Broking News

সেটা আবার কেমন?

এই আপনি যেমনটা ভাববেন, তেমন। মানে ভাবনার জন্য যাঁর যেমন ধরনের হরমোন ক্ষরণ হবে ঠিক তেমনটাই!

সামনে লোকসভা ভোট। এক দিকে বিজেপি আর এক দিকে কাল্পনিক মহাজোট। সে দেশসুদ্ধু যা-ই হোক, বাংলা কিন্তু দিদিগন্ধময়। বামেরা ৩৪ বছর যা দিয়েছে (এবং খেয়েছে), সে সব নিয়েও আর বেশি কেউ কচলায় না। কংগ্রেস ‘এই উঠছি, এই জাগছি’ করে ধড়পড়ানি দেখায় ঠিকই কিন্তু সেই তো হাইকমান্ডের দাবড়ানি খেয়ে শান্তশিষ্ট, কী যেন সব বিশিষ্ট হয়ে যাবে।

হাতে আছে বিজেপি। শুধু হাতে নয়, পঞ্চায়েতের চুলচেরা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভোটারদের পাতে দেওয়ার মতোও। তবে জাতপাতের চক্করে পড়ে গিয়ে মাঝেমধ্যেই সমালোচিত হয় ঠিকই, কিন্তু তারা এখন বিশ্বের সব থেকে বড়ো পার্টি অফিসের মালিক। বহুজাতিক সংস্থার মতোই বহুজাতিক পার্টি হয়ে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা তাদের সামনে। তাই দলের প্রসারে ভিন্ন ভিন্ন দেশে, (বর্তমানে) রাজ্যে ভিন্ন নীতি তাদের থাকতেই পারে।

বাংলার বিজেপি এখন অনেক বেশি বাস্তববাদী। এ রাজ্যের মুসলমান ভোটারদের কাছে টানতে না পারলে তারা যে শাসনক্ষমতা থেকে দূরে রয়ে যাবে তা বিলক্ষণ বুঝেছেন দলের নেতারা। ফলে নেওয়া হচ্ছে হরেক মাল-মশলাদার উদ্যোগ।

বিজ্ঞাপনের ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস বদলে গেছে। এখন যেমন বিজ্ঞাপন শুধু অ্যাডভারটাইজমেন্ট নয়, তেমন সম্পাদকীয়ও তেমন এডিটরিয়াল নয়। এখন দুইয়ে মিলে তৈরি হয়েছে দমদার খিচুড়ি নাম তার অ্যাডভারটরিয়াল। সেটা কিন্তু সুকুকাকুর হাঁসজারুর মতো শুনতে লাগলেও কাজে বেচো এবং নাচোর মতোই। এটা ডিমও পাড়ে, দুধও দেয়। ধরুন আপনি সকালে উঠে খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখলেন হেডলাইন- মুসলমানদের পাশে চাইছে বঙ্গ-বিজেপি। এ বার নিজেই ভাবুন, এমন খবর পড়ে আপনি কী ভাববেন?

লিখেছেন গেঁজেলবোধি

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here