ইয়েতি অভিযান নিয়ে রাকা রায়ের সঙ্গে আড্ডা দিলেন সৃজিত। সঙ্গে চলল কবজি ডুবিয়ে খানাপিনা।

প্রশ্ন: সৃজিত খেতে ভালোবাসে সবাই জানে কিন্তু কী খেতে বেশি ভালো লাগে?

উত্তর: আমি সব খাবার খেতে ভালোবাসি। নানা দেশের খাবার টেস্ট করতে ভালো লাগে ।

প্রশ্ন: খাবারে অ্যালার্জি আছে?

উত্তর: না, আমি সবই খাই। তবে বেগুনে অ্যালার্জি আছে। আর রুই খাই না কারণ রুইয়ের মধ্যে সেই আভিজাত্যটা পাই না যেটা ইলিশ বা চিংড়িতে আছে।

প্রশ্ন: কাকাবাবুর শুটিং-এর সঙ্গে খাওয়াদাওয়ার একটা সম্পর্ক ছিল না?

উত্তর: আসল সবাই জানে আমি খাবার নিয়ে খুব পাংচুয়াল। তাই যেখানেই শুটিং করেছি খাবার ব্যবস্থা দেখে নিয়েছি। সুইৎজারল্যান্ডে গিয়ে ক’দিন চিজ দেওয়া খাবার খেয়ে মুখ মেরে গিয়েছিল। তাই একটা ভালো চাইনিজ রেস্তোরাঁ খুঁজে মন ভরে খেয়েছি।

প্রশ্ন: কী কী খেয়েছ?

উত্তর: দু’রকম কুমির , শুয়োর মানে পর্ক, কাঁকড়া, অক্টোপাস, সাপ। আরশোলাটা বাকি আছে। বাকি সব খেয়েছি ।

প্রশ্ন: সব থেকে কোনটা খেতে ভালো?

উত্তর: ঘোড়ার মাংস দারুণ টেস্টি। হাঁস মুরগি পাখি ছাগল বিফ্ – আর বললাম না।

প্রশ্ন: এ বার বেড়াতে গিয়ে কী টেস্ট করলে?

উত্তর:  কোথায় যেন গেছিলাম! (হাসি) মনে পড়েছে। ইটালি। ওখানে ঘোড়া  খেলাম। কাকাবাবুরর শুটে সুইৎজারল্যান্ডেও ঘোড়া খেয়েছি।

প্রশ্ন: ইয়েতি অভিযান ছবির চমক কী?

উত্তর: এমন সব দুর্লভ জায়গায় শুট করেছি যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় দেখলে বুঝতেন তার কল্পনাকে কী ভাবে সিনেমায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে এর জন্য যেমন প্রযোজক সাহায্য করেছেন তেমনি অভিনেতারাও করেছে। ট্রেকিং করে লোকেশন-এ পৌঁছেছে।

প্রশ্ন: গল্প তো সবার জানা। কিছুটা কি পরিবর্তন করা হয়েছে?

উত্তর: না, গল্পতে হাত দিইনি। তবে সন্তুকে একটু ম্যচিওর দেখিয়েছি। আরিয়ান খুব ভালো মার্শাল আর্ট করে। সেটা দেখিয়েছি।

প্রশ্ন: ছবিতে গান তো রয়েছে?

উত্তর: হ্যাঁ। তবে অনেক দিন পর আমি গান লিখেছি। সেই গানটাও রয়েছে।

প্রশ্ন: বুম্বাদার কাজ কেমন হল? তোমাদের জুটি তো হিট।

উত্তর: বুম্বাদার কোনো বিকল্প হবে না। যে ডেডিকেশন রয়েছে কাজে, লোকেদের ভালো লাগবেই।

প্রশ্ন: পুজোয় সৃজিত-এর ছবি নিয়ে দর্শকদের একটা প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু এখন তো ছবির কার্নিভাল চলে। বাংলা ছবি কি এই রিস্কটা অ্যাফর্ড করতে পারে?

উত্তর: সেই আমার ছবি তো থাকতই। তবে সাতটা ছবি এক সঙ্গে মুক্তি পেলে ব্যবসার ক্ষতি। এখন বরঞ্চ বছরের অন্য সময়ে ছবি মুক্তি পেলে স্কোপ বাড়ে, দেখার হল ভাগাভাগি কম হয়। তবু সবারই ইচ্ছে হয় পুজোর সময়ে ছবি আনার। তবে অনেক ছবি এক সঙ্গে মুক্তি পেলে দেখার স্কোপ কমে যাবে কারণ হল তো বেশি নেই। শো বেশি পাবে না ।

প্রশ্ন: নতুন ছবির কাজ?

উত্তর: হ্যাঁ। উমার কাজ নিয়ে শুরু হবে। এই রিলিজটা হোক।

প্রশ্ন: দর্শকদের কী বলবে?

উত্তর: ছোটোরা পুজোর ছুটিতে বাবা-মার হাত ধরে হলে এসে ছবিটা দেখো। চমক অপেক্ষা করছে।

প্রশ্ন: যিশু ছবিতে কী বিশেষ চরিত্র করছে?

উত্তর: না। ওকে দিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করলেও ইয়েতি বানাইনি (হাসি)। দর্শকরা হলে এসেই দেখুক।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন