Connect with us

মকর-সংক্রান্তি

মকর সংক্রান্তিতে কড়াইশুটির পিঠে? রইল রেসিপি

koraisutir-pithe

শীত কাল মানে চারদিকে লাল সবুজ নানান রঙের সবজির ভিড়। দেখলেই যেমন চোখের আনন্দ তেমনই মনের মধ্যে এইগুলি খাবার লোভ যেন পিছু ছাড়ে না। তেমনই একটি সবুজ খাবারের উপাদান হল কড়াইশুটি বা মটরশুটি। শীত কাল মানেই হয় কাঁচা মটরশুটি না হয় নানান পদে মটরশুটি খাবার ধুম। তেমনই জনপ্রিয় হল মড়াইশুটির কচুরিও। তবে কচুরি নয়। রইল কড়াই শুটির একটি অপ্রচলিত রেসিপি। নাম কড়াইশুটির পিঠে।

উপকরণ –

মটরশুটি – ২০০ গ্রাম,

চাল গুঁড়ো – ৫০ গ্রাম,

নারকেল কোরা আধ মালা

চিনি – ৫০ গ্রাম,

নলেন গুড় – ৫০ গ্রাম,

পাটালি গুড় – ৫০ গ্রাম,

সুজি – আধ কাপ,

সাদা তেল – পরিমাণ মতো,

নুন – স্বাদ মতো,

ছোটো এলাচ – ৪-৫টি,
জিরে গুঁড়ো – আধ চামচ,

ধনে গুঁড়ো – আধ চামচ,

শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো- আধ চামচ,

গোলমরিচের গুঁড়ো – আধ চামচ,

জল – পরিমাণমতো,

সাদা কাপড়ের টুকরো

পদ্ধতি –

প্রথমেই মটরশুটি ছাড়িয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে এক চিমটে নুন আর এক চিমটে চিনি দিয়ে তা মিক্সিতে ভালো করে বেটে নিতে হবে। এর পর কড়াই গরম করে সিদ্ধ মটরশুটি মিশ্রণটি দিয়ে এ বার তাতে চালের গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে। মিশ্রণ তৈরি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন পুড়ে না যায়। এর পর মিশ্রণটিকে ঠান্ডা করতে হবে।

অন্য একটি পাত্রে নারকেল কুরে নিতে হবে। আলাদা পাত্রে সুজি ঘণ্টা খানেক মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে।

শুকনো খোলায় এলাচের দানা হালকা করে ভেজে গুঁড়ো করে নিতে হবে। জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো ও গোলমরিচের গুঁড়ো হাল্কা ভেজে ভাজা মশলা তৈরি করতে হবে।

মণ্ড তৈরির পদ্ধতি – এ বার বড় পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে ২-৩ চামচ তেল ময়ান দিয়ে মাখতে হবে। এ বারে ময়দার মিশ্রণে একে একে মটরশুটির মিশ্রণ, জল ঝড়ানো সুজি আর এক চিমটে চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ভালো করে ঠাসতে হবে। এর পর মণ্ড বানিয়ে, গন্ধের জন্য তাতে এক চিমটে এলাচ গুঁড়ো ও ৩-৪ চিমটে ভাজা মশলা দিতে হবে। এ বার মণ্ডটিকে একটি সাদা কাপড়ে মুড়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে।

নারকেলের পুর – অন্য দিকে এ বারে কড়াই গরম হলে তাতে নারকেল কোরা দিয়ে ভালো করে নাড়তে হবে। নারকেল কোরায় এক কাপ দুধ, ৩-৪ চামচ মতো পাটালি দিয়ে মিশ্রণটিকে ভালো করে নাড়াচাড়া করতে হব। নারকেল চিট চিটে হলে নামিয়ে নিতে হবে।  উপর থেকে হাফ চামচ এলাচের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে পুর ঠান্ডা করতে হবে।

এই বারে মটরশুটির মিশ্রণ থেকে লুচির মত ছোটো লুচির মতো গোলাকার  চ্যাপ্টা গোল বেলে নিতে হবে। তার ওপরে ঠিক মাঝখানে পরিমাণ মতো নারকেলের পুর দিতে হবে। এরপর ভালো করে মুখ আটকে দিতে হবে।

সব শেষে কড়াইতে সাদা তেল গরম করে এ বার কাঁচা পিঠেগুলোকে তেলে ছেড়ে এ পিঠ ও পিঠ লাল মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিয়ে তাকে নলেন গুড়ে ডুবিয়ে দিতে হবে। চাইলে ভাজা পিঠে গুড়ে না ডুবিয়ে শুধু ভাজাও খাওয়া যায়।

মকর-সংক্রান্তি

মকর সংক্রান্তিতে বানান চিতৈ পিঠে

চিতৈ

ওয়েবডেস্ক : মকর সংক্রান্তির সঙ্গে পিঠেপুলির একটি অদ্ভুত যোগ রয়েছে। এই দিন ঘরে ঘরে রকমারি পিঠেপুলি পায়েস রান্না করা হয়। খাওয়া ও খাওয়ানো হয়। তা ছাড়া এক কথায়, পৌষ পার্বণ মানেই বাঙালির রান্নাঘরে খাওয়াদাওয়ার জমজমাট আয়োজন। গুড়, দুধ, নারকেল, চালের গুঁড়ো – এইসব দিয়ে তৈরি হয় নানা ধরনের পিঠে। গোকুল পিঠে, আস্কে পিঠে, দুধপুলি, পাটিসাপটা। তেমনই একটি পিঠে হল, চিতৈ পিঠে।

কী ভাবে বানানো যায় এই পিঠে?

উপকরণ

গোবিন্দভোগ চালের গুঁড়ো – ১ কাপ
বেকিং পাউডার – ১ চা চামচ নুন – ৩/৪ চা চামচ
তেল – ২ চা চামচ
জল – প্রয়োজন মতো

প্রণালী –

সব উপকরণ এক সঙ্গে ভালো করে মেশাতে হবে। ভালো করে মেশানো হয়ে গেলে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ওই মিশ্রণটিকে ব্যাটার বানাতে হবে। মাঝারি ঘন হবে এই ব্যাটার। ব্যাটারটি তৈরি হয়ে গেলে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে। এর পর একটি বাটিতে আধ কাপ জল ও দুই টেবিল চামচ সাদা তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে, ব্যাটারের ঢাকা খুলে আরও খানিকটা জল মিশিয়ে একটু পাতলা ব্যাটার তৈরি করে নিতে হবে।

এই বার একটি ছোটো আপ্পাম মেকার উনানে বসাতে হবে। আপ্পাম মেকার না থাকলে বাজারে মাটির সরাও পাওয়া যায় চিতৈ পিঠে তৈরি করার জন্য। তাও ব্যবহার করা যায়। প্রতিটা গর্তে তেল ও জলের মিশ্রণ হালকা করে ব্রাশ করে নিতে হবে। প্রতিটা গর্তে পিঠের জন্য প্রস্তুত ওই ব্যাটার দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। এই সময় আঁচ মাঝারি করে দিতে হবে।

মাঝারি আঁচে চার বা পাঁচ মিনিট রান্না হতে দিতে হবে। এর পর সরু কাঠি বা চামচের পিছন দিক দিয়ে চাড় দিয়ে পিঠেগুলো তুলে নিতে হবে। এই ভাবেই তৈরি হয়ে গেল চিতৈ পিঠে। এই পিঠে খেতে হয় ঝোলা গুড় দিয়ে।

Continue Reading

মকর-সংক্রান্তি

দেশের কোথায় কী নামে পরিচিত মকর সংক্রান্তি?

মকরসংক্রান্তি

ওয়েবডেস্ক : মকর সংক্রান্তি এমনই একটি উৎসব যা এক এক জায়গায় এক এক নামে পালিত হয়। ভারতবর্ষের বাইরে বিভিন্ন নামে এই সংক্রান্তি পালিত হয়। শুধু বিদেশেই যে ভিন্ন নামে একই উৎসব পালিত হয় তা কিন্তু নয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও এই মকর সংক্রান্তি বিভিন্ন নামে পরিচিত। 

এ বার দেখে নেওয়া যাক দেশের কোথায় কী নামে পরিচিত মকর সংক্রান্তির এই উৎসব 

পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসব অনেক নামে পরিচিত। ‘পৌষ সংক্রান্তি’, ‘পৌষপার্বণ’ বা ‘নবান্ন’।

বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় এই উৎসব ‘খিচড়ি পরব’ নামে খ্যাত।

উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে একই নামে পরিচিত এই উৎসব। পঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল, জম্মুতে এই উৎসব ‘লোহরি’ নামে চালু। আবার এই অঞ্চলে একে ‘মাঘী’ উৎসবও বলা হয়।

লোহরি

কাশ্মীরে এর নাম ‘শায়েন-ক্রাত’।

রাজস্থান ও গুজরাতে এই উৎসবের নাম রাখা হয়েছে ‘উত্তরায়ণ’।

মধ্যপ্রদেশে মকর সংক্রান্তিকে বলা হয় ‘সুকরাত’।

মহারাষ্ট্রে বলা হয় ‘তিলগুল’।

তামিলনাড়ুতে এই উৎসবের নাম ‘পোঙ্গল’।

পোঙ্গল

কর্ণাটকে একে বলা হয় ‘মকর সংক্রমনা’ বা ‘ইল্লু বিল্লা’।

অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কেরলে এই উৎসব পশ্চিমবঙ্গের নামেই পরিচিত। ‘মকর সংক্রান্তি’ নামেই পরিচিত।

বিহু

পূর্ব ভারতের অসমে এই উৎসবের পরিচিতি ‘ভোগালি বিহু’ নামে।

Continue Reading

মকর-সংক্রান্তি

‘ছোটোমকরে’ শুরু হয়েছিল টুসু পাতানো, সংক্রান্তিতে ভাসান

tusu idol

মৃণাল মাহাত

“আইসছে মকর দুদিন সবুর কর/তরহা মুড়ি চিড়া জোগাড় কর” – এই টুসু গানে মত্ত ছোটোনাগপুর মালভূমির তামাম কুড়মী জনপদ। শুরু হয়েছে সেই ‘ছোটোমকরে’ টুসু পাতানোর মাধ্যমে। চলবে পোষ সংক্রান্তির টুসু ভাসান পর্যন্ত। এক সংক্রান্তি থেকে আরেক সংক্রান্তির এই যে যাত্রাপথ তার মাঝখানে প্রতি বছর ভূমিষ্ঠ হয় হাজার হাজার টুসু গান। যে গানের বেশির ভাগই দু:খ, দারিদ্র্য, প্রেম-পিরীতের রসে রঞ্জিত। সাম্প্রতিক কালে এই টুসু গান ভূমিপুত্রদের কাছে বঞ্চনা বিদ্রোহের হাতিয়ারও।

সোমবার ছিল বাঁউড়ি। জঙ্গলমহলের প্রতিটি গ্রামে এ দিন সকাল থেকে চলেছে মহিলাদের ব্যস্ততা। ভোর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল ঢেঁকিতে গুঁড়ি তৈরির কাজ। শালবনীর অনিমা মাহাত, মমতা মাহাতরা বলেন, এখনকার দিনে অধিকাংশ গুঁড়ি মেশিনে তৈরি হলেও, পরব-পার্বণে ঢেঁকিতে গুঁড়ি তৈরির মজাটাই আলাদা। জঙ্গলমহলের সংস্কৃতিতে ঢেঁকি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে বলে লোকসংস্কৃতিবিদদের অভিমত। তাঁদের বক্তব্য, আনন্দ, উদ্দীপনার দিক থেকে টুসু উৎসব কোনো অংশেই দুর্গাপূজার থেকে কম যায় না। লালগড়ের বিশিষ্ট কুড়মী সমাজকর্মী প্রাণবল্লভ মাহাত বলেন, যে সময় শারদীয়া দুর্গাপূজা হয়, সে সময় সারা ছোটোনাগপুর মালভূমি এলাকা জুড়ে অভাবের মাস। ধান রোপনের পর অধিকাংশ আদিবাসী পরিবারে অর্থের সংকুলান হয়। তাই দুর্গাপূজার সময় জঙ্গলমহল সে ভাবে মেতে উঠতে পারে না। কিন্তু, পোষসংক্রান্তির এই টুসু মেলায় প্রতিটি বাড়ি ধানে ভরে ওঠে। তাই পরিবারের প্রত্যেকের শরীরে ওঠে নতুন কাপড়।

টুসু আসলে কী? কে ছিলেন? এই প্রশ্ন নিয়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম জঙ্গলমহলের বেশ কিছু বিদগ্ধ মানুষের কাছে। টুসু উৎসব সম্পর্কে প্রচলিত নানা কিংবদন্তি এই উৎসবকে আরও মহিমান্বিত করেছে। টুসুকে কাশীপুরের রাজার কন্যা মনে করা হলেও এবং মকর সংক্রান্তির দিন মুসলমান নবাবের লালসার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নদীতে আত্মবিসর্জন এর কাহিনি প্রচলিত থাকলেও, জঙ্গলমহলের গবেষকরা কেউই এই কাহিনি মানতে চাননি।

busy artist

মূর্তি তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পী। নিজস্ব চিত্র।

প্রাক্তন অধ্যাপক ড: অনাদিনাথ কড়ইয়ার বলেছেন, টুসু হল সম্পূর্ণ ভাবে কৃষিভিত্তিক উৎসব। কার্তিক মাস থেকে যে ধানকাটা শুরু হয় শেষ হয় অগ্রহায়ণের সংক্রান্তিতে। অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তি যা জঙ্গলমহলে ‘ছোটোমকর’ নামে পরিচত।ওই দিন প্রতিটি কুড়মী পরিবারের কর্তা জমি থেকে ধানের শেষ আঁটিটিকে পুজো করে মাথায় করে নিয়ে এসে বাড়িতে স্থাপন করেন।এই অনুষ্ঠানটিকে বলা হয় ‘ডেনী মাঁই’ আনা। অনাদিবাবুর মতে, এই ‘ডেনী মাই’ হল টুসু। এই সময় প্রতিটি বাড়ি যে হেতু ফসলে টুসটুস করে ওঠে অর্থাৎ ভরে ওঠে, ওই জন্য এটা টুসু নামে পরিচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তি থেকে পোষমাসের সংক্রান্তি পর্যন্ত প্রতি দিন টুসুকে পুজো করা হয় নৃত্যগীতের মাধ্যমে।

হাজারিবাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড.বিনয় মাহাত টুসুকে শস্যের পুনর্জন্মের উৎসব বলে বর্ণনা করেছেন। বর্ষার শুরুতে মাটিতে পোঁতা বীজ থেকে নতুন শস্যের জন্ম হয়। সারা বছর চাষবাসের পর পোষমাসের শেষে সেই শস্য পূর্ণতা লাভ করে মকর সংক্রান্তিতে। টুসু উৎসব তাই আদিম মানুষের মৃত শস্যের পুনর্জীবন কামনার একটি জীবনধর্মী, সৃষ্টিধর্মী অভিনব লোকউৎসব। অনেক গবেষকের মতে, ‘তুষ’ শব্দ থেকে টুসু শব্দের উৎপত্তি। বিনয়বাবু তাঁর ‘লোকায়ত ঝাড়খণ্ড’ গ্রন্থে বলেছেন, এই তুষ মৃত ধানের প্রতীক। আর জলাশয়ে টুসু বিসর্জনের অর্থ হল মৃত শস্যকে কবর দেওয়া। তবু টুসু ভাসান শোকোৎসব নয়। বরং মৃতের অবশ্যম্ভাবী পুনর্জন্মকে ত্বরান্বিত করার জন্য আনন্দোৎসব।

আরও পড়ুন মকর উৎসবের মূল সুর ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’

টুসুর সঙ্গে মূর্তি পূজার কোনো সম্পর্ক নেই। তবু অঞ্চলভেদে বাঁকুড়া, মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় মুর্তিপুজো হচ্ছে। টুসু উৎসব এর প্রাণকেন্দ্র পুরুলিয়াতে কোনো ধরনের মূর্তি করা হয় না। টুসুর বাহন রূপে ‘চোড়ল’ ব্যাবহার করা হয় নৃত্যগীতে। পুরুলিয়ার বিশিষ্ট গবেষক চারিয়ান মাহাতের মতে, টুসু উৎসবে সূর্যদেবতাকে পুজো করা হয়। কুড়মালী শব্দ ‘টুই’ এর অর্থ সর্বোচ্চ, আর ‘সু’ এর অর্থ সূর্য। এই সময় সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হওয়ায় সূর্য সর্বোচ্চ স্থানে থাকে। সূর্য যে হেতু সকল শক্তির উৎস, তাই সূর্যদেবতাকে পূজো করা হয় টুসুর মাধ্যমে।

‘টুসু’ সম্পর্কে যা-ই মতবাদ প্রচলিত থাকুক, টুসু বৃহত্তর ছোটোনাগপুর মালভূমি এলাকার জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। টুসু কুড়মী জনজাতির প্রধান উৎসব হলেও, এই এলাকায় বসবাসকারী সমস্ত জাতিগোষ্ঠী এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। মকরসংক্রান্তিতে স্নানের পর ধনী, গরিব প্রত্যেকের শরীরে উঠবে নতুন পোশাক। ওই দিন পুরুষরা চলে যায় নিকটবর্তী ‘পরকুল’ মেলায়। মহিলারা নিকটবর্তী নদী বা পুকুরে চলে যান টুসু বিসর্জনে। বাস্তবিকই টুসু হয়ে উঠেছে জঙ্গলমহলের প্রাণের উৎসব।

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
care
কেনাকাটা23 mins ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

দেশ39 mins ago

রামজন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধানের কোভিড, ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন

দেশ50 mins ago

সৎ করদাতাদের সুবিধার্থে ‘স্বচ্ছ করব্যবস্থা’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

representational pic.
দেশ1 hour ago

এ বার পঞ্জাবে কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব চরমে, মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বললেন দলীয় সাংসদ

রাজ্য2 hours ago

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশের পরেও কেন উদাসীন বেসরকারি হাসপাতাল?

দেশ2 hours ago

৮ লক্ষের বেশি টেস্টে আক্রান্ত ৬৭ হাজার, দৈনিক সংখ্যায় রেকর্ড হলেও সংক্রমণের হার কমল ভারতে

দেশ3 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৬৬৯৯৯, সুস্থ ৫৬৩৮৩

SBI
শিল্প-বাণিজ্য4 hours ago

এসবিআই গ্রাহকরা কী ভাবে নিজেই ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন?

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা23 mins ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা7 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা7 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand