Zulma

ওয়েবডেস্ক: ১০ জানুয়ারি থেকেই কলকাতা সাক্ষী থেকেছে দ্বিবেণী-সঙ্গমের। ভারত আর ফ্রান্সের কাব্য-সংস্কৃতির দুই ধারা, বহতা দুই নদী যেমন এক খাতে মিলে যায়, তেমনই মিশে গিয়েছিল অ্যাপিজে ভবনে। রচনা করেছিল জুলমা প্ল্যাটফর্ম। হাইতির লেখক ম্যাকেঞ্জি অর্সেল আর কবি জেমস নোয়েলের উপস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী ফরাসিভাষী কবিদের মিলনমঞ্চে পরিণত হয়েছিল জুলমা। ১৯ জানুয়ারি, শনিবার নোয়েলের উপস্থিতিতে সেই জুলমা মঞ্চ নতুন করে প্রাণ পেল আলিয়াঁজ ফ্রাঁসেজ দু বেঙ্গল-এর কক্ষে। ফরাসি কবিতার তর্জমায় যে অনুষ্ঠানকে বৈদগ্ধ্যের দ্যুতিতে পূর্ণ করলেন অধ্যাপক-লেখক চিণ্ময় গুহ।

আরও পড়ুন: ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে বইমেলায় ফ্রান্সের প্যাভিলিয়ন চমকে দেবে সবাইকে: ফরাসি কনসাল

zulma

তবে এটাই একমাত্র অনুষ্ঠান নয়। সারা বিশ্বব্যাপী অশান্তি আর বিচ্ছিন্নতাবাদের আবহে এতটুকুও টাল খায়নি ভারত আর ফ্রান্সের মৈত্রী। হেসে-খেলে এই দুই দেশ পার করে ফেলেছে বন্ধুত্বের ৭০ বছর। সেই সুবাদেই ফরাসি দূতাবাসের সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিশেষ কিছু শহরে শুরু হয়ে গিয়েছে বুঁজুর ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল। যার সমাপ্তি অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালিত হবে বইমেলার মাঠে। ৪২তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ফোকাল থিম কান্ট্রিও তো ফ্রান্স-ই! সেই বুঁজুর ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালেরই শাখানদী এই জুলমা প্ল্যাটফর্ম।

zulma

যার ইঙ্গিত ধরা দিয়েছে বুঁজুর ইন্ডিয়া-র জেনারেল কিউরেটল ড‌ঃ বার্ট্রান্ড হার্টিংয়ের কথাতেও। “ভারত আর ফ্রান্সের সাহিত্যের তর্জমা নিয়ে বুঁজুর ইন্ডিয়ার যে নির্যাস, তার সঠিক মঞ্চ এই জুলমা-ই! সারা বিশ্বের ফরাসিভাষী কবিরা এই মঞ্চের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে যোগসূত্র গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন”, জানিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here