taslima nasrin

ওয়েবডেস্ক: সময়টা ২০০৩! আত্মজীবনীর তৃতীয় পর্ব পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশিত হতেই দ্বিখণ্ডিত হয়ে গিয়েছিল শাসক-মানস। লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে সবার তখন একটাই চিন্তা – কী ভাবে বন্ধ করা যায় বিস্ফোরক বক্তব্য!‍ পরিণামে তৎকালীন শাসকদল বইটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। করে স্বস্তির শ্বাস নেয়! বই নিষিদ্ধ, অতএব তার তথাকথিত বিতর্কিত লেখাও আর জনতার কাছে পৌঁছে যাওয়ার উপায় রইল না!

taslima nasrin

এর পরের ঘটনা কিছু জটিল এবং দ্রুত গতিরও বটে! ২০০৫ সালে কলকাতা উচ্চ আদালত সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে রায় দেয়! কিন্তু মৌলবাদের কণ্ঠ রোধ করা সম্ভব হয়নি! প্রকাশ্য দিবালোকে শহরের পথ অবরোধ করে অগ্নিলীলা, ধিক্কার, সর্বোপরি প্রাণনাশের হুমকি – সব কিছুর জেরে প্রিয় শহর কলকাতা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন লেখিকা!

taslima nasrin

সেই সব স্মৃতি ফিরে এল আবার! পেঙ্গুইন প্রকাশনা সংস্থার সুবাদে! তাদের প্রকাশিত দুই মলাটের ভিতরে ফের জেগে উঠল অক্ষর। তবে জীবনকে দুই ভাষার মাঝে দ্বিখণ্ডিত করেই! মহার্ঘ্য চক্রবর্তীর অনুবাদে ‘স্প্লিট: আ লাইফ’ নামে ইংরেজিতে প্রকাশিত হল তসলিমার সেই আত্মজীবনী।

taslima nasrin

“প্রচুর মানুষ বুঝতে পারে না আমি কী বলি, কেন বলি। ভুল ব্যবস্থা তো সেই লেখালেখির শুরু থেকেই করছে। আমি জানি, কেন করে, একটা অন্ধকার সমাজে বড়ো হলে, মুক্তচিন্তার পরিবেশ না থাকলে যা হয়, তা হয়েছে; অধিকাংশ মানুষ তাদের কুয়ো থেকে বের হতে পারে না।“

‘নির্বাসন’ নামের আত্মজীবনীর সপ্তম খণ্ডে কথাগুলো লিখেছিলেন তসলিমা! এখনও কি তা প্রাসঙ্গিক নয়?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here