practice of baguihati nrityangan
বাগুইহাটি নৃত্যাঙ্গনের অনুশীলন দমদম টাউন হলে।

শৌভিক পাল: “অর্থ উপার্জনই শিক্ষা দানের প্রধান লক্ষ্য হতে পারে না” – এমনই আপ্তবাক্যকে পাথেয় করে ১৯৯২ সাল থেকে পথ চলা শুরু বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন-এর। ছোটোদের মধ্যে রবীন্দ্র-নজরুল চর্চাকে বর্তমান সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম করে দেওয়ার প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি মনোনিবেশ করছে প্রথম থেকেই। জানালেন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জয়িতা বিশ্বাস।

জয়িতাদেবীই এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর কথায়, “সংস্কৃতির জগতকে এক অন্য মাত্রা দেওয়ার অবিরাম প্রচেষ্টায় রত বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন। তিনি জানালেন, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গান থেকে বিভিন্ন নৃত্যকলা, আবৃত্তিকে এক মলাটে ধরার এক অনবদ্য প্রয়াস রচনা করে চলেছেন তাঁরা।

practice of baguihati nrityangan at dumdum town hall
বাগুইহাটি নৃত্যাঙ্গনের অনুশীলন।

২৫ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে চলার সঙ্গী হিসাবে নেই কোনো গরিব-বড়োলোকের বিভেদ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন এক অন্য গুরুত্ব বহন করে চলেছে। সংস্কৃতি-চর্চার পাশাপাশি তাই অসহায় মানুষের স্বার্থে বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়ে চলে এই সংস্থা। জয়িতাদেবী বলেন, এটা তাঁর সহজাত অভ্যাস। এ ভাবে এগোলে যে তাঁর সংস্থা আরও বিকশিত হয়ে উঠবে, সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। অনুপ্রেরণা পেয়েছেন মা কৃষ্ণা চক্রবর্তীর কাছে। স্বামী ও মেয়ের কাছে যে সাহায্য পেয়েছেন তাতে এই প্রতিষ্ঠানকে আরও বড়ো করে তুলতে পারবেন বলে আশা করেন জয়িতাদেবী।

জয়িতাদেবী জানান, আগামী ২৮ এপ্রিল দমদম রবীন্দ্রভবনে বিকাল পাঁচটা থেকে আয়োজিত হতে চলেছে সংস্থার উদ্যোগে এক জমাটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। সংস্থার ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের গান-নাচ-নাটকের পাশাপাশি সেখানে থাকছে অন্যান্য মনো়জ্ঞ অনুষ্ঠান। থাকছে গুণীজন সংবর্ধনাও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here