ছোটন দত্ত গুপ্ত:

কবিতায়, প্রবন্ধে, গল্পে গর্ভযন্ত্রণার কথা অলঙ্কার হিসেবে বহু ব্যবহৃত। মানসিক যন্ত্রণার সময়ও আমরা ‘গর্ভযন্ত্রণা’ শব্দ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আদতে এই যন্ত্রণা শারীরিক ও মানসিক ভাবে মায়েরাই এক মাত্র উপলব্ধি করে। গর্ভযন্ত্রণা বোঝার মতো পুরুষ গুণতিতে আসে না।

মেয়েরা ছাড়া এই গর্ভযন্ত্রণা যদি কেউ বুঝে থাকেন তিনি হলেন ডাঃ কেদারনাথ দাস। চিকিৎসাবিজ্ঞান যখন ভ্রূণস্তরে, ভারতীয় সমাজে বিধবাবিবাহের যখন শৈশবকাল, তখন এক ভারতীয় ডাক্তার প্রসবযন্ত্রণা লাঘবের গবেষণায় মগ্ন। আজ ভাবলে অবাক হতে হয়, সেই সময় পর্দার আড়ালে থাকা মেয়েদের জঙ্ঘা নিয়ে গবেষণার সাহস কী করে করলেন তিনি! কী করে এড়ালেন তথাকথিত হিন্দুসমাজের চোখ! নারীশিক্ষার বিকাশ ঘটাতে যখন রক্ষণশীল হিন্দুসমাজের প্রতিরোধের মুখে মধ্যে পড়তে হয় ভগ্নী নিবেদিতাদের, সে সময় মেয়েদের জঙ্ঘা নিয়ে গবেষণা, বিস্ময় উদ্রেক করে বই-কি।

আরও পড়ুন: স্মরণ করি কলম্বিয়া-অভিযাত্রী কল্পনা চাওলাকে

বাঙালি বা এশীয় মেয়েরা শারীরিক গঠনে ব্রিটিশ মেয়েদের থেকে ছোটোখাটো। বাঙালি মেয়েদের জঙ্ঘার মাপ ব্রিটিশ মেয়েদের ৭/৮ ভাগ আর শিশুর ওজন ব্রিটিশ শিশুর ওজনের ৬/৭ ভাগ। এর ফলে ব্রিটিশ মেয়েদের জন্য ব্যবহৃত ফরসেপস (সিম্পসন জাতীয় ফরসেপস) ভারতীয় মেয়েদের প্রসবের সময় ব্যবহার করলে যোনিপথে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হত, যার ফলে অনেক সময়ে বাচ্চা ও মায়ের মৃত্যু ঘটত। এই মৃত্যু ডাঃ কেদারনাথ দাস কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। কেন ভারতীয় মেয়েদের প্রসবের সময়ে মৃত্যু হবে, এই যন্ত্রণা তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল। ‘একটু কাঁটাছেড়া তো হবেই’, অনেক চিকিৎসকেরই এই তাচ্ছিল্যের মানসিকতা। পাশাপাশি আরেকটা মনোভাবও কাজ করছিল – পাশ্চাত্যে যে ফরসেপস ব্যবহার হয়, তা-ই আমাদের দেশের মেয়েদের ক্ষেত্রে যথেষ্ট, নতুন করে কিছু ভাবাটাই বোকামো।


বেঙ্গল ফরসেপস ছাড়াও ডাঃ কেদারনাথ দাসের আরও দু’টো বড়ো কাজের প্রথমটি হল, ‘ভ্যাজাইনাল হিসটেরেকটমি’ – অস্ত্রোপচারের নতুন পথ – যোনিপথে জরায়ু বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিশ্বে তখন হাতে গোনা দু’-এক জন ডাক্তার এই কাজ করার সাহস পেতেন। আরেকটি হল ‘পোস্ট-ডেটেড প্রেগন্যান্সি’ বা প্রলম্বিত গর্ভধারণ।


ডাঃ কেদারনাথ দাস হাল ছাড়লেন না, গবেষণা চালিয়ে যেতে থাকলেন। যে সময় ডাঃ দাস মেয়েদের জঙ্ঘার উপর গবেষণা করছেন সেই সময়ের সামাজিক চিত্রটা মনে রাখতে হবে – মেয়েদের প্রসবের ব্যাপারটি ছিল চিকিৎসা পরিধির একেবারে বাইরের ব্যাপার,  পুরোপুরি গৃহস্থালির বিষয়। প্রসবের সব দায়িত্ব ছিল ডোম ধাইয়ের। নাড়ি কাটার কাজটাই অপরিচ্ছন্ন, অপবিত্র বলে মনে করা হত। হাসপাতালে রয়েছেন পুরুষ ডাক্তার, তাই প্রসবের সময় মেয়েরা সেখানে আসত না বললেই চলে। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে মেয়েদের ডাক্তারি পড়া শুরু হলেও সেই ক্লাস হত পর্দার আড়ালে। সেই অন্ধকার অধ্যায়ে ডাঃ কেদারনাথ দাস মেয়েদের পেলভিক কার্ভ ও শিশুদের মাথার মাপের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ‘বেঙ্গল ফরসেপস’ ডিজাইন করেন। এই ‘বেঙ্গল ফরসেপস’ হালকা ও ডেলিকেট। ডাক্তারদের ব্যবহারের সুবিধের জন্য ‘অ্যাক্সিস ট্রাকশন’ নামে একটি টুল যুক্ত করলেন। প্রসবের সময়ে শিশুর মাথা গর্ভের মধ্যে অনেক সময় সঠিক স্থানে থাকে না, যার ফলে মা ও শিশুর মৃত্যুও ঘটে। জঙ্ঘা আর শিশুর মাথার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি হল বেঙ্গল ফরসেপস। এর সাহায্যে গর্ভের মধ্যেই শিশুর মাথা ঘুরিয়ে প্রসব হওয়ার অবস্থায় নিয়ে আসা যায়। এটা বেঙ্গল ফরসেপসের আর একটা বড় ব্যবহার।

ডাঃ কেদারনাথ দাসের সৃষ্টি ‘বেঙ্গল ফরসেপস’।

বেঙ্গল ফরসেপস ছাড়াও ডাঃ কেদারনাথ দাসের আরও দু’টো বড়ো কাজের প্রথমটি হল, ‘ভ্যাজাইনাল হিসটেরেকটমি’ – অস্ত্রোপচারের নতুন পথ – যোনিপথে জরায়ু বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিশ্বে তখন হাতে গোনা দু’-এক জন ডাক্তার এই কাজ করার সাহস পেতেন। আরেকটি হল ‘পোস্ট-ডেটেড প্রেগন্যান্সি’ বা প্রলম্বিত গর্ভধারণ। সেই সময় ডাক্তাররা ভাবতেন রোগিনী গর্ভধারণের দিন গুনতে ভুল করছে। সেই কারণে এই ব্যাপারটিকে ডাক্তাররা পাত্তা দিতেন না। ডাঃ কেদারনাথ দাস এই বিষয়ে কেস স্টাডি করে ‘পোস্ট-ডেটেড প্রেগন্যান্সি’ চিহ্নিত করেছিলেন। এ সব ক্ষেত্রে জন্ম যে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তা-ও বলেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর আট বছর পরে ব্রিটিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এফ জে ব্রাউন প্রমাণ করেন যে ‘পোস্ট-ডেটেড প্রেগন্যান্সি’ অনেক মেয়ের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

এ সব মানুষও জীবনে অনেক সময়ে কঠিন কষ্টের মধ্যে দিয়ে যান। স্ত্রী আমোদিনী জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ দেশে ক্যানসার সার্জারির ভালো পরিকাঠামো ছিল না। নিজে স্ত্রীরোগের এত বড়ো সার্জন হয়েও ভারতে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নেননি। স্ত্রীকে বিলেতে নিয়ে যাওয়ার আগেই ১৯৪৫ সালে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে আমোদিনী মারা গেলেন। কর্মজীবনে বহু সাফল্য, সম্মান ও অর্থ পেয়েছেন। জয়পুর, কোচবিহার, দ্বারভাঙা, বর্ধমান-সহ বিভিন্ন রাজবাড়ির অতি প্রিয় ডাক্তার ছিলেন কেদারনাথ। এঁরা গিনি দিয়ে ফি দিতেন। বিডন স্ট্রিটে বিরাট বাড়ি করেছিলেন। তাঁর মেজোছেলে প্রবোধচন্দ্র ডাক্তার হন।


ধাত্রীবিদ্যার উপর ডাঃ কেদারনাথ দাসের এত আগ্রহের মূলে তাঁর মায়ের মৃত্যু। মা ছিলেন পানিহাটির যদুনাথ ঘোষের মেয়ে। ছেলেবেলা থেকে মেয়ের মতো বাড়ির সব কাজে মাকে সহযোগিতা করতেন। কেদারনাথের প্রবেশিকা পরীক্ষার আগেই মা অসুস্থ হন। সেই সময়কার নামীদামি চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু কিছু দিন পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ডাঃ কেদারনাথের ধারণা ছিল, চিকিৎসার ত্রুটির জন্যই মায়ের মৃত্যু হয়েছে।


১৯১২ সালে ডাঃ কেদারনাথ দাস ‘নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ’-এ (সেই সময় ছিল ‘ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল’, ডিগ্রি সার্টিফিকেট নয়, দেওয়া হত ডিপ্লোমা এলএমপি সার্টিফিকেট) বসে নতুন ধরনের ফরসেপস নিয়ে গবেষণার কাজ শেষ করেন, যা ‘বেঙ্গল ফরসেপস’ বা ‘দাস ফরসেপস’ নামে খ্যাত হয়। এ বছর ‘বেঙ্গল ফরসেপস’-এর ১০৫ বছর।

আরও পড়ুন: রকেট গার্লস: নাসা-র ভুলে যাওয়া মহিলা বিজ্ঞানীদের কথা

ধাত্রীবিদ্যার উপর ডাঃ কেদারনাথ দাসের এত আগ্রহের মূলে তাঁর মায়ের মৃত্যু। মা ছিলেন পানিহাটির যদুনাথ ঘোষের মেয়ে। ছেলেবেলা থেকে মেয়ের মতো বাড়ির সব কাজে মাকে সহযোগিতা করতেন। কেদারনাথের প্রবেশিকা পরীক্ষার আগেই মা অসুস্থ হন। সেই সময়কার নামীদামি চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু কিছু দিন পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ডাঃ কেদারনাথের ধারণা ছিল, চিকিৎসার ত্রুটির জন্যই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তখন থেকেই ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছে বাসা বাঁধে। ডাক্তার হন। সাহেব ডাক্তারদের চেয়ে বাঙলার যে ডাক্তাররা বেশি মর্যাদা নিয়ে কাজ করতেন, তাঁদের মধ্যে মেডিসিনে ডাঃ নীলরতন সরকার, ডাঃ উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী, সার্জারিতে কর্নেল সুরেশপ্রসাদ আর ধাত্রীবিদ্যায় স্যার কেদারনাথ দাস। ডাঃ কেদারনাথ দাস ১৮৯২ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবি পরীক্ষায় প্রথম হন। ধাত্রীবিদ্যায় ফুল মার্কস পেয়েছিলেন। শোনা যায়, সে রেকর্ড আজ অবধি কেউ ভাঙতে পারেননি। ১৮৯৯ সালে ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁর সার্জারির এমন সুনাম ছড়িয়েছিল যে রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের মেয়েরাও হাসপাতালে আসতে শুরু করলেন সমস্ত সংকোচ ত্যাগ করে। মেডিক্যাল কলেজের ধাত্রীবিদ্যার বিখ্যাত অধ্যাপক গ্রিন আর্মিটেজ কেদারনাথকে বলতেন ‘মাই গুরু’। দীর্ঘ ১২ বছর সাধনা করে বেঙ্গল ফরসেপস তৈরি করেন। ভারতে এখনও বেঙ্গল ফরসেপস দিয়েই প্রসব করানো হয়। বেঙ্গল ফরসেপস আজও বিশ্বে সমাদৃত। ১৯১৮ সাল পর্যন্ত ‘ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল কলেজে’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯১৯ সালে কারমাইকেল মেডিক্যাল  কলেজে (বর্তমানে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ) যুক্ত হন। এখানে ১৭ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করেন এবং কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজের উন্নতির জন্য ষাট হাজার টাকা সাহায্য করেন। বৈজ্ঞানিক মহলে তিনি আজও বিখ্যাত তাঁর ‘অবস্টেট্রিক ফরসেপস : ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড এভোলিউশান’ বইটির জন্য। নব্বইয়ের দশকেও সে বই পুনর্মুদ্রণ করেছে লিডস বিশ্ববিদ্যালয়-সহ নানা প্রকাশনা সংস্থা। বইটিতে ৮৭৮টি ফরসেপসের বিবরণ আছে। প্রতিটির ছবিও দেওয়া আছে। প্রতিটি ফরসেপসের নিখুঁত বিবরণ ও কার্যপদ্ধতি বর্ণনা করা আছে। সেই সময় কলকাতায় বসে বহু ভাষার, বহু দেশের বই, প্যামফ্লেট গবেষণার জন্য সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। বিভিন্ন দেশের ফরসেপসও সংগ্রহ করেছিলেন। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে এই ফরসেপসগুলি সংরক্ষিত আছে।

আজকের বহু মানুষই কিন্তু এই মানুষটির অবিস্মরণীয় সৃষ্টির জন্য এই পৃথিবীতে বিচরণ করছেন। অথচ এই মানুষটিকে আমরা ক’জন চিনি-জানি। সবার সব কিছু জানা সম্ভব নয়। কিন্তু ‘বেঙ্গল ফরসেপস’ ভারতবর্ষের প্রত্যেক ডাক্তারকেই পড়তে ও জানতে হয়। যাঁরা ডাক্তার তাঁদেরই তো উচিত ডাঃ কেদারনাথের কাজের কথা বাঙলা তথা ভারতের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া, অন্তত সরকারকে জানানো। তা হলে সাধারণ মানুষও জানতে পারবে। আমাদের দেশের মায়েরা জানতে পারলে, যথাযোগ্য ভাবে ডাঃ কেদারনাথ দাসকে স্মরণ করতেন। মাতৃযন্ত্রণা লাঘবের একশো বছর নিঃশব্দে পেরিয়ে গিয়েছে পাঁচ বছর আগেই। এ বছরই তাঁর জন্মের সার্ধশতবর্ষ। এ-ও কি নিঃশব্দে পেরিয়ে যাবে? তা হলে আর বাঙালি জাতি হিসেবে গর্ব করার কী  থাকে?

জীবনপঞ্জী

ডাঃ কেদারনাথ দাসের জন্ম কলকাতায়, ১৮৬৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। হিন্দু স্কুল, জেনারেল অ্যাসেম্বলি ইনস্টিটিউশন হয়ে মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবি (১৮৯২), মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি (১৮৯৫)। কর্মজীবন শুরু ১৮৯২-তে, মেডিক্যাল কলেজের ইডেন হাসপাতালের হাউজ সার্জন হয়ে, ১৮৯২ থেকে ’৯৯ পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজের রেজিস্ট্রার। ১৮৯৯ সালে ‘ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল’ (বর্তমান ‘নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল)-এর ধাত্রীবিদ্যার শিক্ষক নিযুক্ত হন। ১৯১২ সালে ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুলেই বেঙ্গল ফরসেপসের কাজ সম্পন্ন করেন।  ১৯১৯ সালে কারমাইকেল হাসপাতালে ধাত্রীবিদ্যার অধ্যাপক হন। ১৯২২ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত এই কলেজে অধ্যক্ষ ছিলেন তিনি। বহু সম্মান তিনি পেয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিআইই (১৯১৮), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটস মেডেল (১৯২৯), নাইটহুড (১৯৩৩), প্রথম ভারতীয় মেডিক্যাল কংগ্রেসের সহ-সম্পাদক (১৮৯৪), আমেরিকান গাইনোকোলজি সোসাইটির সাম্মানিক ফেলো (১৯২৩)।

১৯১৪ সালে তাঁর রচিত বই ‘আ হ্যান্ডবুক অফ অবস্টেট্রিকস’ ও ১৯২০ সালে ‘আ টেক্সট বুক অব মিডওইয়াইফারি। ১৯২৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় ‘অবস্টেট্রিক ফরসেপস : ইটস হিসট্রি অ্যান্ড এভোলিউশন’।

১৯৩৬ সালের ১৩ মার্চ ডাঃ কেদারনাথ দাস প্রয়াত হন।

সূত্র: নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের ১৫০ বছর উপলক্ষে তৈরি তথ্যচিত্র।

দেখুন তথ্যচিত্রটি:

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here