নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দেখতে দেখতে আটে পা। তাই দাবির সুরটাও চড়া হবে সেটাই স্বাভাবিক। কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা যাতে আন্তর্জাতিক বইমেলা তালিকায় পাকাপাকি স্থান পায় সেই উদ্যোগই নিয়েছে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি। রবীন্দ্রসদনের উল্টোদিকে মোহরকুঞ্জে আয়েজিত বাংলাদেশ বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তেমনটাই জানালেন সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ।

এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য মঞ্চে উপস্থিত, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারকে অনুরোধ করেন। কারণ, তালিকায় ঠাঁই পেতে গেলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে অন্তত দশ বছর মেলা করার ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে হবে আন্তর্জাতিক বইমেলা কমিটিকে। আবেদন গৃহিত হলে আন্তর্জাতিক বইমেলার বার্ষিক ক্যালেন্ডারে ঢুকে পড়বে কলকাতার আয়োজিত এই বাংলাদেশ বইমেলার নাম।

debashis kumar

দেবাশিস কুমার আশ্বাস দেন, এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এলে কলকাতা পুরসভার বৈঠকে তাঁরা অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

Abul Maal Abdul Muhith

এই মেলার উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, এখনও ডিজিটাল মাধ্যমের কাছে হেরে যায়নি ছাপার বই।

Abul Maal Abdul Muhith

উদ্বোধনের পর মেলা ঘুরে দেখেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী।

bangladesh-bookfair

এ বছর মেলার ৬১টি স্টলে মোট ৬৯টি প্রতিষ্ঠান বই নিয়ে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। মেলা চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা অবধি মেলা খোলা থাকছে।

আরও পড়ুন : কবে আবার চালু হবে বোদাগঞ্জে বনোন্নয়ন নিগমের কটেজগুলো

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here