ধূলাগড়: চারপাশে অদ্ভুত এক বিদ্বেষের আবহ। সে আবহ তীব্র না হলেও চোখ-কান খোলা রাখলে তার আঁচ টের পাওয়া যায়। এমনই এক আবহে এ বছর পালিত হল রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন। তাই এবারের ২৫শে বৈশাখ দিনটিতে খুব স্বাভাবিক ভাবে উঠে এসেছে সাম্প্রদায়িকতা, জাতীয়তাবাদের মতো বিষয়গুলি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে আরও জোরদার করতে অভিনব রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী পালন করল ধূলাগড় বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ। হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মানুষজন পরস্পরের হাতে সোনালী সুতো পরিয়ে দিয়ে ছড়িয়ে দিলেন মৈত্রীর বার্তা। প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন এই রাখিবন্ধন উৎসবে। অংশগ্রহণে স্বতঃস্ফূর্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। কলকাতা থেকেও বিশিষ্টজনেরা গিয়েছিলেন এই রাখি উৎসবে অংশ নিতে।

কেন এই রাখিবন্ধন উৎসব? উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বঙ্গভঙ্গ রোধ করতে কবিগুরু রাখিবন্ধন উৎসব করেছিলেন। একই ভাবে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাঙন রোধ করতে এই উৎসবের আয়োজন। সমাজকর্মী মিরাতুন নাহার বলেন, ‘‘এই ধরনের অনুষ্ঠান যা মানুষের মধ্যে শান্তি ও ঐক্যের বার্তা বয়ে আনে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আরও বেশি করে দরকার।’’

1 মন্তব্য

  1. আমরা 15 ই আগষ্ট আবার একটা এরকম প্রোগ্রাম করছি | যেখানে সম্প্রীতির বার্তা থাকবে এবং বিভিন্ন অজানা স্বাধীনতা সংগ্রামী, যাদেরকে অন্ধকারে রেখেই ইতিহাস রচিত হয়েছে তাঁদেরকেও অন্যান্য সংগ্রামীদের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং ওনাদের সংগ্রামী জীবন কাহিনীর বই প্রকাশ করা হবে | ‘ধর্ম বর্ণ জাতির উর্ধ্বে জাগোরে নবীণ প্রাণ’ নাম দেওয়া হয়েছে ওই দিনের প্রোগ্রামের |

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here