। এই উৎসব পৃথিবীর অনেক দেশেরই। বিশেষ করে এটি পালিত হয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে।

জানেন কি কোথায় কী নামে পরিচিত?

ভারতে এই উৎসব মকর সংক্রান্তি নামে পরিচিত। কিন্তু অন্য দেশে এর আলাদা আলাদা নাম রয়েছে।

দেখে নেওয়া যাক কোথায় এই উৎসবের কী নাম?

বাংলাদেশে মকর সংক্রান্তির নাম ‘সাকরাইন’।

নেপালে মকর সংক্রান্তি উৎসবটি পরিচিত ‘মাঘি’ নামে।

থাইল্যান্ডে এর নাম ‘সংক্রান’।

লাওসে আবার মকর সংক্রান্তি ‘পি-মা-লাও’ নামে পরিচিত।

মিয়ানমারে এর নাম হল ‘থিং-ইয়ান’।

কম্বোডিয়ায় ‘মহাসংক্রান’ নামে পরিচিত এটি।

মকর-সংক্রান্তি

মকর সংক্রান্তিতে বানান চিতৈ পিঠে

চিতৈ

ওয়েবডেস্ক : মকর সংক্রান্তির সঙ্গে পিঠেপুলির একটি অদ্ভুত যোগ রয়েছে। এই দিন ঘরে ঘরে রকমারি পিঠেপুলি পায়েস রান্না করা হয়। খাওয়া ও খাওয়ানো হয়। তা ছাড়া এক কথায়, পৌষ পার্বণ মানেই বাঙালির রান্নাঘরে খাওয়াদাওয়ার জমজমাট আয়োজন। গুড়, দুধ, নারকেল, চালের গুঁড়ো – এইসব দিয়ে তৈরি হয় নানা ধরনের পিঠে। গোকুল পিঠে, আস্কে পিঠে, দুধপুলি, পাটিসাপটা। তেমনই একটি পিঠে হল, চিতৈ পিঠে।

কী ভাবে বানানো যায় এই পিঠে?

উপকরণ

গোবিন্দভোগ চালের গুঁড়ো – ১ কাপ
বেকিং পাউডার – ১ চা চামচ নুন – ৩/৪ চা চামচ
তেল – ২ চা চামচ
জল – প্রয়োজন মতো

প্রণালী –

সব উপকরণ এক সঙ্গে ভালো করে মেশাতে হবে। ভালো করে মেশানো হয়ে গেলে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ওই মিশ্রণটিকে ব্যাটার বানাতে হবে। মাঝারি ঘন হবে এই ব্যাটার। ব্যাটারটি তৈরি হয়ে গেলে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে। এর পর একটি বাটিতে আধ কাপ জল ও দুই টেবিল চামচ সাদা তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে, ব্যাটারের ঢাকা খুলে আরও খানিকটা জল মিশিয়ে একটু পাতলা ব্যাটার তৈরি করে নিতে হবে।

এই বার একটি ছোটো আপ্পাম মেকার উনানে বসাতে হবে। আপ্পাম মেকার না থাকলে বাজারে মাটির সরাও পাওয়া যায় চিতৈ পিঠে তৈরি করার জন্য। তাও ব্যবহার করা যায়। প্রতিটা গর্তে তেল ও জলের মিশ্রণ হালকা করে ব্রাশ করে নিতে হবে। প্রতিটা গর্তে পিঠের জন্য প্রস্তুত ওই ব্যাটার দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। এই সময় আঁচ মাঝারি করে দিতে হবে।

মাঝারি আঁচে চার বা পাঁচ মিনিট রান্না হতে দিতে হবে। এর পর সরু কাঠি বা চামচের পিছন দিক দিয়ে চাড় দিয়ে পিঠেগুলো তুলে নিতে হবে। এই ভাবেই তৈরি হয়ে গেল চিতৈ পিঠে। এই পিঠে খেতে হয় ঝোলা গুড় দিয়ে।

Continue Reading

মকর-সংক্রান্তি

দেশের কোথায় কী নামে পরিচিত মকর সংক্রান্তি?

মকরসংক্রান্তি

ওয়েবডেস্ক : মকর সংক্রান্তি এমনই একটি উৎসব যা এক এক জায়গায় এক এক নামে পালিত হয়। ভারতবর্ষের বাইরে বিভিন্ন নামে এই সংক্রান্তি পালিত হয়। শুধু বিদেশেই যে ভিন্ন নামে একই উৎসব পালিত হয় তা কিন্তু নয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও এই মকর সংক্রান্তি বিভিন্ন নামে পরিচিত। 

এ বার দেখে নেওয়া যাক দেশের কোথায় কী নামে পরিচিত মকর সংক্রান্তির এই উৎসব 

পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসব অনেক নামে পরিচিত। ‘পৌষ সংক্রান্তি’, ‘পৌষপার্বণ’ বা ‘নবান্ন’।

বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় এই উৎসব ‘খিচড়ি পরব’ নামে খ্যাত।

উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে একই নামে পরিচিত এই উৎসব। পঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল, জম্মুতে এই উৎসব ‘লোহরি’ নামে চালু। আবার এই অঞ্চলে একে ‘মাঘী’ উৎসবও বলা হয়।

লোহরি

কাশ্মীরে এর নাম ‘শায়েন-ক্রাত’।

রাজস্থান ও গুজরাতে এই উৎসবের নাম রাখা হয়েছে ‘উত্তরায়ণ’।

মধ্যপ্রদেশে মকর সংক্রান্তিকে বলা হয় ‘সুকরাত’।

মহারাষ্ট্রে বলা হয় ‘তিলগুল’।

তামিলনাড়ুতে এই উৎসবের নাম ‘পোঙ্গল’।

পোঙ্গল

কর্ণাটকে একে বলা হয় ‘মকর সংক্রমনা’ বা ‘ইল্লু বিল্লা’।

অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কেরলে এই উৎসব পশ্চিমবঙ্গের নামেই পরিচিত। ‘মকর সংক্রান্তি’ নামেই পরিচিত।

বিহু

পূর্ব ভারতের অসমে এই উৎসবের পরিচিতি ‘ভোগালি বিহু’ নামে।

Continue Reading

মকর-সংক্রান্তি

‘ছোটোমকরে’ শুরু হয়েছিল টুসু পাতানো, সংক্রান্তিতে ভাসান

tusu idol

মৃণাল মাহাত

“আইসছে মকর দুদিন সবুর কর/তরহা মুড়ি চিড়া জোগাড় কর” – এই টুসু গানে মত্ত ছোটোনাগপুর মালভূমির তামাম কুড়মী জনপদ। শুরু হয়েছে সেই ‘ছোটোমকরে’ টুসু পাতানোর মাধ্যমে। চলবে পোষ সংক্রান্তির টুসু ভাসান পর্যন্ত। এক সংক্রান্তি থেকে আরেক সংক্রান্তির এই যে যাত্রাপথ তার মাঝখানে প্রতি বছর ভূমিষ্ঠ হয় হাজার হাজার টুসু গান। যে গানের বেশির ভাগই দু:খ, দারিদ্র্য, প্রেম-পিরীতের রসে রঞ্জিত। সাম্প্রতিক কালে এই টুসু গান ভূমিপুত্রদের কাছে বঞ্চনা বিদ্রোহের হাতিয়ারও।

সোমবার ছিল বাঁউড়ি। জঙ্গলমহলের প্রতিটি গ্রামে এ দিন সকাল থেকে চলেছে মহিলাদের ব্যস্ততা। ভোর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল ঢেঁকিতে গুঁড়ি তৈরির কাজ। শালবনীর অনিমা মাহাত, মমতা মাহাতরা বলেন, এখনকার দিনে অধিকাংশ গুঁড়ি মেশিনে তৈরি হলেও, পরব-পার্বণে ঢেঁকিতে গুঁড়ি তৈরির মজাটাই আলাদা। জঙ্গলমহলের সংস্কৃতিতে ঢেঁকি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে বলে লোকসংস্কৃতিবিদদের অভিমত। তাঁদের বক্তব্য, আনন্দ, উদ্দীপনার দিক থেকে টুসু উৎসব কোনো অংশেই দুর্গাপূজার থেকে কম যায় না। লালগড়ের বিশিষ্ট কুড়মী সমাজকর্মী প্রাণবল্লভ মাহাত বলেন, যে সময় শারদীয়া দুর্গাপূজা হয়, সে সময় সারা ছোটোনাগপুর মালভূমি এলাকা জুড়ে অভাবের মাস। ধান রোপনের পর অধিকাংশ আদিবাসী পরিবারে অর্থের সংকুলান হয়। তাই দুর্গাপূজার সময় জঙ্গলমহল সে ভাবে মেতে উঠতে পারে না। কিন্তু, পোষসংক্রান্তির এই টুসু মেলায় প্রতিটি বাড়ি ধানে ভরে ওঠে। তাই পরিবারের প্রত্যেকের শরীরে ওঠে নতুন কাপড়।

টুসু আসলে কী? কে ছিলেন? এই প্রশ্ন নিয়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম জঙ্গলমহলের বেশ কিছু বিদগ্ধ মানুষের কাছে। টুসু উৎসব সম্পর্কে প্রচলিত নানা কিংবদন্তি এই উৎসবকে আরও মহিমান্বিত করেছে। টুসুকে কাশীপুরের রাজার কন্যা মনে করা হলেও এবং মকর সংক্রান্তির দিন মুসলমান নবাবের লালসার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নদীতে আত্মবিসর্জন এর কাহিনি প্রচলিত থাকলেও, জঙ্গলমহলের গবেষকরা কেউই এই কাহিনি মানতে চাননি।

busy artist

মূর্তি তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পী। নিজস্ব চিত্র।

প্রাক্তন অধ্যাপক ড: অনাদিনাথ কড়ইয়ার বলেছেন, টুসু হল সম্পূর্ণ ভাবে কৃষিভিত্তিক উৎসব। কার্তিক মাস থেকে যে ধানকাটা শুরু হয় শেষ হয় অগ্রহায়ণের সংক্রান্তিতে। অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তি যা জঙ্গলমহলে ‘ছোটোমকর’ নামে পরিচত।ওই দিন প্রতিটি কুড়মী পরিবারের কর্তা জমি থেকে ধানের শেষ আঁটিটিকে পুজো করে মাথায় করে নিয়ে এসে বাড়িতে স্থাপন করেন।এই অনুষ্ঠানটিকে বলা হয় ‘ডেনী মাঁই’ আনা। অনাদিবাবুর মতে, এই ‘ডেনী মাই’ হল টুসু। এই সময় প্রতিটি বাড়ি যে হেতু ফসলে টুসটুস করে ওঠে অর্থাৎ ভরে ওঠে, ওই জন্য এটা টুসু নামে পরিচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তি থেকে পোষমাসের সংক্রান্তি পর্যন্ত প্রতি দিন টুসুকে পুজো করা হয় নৃত্যগীতের মাধ্যমে।

হাজারিবাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড.বিনয় মাহাত টুসুকে শস্যের পুনর্জন্মের উৎসব বলে বর্ণনা করেছেন। বর্ষার শুরুতে মাটিতে পোঁতা বীজ থেকে নতুন শস্যের জন্ম হয়। সারা বছর চাষবাসের পর পোষমাসের শেষে সেই শস্য পূর্ণতা লাভ করে মকর সংক্রান্তিতে। টুসু উৎসব তাই আদিম মানুষের মৃত শস্যের পুনর্জীবন কামনার একটি জীবনধর্মী, সৃষ্টিধর্মী অভিনব লোকউৎসব। অনেক গবেষকের মতে, ‘তুষ’ শব্দ থেকে টুসু শব্দের উৎপত্তি। বিনয়বাবু তাঁর ‘লোকায়ত ঝাড়খণ্ড’ গ্রন্থে বলেছেন, এই তুষ মৃত ধানের প্রতীক। আর জলাশয়ে টুসু বিসর্জনের অর্থ হল মৃত শস্যকে কবর দেওয়া। তবু টুসু ভাসান শোকোৎসব নয়। বরং মৃতের অবশ্যম্ভাবী পুনর্জন্মকে ত্বরান্বিত করার জন্য আনন্দোৎসব।

আরও পড়ুন মকর উৎসবের মূল সুর ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’

টুসুর সঙ্গে মূর্তি পূজার কোনো সম্পর্ক নেই। তবু অঞ্চলভেদে বাঁকুড়া, মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় মুর্তিপুজো হচ্ছে। টুসু উৎসব এর প্রাণকেন্দ্র পুরুলিয়াতে কোনো ধরনের মূর্তি করা হয় না। টুসুর বাহন রূপে ‘চোড়ল’ ব্যাবহার করা হয় নৃত্যগীতে। পুরুলিয়ার বিশিষ্ট গবেষক চারিয়ান মাহাতের মতে, টুসু উৎসবে সূর্যদেবতাকে পুজো করা হয়। কুড়মালী শব্দ ‘টুই’ এর অর্থ সর্বোচ্চ, আর ‘সু’ এর অর্থ সূর্য। এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হওয়ায় সূর্য সর্বোচ্চ স্থানে থাকে। সূর্য যে হেতু সকল শক্তির উৎস, তাই সূর্যদেবতাকে পূজো করা হয় টুসুর মাধ্যমে।

‘টুসু’ সম্পর্কে যা-ই মতবাদ প্রচলিত থাকুক, টুসু বৃহত্তর ছোটোনাগপুর মালভূমি এলাকার জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। টুসু কুড়মী জনজাতির প্রধান উৎসব হলেও, এই এলাকায় বসবাসকারী সমস্ত জাতিগোষ্ঠী এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। মকরসংক্রান্তিতে স্নানের পর ধনী, গরিব প্রত্যেকের শরীরে উঠবে নতুন পোশাক। ওই দিন পুরুষরা চলে যায় নিকটবর্তী ‘পরকুল’ মেলায়। মহিলারা নিকটবর্তী নদী বা পুকুরে চলে যান টুসু বিসর্জনে। বাস্তবিকই টুসু হয়ে উঠেছে জঙ্গলমহলের প্রাণের উৎসব।

Continue Reading
Advertisement
দেশ7 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৭১১৪, সুস্থ ১৯৮৭৩

কলকাতা3 days ago

কলকাতায় লকডাউনের আওতায় পড়া এলাকাগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশিত

ক্রিকেট3 days ago

১১৬ দিন পর শুরু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডকে স্মরণ ক্রিকেটারদের

রাজ্য2 days ago

ঘুমের মধ্যেই চলে গেলেন মহীনের অন্যতম ‘ঘোড়া’ রঞ্জন ঘোষাল

LPG
দেশ3 days ago

উজ্জ্বলা যোজনায় বিনামূল্যের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার মেয়াদ বাড়ল আরও তিন মাস

দেশ2 days ago

সক্রিয় করোনা রোগীর ৯০ শতাংশই আটটি রাজ্যে!

শিক্ষা ও কেরিয়ার2 days ago

শুক্রবার আইসিএসই, আইএসসি-র ফল

কলকাতা2 days ago

করোনার পাশাপাশি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে শুরু হচ্ছে অন্যান্য রোগের চিকিৎসা

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা4 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা5 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা6 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে